খুঁজুন
রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৫ মাঘ, ১৪৩২

হরিনাকুন্ডু ৭নং রঘুনাথপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড বিএনপির কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

ইনছান আলী, স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৪, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
হরিনাকুন্ডু ৭নং রঘুনাথপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড বিএনপির কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নে ওয়ার্ড বিএনপির কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে ইউনিয়নের রঘুনাথপুর হোসেন আলী আলিম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ২নং ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে এ কর্মীসভার আয়োজন করা হয়।

ইউনিয়নটির ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দুলাল সর্দারের সভাপতিত্বে কর্মীসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঝিনাইদহ জেলা জাসাসের যুগ্ম আহ্বায়ক বিশিষ্ট শিল্পপতি সাংবাদিক জাহিদ হাসান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রঘুনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাকসুদুর রহমান অল্টু, ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান, ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ বদর উদ্দিন, সাবেক ২নং ওয়ার্ড মেম্বার ও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি লতাহার মাষ্টার, সাবেক ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল বারী ও সাবেক ২নং ওয়ার্ড মেম্বার আলী হোসেন ব্যাপারী।

এছাড়াও উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, দেশ এখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় না থাকলেও ছায়া সরকার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশ নায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা জেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট এমএ মজিদের নির্দেশে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি আমার রাজনৈতিক অভিভাবক। আপনাদেরকে আমি প্রথমে যে কথা বলতে চাই তা হলো, বিনা কারণে কারো উস্কানিতে কান দিয়ে ইউনিয়নে কোন প্রকার অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হবেন না। এটা জেলা বিএনপির সভাপতির নির্দেশ। আমি তার কথা আপনাদের মাঝে তুলে ধরছি মাত্র।

তাছাড়া পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের দোসররা যদি তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য সমাজকে অস্থিতিশীল করতে চায়। তবে সংগে সংগে তাদেরকে রুখে দিতে জেলা বিএনপির সভাপতিকে অবহিত করবেন। প্রধান অতিথি বলেন, শতশত ছাত্র ও জনগণের রক্তের বিনিময়ে এদেশ স্বৈরাচারী সরকার থেকে মুক্তি পেয়েছে। তাদের প্রেতাত্মা এখনো দেশে বিরাজমান। যাদের কারণে গত ১৫ বছর আমরা একসাথে বসতে পারিনি, সভা সমাবেশ করতে পারিনি।

ছাত্র জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে আমরা সে অধিকার ফিরে পেয়েছি। তাই বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে কোন ভাবেই ব্যার্থ হতে দেওয়া যাবে না। এই সরকার ব্যার্থ হলে গণ অভ্যুত্থান ব্যার্থ হবে, হাজার শহীদের রক্ত বৃথা যাবে। তাই দেশের পতিত শৈরাচার সরকারের ফ্যাসিবাদী কায়েম করতে যারা সহায়তা করেছে, তাদেরকেও চিহ্নিত করতে হবে। জনগণের মৌলিক অধিকার ফিরে পেতে জনগণকেই প্রতিবাদ করতে হবে। যার যার স্থান থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সহযোগিতা করতে হবে।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে আরো বলেন, ইতিমধ্যে আপনারা শুনেছেন আমাদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দরা স্পষ্ট ভাষায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ্যে বলেছেন যে, একটি যৌক্তিক সময়ের মধ্যে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে একটি লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির মাধ্যমে নির্বাচন দিতে। অতএব আপনারা সবাই ভোটের জন্য প্রস্তুতী নিতে, ওয়ার্ডবাসী একতাবদ্ধ থাকবেন বলে আমি আশাবাদী।

এর আগে প্রধান অতিথির আগমনে স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিত নেতাকর্মীরা, শ্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তাকে বরণ করেন। সভা শেষে, প্রধান অতিথির নিজস্ব তহবিল থেকে উপস্থিত ৭/৮’শ নেতা কর্মীদের জন্য প্রিতি ভোজের আয়োজন করা হয়।

কারাগারে বলিউডের জনপ্রিয় কমেডিয়ান রাজপাল যাদব

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫০ অপরাহ্ণ
কারাগারে বলিউডের জনপ্রিয় কমেডিয়ান রাজপাল যাদব

