খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

তালিকায় শীর্ষে বিতর্কিত হারুন

এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে ১৮৭ পুলিশ কর্মকর্তা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১২:০৭ অপরাহ্ণ
এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে ১৮৭ পুলিশ কর্মকর্তা

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে এখনো লাপাত্তা পুলিশের ১৮৭ জন সদস্য। এ তালিকায় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছাড়াও বিভিন্ন স্তরের পুলিশ সদস্য রয়েছেন। গত ৫ আগস্টের পর যারা আর কর্মস্থলে ফেরেননি। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তারা চাকরিতে ফিরতে পারবেন না। বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়াসহ এদের অনেকের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে দায়ের হওয়া ফৌজদারি মামলার তদন্ত ও বিচারকাজ আইন অনুযায়ী চলবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র গণমাধ্যমকে এমন তথ্য জানিয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, পুলিশের যেসব প্রভাবশালী কর্মকর্তাকে ইতোমধ্যে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে তারাও পলাতক। তবে পলাতক শেখ হাসিনা সরকারের অন্যতম দোসর হিসেবে চিহ্নিত প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তারা এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। যেসব পুলিশ কর্মকর্তা বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতার উপর গুলির নির্দেশ দিয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটিয়েছেন, তাদের গ্রেপ্তার না হওয়ায় জনমনে ক্ষোভ অসন্তোষ বিরাজ করছে। বিশেষ করে গ্রেপ্তার নিশ্চিত না করে যারা তাদেরকে পালিয়ে যাবার সুযোগ করে দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জোরালো হচ্ছে।

তথ্যানুসন্ধানে দেখা গেছে, পুলিশের পলাতক কর্মকর্তাদের তালিকায় শীর্ষে আছেন ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার ডিআইজি হারুন অর রশীদ। এখনো চাকরিচ্যুত নন পুলিশ সদর দপ্তরের এই তালিকায় তাকে এক নম্বরে রাখা হয়েছে। ৫ আগস্টের আগে-পরে সংগঠিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে হতাহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামির তালিকায়ও তিনি শীর্ষে।

এসব মামলার মধ্যে ২০১১ সালে যে ঘটনাকে কেন্দ্র এই কর্মকর্তা লাইমলাইটে আসেন সেই তৎকালীন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বিএনপি নেতা জয়নাল আবদিন ফারুককে নির্যাতনের মামলাও আছে। জয়নাল আবদিন ফারুক নিজেই বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। এ পর্যন্ত আলোচিত এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৩৮টি মামলায় তার নাম পাওয়া গেছে। সর্বশেষ এই কর্মকর্তা ডিএমপি ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে বেশি সমালোচিত হন। ৫ আগস্টের পর থেকে তাকে আর প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে না। রাজনীতিকসহ আলোচিত বেশ কয়েকজনকে দুপুরের খাবার পরিবেশন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে সমালোচিত হন হারুন। একপর্যায়ে ডিবি কার্যালয়কে ‘হারুনের ভাতের হোটেল’ হিসেবে অনেকে ব্যঙ্গ করতে শুরু করেন, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

পুলিশ সদস্যদের পলাতক তালিকায় আলোচিত ৫ জন অতিরিক্ত ডিআইজি। তাদেরকেও কর্মস্থলে অনুপস্থিত হিসেবে দেখানো হয়েছে। পলাতক পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে দ্বিতীয় সারিতে আছেন ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার। ছাত্র-জনতাসহ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ২৭টি। ৫ আগস্টের পর তাকেও আর পাওয়া যায়নি। আলোচিত-সমালোচিত এই কর্মকর্তা কর্মস্থলে আর যোগদান করেননি। ২০১১ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবদিন ফারুককে সংসদ ভবনের সামনে মারধরের ঘটনা ভাইরাল হলে তিনি বিগত সরকারের গুডবুকে চলে আসেন। ওই সময় তেজগাঁও জোনের এডিসি ছিলেন বিপ্লব সরকার। এরপর আর তাকে পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। দফায় দফায় পদোন্নতিসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চাকরি করার সুযোগ পেয়ে যান। যে কজন পুলিশ কর্মকর্তা সরকারের শীর্ষে অবস্থান করছিলেন তাদের মধ্যে বিপ্লব সরকার অন্যতম। প্রায় ১৩ বছর পর সেই জয়নাল আবদিন ফারুককে মারধরের ঘটনায় আলোচিত সেই হারুন-বিপ্লব জুটির মামলাটি করেন জয়নুল আবদিন ফারুক নিজেই।

