খুঁজুন
শনিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৫, ১৫ চৈত্র, ১৪৩১

তিন মাস পর ‘খেলায়’ ফিরতে পারবেন তামিম

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০২৫, ১:৫৫ অপরাহ্ণ
তিন মাস পর ‘খেলায়’ ফিরতে পারবেন তামিম

তামিম ইকবাল তিন মাসের মধ্যে তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন। এরপর চাইলে খেলায় ফিরতে পারবেন। মঙ্গলবার সাভারের কেপিজে হাসপাতালে তামিমের সর্বশেষ অবস্থা পর্যবেক্ষণের পর এ খবর নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু জাফর ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী।

ডা. আবু জাফর বলেছেন, ‘‘উনার শারীরিক অবস্থা আশাব্যঞ্জক। কিন্তু উনার যেই চিকিৎসা হয়েছে তাতে অ্যাকশন-রিক্যাশন হতে পারে। আবার যে-ই রিং লাগানো হয়েছে সেটাও কাজ না করতে পারে। সেই ঝুঁকি রয়েছে। আমরা তাদের পরিবারকে বুঝিয়েছি। এ মুহূর্তে তার মুভ করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সেই বিষয়ে তামিমের সঙ্গেও কথা বলেছি। এটা স্বাভাবিক যে সর্বোচ্চ চিকিৎসা যেখানে থাকবে সেখানে মানুষ যেতে চাইবে। কিন্তু তার জন্য যাওয়াটা নিরাপদ কিনা সেটাও ভেবেছি। তবে তারা আমাদের ডাক্তারদের সিদ্ধান্তকে সম্মান করছে।’’

‘‘উনি এই তিন মাস আন্ডার অবজারভেশনে থাকবেন। উনার শারীরিক অবস্থা কি, উন্নতি হচ্ছে নাকি অবনতি হচ্ছে সেসব বিবেচনা করে দেখা হবে। তার মেডিকেল বোর্ড তাকে অনুমতি দিলে সে খেলতে পারবে।’’ – যোগ করেন তিনি।

তামিমের পরবর্তী করণীয় কী হতে পারে সেই ধারণা দিয়েছেন ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী, ‘‘এখন যে সময়টা সে কিন্তু বাথরুমে যেতে পারবেন কিন্তু কারো সাথে থাকা উচিত। এখন তো সে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা অবজারভেশনে আছেন। এখান থেকে বের হওয়ার পর সে চাইলে কোনো ভালো জায়গায় যেতে পারেন। আমরা পাঁচদিন পর রোগি ছেড়ে দেই। এরপর কিন্তু বলি, সাত দিন হাউজ রেস্টে থাকতে হবে। বাসায় বসে বসে টিভি দেখ, কথা বলো। হাঁটাহাঁটি করো। কিন্তু বাইরে যেও না। আস্তে আস্তে বাইরে যাবে। সিঁড়ি দিয়ে উঠা-নামা করো।’’

‘‘শরীরকে এখন সময় দিতে হবে। তামিমকেও সেটা জানানো হয়েছে। প্রত্যেকের টাইম ফোর্স আছে। এর আগে জোরাজুরি করা ঠিক হবে না। তিনমাসের মধ্যে স্টেন্টটাকে বডি নিজের করে নেবে। তারপর তার নিজের সিলের প্রলেপ দিয়ে দেবে। তাই রিক্সফ্যাক্টর না কমালে আবারও এসব হতে পারে। সৌন্দর্য তৈরি করে দিয়েছি। এখন সেটা ধরে রাখার দায়িত্ব তার।’’

অন্যান্য দেশে রপ্তানির জন্য বাংলাদেশকে প্ল্যাটফর্ম হিসেবে চায় চীন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০২৫, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
অন্যান্য দেশে রপ্তানির জন্য বাংলাদেশকে প্ল্যাটফর্ম হিসেবে চায় চীন

অন্যান্য দেশে নিজেদের পণ্য রপ্তানির জন্য বাংলাদেশকে একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে চায় চীন। এজন্য বাংলাদেশে চীনা উৎপাদন কেন্দ্র স্থানান্তরে সহায়তা করবে দেশটির এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক (এক্সিম ব্যাংক)। বৃহস্পতিবার চীন সফররত বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহের কথা জানান প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান চেন হুয়াইউ।