পর্দায় যাঁর উপস্থিতি মানেই হাসির রোল, সেই অভিনেতা রাজপাল যাদব এখন জেলে। ৫ কোটি রুপি ঋণ সুদে-আসলে ৯ কোটিতে পৌঁছানো এবং বারবার চেক বাউন্স হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দিল্লির তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করেছেন তিনি। দিল্লি হাইকোর্ট তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো দয়া না দেখিয়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আইন সবার জন্য সমান।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজপাল যাদবের এই বিপত্তির শুরু প্রায় ১৬ বছর আগে। ২০১০ সালে নিজের পরিচালিত প্রথম ছবি ‘আতা পাতা লাপাতা’ নির্মাণের জন্য দিল্লির মুরলি প্রজেক্টস নামের একটি সংস্থা থেকে ৫ কোটি রুপি ঋণ নিয়েছিলেন তিনি। ২০১২ সালে ছবিটি মুক্তি পেলেও বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। এর পর থেকে শুরু হয় ঋণ পরিশোধের টানাপোড়েন।

তদন্তে জানা গেছে, গত কয়েক বছরে রাজপাল আদালতকে অন্তত ২০ বার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তিনি অর্থ শোধ করবেন। কিন্তু প্রতিবারই তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।

প্রথম ২০১৮ সালে দিল্লির একটি আদালত চেক বাউন্স মামলায় রাজপাল ও তাঁর স্ত্রীকে দোষী সাব্যস্ত করে ছয় মাসের সাজা দেন। এরপর ২০২৪ সালে হাইকোর্ট তাঁর সাজা সাময়িকভাবে স্থগিত করে সমঝোতার সুযোগ দেন।

তবে গত বছরের ডিসেম্বরে ৪০ লাখ এবং জানুয়ারিতে ২ কোটি রুপি দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি তা দেননি।

গত বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজপাল যাদব ক্ষমা প্রার্থনা করে আরও এক সপ্তাহ সময় চেয়েছিলেন। কিন্তু বিচারপতি স্বর্ণ কান্ত শর্মা সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে বলেন, কেবল কেউ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত বলে আদালত তাঁর জন্য কোনো বিশেষ নিয়ম তৈরি করতে পারেন না। নমনীয়তা দেখানো হয়েছে, কিন্তু আইন অমান্য করলে তার সাজা পেতেই হবে। আদালতের মতে, রাজপালের এই আচরণ বিচারব্যবস্থার প্রতি ‘অসম্মান’ প্রদর্শনের শামিল।

গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা নাগাদ রাজপাল তিহার জেল কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। জেল সূত্রে জানা গেছে, সেখানে বর্তমানে তিনি একজন সাধারণ কয়েদি হিসেবে ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করবেন। রাজপালের আইনজীবী জানিয়েছেন, আত্মসমর্পণের পর এখন নতুন করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যাতে ঋণের অর্থ পরিশোধ করে দ্রুত মুক্তি পাওয়া যায়।

হাঙ্গামা, ভুলভুলাইয়া ও চুপ চুপ কের মতো কালজয়ী সিনেমার এই অভিনেতার এমন পরিণতিতে ভক্তদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বলিউডের কোনো তারকা এই বিপদে তাঁর পাশে দাঁড়াবেন কি না, তা নিয়ে চলছে আলোচনা।

ডা. না হয়েও পদবি ব্যবহার, জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
ডা. না হয়েও পদবি ব্যবহার, জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করার অভিযোগে ফেনী-৩ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিনকে শোকজ করেছেন আসনের অনুসন্ধানকারী ও বিচারিক কর্মকর্তা সাজ্জাতুন নেছা।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাকে লিখিতভাবে এ শোকজ নোটিশ প্রদান করা হয়।

শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচন আইন সহায়তা ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক লিগ্যাল কমিটির অভিযোগ অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহৃত পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করছেন। অথচ তার নির্বাচনী হলফনামায় তিনি ‘ডাক্তার’ পদবি উল্লেখ করেননি, যা স্পষ্টভাবে নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন।

নোটিশে আরও বলা হয়, এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এমতাবস্থায় কেন মোহাম্মদ ফখরুদ্দিনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে অপরাধ বিচারার্থে আমলে নেওয়া হবে না অথবা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান শেষে লিখিত সুপারিশসহ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে না- সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শোকজ নোটিশে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় কমিটির অস্থায়ী কার্যালয় তথা বিচারক (যুগ্ম জেলা জজ), ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, ফেনীতে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

নিরাপত্তা চেয়ে মিন্টুর জিডি:

