সুনামগঞ্জে এতো বজ্রপাত হয় জানলে সেখানে বিয়েই করতেন না বলে জাতীয় সংসদে কিছুটা রসিকতা করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুলের জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গৃহীত নোটিশের আলোচনা শেষে হাসতে হাসতে এমন কথা বলেন তিনি।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের স্ত্রী দিলারা হাফিজের বাবার বাড়ি সুনামগঞ্জে। ১৯৪৯ সালের ২ জানুয়ারি সুনামগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন দিলারা হাফিজ। তার বাবা মোহাম্মদ আবুল হোসেন চৌধুরী এবং মা করিমুন্নেছা খাতুন চৌধুরী।
১৯৬৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করার পর সরকারি ইডেন মহিলা কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও ইডেন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন।
এছাড়া অধ্যাপক দিলারা হাফিজ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে চেয়ারম্যান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদফতরের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।
গত ১৮ মার্চ সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭৮ বছর বয়সে মারা যান দিলারা হাফিজ।
প্রতি বছর বজ্রপাতে দেশে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে প্রাণহানির খবর প্রায়ই গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়।
আজ জাতীয় সংসদে সুনামগঞ্জে বজ্রপাত নিয়ে করা এক প্রশ্ন শুনে কিছুটা রসিকতা করে স্পিকার বলেন, সুনামগঞ্জে এতো বজ্রপাত হয় জানলে বিয়েই করতাম না ওখানে। এরপর নামাজের বিরতি দেন স্পিকার।
রুশ দখলকৃত ইউক্রেনীয় ভূখণ্ড থেকে রাশিয়া কর্তৃক ‘চুরি করা’ শস্য ইসরায়েলি বন্দরে প্রবেশের অনুমতি পাওয়ার অভিযোগ তুলে ইসরায়েলের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এই বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কিয়েভ নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। টাইমস অব ইসরায়েল এ খবর জানিয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি অভিযোগ করেন, এমন শস্য বহনকারী আরেকটি জাহাজ ইসরায়েলের একটি বন্দরে পৌঁছেছে এবং তা খালাসের প্রস্তুতি চলছে। তিনি লিখেছেন, কোন জাহাজ বন্দরে আসছে এবং তারা কী পণ্য বহন করছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ সে বিষয়ে অবগত নয়, এমনটি হওয়ার সুযোগ নেই।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন বেড়েছে। গত মঙ্গলবার ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছিলেন। ইসরায়েলের সংবাদপত্র হারেৎজর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অধিকৃত এলাকা থেকে শস্য বহনকারী সন্দেহে প্যানোরমিটিস নামের একটি জাহাজ হাইফা বন্দরে নোঙরের অনুমতির অপেক্ষায় আছে। চলতি বছর এমন চারটি চালান ইতোমধ্যে ইসরায়েলে খালাস করা হয়েছে।
তবে ইউক্রেনের এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডন সার ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, শস্য যে চুরি করা, সেটির কোনও প্রমাণ ইউক্রেন দিতে পারেনি। একই সঙ্গে তিনি কিয়েভের বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে কূটনীতি পরিচালনার অভিযোগ করেছেন।
জেলেনস্কির দাবি, রাশিয়া সুপরিকল্পিতভাবে ইউক্রেনের অধিকৃত অঞ্চল থেকে শস্য লুট করছে এবং তা ‘দখলদারদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের’ মাধ্যমে রফতানি করছে। তিনি বলেন, এই ধরনের ‘পরিকল্পনা’ ইসরায়েলি আইনের লঙ্ঘন। জেলেনস্কি জানান, এই চালানগুলো ঠেকাতে ইউক্রেন কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিলেও এখনও এমন একটি জাহাজকে আটকানো সম্ভব হয়নি।
