খুঁজুন

ইতিহাসে অবিস্মরণীয় নাম মওলানা ভাসানী: তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৪, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
ইতিহাসে অবিস্মরণীয় নাম মওলানা ভাসানী: তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, মওলানা ভাসানী আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম। সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশবাদ ও আধিপত্যবাদবিরোধী সংগ্রামের প্রবাদ পুরুষ ছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী।

রোববার (১৭ নভেম্বর) মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া পোস্টে জনাব তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

তারেক জিয়া বলেন, মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আমি তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি।

তিনি বলেন, মওলানা ভাসানী দেশমাতৃকার মুক্তির পথ প্রদর্শক হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি জনতার ন্যায্য অধিকার আদায়ের সংগ্রামে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ছিলেন এক আলোকবর্তিকা।

বিএনপির এই কর্নধার বলেন, ভাসানীর অবস্থান ছিল শোষণের বিরুদ্ধে এবং শোষিতের পক্ষে। অধিকার আদায়ে তিনি এদেশের মানুষকে সাহস জুগিয়েছেন তার নির্ভীক ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে। তার হুংকারে অত্যাচারী শাসক ও শোষক গোষ্ঠীর মসনদে কম্পন সৃষ্টি হতো। জাতীর ভয়াবহ দুর্দিনগুলোতে তিনি জনস্বার্থের পক্ষে থাকতেন বলেই জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছিলেন।

তিনি বলেন, তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে উপমহাদেশের নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের পক্ষে আপসহীন ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়েছেন।

ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমান আরও উল্লেখ করেন, অসহায় মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় মওলানা ভাসানী সবসময় আমাদের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন। তার অগাধ দেশপ্রেম, দেশ ও জাতির স্বার্থ রক্ষা এবং গণতন্ত্র ও মানবতার শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে যুগ যুগ ধরে আমাদের অনুপ্রাণিত করবে। তার আদর্শকে সঠিকভাবে অনুসরণ করতে পারলেই আমরা আমাদের অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হব।

ভূঞাপুরে বালুর ট্রাক আটক করে ওসির বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ
ভূঞাপুরে বালুর ট্রাক আটক করে ওসির বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানার ওসি এ কে এম রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে বালুর ট্রাক আটক করে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘুমের টাকা না পেয়ে উল্টো মামলা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জড়িতদের শাস্তির দাবি করেছেন। ভুক্তভোগী রিপন খন্দকার ঘাটাইল উপজেলার বাসিন্দা।

বিজ্ঞাপন
ট্রাক মালিক রিপন খন্দকার বলেন, গত ৪ অক্টোবর রাতে ভূঞাপুর উপজেলার মাটিকাটা থেকে মোটাবালু কিনে ট্রাকে করে ঘাটাইলের একটি অফিসের ঘর নির্মান কাজের জন্য নিয়ে আসছিলো। পথিমধ্যে ট্রাকটি ভূঞাপুর রেল ক্রসিংয়ের সামনে পৌঁছালে ওসির বহনকারী গাড়ি থেকে একজন নেমে এসে আমার ট্রাক চালককে বলে ওসি সাহের কথা বলবে। পরবর্তীতে ট্রাকটি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় ট্রাক চালক বিষয়টি আমাকে অবগত করলে আমি থানায় গিয়ে ওসির সাথে যোগাযোগ করি।

তিনি আরো বলেন, বৈধভাবে ট্রাকে করে বালু আনার কথা বললে ওসি বলে ‘১০ চাকার গাড়িতে বালু উঠলে সেটি ভিটি বালু, তা আন লিগ্যাল।’ এক পর্যায়ে তিনি আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে করেন। টাকা না দিলে গাড়ি ‘ছাড়বে না’ বলে জানান ওসি। পরে আমরা টাকা না দিয়েই চলে আসি৷ পরবর্তীতে জানতে পারি পরদিন বিকেলে ২৫ হাজার টাকার মামলা দেয়া হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ঘুষের টাকা না দেয়ার কারণে মামলা দেয়া হয়। মামলার ২৫ হাজার টাকা দেয়ার পরে থানা থেকে ট্রাকটি ছেড়ে দেয়৷ আমি এ ঘটনায় বিচারের দাবি করছি৷ দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যবসার সাথে জড়িত আমি।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার ওসি এ কে এম রেজাউল করিম বলেন, রাতেই ওই ট্রাকের মালিক আমার কাছে এসেছিলেন । আমি মালিককে বৈধ কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেছিলাম। পরবর্তীতে তিনি আর কোন কাগজপত্র নিয়ে আসেনি। পরে মামলা দেয়া হয়। তিনি মামলার জরিমানার টাকা নিয়ে ট্রাকটি নিয়ে যায়।

‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’, আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামায়াত আমীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’, আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামায়াত আমীর

‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’- মন্তব্য করে গ্রেপ্তার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে শফিকুর রহমান লেখেন, বিমানবন্দরে যাত্রী সাধারণের দুর্ভোগ-ভোগান্তি, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা, অনিয়ম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আখতারুজ্জামান আওয়াজ তুলেছেন। কার্যত তিনি ভুক্তভোগী যাত্রী সাধারণ, বিশেষ করে বিদেশফেরত প্রবাসীদের প্রতিবাদের কণ্ঠে পরিণত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, তার এই প্রতিবাদকে আমলে নিয়ে দুর্বলতাগুলো সংশোধন করার পরিবর্তে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এমনকি দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে জনসম্মুখে অপমানিত করার নানা হীন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘জনগণ অন্ধ নয়, সবই দেখছে।’ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আখতারুজ্জামান বীরত্বের প্রমাণ দিয়েছেন এবং ভুক্তভোগী মানুষের হৃদয়ের বীরে পরিণত হয়েছেন বলেও দাবি করেন জামায়াতের আমীর।

