খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ২০ চৈত্র, ১৪৩১

সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে চাকরির সুযোগ, পদ ৫৩০

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৪, ২:৩০ পূর্বাহ্ণ
সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে চাকরির সুযোগ, পদ ৫৩০

সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানে ১৭ ক্যাটাগরির পদে ৫৩০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

১.পদের নাম: সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ১
যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমান পাস
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা

২.পদের নাম: মেকানিক গ্রেড-বি
পদসংখ্যা: ১৯
যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস
বেতন স্কেল:৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা

৩.পদের নাম: গাড়িচালক
পদসংখ্যা: ৩৩৩
যোগ্যতা: জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমান পাস
বেতন স্কেল: ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা

৪.পদের নাম: গাড়িচালক
পদসংখ্যা: ৭৩
যোগ্যতা: জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমান পাস
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

৫.পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ৪
যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

৬.পদের নাম: হিসাব সহকারী
পদসংখ্যা: ৫
যোগ্যতা: বাণিজ্য বিভাগে এইচএসসি বা সমমান পাস।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

৭.পদের নাম: টাইম কিপার
পদসংখ্যা: ১
যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

৮.পদের নাম: ইনডেন্ট সহকারী
পদসংখ্যা: ২
যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

৯.পদের নাম: জব সহকারী
পদসংখ্যা: ১
যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

১০.পদের নাম: স্টোরম্যান
পদসংখ্যা: ১
যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

১১.পদের নাম: লেজার সহকারী
পদসংখ্যা: ৩
যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

১২.পদের নাম: স্পিডবোট চালক
পদসংখ্যা: ১০
যোগ্যতা: স্পিডবোট চালনায় তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

১৩.পদের নাম: মেকানিক গ্রেড-ডি
পদসংখ্যা: ১৬

যোগ্যতা:
(ক) উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ; (খ) অটোমোটিভ মেশিনস, ইলেকট্রিক্যাল ইনস্টলেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স, ফিটিং, মেশিন শপ প্র্যাকটিস, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনিং বা ওয়েল্ডিং বিষয়ে ট্রেড কোর্স উত্তীর্ণ; (গ) সংশ্লিষ্ট ট্রেডে ২ (দুই) বছরের অভিজ্ঞতা অথবা অটোমোটিভ মেকানিক্যাল ড্রাফটিং উইথ ক্যাড, ইলেকট্রিক্যাল মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কস, ফার্ম মেশিনারি, জেনারেল মেকানিকস, মেশিন টুলস অপারেশন, জেনারেল ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনিং বা ওয়েল্ডিং অ্যান্ড ফেব্রিকেশন বা ওয়েল্ডিং ট্রেডে মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (ভোকেশনাল) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ, সংশ্লিষ্ট ট্রেডে দুই বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে অথবা অটোমোবাইল, ইলেকট্রিক্যাল, ওয়ার্কস অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স, অ্যাগ্রো মেশিনারি, মেশিন টুলস অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনিং বা ওয়েল্ডিং অ্যান্ড ফেব্রিকেশন ট্রেডে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (ভোকেশনাল) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং দুই বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বেতন স্কেল: ৮,৮০০-২১,৩১০ টাকা

১৪.পদের নাম: ডেসপাচ রাইডার
পদসংখ্যা: ১১
যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমান পাস।
বেতন স্কেল: ৮,৮০০-২১,৩১০ টাকা

১৫.পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ৫
যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমান পাস।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা

১৬.পদের নাম: ক্লিনার/হেলপার

পদসংখ্যা: ২৯
যোগ্যতা:
মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণসহ অটোমোটিভ মেশিনস, ইলেকট্রিক্যাল ইনস্টলেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স, ফিটিং, মেশিন শপ প্র্যাকটিস, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং, ওয়েল্ডিং অটোমেকানিক, অটো ইলেকট্রিশিয়ান, অটো ডেন্টিং পেইন্টিং, ডায়াগনস্টিক টেকনিশিয়ান, সিএনজি ও এলএনজি কনভার্শন টেকনিশিয়ান বা অটোমোবাইল ইনটেরিয়র টেকনিশিয়ান বিষয়ে ট্রেড কোর্স পাস

অথবা

কোনো স্বীকৃত বোর্ড হতে অটোমোটিভ মেকানিক্যাল ড্রাফটিং উইথ ক্যাড, ইলেকট্রিক্যাল মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কস, ফার্ম মেশিনারি, জেনারেল মেকানিকস, মেশিন টুলস অপারেশন, জেনারেল ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং, ওয়েল্ডিং অ্যান্ড ফেব্রিকেশন বা ওয়েল্ডিং ট্রেডে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (ভোকেশনাল) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।

বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা

১৭.পদের নাম: নিরাপত্তা প্রহরী
পদসংখ্যা: ১৬
যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমান পাস।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা

যেভাবে আবেদন করবেন:
আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদনসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে এই লিংকে।

আবেদন ফি:
১-১২ নম্বর পদের জন্য সার্ভিস চার্জসহ আবেদন ফি ২২৩ টাকা, ১৩-১৭ নম্বর পদের জন্য ১১২ টাকা

আবেদনের সময়সীমা:
২০ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হলে সরকার হার্ডলাইনে যাবে : তথ্য উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ এপ্রিল, ২০২৫, ২:০১ অপরাহ্ণ
দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হলে সরকার হার্ডলাইনে যাবে : তথ্য উপদেষ্টা

তিশীল করার চেষ্টা হলে সরকার হার্ডলাইনে যাবে।

গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মাসুম মিয়ার কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার উত্তর রামপুর গ্রামে কবর জিয়ারত ও পরিবারের সাথে সাক্ষাত শেষে সাংবাদিকদের তিনি আজ এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বাংলাদেশে চরমপন্থার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ সুযোগ কাউকে নিতে দেওয়া হবে না। আমরা চেষ্টা করব বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উগ্রপন্থা যেন মাথাচাড়া দিতে না পারে। নির্বাচনের মাধ্যমে যেন গণতান্ত্রিক রূপান্তরের ভূমিকা রাখতে পারি। যদি আলোচনা সতর্কতায় কাজ না হয়, যদি দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হয়, সরকার অবশ্যই হার্ডলাইনে যাবে।

মাহফুজ আরো বলেন, শহীদের চেতনা যেন বাংলাদেশের জনগণ ধারণ করে। আমরা চেষ্টা করবো যাতে গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের খুনিদের বিচার কাজ শেষ করে যেতে পারি।

শহীদদের আকাঙ্খার বাংলাদেশ বিনির্মাণে এই সরকারের চেষ্টা আছে। জনগণ এটার সাথে আছে। আমরা বিশ্বাস করি এই চেতনার সাথে রাজনৈতিক দলের সদিচ্ছা প্রকাশ করলে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গঠন করবো।

গণমাধ্যমের সংস্কার প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, যতদিন আছি আমরা চাইবো গণমাধ্যমের একটি গুণগত সংস্কারের জন্য। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের পর্যালোচনা ও প্রস্তাবনায় মফস্বল ও কেন্দ্র নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা আছে।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান, বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া খানম, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কুমিল্লা মহানগরের আহবায়ক আবু রায়হান ও সদস্য সচিব রাশেদুল হাসানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

৪০ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব, হামাসকে যে শর্ত দিল ইসরাইল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
৪০ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব, হামাসকে যে শর্ত দিল ইসরাইল

৫০ দিনের নয়, দখলদার ইসরাইল গাজায় ৪০ দিনের যুদ্ধবিরতির একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে। যার মাধ্যমে ১১ জন জীবিত ইসরাইলি বন্দিকে মুক্ত করার পাশাপাশি ১৬টি মরদেহও ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করছে নেতানিয়াহুর সরকার।

Advertisement

বিপরীতে ইসরাইলের কারাগার থেকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি দেওয়া হবে।

সোমবার ইসরাইলি প্রভাবশালী দৈনিক হারেৎজ এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের কাছে এই প্রস্তাব পাঠিয়েছে।

প্রস্তাবের প্রধান শর্তগুলো হলো:

৪০ দিনের যুদ্ধবিরতি;
হামাসের কাছ থেকে ১১ জন জীবিত বন্দির মুক্তি ও ১৬টি মরদেহ ফেরত;
ইসরাইলের কারাগার থেকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি;
যুদ্ধবিরতির ৫ম দিনে হামাসের কাছে বাকি বন্দিদের তথ্য চাওয়া;
১০ম দিনে ১৬ জনের মরদেহ হস্তান্তরের অনুরোধ।
পক্ষগুলোর প্রতিক্রিয়া

যদিও এই প্রতিবেদনের বিষয়ে ইসরাইল, হামাস বা মধ্যস্থতাকারীদের কেউই এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

বর্তমান পরিস্থিতি

নেতানিয়াহুর সরকার মনে করে যে, গাজায় হামাসের হাতে এখনো ৫৯ জন ইসরাইলি বন্দি রয়েছে। যাদের মধ্যে অন্তত ২৪ জন জীবিত।

