খুঁজুন
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৮ মাঘ, ১৪৩২

রাষ্ট্রপতি মিথ্যাচার করে শপথের লঙ্ঘন করেছেন: আসিফ নজরুল

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৪, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি মিথ্যাচার করে শপথের লঙ্ঘন করেছেন: আসিফ নজরুল

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র পাননি বলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মিথ্যাচার করে শপথের লঙ্ঘন করেছেন। আজ সোমবার মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

ড. আসিফ নজরুল বলেন, রাষ্ট্রপতি পদে তার থাকার যোগ্যতা আছে কি না এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। উনি যদি তার বক্তব্যে অটল থাকেন তাহলে বিষয়টি উপদেষ্টা পরিষদে যাবে এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা মতামত দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি স্ববিরোধিতা করছেন। তার এ পদে থাকার আর অধিকার নেই। ভাষণে তিনি বলেছেন শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন। এখন আড়াইমাস পরে এ কথা কীভাবে বলেন? তিনি রাষ্ট্রপতি পদে থাকতে পারেন না।

এর আগে, শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে অনুসন্ধান করেছেন দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী। পত্রিকাটির রাজনৈতিক ম্যাগাজিন ‘জনতার চোখে’ প্রকাশিত ‘উনি তো কিছুই বলে গেলেন না’ শীর্ষক প্রতিবেদনে তিনি তুলে ধরেছেন এর বিস্তারিত।

মতিউর রহমান চৌধুরী জানিয়েছেন, তার অনুসন্ধানে শেখ হাসিনার পদত্যাগের কোনো সরকারি বা দালিলিক প্রমাণ এখনো মেলেনি।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে বলেছেন, ‘শুনেছি তিনি (শেখ হাসিনা) পদত্যাগ করেছেন। তবে বহু চেষ্টা করেও পদত্যাগপত্র খুঁজে পাইনি। তিনি হয়তো জানানোর সময় পাননি।’

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-আন্দোলন ও গণবিক্ষোভের মুখে দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। সংবিধানের ৫৭ (ক) ধারা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে। কিন্তু রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, তার কাছে শেখ হাসিনার কোনো পদত্যাগপত্র বা সংশ্লিষ্ট কোনো প্রমাণ পৌঁছায়নি।

উল্লেখ্য, শেখ হাসিনা ভারত পালিয়ে যাওয়ার পর ৫ আগস্ট রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তিন বাহিনীর প্রধানদের সামনে রেখে বলেছিলেন- ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং আমি তা গ্রহণ করেছি।’ রাষ্ট্রপ্রধানের এই দ্বিমুখী বক্তব্যে সৃষ্টি হয়েছে ধুম্রজালের। ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে।

অবৈধভাবে নির্বাচনি দায়িত্বে আনসারের ৩৩০ জন, পরে অব্যাহতি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ
অবৈধভাবে নির্বাচনি দায়িত্বে আনসারের ৩৩০ জন, পরে অব্যাহতি

রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকার আনসারের এক দলনেতা টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে ৩৩০ জনকে নির্বাচনি দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী তাদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আনসার বাহিনী থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ১৩ জন ‘প্রশিক্ষণবিহীন’ হওয়ার পরও নির্বাচনি দায়িত্ব পান। বিষয়টি প্রাথমিকভাবে সত্য প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

দুর্নীতিতে জড়িত যে কাউকেই তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে জানিয়ে বাহিনী আরও জানিয়েছে, রাজধানীর গুলশানের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের দলনেত্রী মোসাম্মৎ শাহনাজ সুলতানা এবং ভাটারা থানাধীন ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের দলনেত্রী সামসুন্নাহারকে ‘একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার পর দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে।

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, সম্প্রতি হাতিরঝিলের ঘটনার অভিযোগ পাওয়ার পর নিবিড় তদারকি চালিয়ে এ দুর্নীতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হাতিরঝিল থানার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের শহর প্রতিরক্ষা দলের (টিডিপি) নেতা মামুন জনপ্রতি ৪০০ টাকার বিনিময়ে ভুয়া সনদ তৈরি করে প্রশিক্ষণবিহীন ৩৩০ জনকে নির্বাচনি দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। পরে দায়িত্ব দেওয়ার নামে জনপ্রতি ১ হাজার ১০০ টাকা হারে উৎকোচ নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্ত ওয়ার্ড দলনেতা মামুন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, নির্বাচনি দায়িত্বের জন্য শুধু শারীরিক সক্ষমতা নয়, বৈধ সনদ ও প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতাও বাধ্যতামূলক। ভুয়া সনদধারী, অযোগ্য বা প্রভাবিত ব্যক্তির মাধ্যমে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ দেওয়া হবে না।

