খুঁজুন
বুধবার, ৭ মে, ২০২৫, ২৪ বৈশাখ, ১৪৩২

‘২০২৫ সাল নাগাদ সরকারি নির্মাণে পোড়া ইট ব্যবহার বন্ধ হবে’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৪, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
‘২০২৫ সাল নাগাদ সরকারি নির্মাণে পোড়া ইট ব্যবহার বন্ধ হবে’

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ২০২৫ সাল নাগাদ সকল সরকারি নির্মাণে পোড়ানো ইটের ব্যবহার বন্ধ হবে। তিনি আরো বলেন, সরকারি অফিসে ইতোমধ্যে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে যেন নির্মাণ কাজে পোড়ানো ইট ব্যবহার না করা হয়। সরকারই হচ্ছে নির্মাণ কাজে ইটের সবচেয়ে বড় গ্রাহক। রাস্তাঘাট ও ভবন নির্মাণে সরকার ইট ব্যবহার করে থাকে। বড় বড় কাজে ইট ব্যবহার হয়ে থাকে।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বাসস-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা জানান। উপদেষ্টা বলেন, সরকারকে পোড়ানো ইটের বিকল্প ব্যবস্থায় যেতে হবে। সরকার চাহিদা পত্র দিলেই এর সমাধান হতে পারে। তিনি বলেন, পরিবেশ দূষণের অন্যতম কারণ ইটভাটা। এটি বন্ধের বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। দেশের নতুন ইটভাটার ছাড়পত্র দেয়া হবে না।

৩৪৯১ টি ইট ভাটার পরিবেশ ছাড়পত্র না থাকায় তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হবে। অন্যদিকে জেলাগুলোতে অবৈধভাবে স্থাপিত ইটভাটাকে জনস্বার্থে অন্য স্থানে সরিয়ে নেয়া হবে। তবে ব্লক ইট তৈরির কাজে প্রয়োজনে প্রণোদনা দেবে সরকার।

তিনি বলেন,নতুন কোন ইটভাটার অনুমোদন দেয়া হচ্ছে না। যেকোনো ফর্মেই হোক না কেন আমরা ইটভাটার অনুমোদন দিচ্ছি না। যে সমস্ত এলাকা থেকে ইটভাটার দূষণ নিয়ে অভিযোগ আসছে আমরা সেইসব এলাকার ইটভাটা বন্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি।

তবে তিনি বলেন, জিগজ্যাগ ইটভাটাতে আপাতত আমরা কোন অভিযান চালাচ্ছি না কারণ অনেকেই জিগজ্যাগ ইটভাটায় ইনভেস্ট করেছে। আমরা এসব ইটভাটার মালিকদেরকে সতর্ক করে কমিটি গঠন করে দিয়েছি যাতে তারা নিয়ম-নীতি মেনে ইট উৎপাদন করে। এলাকা এবং কমিটি যদি পরিদর্শন কালে কোন অনিয়ম খুঁজে পায় তাহলে এসব ইটভাটা ভেঙে দেয়া হবে।

পরিবেশ দূষণে পলিথিনের ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, (৩ নভেম্বর) থেকে নিষিদ্ধ পলিথিন বা পাইলিং শপিং ব্যাগের বিরুদ্ধে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন শপিংমলে পলিথিন ব্যবহার বন্ধেও নানা কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করতে (৩ নভেম্বর) থেকে (১৩ নভেম্বর) পর্যন্ত সারাদেশে পলিথিন উৎপাদন, বিক্রি, সরবরাহ ও বাজারজাত করার দায়ে ১২৪টি মোবাইল কোড অভিযান পরিচালনা করে ২৬৮ টি প্রতিষ্ঠানকে ১২ লাখ ৫২ হাজার ১ শত টাকা জরিমানা আদায় এবং ২৬৮৭১. ৬ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়েছে।

হর্ন জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি স্বরূপ একথা উল্লেখ করে সৈয়দা রিজোওয়ানা হাসান বলেন, হর্নের আওয়াজ বন্ধ করাটা আমি জাতীয় কর্তব্য বলে মনে করি। কারণ এই হর্নের কারণে বহু মানুষ বধির হয়ে যাচ্ছে, তাদের শারীরিক অসুস্থতা বাড়ছে। কোন মধ্যম আয়ের দেশে এ ধরনের কার্যক্রম মেনে নেয়া যায় না।

তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এরই আওতায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও তৎ সংলগ্ন এলাকায় যানবাহনের হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ করে এসব এলাকা হর্নমুক্ত এলাকা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।

তিনি জানান, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে রাজধানী ঢাকার ১০টি রাস্তা হর্নমুক্ত ঘোষণা করা হবে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে হর্নমুক্ত নীরব এলাকা ঘোষণা করা হবে। তিনি আরো বলেন, যেমন করেই হোক,গাড়ির হর্ন বন্ধ করা হবে। চালক কিছু হওয়ার আগেই হর্ন দেয়। এ অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

তিনি বলেন, একদিনে এই সমস্যার সমাধান হবে না। তবে একটু হলেও আশা জেগেছে যে সরকার অবস্থান নিচ্ছে। আগামী ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফোন বন্ধ করার একটা ক্যাম্পেইন চালু করব আমরা।

তিনি বলেন, ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টে অভিজ্ঞ তরুণদেরকেও রাস্তায় হর্ন বন্ধ করার কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা হবে। হর্ন বন্ধ করতে জনসচেতনতার বিকল্প নেই। সবাই সচেতন হলে হর্নমুক্ত নীরব বাংলাদেশ করা সম্ভব হবে।

সৈয়দা রিজওয়ানা বলেন, এখন জনগণের মধ্যে সচেতনতা বেড়েছে কিন্তু আইনের ছোট্ট গ্যাপ, থাকায় আমরা কিছু সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। আইনের এক জায়গায় বলা হয়েছে, নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো যাবে না। কিন্তু নীরব এলাকায় হর্ন বাজালে কী শাস্তি হবে? ওই শাস্তির ধারায় গিয়ে এটাকে আবার ইনক্লুুড করা হয়নি। এ আইন সংশোধন করে শাস্তি যুক্ত করতে হবে।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, কিছু যানবাহন ব্রেক করে গতি নিয়ন্ত্রণ করে না। হর্ন বাজিয়ে চলে। হর্নের কারণে সড়ক দুর্ঘটনাও একটি বড় কারণ। সুতরাং হর্ন বন্ধ করলে সড়ক দুর্ঘটনাও কমতে পারে। দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন নিয়ে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, সেন্ট মার্টিন ও পর্যটন শিল্পকে একসঙ্গে রক্ষা করতে বিভিন্ন উদ্যোগ ও পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।

তিনি বলেন, সেন্ট মার্টিন নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ওই নরম ভূখণ্ডে কেউই কোন সামরিক ঘাঁটি করতে পারবে না। এখন যারা সেন্ট মার্টিন নিয়ে আন্দোলন করছেন তারা হলেন জাহাজ মালিক ও হোটেল মালিক। তারা ওখানকার স্থানীয় মানুষকে উসকে দিচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, ‘এই যে পর্যটন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে বলা হচ্ছে তা কিন্তু একদিনের সিদ্ধান্ত নয়। বিভিন্ন সময়ে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোই পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় আমরা সীমিত পরিসরে বিধিনিষেধ আরোপ করছি। নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে সেন্ট মার্টিনে পর্যটন কার্যক্রম চলবে। কাজেই পর্যটন যে বন্ধ-এ কথাটা তো ঠিক নয়। মিথ্যা প্রচারণা।’

রিজওয়ানা হাসান বলেন, জনসচেতনতা ও জীববৈচিত্র রক্ষায় সেন্ট মার্টিনে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক মুক্ত করতে আমরা কাজ করছি। ২০২৩ সালে সেন্ট মার্টিন বন্ধ ছিল কিছু সময়। তখন তো কেউ প্রতিবাদ করেননি। এখন এমন কথা বলা হচ্ছে যে সেন্ট মার্টিনে দুর্ভিক্ষ হবে। হীন ব্যক্তিস্বার্থে কেউ কেউ এসব বিভ্রান্তিকর কথা ছড়াচ্ছে।