তিনি জানান, বাংলাদেশে চীনা উৎপাদন কেন্দ্র স্থানান্তরে সহায়তা করবে তার ব্যাংক, যাতে অন্যান্য দেশে রপ্তানির জন্য বাংলাদেশকে একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

চীনের এক্সিম ব্যাংক বাংলাদেশে চীনা অর্থায়িত অবকাঠামো ও জ্বালানি প্রকল্পগুলোর প্রধান অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান। তবে, এবারই প্রথম তারা বাংলাদেশে চীনা বেসরকারি শিল্প বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

চেন হুয়াইউ আজ চীনের হাইনানে বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বলেন, বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান এবং মানবসম্পদ দেশটিকে চীন ও বিশ্বের অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় কোম্পানির জন্য একটি উৎপাদনকেন্দ্রে রূপান্তরিত করতে পারে।

তিনি বলেন, আমি শীর্ষ চীনা বেসরকারি উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে তাদের কারখানা স্থানান্তরের আমন্ত্রণ জানিয়েছি এবং আমার সরকার বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় সুবিধা ও একটি বাণিজ্য করিডোর প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

উৎপাদনের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ চীনের পরিপূরক ভূমিকা পালন করতে পারে বলে উল্লেখ করেন ড. ইউনূস।

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে একটি চীনা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল দ্রুত বাস্তবায়নের কাজ চলছে। বাংলাদেশ বড় আকারে নতুন বন্দর তৈরি করছে, যা শুধু দেশীয় অর্থনীতির জন্য নয়, বরং নেপাল ও ভূটানের মতো স্থলবেষ্টিত দেশ এবং ভারতের উত্তর-পূর্বের সাতটি রাজ্যের জন্যও সহায়ক হবে।

এ সময় এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান চেন হুয়াইউ বলেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান দক্ষিণ-পূর্ব ও দূরপ্রাচ্যের এশিয়ার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিম এশিয়ার বাজারের জন্য উপযুক্ত।

তিনি বলেন, চীনের বিপুলসংখ্যক কোম্পানি বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশ করছে এবং আমাদের ব্যাংক বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগ ও উৎপাদন শিল্পের বিকাশে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের টেকসই সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য অবকাঠামো নির্মাণেও সহায়তা করবো আমরা।

ভিয়েতনামের অর্থনৈতিক পরিবর্তনের উদাহরণ তুলে ধরে চেন হুয়াইউ বলেন, চীনা ও পশ্চিমা উদ্যোক্তাদের আকৃষ্ট করতে হলে বাংলাদেশকে তার ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত করতে হবে।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের কর্মকর্তারা এক্সিম ব্যাংকের অর্থায়নের দ্রুত ছাড়করণ এবং নতুন অবকাঠামো প্রকল্প যেমন দাশেরকান্দি স্যুয়েজ প্লান্টে সহায়তা চান। একইসঙ্গে প্রকল্প ব্যয় কমাতে এক্সিম ব্যাংকের প্রতিশ্রুতি ফি কমানোরও আহ্বান জানান বাংলাদেশের কর্মকর্তারা।

চেন এ সময় জানান, তার ব্যাংক এসব প্রস্তাব যাচাই করে দেখবে।

একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশকে চীনা মুদ্রা রেনমিনবিতে (আরএমবি) সহজ শর্তের আরও বেশি ঋণ নেওয়ার পরামর্শ দেন। চেন বলেন, উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা খুব শিগগিরই পুনরায় বৈঠকে বসবেন, যাতে এই বৈঠকে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া যায়।

সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, জ্বালানি ও পরিবহন উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানাল সুপারকো

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০২৫, ৩:০৭ পূর্বাহ্ণ
ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানাল সুপারকো

চলছে পবিত্র সিয়াম সাধনার মাস রমজান। পবিত্র এই মাসের তৃতীয় দশকও শেষ হতে চলেছে। এ বছরের রমজান মাসটি ২৯ নাকি ৩০ দিনের হবে সে বিষয়েও চলছে আলোচনা। এমন অবস্থায় আসন্ন ঈদুল ফিতর আগামী সোমবার (৩১ মার্চ) অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছে স্পেস অ্যান্ড আপার অ্যাটমোস্ফিয়ার রিসার্চ কমিশন (সুপারকো)।

বুধবার (২৬ মার্চ) পৃথক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এবং জিও নিউজ।