এবার ভোটের মাঠের নিরাপত্তায় বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় সাড়ে ৯ লাখ সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। এর মধ্যে আনসারের সংখ্যা সাড়ে ৫ লাখের বেশি।

দেশবাসীর উদ্দেশে তারেক রহমানের নির্বাচনী অডিও বার্তা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
দেশবাসীর উদ্দেশে তারেক রহমানের নির্বাচনী অডিও বার্তা

আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক অডিও বার্তার মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে ভোট ও সমর্থন প্রার্থনা করেছেন।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দেশের মানুষের মোবাইল ফোনে পাঠানো এ বিশেষ বার্তায় তিনি ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

বার্তার শুরুতেই জনাব তারেক রহমান দেশবাসীকে সালাম জানিয়ে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট, দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন। এরপর তিনি দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ব্যক্ত করেন।

ওই অডিও বার্তায় তারেক রহমান জনগণের প্রতি তার দীর্ঘদিনের দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করে বলেন, তিনি অতীতেও সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও ইনশাআল্লাহ তাদের সঙ্গে থাকবেন।

বার্তার শেষে তিনি বিএনপির স্লোগান তুলে ধরে বলেন, করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।

তারেক রহমানের অডিও বার্তাটি দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশেষ উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে সরাসরি জনগণের কাছে পৌঁছানোর এ উদ্যোগটি নির্বাচনী প্রচারণায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

ঢাকা-১৬ আসন: বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক এর সঙ্গে ইসি কর্মকর্তার গোপন বৈঠকের অভিযোগ

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ
ঢাকা-১৬ আসন: বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক এর সঙ্গে ইসি কর্মকর্তার গোপন বৈঠকের অভিযোগ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনের মালামাল বিভাজন, বিতরণ ও গ্রহণ কমিটির আহ্বায়ক মো. কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তিনি ওই আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমিনুল হকের বাসায় ‘গোপন বৈঠক’ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কর্নেল (অব.) মো. আব্দুল বাতেন।

‎বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ইসি সচিব আখতার আহমেদের কাছে তিনি লিখিত অভিযোগ করেন। ওই লিখিত পত্রে নির্বাচনী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ ও দ্রুত বদলির দাবি জানানো হয়েছে।

‎অভিযোগে বলা হয়েছে, জামায়াত প্রার্থী আব্দুল বাতেন তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) মো. কামরুল হাসান বর্তমানে ঢাকা-১৬ আসনের নির্বাচনী মালামাল ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়কের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি গতকাল (১০ ফেব্রুয়ারি) বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হকের বাসভবনে এক গোপন বৈঠকে মিলিত হন। প্রমাণের সপক্ষে অভিযোগপত্রের সাথে ছবি ও ভিডিও সংবলিত একটি পেনড্রাইভও যুক্ত করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, নির্বাচনের মতো স্পর্শকাতর সময়ে একজন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মকর্তার প্রার্থীর বাসায় গিয়ে বৈঠক করা দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রার্থীর সঙ্গে কর্মকর্তার এমন সখ্যতা থাকলে ওই আসনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয় বলে দাবি করেন কর্নেল আব্দুল বাতেন। নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে তাকে অবিলম্বে সরিয়ে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

‎উল্লেখ্য, ঢাকা-১৬ (পল্লবী-রূপনগর) আসনে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির আমিনুল হক এবং জামায়াতে ইসলামীর কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেনসহ অন্যান্য প্রার্থীরা।

অবৈধভাবে নির্বাচনি দায়িত্বে আনসারের ৩৩০ জন, পরে অব্যাহতি দেশবাসীর উদ্দেশে তারেক রহমানের নির্বাচনী অডিও বার্তা ঢাকা-১৬ আসন: বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক এর সঙ্গে ইসি কর্মকর্তার গোপন বৈঠকের অভিযোগ নীলফামারীর এসপিকে ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই: ইসি সচিব