তিনি বলেন, সেন্ট মার্টিন নিয়ে কোন বিভ্রান্তি নেই। এই বিভ্রান্তিগুলো রাজনৈতিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, দেশের ৬৪ জেলায় ডিসিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল দু মাসের মধ্যে অন্তত একটি নদী দূষণমুক্ত করতে হবে। তারা সময় ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা দেবে। (৪ নভেম্বর) দুই মাস শেষ হয়েছে। এর মধ্যে কিছু জায়গার ডিসি পরিবর্তন হয়েছে। (১১ নভেম্বর) পর্যন্ত আমরা ৬৩টি জেলার কর্মপরিকল্পনা পেয়েছি। শুধুমাত্র রাঙ্গামাটি জেলার ডিসি মহোদয় জানিয়েছেন তাদের রাঙ্গামাটি জেলার নদীগুলো দূষিত নয়।

তিনি জানান, ঢাকাসহ সারাদেশের নদ-নদী ও খাল খনন ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা করতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানসহ দেশের কিছু জায়গায় নদী ও খাল খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং তা চলমান রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে শহরে যেকোনো একটা নদীকে দূষণমুক্ত করতে দেশের নদ ও নদী সমূহের দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে বিভিন্ন মেয়াদে কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। জনগণও নদী ও খাল খননে স্বেচ্ছাসেবক হয়ে কাজ করছে।

কপ২৯ সম্মেলন নিয়ে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, এ সম্মেলন নিয়ে আমাদের অবস্থানটা খুবই স্পষ্ট। বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব ব্যাংক অর্থ সাহায্য দেবে বলেছে। বাংলাদেশের থেকে এই সম্মেলনে বলা হয়েছে ১০০ বিলিয়ন ডলারের যে টার্গেটটা ছিল তা সম্পূর্ণ করতে। কারণ এ টার্গেট থেকে তারা এক চতুর্থাংশ ফান্ড দিয়েছে।

জলাবদ্ধ ভবদহ নিয়ে তিনি বলেন, ২০০৫ সাল থেকে ভবদহ বিল নিয়ে কাজ করেছি। ২০২৪-এ এসে এখনো ভবদহ বিল নিয়ে কোন সমস্যার সমাধান হয়নি।

এটাকে জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা করা উচিত ছিল। এখানে আমরা চেষ্টা করছি আপাতত পানি কমিয়ে আনতে। সেখানকার মানুষকে বাঁচাতে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের মাইক্রোক্রেডিট রেগুলারিটি অথরিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা বলেছে, ওখানে ঋণ আদায় স্থগিত রাখবে। পরে এটি শিথিল করে দেয়া হবে।

তিনি বলেন, জলাবদ্ধতায় থাকা মানুষদের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের জন্য বলা হয়েছে। সেখানকার সার্বিক পরিস্থিতি জানতে জুম মিটিং করব।

উপদেষ্টা বলেন, ভবদহের সমস্যার সমাধানে এবার শুধু পানি উন্নয়ন বোর্ডের দিকে তাকিয়ে থাকব না। বুয়েট আহসানুল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে কমিটি গঠন করে দেওয় হবে। প্রয়োজনে বিদেশ থেকেও বিশেষজ্ঞ এনে এর কারণ নির্ণয় করা হবে।

সিরাজগঞ্জে সুস্বাস্থ্যের জন্য ফলিত পুষ্টি বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

রেজাউল করিম স্টাফ রিপোর্টার, সিরাজগঞ্জ
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ মে, ২০২৫, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
সিরাজগঞ্জে সুস্বাস্থ্যের জন্য ফলিত পুষ্টি বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে ২০২৪-২৫ খ্রিঃ অর্থবছরে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল এন্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ এন্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ” (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় “পার্টনার কংগ্রেস” অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার (৭ মে) সকাল হতে দুপুর পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে  উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বগুড়া অঞ্চল, বগুড়ার সিনিয়র মনিটরিং অফিসার কৃষিবিদ মাসুদ আহমেদ। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত  উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ মোঃ মশকর আলী, সাবেক উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ আরশেদ আলী, সাবেক অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ মিজানুর রহমান প্রমুখ।  এ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন,  সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ আনোয়ার সাদাত।

