খুঁজুন
রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ২৭ বৈশাখ, ১৪৩৩

বঙ্গভবনের সামনে কাঁটাতারের বেড়া, নিরাপত্তা জোরদার

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৪, ২:০৯ অপরাহ্ণ
বঙ্গভবনের সামনে কাঁটাতারের বেড়া, নিরাপত্তা জোরদার

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ চেয়ে মঙ্গলবার রাতে বঙ্গভবনে প্রবেশের চেষ্টার ঘটনা ও পুলিশ সদস্যদের ওপরে হামলার পর আজ নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এমনকি বঙ্গভবনের প্রধান ফটকের সামনে ব্যারিকেড ছাড়াও কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়েছে, যা গতকাল ছিল না।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) বঙ্গভবনের প্রধান ফটকের সামনে এপিবিএন, বিজিবি, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্যকে সশস্ত্র অবস্থায় দেখা গেছে। পাশাপাশি প্রস্তুত রাখা হয়েছে এপিসি, জলকামানসহ রায়ট কার।

সরেজমিনে দেখা যায়, বঙ্গভবন এলাকায় বুধবার সকাল থেকে বিক্ষুব্ধ জনতা বা আন্দোলনকারীদের কাউকে না দেখা গেলেও নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়টি ছিল স্পষ্ট। গতকালের উদ্ভূত পরিস্থিতির ঘটনার পর আজ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে গণমাধ্যমকর্মীদের বাড়তি উপস্থিতি দেখা গেছে।

বঙ্গভবন এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. শাহরিয়ার আলী বলেন, গতকাল রাতে উদ্ভূত ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের ওপর হামলা হয়েছে। বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এক শিক্ষার্থীসহ দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, আহত হয়েছেন তিনজন।

তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে আজ এই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। যদিও আজ এখন পর্যন্ত আন্দোলনকারী বা বিক্ষুব্ধ জনতাকে দেখা যায়নি। তবে আমরা সতর্ক আছি। পুলিশের পাশাপাশি এপিবিএন, বিজিবি, সেনাবাহিনীর সদস্য মোতায়ন রয়েছেন।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, ডিএমপির নির্দেশনা অনুযায়ী আজ বঙ্গভবন এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি ও যান চলাচল স্বাভাবিক।

ছাত্র-জনতার তোপের মুখে পদত্যাগ করে গত ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। তিনি পালিয়ে যাওয়ার পরে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিয়েছেন এবং আমি তা গ্রহণ করেছি।

তবে সম্প্রতি মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি জানান, তিনি শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন, কিন্তু তার কাছে এ সংক্রান্ত কোনো দালিলিক প্রমাণ বা নথিপত্র নেই। রাষ্ট্রপতি বলেন, বহু চেষ্টা করেও (পদত্যাগপত্র সংগ্রহ করার) আমি ব্যর্থ হয়েছি। তিনি হয়তো সময় পাননি।

এরপর নতুন করে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন সরকার পতনে নেতৃত্বদানকারীরা। সোমবার দিনগত রাতে ফেসবুকে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।

পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লেখেন, সন্ত্রাসী ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ও ফ্যাসিবাদের দোসর রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর পদত্যাগের দাবিতে ছাত্র-জনতার গণজমায়েত। এরপর মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে বিভিন্ন ব্যানারে বিক্ষুব্ধ জনতা বঙ্গভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ দাবিতে স্লোগান দেন।

মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত পরিস্থিতির স্বাভাবিকই ছিল। তবে এরপর আন্দোলনকারীদের একটি দল বারবার বঙ্গভবনে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করে। ব্যর্থ হয়ে বঙ্গভবনের সামনের নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেন একদল বিক্ষোভকারী।

তবে সেনাবাহিনী ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কঠোর অবস্থানের ফলে তারা কেউ ভেতরে ঢুকতে পারেননি।

পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিক থেকে এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিক্ষোভকারীরা ‘ভুয়া’, ‘ভুয়া’সহ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

এরপর রাত ১০টার দিকে পুলিশের ওপর এবং পুলিশের গাড়িতে হামলা করেন আন্দোলনকারীরা। হামলায় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

আপিল বিভাগে আইভীর জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ২:৪০ অপরাহ্ণ
আপিল বিভাগে আইভীর জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই

হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা ১০ মামলায় নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার মুক্তিতে আপাতত কোনও বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন খারিজ করে রবিবার (১০ মে) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

আদালতে আইভীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. মোতাহার হোসেন সাজু।

এর আগে ২০২৫ সালের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকার চুনকা কুটির থেকে সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরবর্তীতে হাইকোর্ট পাঁচ মামলায় তাকে জামিন দেন।

তবে আপিল বিভাগে সেই জামিন স্থগিত হয়ে যায়। এর মধ্যে গত ১৮ নভেম্বর আরও পাঁচ মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২৬ ফেব্রুয়ারি তাকে জামিন দেন।

হামে মৃত্যু: ইউনূস ও নূরজাহানসহ জড়িতদের শাস্তির দাবি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
হামে মৃত্যু: ইউনূস ও নূরজাহানসহ জড়িতদের শাস্তির দাবি