এছাড়া কর্মস্থলে যাচ্ছেন না অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ার্দার, অতিরিক্ত ডিআইজি খন্দকার নুরুন্নবী, অতিরিক্ত ডিআইজি এসএম মেহেদী হাসান ও অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জিত কুমার রায়। যাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ৫ আগস্টের আগে-পরে সংঘটিত হতাহতের ঘটনায় একাধিক মামলা করা হয়েছে। অসুস্থতার আবেদন করে কর্মস্থলে যাচ্ছেন না অতিরিক্ত ডিআইজি উত্তম কুমার পাল, এসপি আবু মারুফ হোসেন, শাহ নুর আলম পাটোয়ারী, র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রওশানুল হক সৈকত, এএসপি মফিজুর রহমান পলাশ, এএসপি আরিফুজ্জামান, এএসপি আল ইমরান হোসেন, এএসপি ইফতেখার মাহমুদ। চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন বহুল আলোচিত আরেক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান।

এছাড়া এএসপি মি. জন রানা ৫ আগস্টের আগেই চাকরি ছেড়ে দেওয়ার তথ্য জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। তিনি ২ আগস্ট পুলিশের চাকরি থেকে ইস্তফা দেন। রংপুর ডিআইজি কার্যালয় থেকে সেটি পুলিশ সদর দপ্তর হয়ে ২৮ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানো হয়। পলাতকের ১৮৭ জনের এই তালিকায় ৫ জন ইন্সপেক্টরও আছেন। এ ছাড়া ১৪ জন এসআই, ৯ জন এএসআই, ৭ জন নায়েক এবং ১৩২ জন কনস্টেবল রয়েছেন। এই কনস্টেবলদের মধ্যে দুজন নারী সদস্যও আছেন।

এদিকে চাকরিতে অনুপস্থিত থাকলেও বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিতর্কিত তালিকার কয়েকজনকে সংযুক্ত/পদায়ন করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে রংপুরের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের পদ থেকে উত্তম কুমার পালকে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত, পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ার্দারকে রাজশাহীর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত, আরএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেনকে এন্টিটেরোরিজম ইউনিটে পুলিশ সুপার, ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ খন্দকার নুরুন্নবীকে নোয়াখালীর পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত এবং ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার সঞ্জিত কুমার রায়কে খুলনা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত করার আদেশ জারি হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুলিশের যে অবনতি হয়েছে স্বাধীনতার ৫৩ বছরের ইতিহাসে এটা নজিরবিহীন। শুধু তাই নয়, চরম ইমেজ সংকটেও পড়েছে এই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রায় দেড় মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও দেশের কোথাও এখন আর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার মতো সক্ষমতা পুলিশ গড়ে তুলতে পারেনি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঠেকাতে যেভাবে নির্বিচারে ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়েছে। এর সব দায় এখন পুলিশের সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর পড়েছে।

এদিকে মনোবল ভেঙে যাওয়া পুলিশ সদস্যদের উজ্জীবিত করতে কাজ করছেন প্রায় ২০ বছর ধরে পদ-পদোন্নতি বঞ্চিত ১২, ১৫, ১৭, ১৮, ২০, ২২ ও ২৪ বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের সিনিয়র কর্মকর্তারা। ছাত্র আন্দোলনের মতো পুলিশেও আছে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন। তবে এটা বাইরে প্রকাশ হয় না। ভেতরে জ্বলেপুড়ে অঙ্গার হয়েছেন এমন অফিসারের সংখ্যাও কম নয়। অন্তত দুই দশক ধরে পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তারা মানসিক ট্রমা নিয়ে বেঁচে আছেন। অথচ দীর্ঘদিন অবহেলিত থাকা পুলিশের এ কর্মকর্তাদের এই সংকটময় মুহূর্তে কঠিন দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, যেসব পুলিশ কর্মকর্তা জুলাই-আগস্ট ম্যাসাকারে জড়িত তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তারা যাতে দেশ থেকে পালাতে না পারেন সেজন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের অনুপস্থিতির বিষয়ে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। একমাত্র অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জিত রায় ছাড়া কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

