দীর্ঘদিন বেতন আটকে রাখা, বকেয়া বেতন পরিশোধ না করাসহ তাফরিদ কটন মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোঃ সামিউল ইসলাম সম্পর্কে নানা বিতর্ক ও অভিযোগ করেছেন তারই প্রতিষ্ঠানের স্টাফরা।
স্টাফদের ভাষ্য অনুযায়ী, “জীবনের শুরুতে একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করলেও, পরবর্তীতে তিনি হন কোম্পানির মালিক। নিজের শ্বশুর ব্যাংকের বড় কর্মকর্তা হওয়ায় মোটা অঙ্কের ঋণ নেন। কিন্তু সে টাকা আর কখনো পরিশোধ করতে হয়নি তাকে। এভাবেই শেখ মোঃ সামিউল ইসলাম কয়েকটি কোম্পানির মালিক।”

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা জানান, স্টাফদের সাথে দুর্ব্যবহার, বেতন আটকে রাখা তার নিয়মিত কাজ ছিলো। বিশেষ করে কোনো কর্মকর্তা একাধারে কয়েক মাস চাকরি করতে পারতো না সেখানে। বেতন আটকে কৌশলে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করা হতো তাদেরকে।

তাফরিদ কটন মিলের স্টাফদের অভিযোগ, এমডি সামিউল ইসলাম স্টাফদের নামমাত্র বেতন থেকে ঠিকই সরকারের কর বাবদ টাকা কেটে রাখেন। কিন্তু তিনি কখনো সরকারের কোষাগারে তা জমা দেন না। অভিযোগ রয়েছে জাতীয় আয়কর বিভাগের অনেকের সাথে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। কৌশলে সে সরকারকে কর না দিয়ে বছরের পর বছর ফাঁকি দিচ্ছে।
এমডি সামিউল ইসলামকে তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগের বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি। তবে তার অফিসের কেয়ারটেকারকে তিনি সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
সামিউল ইসলামের প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি, এযাবতকালে যতো স্টাফদের বেতন আটকে রাখা হয়েছে তাদের প্রত্যেকের বেতন পরিশোধ করা হোক।

স্টাফ রিপোর্টার:
প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ । ১:১৮ পূর্বাহ্ণ