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে অস্বাভাবিক মৃত্যুতে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেছেন, ইউনূস সরকারের গাফিলতিতে এ ঘটনা ঘটছে।

হামে তিনশতাধিক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর কারণে শনিবার (৯ মে) রাজধানীর পুরান পল্টন মোড়ে ইউনূস সরকার ও নূরজাহান বেগমসহ জড়িতদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে তিনি এ কথা বলেন।

রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, বাংলাদেশ অনেক দিন ধরে বিশ্বের মধ্যে নানা বিষয় শিশুদের টিকাদান কর্মসূচিতে দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী হয়েছে। আজ ইউনূস সরকারের অবহেলায় শিশুগুলোর মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। অথচ সরকার রহস্যজনক কারণে দোষীদের বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে। এজন্য তিনি ইউনূস সরকার ও নূরজাহান বেগমসহ জড়িত সংশ্লিষ্টদের বিচার দাবি করেন।

এই নেতা বলেন, জাতীয় সংসদে সরকারি ও বিরোধী দল মিলিয়ে অনেক অপ্রয়োজনীয় হাস্যরসের কথা বলে সময় নষ্ট করলেও এ ধরনের জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পর্যাপ্ত আলোচনা হলো না।

তিনি বলেন, হামে আক্রান্ত হওয়ার পর পর্যাপ্ত আইসিইউ সাপোর্ট না দেওয়ার কারণে অনেক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পরপর সরকার আইসিইউ সাপোর্ট দেওয়ার জন্য পরিকল্পিত উদ্যোগ নিলে অনেক শিশুর মৃত্যু এড়ানো যেত।

রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, দেশে বেকারত্ব ও দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। চিকিৎসা নিতে জায়গা জমি বেচার কারণে প্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়ে যাচ্ছে।

সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত সরকারি হাসপাতাল গড়ে তোলার জন্য তিনি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যব্যবস্থা বেসরকারিকরণের নামে অপ্রয়োজনীয় ডায়গনস্টিক সেন্টার ও মানহীন হাসপাতাল গড়ে উঠেছে। এগুলো দেখার কেউ নেই। তিনি চিকিৎসার নামে ব্যবসা কঠোরভাবে নিষিদ্ধের দাবি জানান।

সংগঠনের পল্টন শাখার সম্পাদক রফিজুল ইসলাম রফিকের সভাপতিত্বে ও সহসম্পাদক রবিউল ইসলাম রবির সঞ্চলনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- সিপিবি ঢাকা মহানগরের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ত্রিদিব সাহা, সিপিবি পল্টন থানার সভাপতি মুর্শিকুল ইসলাম শিমুল, বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার হায়াত প্রমুখ।

বাংলাদেশ কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হবে না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হবে না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

বাংলাদেশ বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান, ভারসাম্য ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ভিত্তিতে সরকার এমন একটি পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করবে, যা হবে বহুমাত্রিক, নমনীয় এবং কোনো নির্দিষ্ট দেশকেন্দ্রিক নয়।

শনিবার (৯ মে) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ (বিআইপিএসএস) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট: এ ফরেন পলিসি আউটলুক ফর এ নিউ বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং একক শক্তির আধিপত্যের যুগ শেষের পথে। এই নতুন বাস্তবতায় বাংলাদেশকে কৌশলগতভাবে নমনীয় ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান নিতে হবে। বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক রাখবে, তবে কোনো দেশের ওপর এককভাবে নির্ভরশীল হবে না। জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখে স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণই হবে সরকারের মূল লক্ষ্য।

অর্থনৈতিক কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি জানান, রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে। বাংলাদেশকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের মধ্যে একটি অর্থনৈতিক সেতুবন্ধন হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশ কোনো নির্দিষ্ট পক্ষ না নিয়ে বাণিজ্য, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নের উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে।

অভ্যন্তরীণ রাজনীতির বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, একটি দেশের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে তার সুশাসন ও গণতন্ত্রের ওপর। বাংলাদেশ আর কখনো স্বৈরাচার ও দুঃশাসনের অন্ধকার সময়ে ফিরে যাবে না। সরকার দেশে জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অনুষ্ঠানে বিআইপিএসএস প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল (অব.) আ ন ম মুনিরুজ্জামান বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের এই সময়ে অর্থনৈতিক কূটনীতি ও বড় শক্তিগুলোর সঙ্গে কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। এছাড়া রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক সামুদ্রিক নিরাপত্তায় সরকারকে আরও উদ্ভাবনী কৌশল গ্রহণের পরামর্শ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিআইপিএসএসের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো শাফকাত মুনিরের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে আলোচনা সমাপ্ত হয়। এতে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপিল বিভাগে আইভীর জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই হামে মৃত্যু: ইউনূস ও নূরজাহানসহ জড়িতদের শাস্তির দাবি বাংলাদেশ কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হবে না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জনগণ এমন রাষ্ট্র চায়, যেখানে অবিচার অনাচার থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী শিশুকে যৌন নিপীড়ন, শ্রীলঙ্কার শীর্ষ বৌদ্ধ ভিক্ষু গ্রেফতার