খুঁজুন
শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ২১ ফাল্গুন, ১৪৩২

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত রক্তাক্ত করেছে বিএসএফ: রিজভী

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:১২ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত রক্তাক্ত করেছে বিএসএফ: রিজভী

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এর গুলিতে নিহত স্বর্ণা দাসের পরিবারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত রক্তাক্ত করেছে বিএসএফ। সীমান্তে হিন্দু-মুসলমান নয়, বাংলাদেশি হিসেবেই গুলি করে মানুষ হত্যা করা হয়। ফেলানীর মতো সম্প্রতি কিশোরী স্বর্ণা রানী দাস ও ঠাকুরগাঁওয়ে এক কিশোরকে বিএসএফ নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করেছে। ভারত যেন বাংলাদেশি’দের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে।

রবিবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে তাঁর পরিবারের খোঁজ নিতে যান রুহুল কবির। এ সময় কালনীগড় বাজারে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ নামের একটি সংগঠন আয়োজিত সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

রুহুল কবির বলেন, এখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনে হিন্দু-মুসলমান রয়েছেন। বিভিন্ন সময় দুই পক্ষে সংঘাত-সংঘর্ষ হয়। অনেকে আহত হন। অথচ হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন আক্রান্ত হলে ভারতের সরকার বলে, এ দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণ হচ্ছে, তাঁরা নিরাপত্তাহীন।

রিজবী আরও বলেন, চলতি বছরের ১৬-১৭ সীমান্ত হত্যা নিয়ে শেখ হাসিনা চুপ ছিলেন, কোনো প্রতিবাদ করেননি। তিনি ছিলেন ভারতের প্রতি নতজানু। দেশ স্বাধীনের পর থেকে শেখ হাসিনার সরকার ছাড়া সবাই সীমান্তের শান্তিপূর্ণ সমাধান চেয়েছে। তিনি দেশের অখÐতা, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব উঁচু করে রাখতে পারেননি। তিনি জোর করে ক্ষমতা দখল করে রাখতে চেয়েছিলেন। এ দেশের মানুষ তা ভুলবে না।

অন্তর্র্বতী সরকার সম্পর্কে রুহুল কবির বলেন, জুলাই বিপ্লবের পর গঠিত ইউনূস সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস তৈরি হয়, এখনো সেটা আছে। তবে সরকার যেন গা ছাড়া ভাব নিয়ে দেশ চালাচ্ছে। সীমান্ত হত্যায় জোরালো আওয়াজ কেন হলো না? কেন সরকার নির্লিপ্ত থাকল? এ প্রশ্ন জনগণের মুখে মুখে। এ বিষয়ে অন্তবর্তী সরকার নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে।

অন্তবর্তী সরকারের উদ্দেশে রুহুল কবির বলেন, নির্বাচন দিতে বিলম্ব হচ্ছে কেন? জনগণের সন্দেহ হচ্ছে। গণতান্ত্রিক চর্চা প্রসারিত করে দ্রæত নির্বাচন দিন।
গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে রুহুল কবির বলেন, নির্বাচন কখন হবে, সে বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের প্রশ্ন করুন। নির্বাচন কমিশন সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচনের জন্য তিনি সরকারের কাছে আহ্বান জানান।

মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির উপদেষ্টা শরিফুল হক সাজু’র সভাপতিত্বে ও বড়লেখা উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদিরের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি নাসির উদ্দিন আহমদ (মিঠু) ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এর উপদেষ্টা আলমগীর কবীর, আহ্বায়ক আতিকুর রহমান প্রমুখ।

সভা শেষে রুহুল কবির রিজভী কিশোরী স্বর্ণা রানী দাসের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তাঁদের আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন। স্বর্ণা রানী দাস (১৪) কালনীগড় গ্রামের বাসিন্দা পরেন্দ্র দাস ও সঞ্জিতা রানী দাস দম্পতির মেয়ে। গত ১ সেপ্টেম্বর সে মায়ের সঙ্গে চোরাইপথে পার্শ্ববর্তী কুলাউড়া উপজেলার লালারচক সীমান্ত দিয়ে ভারতে আত্মীয়র বাড়িতে যাচ্ছিল। এ সময় বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

এ সময় স্বর্ণা ঘটনাস্থলেই মারা যায়। তার বুকে গুলি লাগে। সে জুড়ীর নিরোদ বিহারী উচ্চবিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ত। পরে বিএসএফ তার লাশ নিয়ে যায়। ৩ সেপ্টেম্বর ভারতীয় কর্তৃপক্ষ স্বজনদের কাছে তার লাশ হস্তান্তর করে।

ড্রাইভারের সঙ্গে পরকীয়া: মুখ খুললেন ডলি সায়ন্তনী

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
ড্রাইভারের সঙ্গে পরকীয়া: মুখ খুললেন ডলি সায়ন্তনী

একসময়ের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি ডলি সায়ন্তনী ও রবি চৌধুরী। বিচ্ছেদের পর দীর্ঘদিন তারা এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। তবে রবির এক বক্তব্যে আবারও আলোচনায় এসেছে এই জুটির সম্পর্ক।

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে সাবেক স্ত্রী ডলি সায়ন্তনীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তোলেন রবি চৌধুরী।

তিনি দাবি করেন, বিপ্লব নামের এক ড্রাইভারের সঙ্গে ডলির সম্পর্ক ছিল। তার মতে, এই ঘটনাই তাদের সংসার ভাঙার অন্যতম কারণ।

এদিকে রবি চৌধুরীর এমন অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন ডলি সায়ন্তনী।

ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি তাদের পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এসব তথ্য ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক।’

ডলি সায়ন্তনী বলেন, ‘ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি নিয়ে বিতর্কে যেতে চাই না। সম্মান ও আইনের প্রতি আস্থা রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।’

ব্যক্তিগত বিষয়কে অযথা আলোচনার বিষয় না বানানোরও অনুরোধ জানান তিনি।

একই সঙ্গে বলেন, ‘আমাদের নীরবতাকে দুর্বলতা ভাবার কোনো সুযোগ নেই। আমরা আমাদের মতো আছি, বাকিটা সময়ের হাতে।’

ডিভোর্স প্রসঙ্গে ডলি সায়ন্তনী স্পষ্ট করে বলেন, ‘ডিভোর্স আমি দিয়েছিলাম। কেন দিয়েছিলাম সেটি এই মুহূর্তে আর বলতে চাই না। ডিভোর্স দেওয়ার পর সেই সময়েই প্রকাশ্যে প্রেস কনফারেন্সে বিস্তারিত বলে দিয়েছিলাম।

অতএব এতবছর পর এসব নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক বিভ্রান্তি তৈরির কোনো সুযোগ নেই।’

এদিকে ওই পডকাস্টে রবি চৌধুরী দাবি করেন, ডলির ফোনে একটি নম্বর ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা ছিল।

বিষয়টি নিয়ে তার মনে সন্দেহ তৈরি হয়। পরে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, ওই ব্যক্তির আসল নাম বিপ্লব। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় গাড়ি চালান। ডলি ও রবি কোরিয়া সফরে গেলে এই বিপ্লবই তাদের গাড়ি চালাতেন।

রবি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি ডলির পরিবারের সঙ্গেও কথা বলেন। ডলির বড় ভাই সংগীতশিল্পী বাদশা বুলবুল-এর সঙ্গে নম্বরটি যাচাই করেন। তখন জানা যায়, ওই নামে তাদের পরিবারের কোনো দুলাভাই নেই। এরপর নিজের সন্দেহ নিশ্চিত হয়ে ডলিকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান রবি চৌধুরী।

সচিবালয়ে নিজের কক্ষের বিদ্যুৎ ব্যবহার কমালেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
সচিবালয়ে নিজের কক্ষের বিদ্যুৎ ব্যবহার কমালেন প্রধানমন্ত্রী

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সচিবালয়ে নিজের কক্ষের অর্ধেক লাইট ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে সকল মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে এসে এই উদ্যোগ নেন।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকাল ৯টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে আসেন। তিনি অফিসে এসে নিজ কক্ষের ৫০ শতাংশ লাইটের সুইচ অফ করে দেন এবং এসির বিদ্যুৎ প্রবাহ ২৫ দশমিক ১ মাত্রায় নিয়ে আসেন। এই মাত্রা নিলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। সেইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে মন্ত্রিসভায় বৈঠকে প্রবেশ করেই কক্ষের অর্ধেক লাইট বন্ধ করে দিতে এবং এসির মাত্রা কমিয়ে দিতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই ব্যক্তিক্রমী উদ্যোগের পরে তার দপ্তরের সব কক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে অর্ধেক লাইট বন্ধ এবং এসির মাত্রা কমানো হয়।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ের সকল মন্ত্রণালয়, সারাদেশে সরকারি অফিস-আদালত, বেসরকারি ভবন, শপিংমল, বিপণিবিতানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। লাইট কম ব্যবহার করে দিনের বেলা অফিস বা বাড়ি-ঘরের পর্দার জানালার সরিয়ে সূর্যের আলো ব্যবহারের জন্য সবাইকে প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন।