জেলেনস্কি আরও জানান, কিয়েভ এখন নিষেধাজ্ঞার প্যাকেজ তৈরির কাজ করছে। এই নিষেধাজ্ঞা মূলত ‘যারা সরাসরি এই শস্য পরিবহন করছে এবং যারা এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করছে, এমন ব্যক্তি ও আইনি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে’ প্রয়োগ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারণের জন্য ইউক্রেন ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করবে। গত রাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নও একইভাবে ইসরায়েলে রাশিয়ার শস্যবাহী জাহাজ নোঙরের প্রতিবেদনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার সতর্ক বার্তা দিয়েছে।
জেলেনস্কি লিখেছেন, ইউক্রেন প্রতিটি রাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। আমরা আশা করি ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ইউক্রেনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে এবং আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্ষুণ্ণ করে, এমন কাজ থেকে বিরত থাকবে।
বর্তমানে দেশে কোনো জঙ্গি তৎপরতা নেই বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ‘দেশে বর্তমানে কোনো জঙ্গি তৎপরতা নেই। ‘ফ্যাসিবাদী আমলে’ রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য ‘জঙ্গিবাদ’ শব্দটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হতো।’
এদিকে দেশে জঙ্গি রয়েছে; এই তৎপরতা ‘শূন্যের কোঠায়’ নামিয়ে আনার চেষ্টা করবে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তবে বিষয়টিকে আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে মনে করেন দুজনই। একইসঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের ‘দেশে জঙ্গি নেই’- এ বক্তব্যও সঠিক ছিল না বলেও দাবি করেছেন ডা. জাহেদ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কোস্ট গার্ডের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠান শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।
এসময় এক সাংবাদিক প্রশ্ন তোলেন, দেশে জঙ্গি উত্থানের বিষয় জানা যাচ্ছে এবং বিমানবন্দরে নিরাপত্তাও বাড়ানো হচ্ছে। তো এই বিষয়টি আপনারা…।
তার কথার সূত্র ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের প্রশ্নগুলো বুঝতে পেরেছি, কিন্তু আমি ওই শব্দকে রিকগনাইজ করি না। আমাদের দেশে এরকম কোনো তৎপরতা নেই। কিছু এক্সট্রিমিস্ট গ্রুপ থাকে—পৃথিবীর সব দেশেই এরকম অ্যাক্টিভ থাকে। র্যাডিক্যাল কিছু ফোর্স থাকে, ফান্ডামেন্টাল কিছু পলিটিক্যাল পার্টি থাকে—এগুলো আমরা ইউজড টু, এগুলো থাকে। কিন্তু সে বিষয়ে আপনি যে শব্দ উচ্চারণ করলেন, আমাদের দেশের বর্তমান কালচারে সেটা এখন আর নাই-ই।
আগে সেই শব্দটা উচ্চারিত হতো ফ্যাসিবাদী আমলের সময় মন্তব্য করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তারা নিজস্ব রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য এগুলোকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করত। বর্তমানে বাংলাদেশে সেগুলোর এক্সিস্টেন্স নেই।
এদিকে আজ সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান ব্রিফিংয়ে আসেন।
এসময় এক সাংবাদিক জানতে চান, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ‘জঙ্গি হামলার’ আশঙ্কার পরিপ্রেক্ষিতে বিমানবন্দরে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা বলেছিলেন, ‘দেশে আসলে জঙ্গি নেই’। জঙ্গি আছে কি না—এ সরকার কি মনে করে এবং নাশকতা যদি হয়, সরকারের গোয়েন্দাদের কাছে কী ধরনের তথ্য আছে? কতখানি শঙ্কা রয়েছে সরকারের কাছে? মানে কতখানি ‘ম্যাসাকার’ হতে পারে?