এদিকে এই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে দাগনভূঞা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তার পক্ষে নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্ট মোহাম্মদ শামছুদ্দিন থানায় জিডিটি দায়ের করেন।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের সিলোনীয়া বাজারে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর এক নির্বাচনী সভায় দলটির নেতা মেজবাহ উদ্দিন সাঈদ, বিএনপির প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টুকে উদ্দেশ করে হুমকিমূলক বক্তব্য দেন।

তিনি বক্তব্যে বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডা. শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে মিন্টু কোথায় পালিয়ে যাবেন- এ প্রশ্ন তোলেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ভাত রেখে পালিয়ে গেছে, আপনাকেও কি রেখে পালাতে হবে- তা আমি বলতে চাই না।

জিডিতে আরও দাবি করা হয়, মেজবাহ উদ্দিন সাঈদসহ জামায়াতের বিভিন্ন নেতাকর্মী বিভিন্ন সময় ও বিভিন্ন মাধ্যমে নিয়মিত হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছেন। এতে করে আবদুল আউয়াল মিন্টু সম্মানহানি ও নিজের জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে উল্লেখ করা হয়। এ বিষয়ে আইনগত সুরক্ষা ও প্রতিকার চেয়ে থানায় লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে।

আবদুল আউয়াল মিন্টু জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনীত ফেনী-৩ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী। তিনি দাগনভূঞা উপজেলার আলাইয়ারপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মরহুম আলহাজ্ব শফি উল্লাহ ও বদরের নেছার বড় ছেলে।

সকল আইডি কার্ড বাতিল ঘোষণা

আইন সুরক্ষা ফাউন্ডেশন (আসুফ) রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সকল কার্যক্রম স্থগিত

রাজশাহী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
আইন সুরক্ষা ফাউন্ডেশন (আসুফ) রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সকল কার্যক্রম স্থগিত

আইন সুরক্ষা ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান একটি জরুরি নির্দেশ জারি করেন যে, রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সকল কার্যক্রম স্থগিত এবং আইডি কার্ড বাতিল করা হলো। এ প্রসঙ্গে গত ৬ ফেব্রুয়ারি স্মারক নং- আসুফ ০৪/২৬ উল্লেখ করে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয়া হয়।

“স্মারক কপিতে যা লেখা আছে, সংক্ষেপে তার মূল অংশ তুলে ধরা হলো”

★স্থগিত এর কারণ:

সাংগঠনিক স্থবিরতা, দাপ্তরিক অযোগ্যতা, সাংগঠনিক কার্যক্রমের রিপোর্টিং প্রদান নিষ্ক্রিয়তা, পরিচয় পত্র বাতিল প্রসঙ্গে, সতর্কতা বার্তা সহ সকল বিষয়ে তুলে ধরেছেন মাননীয় চেয়ারম্যান মহোদয়। যেখানে মাননীয় প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান গতকাল থেকে রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছেন।

এমতাবস্থায় অভিযোগ এসেছে- কমিটি বাতিল ঘোষণা করার পরও আইন সুরক্ষা ফাউন্ডেশন (আসুফ) রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মুরাদ হোসেন কোন ধৃষ্টতায় নিজ ইচ্ছায় নিজের ইচ্ছাকৃত জায়গায় আইন সুরক্ষা ফাউন্ডেশন (আসুফ) রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির নাম ভাঙ্গিয়ে পূবালী মার্কেট দ্বিতীয় তলা সন্ধ্যা ৬ টা ৩০ মিনিটে মিটিং এর আয়োজন করে। এটা চরমভাবে সাংগঠনিক ও আইনি লংঘন করা হয়েছে আমি বলে আমি মনে করি।

এম এ আরিফ
পরিচালক কেন্দ্রীয় কমিটি
আইন সুরক্ষা ফাউন্ডেশন (আসুফ)।

কারাগারে বলিউডের জনপ্রিয় কমেডিয়ান রাজপাল যাদব ডা. না হয়েও পদবি ব্যবহার, জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ আইন সুরক্ষা ফাউন্ডেশন (আসুফ) রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সকল কার্যক্রম স্থগিত মুম্বাইয়ে জমকালো অনুষ্ঠান, অন্যান্য স্টেডিয়াম ফাঁকা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় পদায়নে আওয়ামী পুনর্বাসনের নানা অভিযোগ ও বিতর্ক