শেষে আখতারুজ্জামানের জন্য দোয়া করে শফিকুর রহমান লেখেন, ‘আল্লাহ তায়ালা তার সম্মান বৃদ্ধি করুন। আমীন।’

এর আগে গত ১ অক্টোবর বিমানবন্দরে অব্যবস্থাপনা, লাগেজ ট্রলির সংকট, লাগেজ পেতে বিলম্ব এবং জমজমের পানি না আসাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি হুমকি-ধামকির পর্যায়ে পৌঁছায়।

পরে বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হেনস্তার অভিযোগে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

পরদিন শনিবার প্রিজনভ্যানে করে তাকে ঢাকার সিএমএম আদালতে নেওয়ার সময় মাথায় নিরাপত্তা হেলমেট পরানো হয়। আদালতে নেওয়ার সময় হেলমেট পরার প্রতিবাদ করেন আখতারুজ্জামান। পরে তিনি হেলমেট খুলে ফেলে দেন।

প্রিজনভ্যান থেকে নামার সময় তিনি বলেন, ‘আমি হেলমেট পড়বো না। আমাকে অন্যায়ভাবে-অবৈধভাবে হেলমেট পরানো হচ্ছে। আমি আওয়ামী লীগ না। হালের হেলমেট এখন আওয়ামী লীগের ফ্যাশন হয়েছে। আমাকে হাতকড়া পরান।’ এরপর দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য তার হাতে হাতকড়া পরান।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পরই ইরানে মার্কিন সেনা!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পরই ইরানে মার্কিন সেনা!

ইরানের বিপক্ষে বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে নভেম্বর মাসে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে সেনা মোতায়েনের বিষয় বিবেচনা করছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। গালফ নিউজের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট মনে করেন ইরানে সেনা পাঠানোর ক্ষেত্রে তার ‘হারানোর কিছু নেই’। ট্রাম্পের একাধিক হুমকি ও সেনা মোতায়েন নিয়ে অবশ্য তেমন উদ্বিগ্ন নয় ইরান। দেশটির মেহের নিউজের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন হামলার কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

গত শুক্রবার রাতে এক জনসভায় ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধও করে দেয়, তবুও ইরানের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে লেগে যাবে কয়েক বছর। ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমরা আগামীকালই চলে আসতে পারি; কিন্তু তাদের যে ক্ষতি করেছি, তা পুষিয়ে উঠতে তাদের কয়েক বছর সময় লাগবে। কারণ, তারা কোনো সমঝোতায় আসতে চায়নি। তারা তাদের চাল চেলেছিল; তবে তারা অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছিল।’

এরই মধ্যে ইরানের কাছাকাছি মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্র তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টের নেতৃত্বে একটি স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন করছে বলে আলজাজিরাকে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ অষ্টম মাসে গড়িয়েছে এবং উভয় পক্ষ সংঘাতের তীব্রতা বাড়ানো কিংবা কূটনৈতিক আলোচনার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

ইরানে নতুন করে সেনা মোতায়েন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র এক মাস আগে পাঠানো হচ্ছে আরও হাজার হাজার সেনা। দেশটির আশপাশে নতুন করে প্রায় ১০ হাজার সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন। একজন মার্কিন কর্মকর্তা আলজাজিরাকে জানিয়েছেন, ‘ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট’ ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপটি গত রবিবার স্যান ডিয়েগো ঘাঁটি থেকে ওই অঞ্চলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। এর ঠিক এক দিন পর ‘মার্কিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট’ (এমইইউ), যেটিতে ২ হাজারের বেশি মেরিন সেনা রয়েছেন, সেটিও একই পথে যাত্রা করেছে। ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’- এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই স্ট্রাইক গ্রুপ ও নৌবাহিনীর মোতায়েন প্রক্রিয়ায় সব মিলিয়ে যুক্ত হতে পারে অতিরিক্ত ৯-১০ হাজার মার্কিন সেনা। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ ও অন্যান্য জাহাজে নিয়োজিত নাবিক ও মেরিন সেনাও।

জবাব দিতে প্রস্তুত ইরান
যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ‘ট্রিগারে আঙুল রেখে’ হামলার জবাব দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে তারা। মেহের নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র বা আঞ্চলিক হুমকি, আগ্রাসন কিংবা ভুল পদক্ষেপের মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত আইআরজিসি। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা এবং অবস্থান সম্পর্কে আইআরজিসির কাছে বিস্তারিত গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে এবং যেকোনো উসকানির জবাবে তারা “অত্যন্ত কঠোর, তাৎক্ষণিক, বেদনাদায়ক এবং ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ২’-এর চেয়েও অধিক প্রাণঘাতী” পাল্টা ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ২’ ছিল ২০২৪ সালের অক্টোবরে ইসরায়েলের ওপর ইরানের চালানো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। সে সময় তেহরান নিক্ষেপ করেছিল প্রায় ২০০টি ক্ষেপণাস্ত্র। আইআরজিসি স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, নতুন কোনো সংঘাতের ঘটনা ঘটলে তার জবাবে যে পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা ওই হামলার চেয়েও অনেক বড় ও অধিক প্রাণঘাতী হতে পারে।

ভূঞাপুরে বালুর ট্রাক আটক করে ওসির বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ ‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’, আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামায়াত আমীর মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পরই ইরানে মার্কিন সেনা! সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াংসহ চার বারে অভিযান একযোগে ১১ পুলিশ কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি