খুঁজুন
শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২১ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

জি এম কাদের জাতীয় পার্টির সাধারণ সদস্য: আনিসুল ইসলাম মাহমুদ

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
জি এম কাদের জাতীয় পার্টির সাধারণ সদস্য: আনিসুল ইসলাম মাহমুদ

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও) ও দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী গত ৯ আগস্ট জাতীয় পার্টির দশম জাতীয় সম্মেলন হয়েছে বলে দাবি করে একাংশের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, ‘সেই কাউন্সিলে আমি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এবং এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছি। আমরাই এখন জাতীয় পার্টির বৈধ নেতৃত্ব।’

আনিসুল ইসলাম মাহমুদ আরও বলেন, জিএ ম কাদের এখন পার্টির একজন সাধারণ সদস্য। এ নিয়ে জি এম কাদের বিভ্রান্তি ছড়ালে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। লাঙ্গল প্রতীকের একমাত্র দাবিদার তাঁরাই বলেও জানান তিনি।

আজ শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত জাতীয় পার্টির জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

গত বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ‘জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের দাবিদার একাধিক, মালিক কে তা খুঁজে পাচ্ছি না।’ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আজকের সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে জাতীয় পার্টি।

সম্মেলনের পরে কমিটি নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছেন উল্লেখ করে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘কাউন্সিলের ডকুমেন্ট জমা দিয়েছি। নতুন কমিটি গঠনের পর জি এম কাদের আর কোনোভাবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান পরিচয় দিতে পারেন না। তা ছাড়া লাঙ্গল প্রতীক কোনো ব্যক্তির নয়। লাঙ্গল প্রতীক নির্বাচনের কমিশনের নিবন্ধিত (১২ নম্বর) জাতীয় পার্টির প্রতীক। তাই আইন ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আমাদের নেতৃত্বই জাতীয় পার্টির একমাত্র বৈধ নেতৃত্ব এবং লাঙ্গল প্রতীকের একমাত্র দাবিদার।’

আনিসুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা লক্ষ করছি, কিছু পক্ষ নির্বাচন কমিশনে ভিন্ন ভিন্ন আবেদন জমা দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। কিন্তু নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের প্রতীক কোনো গোষ্ঠী বা ব্যক্তির আবেদনে নয়, কেবলমাত্র দলীয় গণতান্ত্রিক নেতৃত্বের বৈধ আবেদনের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন বরাদ্দ দিতে পারে।’ অতীতেও নির্বাচন কমিশন একই নীতি অনুসরণ করেছে এবং এবারও আইন, সংবিধান ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলে প্রত্যাশা করেন জাপার একাংশের চেয়ারম্যান।

জি এম কাদেরের প্রসঙ্গ টেনে আনিসুল ইসলাম বলেন, ‘তিনি একবার বলেন—‘‘শেখ হাসিনার ফাঁসি চান’’, আবার বলেন, ‘‘আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন বৈধ হবে না।’’ তিনি কখন কী বলেন নিজেও জানেন না। তাঁর মতো একজন দ্বৈতনীতির লোক রাজনীতিতে কতটা প্রাসঙ্গিক, তা ভাবার সময় এসেছে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির একাংশের মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু, সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশিদ, কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা প্রমুখ।

বিএনপির সঙ্গে ২০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করল বাংলাদেশ লেবার পার্টি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২:২১ অপরাহ্ণ
বিএনপির সঙ্গে ২০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করল বাংলাদেশ লেবার পার্টি

আসনে ছাড় না পেয়ে এবার বিএনপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দিয়েছে লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) নয়া পল্টনের দলীয় কার্যালয়ে দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় লেবার পার্টির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠির একটি আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে ছাড় দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই আসনে বিএনপি নিজ দলের প্রার্থী ঘোষণা করায় ক্ষুব্ধ হয় দলটি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই বিএনপির সঙ্গে প্রায় ২০ বছরের রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল দলটি।

দলের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপি দীর্ঘ দিনের মিত্রতার সম্পর্ককে অবজ্ঞা করে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। তারা সমমনা দলগুলোকে বাদ দিয়ে এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। এমন আচরণকে প্রতারণামূলক ও বেঈমানিপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

লেবার পার্টির নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএনপি অযোগ্য ও বিতর্কিত ব্যক্তিদকে মনোনয়ন দিয়ে টাকার বিনিময়ে ‘মনোনয়ন বাণিজ্যে’ লিপ্ত হয়েছে। এতে বিএনপির নৈতিক নেতৃত্ব সম্পূর্ণরূপে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার সংকটকালে মিত্রদের সঙ্গে এমন আচরণ কেউ প্রত্যাশা করেনি।

এছাড়া আগেও বিএনপি জামায়াতে ইসলামীকে বাদ দিয়ে ২০ দলীয় জোট ভেঙে দিয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তারা। নেতারা মনে করেন, শরিকদের প্রতি অবজ্ঞা ও নীতিহীন মনোনয়নের মধ্য দিয়ে বিএনপি নিজেকে বন্ধুহীন ও নেতৃত্বহীন দলে পরিণত হয়েছে।