(Dawn.com (@dawn_com) March 26, 2025)

পাকিস্তান স্পেস অ্যান্ড আপার অ্যাটমোস্ফিয়ার রিসার্চ কমিশন (সুপারকো) বুধবার জানিয়েছে, আগামী ২৯ মার্চ পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ উদিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর ৩০ মার্চ চাঁদ দেখা যাওয়ার এবং পরদিন ৩১ মার্চ (সোমবার) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন, জ্যোতির্বিদ্যাগত গণনা এবং আধুনিক পর্যবেক্ষণগত তথ্যের ভিত্তিতে শাওয়াল ১৪৪৬ হিজরি চাঁদ দেখার সম্ভাবনা সম্পর্কে পূর্বাভাস দিয়েছে এই গবেষণা কেন্দ্রটি।

সুপারকোর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সুনির্দিষ্ট জ্যোতির্বিদ্যার মডেল অনুসারে শাওয়াল মাসের নতুন চাঁদ (সংযোগ) আগামী ২৯ মার্চ বিকেল ৩:৫৮ মিনিটে দেখা যাবে। চাঁদের দৃশ্যমানতা নির্ভর করে চাঁদের বয়স, সূর্য থেকে এর কৌণিক বিচ্ছেদ, সূর্যাস্তের সময় উচ্চতা এবং বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর ওপর।”

দক্ষিণ এশিয়ার পরমাণবিক অস্ত্রধারী দেশটির সরকারি এই সংস্থার মতে, আগামী ২৯ মার্চ সৌদি আরবে চাঁদ দেখার সম্ভাবনা প্রায় অসম্ভব এবং মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে পাকিস্তানের মতোই আগামী ৩১ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিরত উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আসন্ন ঈদুল ফিতরের বিষয়ে সুপারকোর এই পূর্বাভাস পাকিস্তানের আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কারণ দেশটির আবহওয়া বিভাগও আগামী ৩১ মার্চ ঈদের পূর্বাভাস দিয়েছে।

পাকিস্তানের ফেডারেল সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদুল ফিতরের জন্য তিন দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে। দেশটির মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপন অনুসারে, আগামী ৩১ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি চলবে।

জিও নিউজ বলছে, পাকিস্তানের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি রুয়েত-ই-হিলালের কেন্দ্রীয় কমিটি পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার জন্য আগামী ৩০ মার্চ, ২০২৫ (রমজান ২৯, ১৪৪৬ হিজরি) রোববার সন্ধ্যায় আঞ্চলিক কমিটিগুলোর সাথে বৈঠক করবে। চাঁদ দেখা কমিটির এই সভা ধর্ম বিষয়ক ও আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন ও সামা টিভি জানিয়েছিল, জ্যোতির্বিদ্যার মডেল অনুসারে, আগামী ৩০ মার্চ পাকিস্তানে শাওয়ালের চাঁদ দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আর তেমনটি হলে ২৯ রোজা শেষেই রমজান মাসের সমাপ্তি এবং পরদিন ৩১ মার্চ দেশটিতে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে।

বেলকুচিতে বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষনার্থীদের সনদ ও পুরস্কার বিতরণ

রেজাউল করিম স্টাফ রিপোর্টার,সিরাজগঞ্জ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ মার্চ, ২০২৫, ৩:০২ পূর্বাহ্ণ
বেলকুচিতে বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষনার্থীদের সনদ ও পুরস্কার বিতরণ

সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলায় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও যুবউন্নয়ন অধিদপ্তরের আওতায় যুব মহিলা ও যুবকদেরকে মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের এডিবি প্রকল্পের আওতায় তিনটি ট্রেডে শতাধিক প্রশিক্ষনার্থী যুব মহিলাদের বিউটিফিকেশন ও দর্জি প্রশিক্ষণ এবং যুবকদেরকে মোটর কার ড্রাইভিং শেষে সনদ ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। 

২৭ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাসনাত জাহান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে সনদ ও পুরস্কার বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফিয়া সুলতানা কেয়া।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবউন্নয়ন কর্মকর্তা, জহুরুল ইসলাম, বেলকুচি প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম, ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হাসমত আলী,ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য শাহ আলম মন্ডলসহ শতাধিক যৃুবক ও যুব মহিলারা উপস্থিত ছিলেন।