বায়ু দূষণ রোধে সাভারকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা
বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫ অনুযায়ী সরকার ঢাকা জেলার অন্তর্গত সমগ্র সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড (Degraded Air Shed)’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
১৭ আগস্ট পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ ঘোষণার ফলে আগামী সেপ্টেম্বর থেকে সাভারে টানেল ও হাইব্রিড হফম্যান কিলন ব্যতীত সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানোসহ ইট প্রস্তুতের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি উন্মুক্ত স্থানে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো, নতুনভাবে বায়ুদূষণকারী শিল্প-কারখানা স্থাপনে অবস্থানগত ও পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান এবং কর্মপরিকল্পনায় উল্লেখিত অন্যান্য কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সার্বক্ষণিক বায়ুমান পরিবীক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সাভারের পরিবেষ্টিত বায়ুর বার্ষিক মানমাত্রা জাতীয় নির্ধারিত মানমাত্রার প্রায় তিন গুণ বেশি। এর ফলে জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে।
বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে প্রায় পাঁচ মাস ধরে উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত বায়ু সাভারের দূষণ ঢাকায় নিয়ে আসে, যা রাজধানীর ঘনবসতিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ওপর ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।
সরকার আশা করছে, এ ঘোষণার মাধ্যমে সাভার ও ঢাকা-উভয় অঞ্চলের বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পরিবর্তন আসবে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকবে।
সম্পর্কিত খবর
বুড়িগঙ্গার তীর দখলমুক্তে যৌথ অভিযান শুরু
শীতের দাপট, কুয়াশায় ঢাকা পড়ছে পঞ্চগড়ের জনপদ
ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্কে সমস্যা হবে না: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ঢাকায় ফেরানো হচ্ছে কলকাতা-আগরতলা মিশন প্রধানদের
ভারতকে শেখ হাসিনা সরকারের গণহত্যার স্বীকৃতি দিতে হবে: মাহফুজ
‘আমরা বাংলাদেশি, আমাদের মধ্যে বিভেদ নেই’

আরও পড়ুন
বায়ু দূষণ রোধে সাভারকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা
বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫ অনুযায়ী সরকার ঢাকা জেলার অন্তর্গত সমগ্র সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড (Degraded Air Shed)’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
১৭ আগস্ট পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ ঘোষণার ফলে আগামী সেপ্টেম্বর থেকে সাভারে টানেল ও হাইব্রিড হফম্যান কিলন ব্যতীত সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানোসহ ইট প্রস্তুতের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি উন্মুক্ত স্থানে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো, নতুনভাবে বায়ুদূষণকারী শিল্প-কারখানা স্থাপনে অবস্থানগত ও পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান এবং কর্মপরিকল্পনায় উল্লেখিত অন্যান্য কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সার্বক্ষণিক বায়ুমান পরিবীক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সাভারের পরিবেষ্টিত বায়ুর বার্ষিক মানমাত্রা জাতীয় নির্ধারিত মানমাত্রার প্রায় তিন গুণ বেশি। এর ফলে জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে।
বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে প্রায় পাঁচ মাস ধরে উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত বায়ু সাভারের দূষণ ঢাকায় নিয়ে আসে, যা রাজধানীর ঘনবসতিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ওপর ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।
সরকার আশা করছে, এ ঘোষণার মাধ্যমে সাভার ও ঢাকা-উভয় অঞ্চলের বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পরিবর্তন আসবে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকবে।