এ প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, প্রথম কথা হচ্ছে—সরকারের কাছে কতখানি তথ্য আছে, এটা বলা যাবে না। এটা একটা সেনসিটিভ তথ্য। এ তথ্যটা গোপন থাকবে। কিন্তু যেটুকু তথ্য সরকার জানিয়েছে- এটা ফ্যাক্ট; বাংলাদেশে জঙ্গি আছে। কিন্তু এখানে দুটো এক্সট্রিম আছে। আমি দুটো এক্সট্রিমের কথা বলি। আগের সরকারের সময়, মানে আমি ইন্টেরিমের কথা বলছি না, তার আগের সরকারের (আওয়ামী লীগ) সময় জঙ্গি সমস্যাকে যেই স্কেলে দেখানো হয়েছে, এটা তাদের ক্ষমতায় থাকার একটা ন্যারেটিভ হিসেবে তারা ব্যবহার করেছিলেন যে ‘বাংলাদেশে জঙ্গি আছে, জঙ্গিরা সব দখল করবে; সুতরাং আমি নির্বাচন করলাম কি না দেখার দরকার নেই, আমাকে ক্ষমতায় রাখো’। দ্যাট ওয়াজ আ ন্যারেটিভ।
এটা একজাজারেটেড (অতিরঞ্জিত) হয়েছিল ওই সরকারের সময় উল্লেখ করে ডা. জাহেদ বলেন, পরবর্তীতে যে সরকারের সময় ইন্টারিমের সময় এই আলাপ কেউ কেউ করার চেষ্টা করেছে যে বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি নেই, এটাও আরেকটা এক্সট্রিম। এটাও ভুল কথা। বাংলাদেশে একটা পর্যায়ে মিলিটেন্সি- জঙ্গিবাদ ছিল, আছে। সেটাকে আমরা আসলে কমব্যাট করতে চাই। এই সতর্কতার মানে হচ্ছে এটা খানিকটা ঝুঁকি তৈরি করেছে, কারণ দেড় বছর ইন্টারিম সরকারের সময় আমরা খেয়াল করেছি এই প্রবণতার মানুষদের অনেক বেশি সংগঠিত হওয়া বা পাবলিকলি আসা বা ওপেনলি আসার প্রবণতা তৈরি হয়েছিল।
তিনি বলেন, সেটারই খানিকটা ইমপ্যাক্ট আমরা বলতে পারি; এই সরকার এগুলো কমব্যাট করবে। জনগণকে এটুকু বলতে চাই—এই ঝুঁকি এমন নয় যে এটার জন্য ভয় পেতে হবে। কিন্তু সেই পুরনো কথা, আমরা যদি কোনো একটা সংকটকে বা ডিজিজকে স্বীকার না করি, ওটার চিকিৎসা হবে না। সো ইটস দেওয়ার, আমরা এটাকে একেবারে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার চেষ্টা করব।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তর এক সতর্কবার্তায় জানায়, ‘নিষিদ্ধঘোষিত একটি উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্যরা’ জাতীয় সংসদ ভবনসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালাতে পারে। এরপর দেশের বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থাপনার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতের ভিসা প্রাপ্তি সহজ হওয়া এবং বর্তমান স্থবিরতা কাটিয়ে শিগগিরই তা স্বাভাবিক হওয়ার সুখবর দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। প্রতিবেশী এই রাষ্ট্রের সঙ্গে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে সরকারের পক্ষ থেকে নানামুখী তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৩তম দিন মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর ইকবালের লিখিত প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
মঙ্গলবার বেলা ৩টা থেকে শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। এদিন প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্তাপিত হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘‘ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান সম্পর্ক সৌহার্দ্য, বন্ধুত্ব ও সংহতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এই সম্পর্কের মূল ভিত্তি হচ্ছে অভিন্ন মূল্যবোধ, ঐতিহাসিক সংযোগ এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সুদৃঢ় বন্ধন। বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই সার্বভৌম সমতা, ন্যায্যতা এবং পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে জাতীয় স্বার্থকে সমুন্নত রেখে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।’’
ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের বিষয়ে ড. খলিলুর রহমান সংসদকে জানান, ভারতের সঙ্গে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে সরকার ইতোমধ্যেই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি ভারত সফরে সেদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। ওই বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ ও ব্যবসায়িক ভিসার প্রক্রিয়া পুনরায় স্বাভাবিক করার বিষয়ে জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে। এই আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুতই ভিসা সংক্রান্ত বিষয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
আপনার মতামত লিখুন