ভোট কারচুপির রাজস্বাক্ষী: রিজওয়ানা হাসান, খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ ও বিচার দাবি জামায়াতের

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
ভোট কারচুপির রাজস্বাক্ষী: রিজওয়ানা হাসান, খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ ও বিচার দাবি জামায়াতের

বিগত নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা কারচুপির বিষয়ে সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসানকে ‘রাজসাক্ষী’ উল্লেখ করে তাকে ও বর্তমান সরকারের মন্ত্রী খলিলুর রহমানকে দ্রুত জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির অভিযোগ, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে থেকে তারা সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করেছেন এবং নির্দিষ্ট দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে সমসাময়িক বিষয়ে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন জামায়াতের নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।

নির্বাচনী কারচুপি প্রসঙ্গে ড. তাহের বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’য়ের বিষয়ে আমরা নানা অভিযোগ ইতিমধ্যেই তুলে ধরেছি। কিছু আসনের বিষয়ে আদালতেও যাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে গতকালকে আমরা একটা রাজসাক্ষী পেয়েছি, যিনি সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান। সরকারের কাছে দাবি থাকবে, রিজওয়ানা হাসানকে দ্রুত জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনতে হবে।’

সাবেক উপদেষ্টা ও বর্তমান মন্ত্রী খলিলুর রহমানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘খলিলুর রহমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে থেকে বিএনপির পারপাস সার্ভ করেছেন। যে কারণে তিনি পুরস্কৃত হয়ে বর্তমান বিএনপি সরকারের মন্ত্রী হয়েছেন। ওনারা অন্তর্বর্তী সরকারে থেকে সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করেছেন। খলিলুর রহমানকেও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনতে হবে।’

আদালতে গণভোট নিয়ে হওয়া রিট প্রসঙ্গে জামায়াতের এই নেতা অভিযোগ করেন, সরকারের ইঙ্গিতেই এই রিট হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আদালতকে আমরা স্বাধীন দেখতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তা হয়নি। আমরা এ বিষয়টি আদালত, আদালতের বাইরে ও সংসদে সমানভাবে মোকাবেলা করবো।’ এ সময় তিনি ১২ মার্চ সংসদ বসার দিন থেকেই ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবি জানান।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ড. তাহের বলেন, ‘ভেবেছিলাম নির্বাচনের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে। কিন্তু নির্বাচনের এতোদিন পরও বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুর, হামলা, ধর্ষণ ও খুনের মতো ঘটনা ঘটছে।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিজস্ব লোক বসিয়ে আগের সরকারের মতো ‘দলীয়করণ’ করছে।

বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, বিরোধী দলকে ডেপুটি স্পিকার দিতে চাওয়ার বিষয়ে লিখিত প্রস্তাবনা দেওয়া জরুরি। তাহলে আমাদের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে।

ব্রিফিংয়ে ডা. তাহের জানান, মার্কিন পররাষ্ট্র সহকারীর সঙ্গে বাংলাদেশে-মার্কিন ইনভেস্টমেন্ট, ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে কথা হয়েছে। বাংলাদেশ নিজেদের স্বার্থ বজায় রেখে সবার সুসম্পর্ক রাখতে চায় এটা আমরা জানিয়েছি। চলমান যুদ্ধের বিষয়ে আমরা বলেছি আমরা যুদ্ধের বিরোধী। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে আমাদের কিছু পর্যবেক্ষণ আছে, তবে এটাকে এখনি আমরা বিরোধীতা করছি না।

ড্রাইভারের সঙ্গে পরকীয়া: মুখ খুললেন ডলি সায়ন্তনী সচিবালয়ে নিজের কক্ষের বিদ্যুৎ ব্যবহার কমালেন প্রধানমন্ত্রী ভোট কারচুপির রাজস্বাক্ষী: রিজওয়ানা হাসান, খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ ও বিচার দাবি জামায়াতের আসিফের বিরুদ্ধে মাদক মামলা: হতে পারে ৫ বছরের সাজা হরমুজ প্রণালি বন্ধ হলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলারে উঠতে পারে