সভায় লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এস এম ইউসুফ আলী, অ্যাডভোকেট জোহরা খাতুন জুঁই, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যান্য সদস্যরা বক্তব্য দেন।

৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহারণের সম্ভাবনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহারণের সম্ভাবনা

দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনা হরহামেশাই মুখোমুখি হয় একে অপরের। কিন্তু ফিফা বিশ্বকাপে এই নজির খুবই বিরল। সবশেষ ১৯৯০ সালে দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল ফুটবলের বিশ্বআসরে। ৩৬ বছর পর আবারও দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা জেগেছে ২০২৬ বিশ্বকাপে এসে।

তবে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে কোন পর্যায়ে—এই প্রশ্নের উত্তর পুরোটা নির্ভর করছে গ্রুপপর্বের অবস্থানের ওপর। দুটি দলই যদি নিজ নিজ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়, তাহলে সেমিফাইনালের আগে তাদের দেখা হওয়ার সুযোগ নেই। দুই দলই যদি রানার্সআপ হয়, তবুও সেমিফাইনালের আগে মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

একটি দল যদি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় এবং অন্যটি রানার্সআপ হয়ে পরবর্তী রাউন্ডে ওঠে, তাহলেও ফাইনালের আগে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী একে অপরের সামনে পড়বে না।

তবে কোনো একটি দল যদি সেরা আটটি তৃতীয় স্থানের দল হিসেবে নকআউট পর্বে যায়, তখন পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়বে। সেই অবস্থায় দুই দলের ঠিক কোন পর্যায়ে মুখোমুখি হতে পারে, তা অনুমান করা কঠিন। আজ বিশ্বকাপের নকআউটের সূচি নির্ধারিত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে পরিষ্কার জানা যেতে পারে।

ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করলো পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১:৩৫ অপরাহ্ণ
ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করলো পাকিস্তান

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)–এর প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের সঙ্গে আদিয়ালা কারাগারে সব ধরনের সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এ ঘোষণা দেন। সেইসঙ্গে তিনি ইমরান খানকে ‘যুদ্ধোন্মাদনায় আক্রান্ত উগ্রপন্থি’ হিসেবে আখ্যা দেন।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের ‘নয়া পাকিস্তান’ অনুষ্ঠানে তারার বলেন, ‘কারাগারের নিয়ম অনুযায়ীই বন্দীদের সাক্ষাৎকার হয়। এখন কোনো সাক্ষাৎ নেই; সব সাক্ষাৎ বন্ধ।’

কারাগারের বাইরে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করতে কেউ চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব পুনরুদ্ধারের এখনই সময়। কোনো জেল সাক্ষাৎ হবে না, কোনো জমায়েতও অনুমোদন দেওয়া হবে না।’

কারা বিধি অনুযায়ী সাক্ষাতের সময় জেল সুপারিনটেন্ডেন্ট উপস্থিত থাকেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে এসব সাক্ষাতে রাজনৈতিক আলোচনা এবং নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছিল।

তিনি বলেন, ‘কারাগারের ভেতর থেকে রাষ্ট্রবিরোধী এজেন্ডা এগিয়ে নিতে কোনো অনুমতি দেওয়া হবে না।’

তারার দাবি করেন, খান ও তার দল দেশকে ডিফল্টে ঠেলে দিতে চেয়েছিল। ‘আইএমএফকে চিঠি লেখা হয়েছিল যাতে পাকিস্তান ডিফল্টে যায়। ৯ মে সামরিক স্থাপনায় হামলাও চালানো হয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত দেখেই রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য ছড়াচ্ছেন।’

তিনি আরও দাবি করেন, ইমরান খানের ‘তালেবানসুলভ মানসিকতা’ রয়েছে এবং তিনি ‘সন্ত্রাসীদের বন্ধু’ মনে করেন।

তারার প্রশ্ন ছুড়ে দেন, ‘এই উগ্র ও যুদ্ধোন্মাদ ব্যক্তি—তাকে তার নিজের দলের সদস্যরাই বা আর কতদিন সহ্য করবে?’

তথ্যমন্ত্রী জানান, ফেডারেল সরকার খাইবার পাখতুনখোয়ায় গভর্নর শাসন জারির বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে।

তিনি আরও বলেন, ‘পিটিআই সদস্যরা তার (ইমরান খানের) বর্ণনার সঙ্গে নেই।’ রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণা চালানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

তারার বলেন, ‘তাদের আর কোনো ভবিষ্যৎ নেই; তাদের রাজনৈতিক জায়গা ও বর্ণনা সীমিত করে দেওয়া হবে।’

পিটিআইয়ের সঙ্গে পুনর্মিলন সম্ভব কি না- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘তারা সুযোগ নষ্ট করেছে। যারা বিশৃঙ্খলা, সন্ত্রাস বা উগ্রবাদী চিন্তা ছড়ায়, তাদের সঙ্গে কোনো সংলাপ হবে না।’

বিএনপির সঙ্গে ২০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করল বাংলাদেশ লেবার পার্টি ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহারণের সম্ভাবনা ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করলো পাকিস্তান নজিরবিহীন আত্মহত্যা ইসরাইলি বাহিনীতে, নেপথ্যে কী? পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে রাতভর গোলাগুলি, নিহত ৪