রাবিতে নূর হোসেন দিবস পালন করেনি প্রশাসন ও ছাত্রলীগ « বিডিনিউজ৯৯৯ডটকম

রাবিতে নূর হোসেন দিবস পালন করেনি প্রশাসন ও ছাত্রলীগ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ নভেম্বর, ২০২৩ | ৩:৩৯
ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ নভেম্বর, ২০২৩ | ৩:৩৯
Link Copied!

আজ (১০ নভেম্বর) ঐতিহাসিক নূর হোসেন দিবস। ১৯৮৭ সালের এই দিনে তৎকালীন স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মিছিলে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান নূর হোসেন।‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’ স্লোগান বুকে ও পিঠে ধারণ করে এই দিন মিছিলের অগ্রভাগে ছিলেন তিনি।

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় জাতীয় এ দিবসটি মাইল ফলক হয়ে থাকলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে তা পালিত হয়নি । বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দিবসটি পালিত হয়েছে কিনা জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রশাসন দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পান্ডে বলেন, ‘দিবসটি পালিত হচ্ছে না, আমার জানামতে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে এরকম কোন প্রোগ্রাম নেই আজকে। ‘

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান-উল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমি জানিনা, আমাকে একটু ফোন করে জেনে নিতে হবে, তবে আমার জানামতে দিবসটি পালিত হচ্ছে না।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দিবসটি পালিত হচ্ছে না সেটি জনসংযোগ দপ্তর থেকে পত্রিকার প্রতিনিধিকে নিশ্চিত করা হয়েছে জানালে উপ-উপাচার্য বলেন, ‘আমি জনসংযোগ দপ্তরেই জিজ্ঞেস করে খোজ নিতাম। এটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক হয়ে থাকলেও ম্যানুয়ালি এ প্রোগ্রামগুলো আয়োজন করে জনসংযোগ ও রেজিস্টার দপ্তর, তারা উদ্যোগটা নেয়। তারপরও এই না হওয়ার বিষয়টা আমার মাথায় থাকলো, আমি জিজ্ঞেস করবো তাদের।’

দিবসটি পালিত না হওয়ার বিষয়টিকে কিভাবে দেখছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে উপ-উপাচার্য বলেন, আমাদের উচিত সব গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো পালন করা। যেসব ঘটনা থেকে আমাদের অস্তিত্ব তৈরি হয়েছে। আমাদের স্বাধীনতা তৈরি হয়েছে এবং বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা তৈরি হতে যাচ্ছে, তার সবই স্মৃতিতে রাখা এবং বাস্তবায়ন করা আমাদের উচিত।

বিজ্ঞাপন

এদিকে দিবসটি ঘিরে কোন কর্মসূচি হাতে নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবু বলেন, ‘আমাদেরকে কেন্দ্র থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি এবং এখন পর্যন্ত কোন প্রোগ্রামের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি, আমরা জুমা’র নামাজের পরে বসবো বিষয়টি নিয়ে।’

উল্লেখ্য, দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। নূর হোসেনের সংগঠন যুবলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন সারা বাংলাদেশে বিস্তারিত কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

বিষয়ঃ: