খুঁজুন

পাকিস্তানকে উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫, ১:৩২ অপরাহ্ণ
পাকিস্তানকে উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

পাকিস্তানের বিমানবাহিনীকে আকাশ থেকে আকাশে হামলায় ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন এক চুক্তির আওতায় ২০৩০ সালের মধ্যে পাকিস্তানকে এই ক্ষেপণাস্ত্র দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা পুনরায় জাগিয়ে তোলার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ওয়াশিংটনের প্রকাশিত সরকারি নথি অনুযায়ী, নতুন এই চুক্তি অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে পাকিস্তানকে মাঝারি পাল্লার এআইএম-১২০ডি-৩ উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করবে যুক্তরাষ্ট্র। এএমআরএএম সিরিজের সবচেয়ে উন্নত সংস্করণের ক্ষেপণাস্ত্র পাবে পাকিস্তান।

পাকিস্তানে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের এই চুক্তি পেয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান রে-থিয়ন কোম্পানি। যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বিভাগ (পূর্বের প্রতিরক্ষা বিভাগ) বলেছে, চুক্তির আওতায় পাকিস্তান, তুর্কি এবং অন্যান্য মার্কিন মিত্র দেশের জন্যও এএমআরএএম ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করা হবে।

এআইএম-১২০ডি-৩: পাকিস্তানের এফ-১৬ বহরের বড় শক্তি

এআইএম-১২০ডি-৩ হলো এএমআরএএম ক্ষেপণাস্ত্র পরিবারের সর্বশেষ প্রজন্ম; যা দৃষ্টিসীমার বাইরে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য নকশা করা হয়েছে। এটি শত্রুপক্ষের বিমান ও আসন্ন ক্ষেপণাস্ত্রকে আরও বেশি নির্ভুলভাবে শনাক্ত ও দূরপাল্লায় আঘাত হানতে সক্ষম।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্র পাকিস্তানের বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান এফ-১৬ বহরের আঘাত হানার ক্ষমতা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে। বর্তমানে পাকিস্তানের বিমানবাহিনীর বহরে থাকা এআইএম-১২০সি-৫ সংস্করণের বদলে ব্যবহৃত হবে।

দেশটির বিশ্লেষকরা বলেছেন, পাকিস্তানের বিমানবাহিনীকে দৃষ্টিসীমার বাইরের লড়াইয়ে নির্ভুলভাবে আঘাতে এবং পাল্লার দিক থেকে পরিষ্কার সুবিধা দেবে এআইএম-১২০ডি-৩ ক্ষেপণাস্ত্র। তারা এই ক্ষেপণাস্ত্রকে পাকিস্তানের সামরিক আধুনিকায়নের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুরোধ পাকিস্তানের

পাকিস্তানের বিমানবাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই নতুন প্রজন্মের এএমআরএএম ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য লবিং চালিয়ে আসছিল। আঞ্চলিক পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আধুনিক করার লক্ষ্যে ওই ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয় চুক্তি করেছে ইসলামাবাদ।

গত জুলাইয়ে পাকিস্তানের বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার মার্শাল জহির আহমেদ বাবর সিদ্দিকি ওয়াশিংটন সফরে গিয়ে মার্কিন সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর ক্ষেপণাস্ত্র কেনার চুক্তি চূড়ান্ত হয়।

এ ছাড়া দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরও সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শীর্ষ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে। দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকের মাধ্যমে পাকিস্তান-যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পর্ক পুনরায় কার্যকর সহযোগিতার পর্যায়ে প্রবেশ করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ অধিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, পাকিস্তান পূর্ব ও পশ্চিম, উভয় দিক থেকেই উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্র কেনার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে এবং পাশাপাশি নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতাও জোরদার করছে।

সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফীক নাওয়াজ মারা গেছেন

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৪ পূর্বাহ্ণ
সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফীক নাওয়াজ মারা গেছেন

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

রাত পৌনে ১২টায় কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের ডিউটি ম্যানেজার বলেন, “উনি একটু আগে মারা গেছেন। আপাতত আমরা শুধু এতটুকু তথ্যই দিতে পারি।”

দীপু মনির বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু বলেন, “রাত ১০টা ২৭ মিনিটে তিনি মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।”

কোথায় কখন দাফন এবং জানাজা হবে, তা বুধবার দুপুরের পর সিদ্ধান্ত হবে বলেও জানান টিপু।

