খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৭ মাঘ, ১৪৩২

প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পদের হিসাব দিতে হবে সরকারি কর্মচারীদের

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৭:৫০ অপরাহ্ণ
প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পদের হিসাব দিতে হবে সরকারি কর্মচারীদের

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পদের হিসাব জমা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান। সরকারি কর্মচারীদের সম্পত্তির হিসাব জমাদান বিষয়ে আজ রবিবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

সরকারের সিদ্ধান্ত জানিয়ে সিনিয়র সচিব বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের সম্পদের হিসাব জমা দিতে হবে। তবে চলতি বছর সম্পদের হিসাব জমা দিতে হবে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে।

এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ১৫ লাখ সরকারি কর্মচারীকে সম্পদের হিসাবের মধ্যে আনা হচ্ছে।

জনপ্রশাসন সচিব জানান, সরকারি কর্মচারীদের দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ (৩০/১২/২০০২ তারিখের সংশোধনীসহ)-এর বিধি-১৩ অনুযায়ী সব সরকারি কর্মচারীর জন্য সম্পদ-বিবরণী দাখিল করা আবশ্যক।

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ১ সেপ্টেম্বর এ লক্ষ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হতে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করে সব সরকারি কর্মচারীকে সম্পদ-বিবরণী দাখিলের নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

সম্পদ বিবরণী দাখিলে অনুসরণীয় নিয়মাবলঃ
১. সম্পদ বিবরণী প্রদানের সময়সীমা: সব সরকারি কর্মচারীকে প্রতি অর্থবছরের সম্পদ বিবরণী ডিসেম্বর মাসের ৩১ তারিখের মধ্যে দাখিল করতে হবে। কেবল ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ক্ষেত্রে সম্পদ বিবরণী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে দাখিল করতে হবে।

২. যে কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করতে হবে: ক. ক্যাডার/নন-ক্যাডার (নবম বা তদূর্ধ্ব গ্রেড) কর্মকর্তা তার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়/বিভাগের সচিবের নিকট সম্পদ-বিবরণী দাখিল করবেন। খ. গেজেটেড/নন-গেজেটেড কর্মকর্তা/কর্মচারীরা (১০ম গ্রেড থেকে ২০তম গ্রেড) নিজ নিজ নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের নিকট তাদের সম্পদ-বিবরণী দাখিল করবেন।

৩. জমা প্রদান প্রক্রিয়া: ক. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রণীত নির্ধারিত ছকে সম্পদ-বিবরণী দাখিল করতে হবে। ছকটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়/বিভাগ/দপ্তর/সংস্থার নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে। খ. সম্পদ-বিবরণীটি সিলগালাকৃত খামে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিতে হবে।

৪. শাস্তিমূলক ব্যবস্থা: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ-বিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হলে অথবা কোনো ভুল তথ্য প্রদান কিংবা তথ্য গোপন করা হলে বা সম্পদের কোনোরূপ অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হলে সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

৫. প্রযোজ্যতা: এই অনুশাসনমালা সব সরকারি কর্মচারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

৬. গোপনীয়তা সংরক্ষণ: ক. আদালতের আদেশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতীত সম্পদ-বিবরণীর তথ্য সম্পূর্ণ বা অংশবিশেষ হস্তান্তরযোগ্য নয়। খ. সম্পদ-বিবরণী অতি গোপনীয় দলিল বিধায় এক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ প্রযোজ্য হবে না।

৭. পরিবর্তন ও পরিমার্জন: প্রয়োজনের নিরিখে এই নিয়মাবলী সরকার সময়ে সময়ে পরিবর্তন ও পরিমার্জনের এখতিয়ার সংরক্ষণ করে।

সম্পদের বিবরণী জমা না দিলে যে শাস্তিঃ
জনপ্রশাসন সচিব জানান, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৪(৫) (গ) উপবিধি অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’-এর জন্য উক্ত বিধিমালার ৪(২) ও ৪ (৩) উপবিধিতে উল্লিখিত যেকোনো লঘুদণ্ড বা গুরুদণ্ড আরোপ করার বিধান রয়েছে।