   এ সময়ে সন্মানিত অতিথি হিসেবে  উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা কৃষি অফিসের অতিরিক্ত কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শর্মিষ্ঠা সেন গুপ্তা, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ সাইদী রহমান, কৃষিবিদ মারুফা আক্তার প্রমুখ।  অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন পার্টনার প্রকল্পের ৩০ জন পিএফএস সদস্য, ৩০ জন নন পিএফএস সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গন্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক, সরকারী কর্মকর্তা ও বেসরকারী সংস্থার প্রতিনিধিসহ সর্বমোট ১০০ জন।

উক্ত পার্টনার কংগ্রেসের উদ্দেশ্য পিএফসএস-এ প্রশিক্ষিত কৃষকদের প্যাকেজ প্রযুক্তিগুলোর জ্ঞান, দৃষ্টিভঙ্গী ও ধারণা প্রকল্প এলাকার অন্যান্য নন-পিএফএস কৃষক-কৃষাণীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া। উদ্ভাবিত নতুন প্রযুক্তি, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, খাদ্য ও পুষ্টি, কৃষি-পন্য মূল্য শৃঙ্খল তৈরী ইত্যাদি গ্রহণ করানোর কার্যকর ব্যবস্থা করা। সকল পিএফএসকে র্ফামার সার্ভিস সেন্টারে পরিণত করার যাবতীয় সাংগঠনিক দক্ষতা প্রদান করা। পার্টনার প্রযুক্তি ও কলাকৌশলসমূহের টেকসহিতা প্রদান করা। দিন ব্যাপী এই অনুষ্ঠান উৎসবমূখর পরিবেশের মাধ্যমে সমাপ্ত করা   হয়।

পাইকগাছায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ২

খুলনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ মে, ২০২৫, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ২

আজ ৭ই মে (বুধবার)খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বোয়ালিয়া ব্রিজের সংযোগ সড়কে সকালে মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত মোটরসাইকেলের আরোহী উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের মঠবাটী গ্রামের মোঃ ফিরোজ মোড়ল(২৫) নিহত হয়েছে।

জানা যায়, নিহতের পিতা মোঃ ইসলাম মোড়ল (ভুট্টো) একজন দিনমজুর। দুর্ঘটনার পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।

কিন্তু নিহত মোঃ ফিরোজ মোড়ল এর অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মা’রা গেছেন। এর রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মরদেহ নিহতের বাড়িতে দাফনের প্রস্তুতি চলছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।

জমি নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে শিক্ষক নিহত

শরীয়তপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ মে, ২০২৫, ৪:৫৮ অপরাহ্ণ
জমি নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে শিক্ষক নিহত

শরীয়তপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সুজন সাহা (৪৫) নামে এক শিক্ষক নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৬ মে) আনুমানিক দুপুর ১২টার দিকে শরীয়তপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড দক্ষিণ মধ্যপাড়া গ্রাম মনোহরবাজার হরিসভা সংলগ্ন এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুজন সাহা ওই গ্রামের মৃত হরিদাস সাহার ছেলে। তিনি শরীয়তপুর পৌরসভার আংগারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী (আইসিটি)শিক্ষক ছিলেন।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়,সুজন সাহারা তিন ভাই, অঞ্জন সাহা ও চঞ্চল সাহার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার শান্তি সাহার জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে আদালতে মামলা মোকদ্দমা চলছে। ঝামেলা ওলা জমিতে বেড়া দেওয়া ও গাছ তুলে ফেলাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দুপুরে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এসময় প্রতিপক্ষের আঘাতে মাথায় গুরুতর জখম হয় সুজন সাহার। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। ঢাকা নেওয়ার পথে বিকাল ৩টার দিকে সুজন সাহা মারা যান। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সুজন সাহার ভাই অঞ্জন সাহা বলেন, ‘শান্তি সাহার সঙ্গে আমাদের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলছে। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। শান্তি সাহা বিরোধপূর্ণ জমিতে বেড়া দেন এবং আমাদের গাছ কেটে নিয়ে যান। এর প্রতিবাদ করায় শান্তি সাহা, শান্তি সাহার ছেলে সুদর্শন সাহা, ভাতিজা সনদ সাহা ও ভাইয়ের স্ত্রী শংকুরি সাহা মিলে আমার ভাই সুজন সাহাকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। আমি আমার ভাই হত্যার বিচার চাই।’

পালং মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মো. আবির হোসেন বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক স্কুল শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। আসামিদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।