২০১৯ সালে স্ট্রোক করেন তৌফিক নেওয়াজ। গত ২৭ মে হুইলচেয়ারে করে কারাবন্দী স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করাতে তাকে আদালতে নিয়ে গিয়েছিলেন স্বজনেরা।

পেশায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ছিলেন তৌফীক নাওয়াজ, যিনি ধ্রুপদি সংগীতের চর্চাও করতেন।

“সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ’র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি

স্টাফ রিপোর্টার:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
“সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ’র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি

“একটি গাছ একটি প্রাণ, সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” স্লোগানকে সামনে রেখে শিক্ষা, মানবতা ও সমৃদ্ধির পতাকাবাহী সামাজিক সংগঠন, ঐতিহ্যবাহী সভ্যতার ভবানীগঞ্জ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। যা নিয়ে রীতিমতো এলাকাবাসীর প্রশংসায় ভাসছেন সংগঠনটির সকলে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের জিয়ার খালের দুই পাড়ে সংগঠনটির একঝাঁক তরুণদের উদ্যোগে এই মহৎ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এসময় অমলকি, জলপাই, তেতুল, হরিতকি, অর্জুন, চালতা, আতা সহ বিভিন্ন ধরনের প্রায় শতাধিক ফল ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়।

উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে স্থানীয় যুবসম্প্রদায় সহ সভ্যতার ভবানীগঞ্জের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে তারা নিয়মিত এমন উদ্যোগের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর দুই দেশের জন্যই ফলপ্রসূ হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক বিদ্যাভূষণ সোনি। তিনি মনে করছেন, তারেক রহমান ভারতে না এলে এই সুযোগ হারিয়ে যেতে পারে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের পথও খোলা নাও থাকতে পারে।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআইকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বিদ্যাভূষণ সোনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এই সফরের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় সমস্যা সমাধানের পথও খুলতে পারে।

সাক্ষাৎকারে সোনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে অনেক বিষয় এখনও অমীমাংসিত রয়েছে। এর মধ্যে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বেশিরভাগ বিষয়ে দুই দেশ একমত হলেও পরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি।

সোনি বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যার সমাধানেও বাংলাদেশ ভারতের আরও সক্রিয় ভূমিকা চায়। তার মতে, এ ক্ষেত্রে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা ছাড়া ভারতের তেমন কিছু করার নেই। কারণ, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ভারতের কথা শুনতে পারে। তারেক রহমানের ভারত সফরের মাধ্যমে সেই সুযোগ তৈরি হলে বাংলাদেশ ভারতকে এসব সমস্যা সমাধানে তার প্রভাব কাজে লাগানোর অনুরোধ করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তুলনামূলকভাবে ‘অনেক বেশি খোলামেলা’ এবং ‘ভারতবিরোধী নন’ বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যাভূষণ সোনি। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন সোনি। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, তারেক রহমান তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি খোলামেলা মানুষ। তিনি ভারতবিরোধী নন এবং নিজে এমন কোনও বক্তব্যও দেননি, যেটিকে ভারতের বিরুদ্ধে বলে মনে করা যায়। তাই ভারতও সতর্কভাবে এই সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করছে।’

তিনি বলেন, দুই দেশের সরকারি মুখপাত্ররা এখন পর্যন্ত যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, সেগুলো মূলত রাজনৈতিক বক্তব্য। তবে দুই দেশের রাজনীতিবিদরা এ বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। তাই তারেক রহমানের ভারত সফরের এখনও সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

সোনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে খুবই আশাবাদী’। তার মতে, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর এই সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া করা উচিত নয়। তিনি বলেন, ‘তিনি (তারেক রহমান) যদি না আসেন, তাহলে এই সুযোগটি হারিয়ে যাবে। দীর্ঘ সময়ের জন্য এই যোগাযোগের পথ খোলা নাও থাকতে পারে। আমরা কেউই এই সুযোগ হারাতে চাই না। তাই আমি বেশ আশাবাদী।’

তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে নয়াদিল্লি ও ঢাকার কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। গত রোববার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শহীদুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তারেক রহমান দিল্লিতে গেলে সেটি হবে ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেয়ার পর তার প্রথম ভারত সফর। সফর নিয়ে আলোচনা চললেও এখনও কোনও চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফীক নাওয়াজ মারা গেছেন "সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ'র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা: ঢাবি ছাত্রদল নেতা আজীবন বহিষ্কার প্রবাসীর পাল্টা অভিযোগ: খাসির জন্য নয়, ১০ গুণ দেনমোহর ধরায় ভেঙেছে বিয়ে