৪(২) এ উল্লিখিত লঘুদণ্ডসমূহ নিম্নরূপ: ক. তিরস্কার; খ. চাকরি বা পদ সম্পর্কিত বিধি বা আদেশ অনুযায়ী পদোন্নতি বা আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধির অযোগ্যতার ক্ষেত্র ব্যতীত, নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য পদোন্নতি বা বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখা; গ. কর্তব্যে অবহেলা বা সরকারি আদেশ অমান্য করার কারণে সংঘটিত সরকারের আর্থিক ক্ষতির সম্পূর্ণ অংশ বা তার অংশবিশেষ, বেতন বা আনুতোষিক হতে আদায় করা; অথবা ঘ. বেতন গ্রেডের নিম্নতর ধাপে অবনমিতকরণ।

৪(৩) এ উল্লিখিত গুরুদন্ডসমূহ নিম্নরূপ: ক. নিম্নপদ বা নিম্নবেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ; খ. বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান; গ. চাকরি হইতে অপসারণ; ঘ. চাকরি হইতে বরখাস্তকরণ।

এদেশের মাটিতে হাদি হত্যার বিচার হবে: বেলকুচিতে বিএনপি প্রার্থী আলীমের জনসভায় টুকু

রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টারঃ
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ণ
এদেশের মাটিতে হাদি হত্যার বিচার হবে: বেলকুচিতে বিএনপি প্রার্থী আলীমের জনসভায় টুকু

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, কেউ কেউ দাবি–দাওয়া তুলে নির্বাচন বন্ধ করার চেষ্টা করছে। কখনো স্লোগান দেওয়া হচ্ছে ‘আগে হাদির বিচার, পরে নির্বাচন’। আমরা বিএনপিও হাদির বিচার চাই। হাদির বিচার এদেশের মাটিতেই হবে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারী) বিকেল পাঁচটায় বেলকুচি সরকারি কলেজ মাঠে বেলকুচি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী জামাল উদ্দিন ভূইয়ার সভাপতিত্বে এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। 

তিনি বলেন, একটি গুপ্ত দল দীর্ঘ সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের পরিচয়ে সক্রিয় ছিল। শেখ হাসিনার পতনের পর তারা প্রকাশ্যে এসে নিজেদের বিপ্লবী হিসেবে তুলে ধরছে। এখন তারা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করছে। 

টুকু জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে বলেন, আপনারা ষড়যন্ত্র করছেন। ঢাকায় বৈঠক করে বলা হচ্ছে ক্ষমতায় গেলে অমুক ছাত্রনেতাকে মন্ত্রী বানানো হবে। মানুষ হিসাব করতে পারে। সরকার গঠন না করেই যদি ধরে নেন ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় যাবেন, তাহলে জনগণ তা মেনে নেবে না।

তিনি আরও বলেন, তাঁরা সৎ মানুষের শাসনের কথা বলেন। তাহলে কি আমরা সবাই অসৎ? নির্বাচনে কী পরিমাণ টাকা খরচ হচ্ছে মানুষ দেখছে। সেই টাকার উৎস কোথায়। আর আমরা সীমিত সামর্থ্য নিয়ে হিমসিম খাচ্ছি।

ধর্মের প্রসঙ্গ টেনে টুকু বলেন, ইসলামের নামে ভোট চাওয়া হচ্ছে। কোরআনে স্পষ্ট বলা আছে ধর্মকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করা যাবে না এবং ধর্মের বিনিময় করা যাবে না। সেই নির্দেশ অমান্য করেই তারা রাজনীতিতে ধর্ম ব্যবহার করছে।

জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান আলীম। তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক গোলাম মওলা খান বাবলুসহ জনসভায় জেলা ও উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ঋণের ব্যবস্থা করা হবে, জমি বিক্রি করতে হবে না: তারেক রহমান

