খুঁজুন
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৮ মাঘ, ১৪৩২

সিরাজগঞ্জ নিশেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার, ২০ জনকে সাজা, পুলিশের নিরবতা

রেজাউল করিম স্টাফ রিপোর্টার,সিরাজগঞ্জঃ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৪, ১:৪০ অপরাহ্ণ
সিরাজগঞ্জ নিশেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার, ২০ জনকে সাজা, পুলিশের নিরবতা

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি অঞ্চলে যমুনা নদীতে মৎস্য অধিদপ্তরের নিশেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছা শিকার করছেন মৌসুমী জেলেরা। খবর পেয়ে দিনভর অভিযান চালিয়ে ২০ জন জেলেতে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালত।

এসময় তাদের কাছ থেকে প্রায় ৩৫ কেজি মা ইলিশ মাছ ও দুই লাখ মিটার কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের এই অভিযানে পুলিশ কোন সহযোগীতা করেনি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

২২ অক্টবর মঙ্গলবার সকাল থেকে যমুনা নদীর বেলকুচি অঞ্চলে মৎস্য সম্পদ রক্ষায় মা ইলিশের প্রজনন বৃদ্ধি করতে অভিযানে নামে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসন।

এসময় তারা যমুনা নদীতে মা ইলিশ শিকার অবস্থায় ২০ জন মৌসুমী জেলেকে মাছ ও জাল সহ আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতে প্রতিজনকে ১৪ দিন করে সাজা দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যজিষ্ট্রেট আফিয়া সুলতানা কেয়া। 

উপজেলা অতিরিক্ত মৎস্য কর্মকর্তা জুয়েল আহম্মেদ বলেন, আগামী ৩রা নভেম্বর পর্যন্ত আমাদের যমুনা নদীতে মা ইলিশ ডিম প্রজনন করতে আসবে। এজন্য নির্বিগ্নে মা ইলিশ যেন ডিম প্রজনন করতে পারে সেজন্য মৎস্য অধিদপ্তর নদীতে মাছ শিকার নিষেধ করে নিয়েছেন। এসময় আমরা জেলেদের ভিজিএফ চাল সহ অন্যান্য সহযোগীতা করে থাকি। কেউ যদি এই আদেশ অমান্য করে মাছ ধরে তাহলে তাকে জেল জরিমানা করা হয়।

এরি ধারাবাহিকতায় আমরা আজ অভিযান করে নদীতে কারেন্ট জাল, ইলিশ মাছ সহ ২০ জনকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সাজা দেয়া হয়। আর মাছ গুলো বিভিন্ন এতিমখানায় দিয়ে দেয় হয়। উদ্ধার করা জাল গুলো পুরিয়ে ফেলা হয়েছে। আমাদের এই অভিযান চলমান থাকবে।

বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া সুলতানা কেয়া বলেন, আমরা মৎস্য সম্পদ রক্ষায় যমুনা নদীতে অভিযান চালিয়ে ২০ জনকে আটক করে সাজা দিয়েছি। আর সকলকে সচেতন করতে এক মাস আগে থেকে মাইকিং,  লিফলেট বিতরন সহ নানা কর্যক্রম চালাচ্ছি। তবে আমরা মৎস্য অভিযানে পুলিশের কোন সহযোগীতা পাচ্ছিনা। এমনকি অসামী ধরে আনার পরেও পুলিশের গাড়ী দিয়ে আসামী নিয়ে যাবে সেই সহযোগীতাও করেনি। আমি আনসার সদস্যদের সাথে নিয়ে অভিযান সহ সকল কার্যক্রম করছি।

এ ব্যাপারে বেলকুচি থানার অফিসার ইনচার্জ জাকেরিয়া হোসেন বলেন, মৎস্য অভিযানের জন্য আমাদের একটা টিম সব সময় রেডি রেখেছি। আজ তারা অভিযানে যাবে তা আমাকে বলেনি। আর যখন গাড়ী চেয়েছে তা দেয়া সম্ভব হয়নি কারন আমাদের এই ছোট গাড়ীতে ২০ জন আসামী নেযা সম্ভব হবেনা তাই। তবে আমি পুলিশ সাথে দিয়ে জেলখানা পর্যন্ত আসামী পৌছে দিয়েছি।

ঢাকা-১৬ আসন: বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক এর সঙ্গে ইসি কর্মকর্তার গোপন বৈঠকের অভিযোগ

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ
ঢাকা-১৬ আসন: বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক এর সঙ্গে ইসি কর্মকর্তার গোপন বৈঠকের অভিযোগ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনের মালামাল বিভাজন, বিতরণ ও গ্রহণ কমিটির আহ্বায়ক মো. কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তিনি ওই আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমিনুল হকের বাসায় ‘গোপন বৈঠক’ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কর্নেল (অব.) মো. আব্দুল বাতেন।

‎বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ইসি সচিব আখতার আহমেদের কাছে তিনি লিখিত অভিযোগ করেন। ওই লিখিত পত্রে নির্বাচনী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ ও দ্রুত বদলির দাবি জানানো হয়েছে।

