খুঁজুন

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: প্রত্যাবর্তনের পর সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ

আমির আল হামজা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: প্রত্যাবর্তনের পর সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কিছু দল কেবল একটি রাজনৈতিক সংগঠন নয়; তারা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসেরই একটি দীর্ঘ অধ্যায়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি তেমনই একটি নাম। ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, একদলীয় ব্যবস্থা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংকট, সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা এবং অর্থনৈতিক দুরবস্থার মধ্য দিয়ে দেশ তখন একটি অনিশ্চিত সময় পার করছিল। তখন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনীতির সংকটকালে হাল ধরেন।

১৯৭৮ সালের ১লা সেপ্টেম্বর ঢাকার রমনা রেস্তোরাঁ প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপির প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন জিয়াউর রহমান। দলের ঘোষণায় ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’, জাতীয় ঐক্য, বহুদলীয় রাজনৈতিক কাঠামো, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের মতো বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়। দলটির প্রতিষ্ঠাকালীন রাজনৈতিক দর্শন পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি পৃথক ধারার ভিত্তি তৈরি করে।

প্রতিষ্ঠার মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই বিএনপি নির্বাচনী রাজনীতিতে বড় শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৭৯ সালের সংসদ নির্বাচনে দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে ২০৭টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করে। অর্থাৎ জন্মের অল্প সময়ের মধ্যেই বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রে চলে আসে।

কিন্তু বিএনপির ইতিহাস কেবল ক্ষমতার ইতিহাস নয়। ১৯৮১ সালে চট্টগ্রামে সার্কিট হাউজে কতিপয় বিপথগামী সামরিক বাহিনীর বিশ্বাসঘাতকতায় জিয়াউর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তিনি নিহত হওয়ার পর দলটি নেতৃত্বের বড় সংকটে পড়ে। পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি নতুন রাজনৈতিক পরিচয় ও সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তোলে।

১৯৯০-এর গণআন্দোলনের পর এরশাদের পতন এবং ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপির বিজয় দলটির ইতিহাসে নতুন অধ্যায় তৈরি করে। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপি ১৪০টি আসন পেয়ে বৃহত্তম দল হিসেবে সরকার গঠন করে এবং খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। ১৯৯১সালের নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ পুনরায় গণতান্ত্রিক পথে যাত্রা শুরু করে।

তবে বাংলাদেশের রাজনীতির মতো বিএনপির পথও কখনো সহজ ছিল না। ১৯৯৬ সালের জুনের নির্বাচনে বিএনপি ১১৬টি আসন পেয়ে বিরোধী দলে যায়। মাত্র পাঁচ বছর পর ২০০১ সালের নির্বাচনে দলটি আবার বড় বিজয় অর্জন করে। বিএনপি এককভাবে ১৯৩টি আসন পায় এবং চারদলীয় জোট সরকার গঠিত হয়।

এরপর আসে দীর্ঘ রাজনৈতিক মেরুকরণ, নির্বাচনকেন্দ্রিক সংঘাত এবং ক্ষমতার বাইরে থাকার সময়। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির ফলাফল ছিল বড় ধাক্কা, দলটি মাত্র ৩০টি আসন পায়। পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে নির্বাচন বর্জন, অংশগ্রহণ, আন্দোলন এবং রাজনৈতিক সংকট—সবকিছু মিলিয়ে দলটির সামনে কঠিন সময় তৈরি হয়।
২০০৮ থেকে ২০২৪, এই দীর্ঘ ১৫ বছরে ফ্যাসিস্ট হাসিনার হাতে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের কবর রচনা হয়। ফ্যাসিস্ট শাসনামলে লড়াই করে বিএনপির মাঠে থাকা ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রায় ১৭ বছর দলটি সরাসরি রাষ্ট্রক্ষমতার বাইরে ছিল। এই সময়ে দলটির ওপর মামলা, গ্রেপ্তার, রাজনৈতিক আন্দোলন, সাংগঠনিক সংকট এবং নেতৃত্বের নানা চ্যালেঞ্জ এসেছে। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দৃঢ়চেতা মনোভাব ও আপসহীন নেতৃত্বে তাঁকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে অমর করে তোলে এবং বিএনপি দল হিসেবে রাজনীতিতে টিকে যায়।

২০২৪ সালে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসে। এরপর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পেরিয়ে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি আবার নির্বাচনী মাঠে ফিরে আসে। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসন পায়।

এটি নিঃসন্দেহে দলটির ইতিহাসে একটি বড় রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন। কিন্তু ক্ষমতায় ফেরা যেমন অর্জন, তেমনি বড় পরীক্ষা। বিরোধী দলে থাকাকালে জনগণের কাছে যে প্রত্যাশাগুলো তুলে ধরা হয়েছিল, এখন সেগুলো বাস্তবায়নের দায়িত্বও বিএনপির ওপর।

বিএনপি যদি তার ৪৮ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সহনশীলতা, জবাবদিহিতা, সুশাসন ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার রাজনীতি করতে পারে, তাহলে এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুধু দলটির জন্য নয়, বাংলাদেশের রাজনীতির জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হয়ে উঠতে পারে।

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশের জনগণ সেই প্রত্যাশাই করে।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু