খুঁজুন
শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২১ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

এডিবির পূর্বাভাস

শিগগিরই কমছে না মূল্যস্ফীতি, প্রবৃদ্ধি ৬.৬ থেকে কমে হবে ৫.১%

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
শিগগিরই কমছে না মূল্যস্ফীতি, প্রবৃদ্ধি ৬.৬ থেকে কমে হবে ৫.১%

২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। একই সঙ্গে দেশে চলমান মূল্যস্ফীতিও শিগগিরই নিয়ন্ত্রণে আসবে না বলেও আশঙ্কা করছে সংস্থাটি। সংস্থাটির গতকাল প্রকাশিত এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুকের সেপ্টেম্বর সংস্করণে এ পূর্বাভাস দেয়া হয়।

এতে চলতি অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রক্ষেপণ কমিয়ে ৫ দশমিক ১ শতাংশে নামিয়ে এনেছে এডিবি। এর আগে এপ্রিলের পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৬ শতাংশ হবে। এ অনুযায়ী চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি নিয়ে সংস্থাটির পূর্বাভাস সংশোধন করে কমানো হলো ১ দশমিক ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট।

এর আগে গত এপ্রিলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়, চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নেমে আসতে পারে। কিন্তু এখন এডিবি বলছে, মূল্যস্ফীতি শিগগিরই কমছে না। বরং তা উন্নীত হতে পারে ১০ দশমিক ১ শতাংশে। অর্থাৎ দেশের চলমান মূল্যস্ফীতির বর্তমান ধারা বজায় থাকবে বলে মনে করছে সংস্থাটি। এডিবির বক্তব্য হলো গত জুলাই ও আগস্টে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সাম্প্রতিক বন্যার প্রভাব। এ দুইয়ের সম্মিলিত প্রভাবে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হয়ে আসবে।

এ বিষয়ে সংস্থাটির পর্যবেক্ষণে বলা হয়, রাজস্ব ও আর্থিক নীতির কঠোরতা অব্যাহত থাকবে। এছাড়া ক্রয় ও বিনিয়োগ আরো কমবে। নেতিবাচক ঝুঁকি থাকায় সামষ্টিক অর্থনীতির পূর্বাভাস অত্যন্ত অনিশ্চিত। এসব ঝুঁকির উৎস হলো চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, ভঙ্গুর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও আর্থিক খাতের দুর্বলতা।

এছাড়া উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈশ্বিক অর্থনীতির ধীরগতি ও অন্যান্য সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কারণে দেশে চাহিদা কমবে বলে মনে করছে এডিবি। সংস্থাটির এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুকে বলা হয়, পণ্য ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং টাকার অবমূল্যায়নে ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে মূল্যস্ফীতি, যা আবার দুই অংকের ঘরে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে। তবে আমদানি-রফতানি কমায় চলতি হিসাবের ঘাটতি কমেছে।

রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, সুদ ও টাকার বিনিময় হার যথাযথ নীতির মাধ্যমে স্থিতিশীল করা এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের ওপর সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নির্ভর করবে বলে মনে করছে এডিবি।

ধারাবাহিক উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক হিসাবের ওপর চাপ, আমদানি নিয়ন্ত্রণ ও বেসরকারি বিনিয়োগের ধীরগতির কারণে গত দুই অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ শতাংশের নিচে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ; ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ছিল ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ।

শেখ হাসিনা সরকারের পূর্বাভাস ছিল, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ। চলমান চ্যালেঞ্জের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থনীতিবিদরা একে ‘উচ্চাভিলাষী ও বাস্তবসম্মত নয়’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। গত সরকারের আমলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্ব এ উচ্চ প্রবৃদ্ধিকে অর্থনীতিতে বড় সাফল্য হিসেবে দেখিয়েছে। কিন্তু কভিড শুরুর পর থেকে প্রবৃদ্ধি কমতে থাকে। অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকের বেহাল দশা শুরু হয়। একই সঙ্গে তৎকালীন সরকারের দেখানো পরিসংখ্যানের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অর্থনীতিবিদরা।

দুই বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজমান। সীমিত আয়ের মানুষকে চড়া দামে বাজার থেকে পণ্য কিনতে হচ্ছে। গত জুলাইয়ে দেশের মূল্যস্ফীতি দুই অংকের ঘর ছাড়িয়ে যায়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, জুলাইয়ে দেশে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশ, যা গত এক যুগে সর্বোচ্চ। আগস্টে এ হার কিছুটা কমেছে। কিন্তু তা ১০ শতাংশের ওপরেই রয়ে গেছে। এ সময় খাদ্যের মূল্যস্ফীতি ছিল সাড়ে ১১ শতাংশের মতো।

এছাড়া গত জুন পর্যন্ত আগের এক বছরের প্রতি মাসেই মূল্যস্ফীতির হার ছিল সাড়ে ৯ শতাংশের আশপাশে। এ উচ্চ মূল্যস্ফীতিকেই এখন অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা।

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন কয়েকজন উপদেষ্টা। সে আলোকে কয়েক দফা বাড়ানো হয়েছে নীতি সুদহার। সামনে তা আরো বাড়বে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর।

অর্থনীতিবিদরাও বলছেন, প্রবৃদ্ধি হয়তো কিছুটা কমবে। আর মূল্যস্ফীতি কমতেও সময় লাগবে। এ বিষয়ে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি হ্রাসে ব্যাংকের নীতি সুদহার বৃদ্ধিসহ সরকার বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে এসব পদক্ষেপের প্রভাব বাজারে পড়তে কিছুটা সময় লাগবে। বাজার ব্যবস্থা উন্নত করার মাধ্যমে খুব দ্রুত মূল্যস্ফীতি নামিয়ে নিয়ে আসার কথা ভাবলেও সেটা হয়তো হবে না। আর প্রবৃদ্ধি কিছুটা স্তিমিত হয়ে ৫ শতাংশের আশপাশেই থাকবে।

কারণ দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ব্যক্তি খাত এখনো স্বস্তির স্থানে পৌঁছেনি। তাই এ খাতে বিনিয়োগ বাড়ছে না। আবার সরকারি বিনিয়োগ বা এডিপিতেও কিছুটা কাটছাঁট করা হবে। তবে কিছুটা কম প্রবৃদ্ধি হলেও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা গেলে অর্থনীতিকে বেগবান করা যাবে। সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা এলে পরে উচ্চতর প্রবৃদ্ধির দিকে যাওয়া যাবে।’

বিএনপির সঙ্গে ২০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করল বাংলাদেশ লেবার পার্টি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২:২১ অপরাহ্ণ
বিএনপির সঙ্গে ২০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করল বাংলাদেশ লেবার পার্টি

আসনে ছাড় না পেয়ে এবার বিএনপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দিয়েছে লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) নয়া পল্টনের দলীয় কার্যালয়ে দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় লেবার পার্টির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠির একটি আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে ছাড় দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই আসনে বিএনপি নিজ দলের প্রার্থী ঘোষণা করায় ক্ষুব্ধ হয় দলটি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই বিএনপির সঙ্গে প্রায় ২০ বছরের রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল দলটি।

দলের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপি দীর্ঘ দিনের মিত্রতার সম্পর্ককে অবজ্ঞা করে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। তারা সমমনা দলগুলোকে বাদ দিয়ে এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। এমন আচরণকে প্রতারণামূলক ও বেঈমানিপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

লেবার পার্টির নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএনপি অযোগ্য ও বিতর্কিত ব্যক্তিদকে মনোনয়ন দিয়ে টাকার বিনিময়ে ‘মনোনয়ন বাণিজ্যে’ লিপ্ত হয়েছে। এতে বিএনপির নৈতিক নেতৃত্ব সম্পূর্ণরূপে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার সংকটকালে মিত্রদের সঙ্গে এমন আচরণ কেউ প্রত্যাশা করেনি।

এছাড়া আগেও বিএনপি জামায়াতে ইসলামীকে বাদ দিয়ে ২০ দলীয় জোট ভেঙে দিয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তারা। নেতারা মনে করেন, শরিকদের প্রতি অবজ্ঞা ও নীতিহীন মনোনয়নের মধ্য দিয়ে বিএনপি নিজেকে বন্ধুহীন ও নেতৃত্বহীন দলে পরিণত হয়েছে।

সভায় লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এস এম ইউসুফ আলী, অ্যাডভোকেট জোহরা খাতুন জুঁই, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যান্য সদস্যরা বক্তব্য দেন।

৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহারণের সম্ভাবনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহারণের সম্ভাবনা

দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনা হরহামেশাই মুখোমুখি হয় একে অপরের। কিন্তু ফিফা বিশ্বকাপে এই নজির খুবই বিরল। সবশেষ ১৯৯০ সালে দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল ফুটবলের বিশ্বআসরে। ৩৬ বছর পর আবারও দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা জেগেছে ২০২৬ বিশ্বকাপে এসে।