অন্যদিকে, ইসরাইলি কারাগারে ৯,৫০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছেন। যাদের ওপর চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন, নির্যাতন ও চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ রয়েছে।

ইসরাইল চলতি বছরের জানুয়ারিতে হওয়া একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে গাজায় গত ১৮ মার্চ থেকে নতুন বিমান হামলা চালিয়েছে। গত ১৫ দিন ধরে অব্যাহতভাবে চালানো এই হামলায় ১,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ২,৫০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছে।

এ নিয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলের হামলায় সবমিলিয়ে ৬৩,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

আইসিসি (International Criminal Court) গত বছর ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা চলমান।সূত্র: আনাদোলু

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটি ‘উদ্বেগজনক ও বিভ্রান্তিকর’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটি ‘উদ্বেগজনক ও বিভ্রান্তিকর’

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, বাংলাদেশে ইসলামিস্টদের উত্থান নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটি উদ্বেগজনক এবং বিভ্রান্তিকর।

মঙ্গলবার সিএ প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিউইয়র্ক টাইমসের নিবন্ধটি ইঙ্গিত দেয় যে বাংলাদেশে ধর্মীয় চরমপন্থা উত্থানের দ্বারপ্রান্তে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি বাংলাদেশের ভুল চিত্র তুলে ধরেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভ্রান্তিকর এ চিত্রায়ন কেবল দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিশীলতাকে অতি সরলীকৃত করে না বরং ১৮ কোটি মানুষের একটি সমগ্র জাতিকে অন্যায়ভাবে কলঙ্কিত করার ঝুঁকিও তৈরি করে।

নিউইয়র্ক টাইমস প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ যখন নিজেকে পুনরুজ্জীবিত করছে, তখন কট্টরপন্থি ইসলামিস্টরা একটি সুযোগ দেখতে পাচ্ছে। তবে এ বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করে প্রেস উইং বলছে, নিউইয়র্ক টাইমসের নিবন্ধটি বাংলাদেশ সম্পর্কে একটি উদ্বেগজনক এবং একপেশে দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছে।

সিএ প্রেস উইংয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকাশ করার জন্য সুনির্দিষ্টভাবে উসকানিমূলক নিবন্ধের ওপর নির্ভর করার পরিবর্তে বাংলাদেশের অগ্রগতিকে স্বীকৃতি দেওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বছর ধরে বাংলাদেশ যে অগ্রগতি করেছে সেটাকে এবং পরিস্থিতির জটিলতাকে স্বীকার করা উচিত।

আরও বলছে, যদিও নিবন্ধটি ধর্মীয় উত্তেজনা এবং রক্ষণশীল আন্দোলনের কিছু ঘটনা তুলে ধরেছে, তবে এটি অগ্রগতির বৃহত্তর প্রেক্ষাপটকে উপেক্ষা করেছে। বাংলাদেশ নারীদের অবস্থার উন্নতিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদের সুরক্ষা এবং কল্যাণের জন্য বিশেষভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটি এমন একটি সরকার যা নারীর অধিকার এবং সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। অথচ নিবন্ধে এর উলটোটা বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের মতো একটি দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ধর্মীয় সহিংসতার মধ্যে পার্থক্য করা গুরুত্বপূর্ণ। শেখ হাসিনার বিদায়ের পর এবং তার পর থেকে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘটিত অনেক সংঘর্ষকে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হিসেবে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যদিও বাস্তবে এসব ঘটনা ঘটেছিল রাজনৈতিক কারণে। রাজনৈতিক দলগুলি প্রায়শই সমর্থন জোগাড় করার জন্য ধর্মকে ব্যবহার করে। যা বিষয়টিকে জটিল করে তোলে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতাকে ধর্মীয় নিপীড়নের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে। সুতরাং পুরো পরিস্থিতিকে সাম্প্রদায়িক সংঘাত হিসেবে উপস্থাপন করা বিভ্রান্তিকর। এটি প্রকৃত রাজনৈতিক এবং আর্থ-সামাজিক বিষয়গুলিকে উপেক্ষা করে।

প্রেস উইং জানিয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সমস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে রক্ষা করার জন্য তার প্রতিশ্রুতি স্পষ্ট করেছে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সন্ত্রাসবাদ দমন প্রচেষ্টার সাথে তার চলমান কাজ এই প্রতিশ্রুতিকে আরও জোরদার করে। সামাজিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে চরমপন্থা মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টা ভুল তথ্যের বিস্তারের দ্বারা ম্লান হওয়া উচিত নয়।