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ঋণের ব্যবস্থা করা হবে, জমি বিক্রি করতে হবে না: তারেক রহমান

বিদেশগামীদের যেন জমিজমা বিক্রি করতে না হয়, সেজন্য সরকারিভাবে দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানীতে নির্বাচনি পথসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান বলেন, এই ঋণের মাধ্যমে তারা সহজেই বিদেশের যাওয়ার খরচ মেটাতে পারবেন এবং বিদেশে গিয়ে উপার্জিত অর্থ দিয়ে পরবর্তীতে তা পরিশোধ করতে পারবেন।

তিনি বলেন, দেশের তরুণদের সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে দেশজুড়ে আধুনিক প্রশিক্ষণ সেন্টার গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে তারা যেন দেশে এবং বিদেশে সম্মানজনক কাজ করে স্বাবলম্বী হতে পারে এবং দেশের বেকারত্ব ঘুচাতে পারে।

ধর্মগুরুদের নিয়ে তারেক রহমান বলেন, মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিব খতিব ও অন্যান্য ধর্মের যারা ধর্মগুরু আছেন বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তাদের সম্মানীর ব্যবস্থা করা হবে। এতে তারা সমাজে সম্মানজনকভাবে বসবাস করতে পারবেন।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপির দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বিএনপি রাষ্ট্র পুনর্গঠনের কাজে হাত দিতে চায়।

তারেক রহমান বলেন, নির্বাচন ঘিরে মানুষের অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়। বিএনপির কাছে সারা বাংলাদেশের মানুষের অনেক প্রত্যাশা আছে। আমরাও সেভাবেই পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চেষ্টা করেছি। পথসভায় ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।

ঢাকা-১৭ তে যানজট, জলাবদ্ধতা, বায়ু দূষণের সমস্যা আছে। আমরা একত্রে কাজ করলে সবাই মিলে এই সমস্যার সমাধান করতে পারব।

খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে তিনি বলেন, স্বৈরাচারের সময় দেশত্যাগের প্রস্তাব দেয়া হলেও খালেদা জিয়া দেশ ছেড়ে কোথাও যাননি। খালেদা জিয়া জীবনের শেষ পর্যন্ত এদেশের মাটিতে ছিলেন। মানুষ ছেড়ে যাননি। সেজন্য আমাদেরও শেষ ঠিকানা এই দেশ।

তিনি আরও বলেন, বিএনপিই একমাত্র দল এই মুহূর্তে, যাদের দেশ গঠনের কর্মসূচি আছে। প্রতিবারই বিএনপির ওপর জনগণের সমর্থন ছিলো। তারা দেশ ও মানুষ ছেড়ে কোথাও যায়নি।

৪ দিন নির্বাচনি এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ
৪ দিন নির্বাচনি এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচনী এলাকায় অবস্থানের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি জানিয়েছে, আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় কোনো বহিরাগত অবস্থান করতে পারবে না।

সোমবার (৯ ফেব্রয়ারি) নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

এতে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাচনী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যক্তি, কমিশনের অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার বাসিন্দা বা ভোটার ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর পর্যন্ত ওই নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না।

এই বিধিনিষেধ আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি সাড়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদেশের মাটিতে হাদি হত্যার বিচার হবে: বেলকুচিতে বিএনপি প্রার্থী আলীমের জনসভায় টুকু বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ঋণের ব্যবস্থা করা হবে, জমি বিক্রি করতে হবে না: তারেক রহমান ৪ দিন নির্বাচনি এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা ডিএনসিসি প্রশাসক এজাজকে অপসারণ, নতুন দায়িত্বে সুরাইয়া আখতার ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত 'অযৌক্তিক', ভোটারদের মধ্যে 'ভয় ও শঙ্কা সৃষ্টি' করবে: জামায়াত