তবে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে কোন পর্যায়ে—এই প্রশ্নের উত্তর পুরোটা নির্ভর করছে গ্রুপপর্বের অবস্থানের ওপর। দুটি দলই যদি নিজ নিজ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়, তাহলে সেমিফাইনালের আগে তাদের দেখা হওয়ার সুযোগ নেই। দুই দলই যদি রানার্সআপ হয়, তবুও সেমিফাইনালের আগে মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

একটি দল যদি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় এবং অন্যটি রানার্সআপ হয়ে পরবর্তী রাউন্ডে ওঠে, তাহলেও ফাইনালের আগে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী একে অপরের সামনে পড়বে না।

তবে কোনো একটি দল যদি সেরা আটটি তৃতীয় স্থানের দল হিসেবে নকআউট পর্বে যায়, তখন পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়বে। সেই অবস্থায় দুই দলের ঠিক কোন পর্যায়ে মুখোমুখি হতে পারে, তা অনুমান করা কঠিন। আজ বিশ্বকাপের নকআউটের সূচি নির্ধারিত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে পরিষ্কার জানা যেতে পারে।

ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করলো পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১:৩৫ অপরাহ্ণ
ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করলো পাকিস্তান

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)–এর প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের সঙ্গে আদিয়ালা কারাগারে সব ধরনের সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এ ঘোষণা দেন। সেইসঙ্গে তিনি ইমরান খানকে ‘যুদ্ধোন্মাদনায় আক্রান্ত উগ্রপন্থি’ হিসেবে আখ্যা দেন।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের ‘নয়া পাকিস্তান’ অনুষ্ঠানে তারার বলেন, ‘কারাগারের নিয়ম অনুযায়ীই বন্দীদের সাক্ষাৎকার হয়। এখন কোনো সাক্ষাৎ নেই; সব সাক্ষাৎ বন্ধ।’

কারাগারের বাইরে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করতে কেউ চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব পুনরুদ্ধারের এখনই সময়। কোনো জেল সাক্ষাৎ হবে না, কোনো জমায়েতও অনুমোদন দেওয়া হবে না।’

কারা বিধি অনুযায়ী সাক্ষাতের সময় জেল সুপারিনটেন্ডেন্ট উপস্থিত থাকেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে এসব সাক্ষাতে রাজনৈতিক আলোচনা এবং নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছিল।

তিনি বলেন, ‘কারাগারের ভেতর থেকে রাষ্ট্রবিরোধী এজেন্ডা এগিয়ে নিতে কোনো অনুমতি দেওয়া হবে না।’

তারার দাবি করেন, খান ও তার দল দেশকে ডিফল্টে ঠেলে দিতে চেয়েছিল। ‘আইএমএফকে চিঠি লেখা হয়েছিল যাতে পাকিস্তান ডিফল্টে যায়। ৯ মে সামরিক স্থাপনায় হামলাও চালানো হয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত দেখেই রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য ছড়াচ্ছেন।’

তিনি আরও দাবি করেন, ইমরান খানের ‘তালেবানসুলভ মানসিকতা’ রয়েছে এবং তিনি ‘সন্ত্রাসীদের বন্ধু’ মনে করেন।

তারার প্রশ্ন ছুড়ে দেন, ‘এই উগ্র ও যুদ্ধোন্মাদ ব্যক্তি—তাকে তার নিজের দলের সদস্যরাই বা আর কতদিন সহ্য করবে?’

তথ্যমন্ত্রী জানান, ফেডারেল সরকার খাইবার পাখতুনখোয়ায় গভর্নর শাসন জারির বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে।

তিনি আরও বলেন, ‘পিটিআই সদস্যরা তার (ইমরান খানের) বর্ণনার সঙ্গে নেই।’ রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণা চালানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

তারার বলেন, ‘তাদের আর কোনো ভবিষ্যৎ নেই; তাদের রাজনৈতিক জায়গা ও বর্ণনা সীমিত করে দেওয়া হবে।’

পিটিআইয়ের সঙ্গে পুনর্মিলন সম্ভব কি না- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘তারা সুযোগ নষ্ট করেছে। যারা বিশৃঙ্খলা, সন্ত্রাস বা উগ্রবাদী চিন্তা ছড়ায়, তাদের সঙ্গে কোনো সংলাপ হবে না।’

বিএনপির সঙ্গে ২০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করল বাংলাদেশ লেবার পার্টি ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহারণের সম্ভাবনা ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করলো পাকিস্তান নজিরবিহীন আত্মহত্যা ইসরাইলি বাহিনীতে, নেপথ্যে কী? পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে রাতভর গোলাগুলি, নিহত ৪