‎অভিযোগে বলা হয়েছে, জামায়াত প্রার্থী আব্দুল বাতেন তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) মো. কামরুল হাসান বর্তমানে ঢাকা-১৬ আসনের নির্বাচনী মালামাল ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়কের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি গতকাল (১০ ফেব্রুয়ারি) বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হকের বাসভবনে এক গোপন বৈঠকে মিলিত হন। প্রমাণের সপক্ষে অভিযোগপত্রের সাথে ছবি ও ভিডিও সংবলিত একটি পেনড্রাইভও যুক্ত করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, নির্বাচনের মতো স্পর্শকাতর সময়ে একজন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মকর্তার প্রার্থীর বাসায় গিয়ে বৈঠক করা দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রার্থীর সঙ্গে কর্মকর্তার এমন সখ্যতা থাকলে ওই আসনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয় বলে দাবি করেন কর্নেল আব্দুল বাতেন। নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে তাকে অবিলম্বে সরিয়ে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

‎উল্লেখ্য, ঢাকা-১৬ (পল্লবী-রূপনগর) আসনে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির আমিনুল হক এবং জামায়াতে ইসলামীর কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেনসহ অন্যান্য প্রার্থীরা।

নীলফামারীর এসপিকে ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
নীলফামারীর এসপিকে ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিনকে হয়রানি ও নির্যাতনের প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার এসকে জাহিদুল ইসলামকে ফ্যাসিবাদের ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে তার প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে তিনি সাবেক ডিবি প্রধান মনিরুল ইসলামের সহযোগী ছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব অভিযোগ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার আমির বেলাল উদ্দিন ব্যবসায়ী কাজে নগদ টাকা নিয়ে বিমানযোগে তার এলাকায় যাচ্ছিলেন। কাস্টমসের অনাপত্তিতে তাকে টাকা বহনের ছাড়পত্র দেয় ঢাকা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

কিন্তু সৈয়দপুর বিমানবন্দরে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে হেনস্তা করা হয়েছে। এমনকি তাকে নির্যাতন করে নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার এস কে জাহিদুল ইসলাম। এই নির্যাতনে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

এতে আরও বলা হয়, মিডিয়া ফ্রেমিং করে এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হয়েছে। আমরা গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল ভূমিকার পাশাপাশি মিথ্যা প্রচারণা থেকে বিরত থাকার আহবান জানাচ্ছি। সেই সাথে নাটকের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার এসকে জাহিদুল ইসলাম ফ্যাসিবাদের দোসর উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, তিনি সাবেক ডিবি প্রধান ভারতে পলাতক মনিরুল ইসলামের অন্যতম সহযোগী ছিলেন। তিনি জঙ্গি নাটক সাজিয়ে বিভিন্ন অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক দ্রুত ব্যবস্থা ও দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

জামায়াত নেতার টাকা প্রসঙ্গ

৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই: ইসি সচিব

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই: ইসি সচিব

ভোটের সময় নগদ টাকা বহনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো সর্বোচ্চ সীমা নেই বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। টাকার বৈধ উৎস ও ব্যবহারের খাত দেখাতে পারলে প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহন করতেও বাধা নেই বলে স্পষ্ট করেছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভোটের সময় টাকা পরিবহনের সীমা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

একজন ব্যক্তি ভোটের সময় কত টাকা বহন করতে পারবেন-এমন প্রশ্নে সচিব বলেন, টাকা যদি বৈধ হয় এবং তার উৎস সঠিকভাবে দেখানো যায়, তাহলে সমস্যা নেই। ব্যক্তিগত প্রয়োজনে যে কেউ যে কোনো পরিমাণ টাকা বহন করতে পারবেন।

তিনি বলেন, ভোটের সময় টাকা বহনের নির্দিষ্ট সীমা নেই। সোর্স ও ব্যবহারের বৈধ খাত দেখাতে পারলে ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই।

তিনি আরও বলেন, ওই টাকা যদি ভোটে কাউকে প্রভাবিত করার কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি ‘নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি’ দেখবে। আর টাকা অবৈধ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

প্রসঙ্গেত, বুধবার দুপুর ১২টায় ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমীর বেলাল উদ্দিন প্রধানকে আনুমানিক ৫০ লাখ টাকাসহ আটক করে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থানা পুলিশ। এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে টাকা বহনের সীমা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানায় জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়- অনুমতি নিয়ে, নিয়ম মেনেই টাকা বহন করছিলেন জেলা আমির। তাছাড়া ওই সম্পূর্ণ টাকা তার নিজের ব্যবসায়ের। একটি পক্ষ জামায়াতের নামে কুৎসা রটনার লক্ষ্যে জেলা আমিরের ব্যক্তিগত টাকা অন্য খাতে দেখানোর অপচেষ্টা করে।

ঢাকা-১৬ আসন: বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক এর সঙ্গে ইসি কর্মকর্তার গোপন বৈঠকের অভিযোগ নীলফামারীর এসপিকে ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই: ইসি সচিব ঢাকার দূষণ রোধে ৪৫২৮ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না: এডিসি জুয়েল রানা