জানতে চাইলে অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্জিত কুমার রায় বলেন, ‘৫ আগস্ট সরকারের পদত্যাগের পর শান্তিপূর্ণ পরিবেশের অপেক্ষায় ছিলাম। এরপর পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনা মেনে আমি কর্মস্থল ডিএমপিতে যোগদান করেছি। এ বিষয়টি পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তাও অবগত আছেন। দীর্ঘ চাকরি জীবনে আমার বিরুদ্ধে অপেশাদার কোনো কর্মকাণ্ড নেই। বরং দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমি নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি। আমার বিরুদ্ধে একটি মামলা হওয়ার কারণে, প্রতিদিন অফিসে হাজিরা দিচ্ছি না এটা ঠিক। কিন্তু আমি চাকরি ছেড়ে দেইনি।’

সূত্র: যুগান্তর।

রাজারহাটে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে অনশন কর্মসূচি

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
রাজারহাটে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে অনশন কর্মসূচি

রাজারহাটের ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খিতাম খা গ্রামে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে মানববন্ধনে অংশ নেন ভুক্তভোগী নারী সহ এলাকার প্রায় শতাধিক নারী পুরুষ। সোমবার (৮ জুন) বিকেল ৫ টার সময় এই মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, ২০১৭ সালের পাশ্ববর্তী রাজারহাট সদর ইউনিয়নের নাটুয়া মহল গ্রামের হায়দার আলীর মেয়ে সামিনার সাথে পারিবারিক ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের খিতাবখা গ্রামের সোলেমান মুন্সীর চতুর্থ পুত্র রফিকুল ইসলাম। বিয়ের পরে তাদের সংসারে রোমানা নামের এক কন্যা সন্তান জন্ম নেয়।

বিয়ের পর রফিকুল ইসলাম তার ভাবীর সাথে পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে স্ত্রী সামিনার সাথে দুরত্ব তৈরি করতে থাকেন।এরেই এক পর্যায়ে ২০১৯ সালে তাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়।সামিনার ডিভোর্সের পরে ঢাকায় গিয়ে একটি গার্মেন্টসে অপারেটর হিসাবে তিন বছর চাকুরী করেন।

এদিকে সামিনার সাবেক স্বামী রফিকুল ইসলাম বিদেশে (মরিচাস) গমন করেন।সামিনার সাবেক স্বামী রফিকুল ইসলাম পুনরায় সামিনার সাথে বিদেশ থেকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন।তাদের একমাত্র কন্যা সন্তানের কথা চিন্তা করে পুনরায় স্বামী স্ত্রী রুপে ঘর সংসার করার প্রলোভন দেখান।সামিনা অবুঝ কন্যা সন্তানের কথা চিন্তা করে তার সাবেক স্বামীর কথায় রাজি হন।এরপরে রফিকুল ইসলাম সামিনা কে তার গ্রামের বাড়িতে আসতে বলেন।সামিনা ঢাকায় চাকুরী ছেড়ে রফিকুল ইসলামের গ্রামের বাসায় অবস্থান করতে থাকেন।

কয়েকমাস পেরিয়ে গেলে রফিকুল ইসলাম তার বসতবাড়ি পাকা করনের প্রস্তাব সামিনা কে দেন এবং সামিনাকে তার চাকুরীরত অবস্থায় সঞ্চয় করা প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকা বাড়ির কাজের জন্য খরচ করতে বলেন।সাদাসিধে সামিনা তার স্বামীর কথায় রাজি হয়ে নিজ উদ্যোগে তার সঞ্চিত টাকা খরচ করে রফিকুল ইসলামের নিজ বাড়িতে টিনশেডের ঘর ভেঙ্গে ইটের দালাল নির্মাণ করেন।এই দালান নির্মাণের সামিনার সমস্ত জমাকৃত অর্থ খরচ করার পাশাপাশি বাড়ি নির্মাণের রাজমিস্ত্রীদের রান্না বান্না করেও খাওয়ান।

বাড়ির কাজ শেষ হবার পরে সামিনা তার বাবার বাসা নাটিয়া মহলে ঘুরতে যান।সেখান থেকে ঘুরে এসে দেখেন তার নিজ হাতে গড়া বাড়িতে রফিকুল ইসলাম বিদেশ থেকে তার ভাইকে নির্দেশ দিয়ে তালাবন্ধ করে রেখেছেন।
এই ঘটনায় জানাজানি হলে এলাকার সাধারণ নারীপুরুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

সামিনা রফিকুল ইসলাম তার বাড়িতে উঠতে না দিয়ে যে অন্যায় করেছেন তার প্রতিবাদে রফিকুল ইসলামের উঠানে এলাকার প্রায় শতাধিক নারীপুরুষ মানববন্ধন করে সামিনা কে স্ত্রী রূপে গ্রহণ করতে রফিকুল ইসলামের প্রতি আহবান জানান।

উক্ত মানববন্ধনে স্থানীয় নারী রোকাইয়া বেগম,আব্দুল লতিফ,নাসির শেখ,আতিয়ার রহমান সহ বেশ কয়েকজন বক্তব্য দেন।মানববন্ধনে বক্তারা সামিনার সাথে এধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান। সেই সাথে একমাত্র কন্যা সন্তান সহ সামিনাকে স্ত্রী রুপে গ্রহণ করার দাবী জানান।

ভুক্তভোগী সামিনা সাংবাদিক কে জানান,আমি ডিভোর্সের পরে আমার একমাত্র কন্যা সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি করি।
তিন বছর চাকুরী করে প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকা জমা করি।আমার সাবেক স্বামী রফিকুল ইসলামের প্রলোভনে সব টাকা দিয়ে তার বাড়ি নির্মাণ করি,এই আশায় আমার একমাত্র কন্যা সন্তান নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকবো বলে।

কিন্তু লোভী রফিকুল ইসলাম বার বার আমার সাথে প্রতারণা করলো।আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে এর উপযুক্ত বিচার চাই।

১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এখন পর্যন্ত ১৪০টি দেশে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার সুবিধার্থে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজের এক লাখ ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড (আইভি স্যালাইন) হস্তান্তর উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ১৪০টি দেশে আমাদের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। এতে আমরা গর্বিত। এখন দেশে টিকা তৈরি করতে পারলে সেটার পরিসর আরও বাড়বে। ওষুধ শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করতে আমরাও সহযোগিতা করে যাব।

তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে আমরা নির্দেশনা পেয়েছি, আমাদের শাখাগুলো বাড়াতে হবে। আমাদের অনেকগুলো জানালা খুলতে হবে। নাহলে একটি মন্ত্রণালয় ভালোভাবে চলতে পারে না।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, সামনে ডেঙ্গু মৌসুম আসছে, সে বিষয়ে আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছি। পরিকল্পনা, চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করছি। পাশাপাশি যারা আক্রান্ত হবেন, তারা যাতে যথাযথ চিকিৎসা পান, সেই ব্যবস্থা করছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত তিন মাসে স্বাস্থ্যখাতে কৌশলগত বড় পরিবর্তন এসেছে। আমরা সবাই দেশের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে পারছি।

উলিপুরে দলিল লেখকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মোঃ রেজাউল হক, কুড়িগ্রামঃ
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
উলিপুরে দলিল লেখকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোমবার (৮ জুন) ২০২৬ ইং সকাল ১১টায় উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দিনব্যাপী দলিল লেখকগণের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, শুদ্ধাচার চর্চা, সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করণ বিষয়ক এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কুড়িগ্রামের উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের আয়োজনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রুহুল কুদ্দুস জেলা রেজিস্টার কুড়িগ্রাম। প্রশিক্ষণ সমন্বয়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ অহেদুল ইসলাম উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রার (অঃদাঃ) কুড়িগ্রাম।

এসময় উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মোঃ আব্দুল মালেক খাঁ সেক্রেটারি বাবলু পাঠান সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাফিজুর রহমান সহ শতাধিক সনদপ্রাপ্ত দলিল লেখক ও উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত সকল কর্মকর্তা,কর্মচারীগণ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহকারী সাজ্জাদুর রহমান প্রমুখ।

রাজারহাটে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে অনশন কর্মসূচি ১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উলিপুরে দলিল লেখকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ট্রাম্পের অবরোধ উপেক্ষা করে ইরানে পালটা হামলা চালাল ইসরাইল ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ১১ জেলায় ঝড়বৃষ্টির আভাস