খুঁজুন
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৮ মাঘ, ১৪৩২

আগের চেয়ে দুর্নীতি কিছুটা কমেছে: উপদেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:৪০ অপরাহ্ণ
আগের চেয়ে দুর্নীতি কিছুটা কমেছে: উপদেষ্টা

আগের তুলনায় দুর্নীতি কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। তবে দুর্নীতি কমলেও চাঁদাবাজি তেমন একটা কমেনি বলে তিনি মনে করেন।

সোমবার (৭ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের দ্বিতীয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, চলতি প্রকল্পগুলো সংশোধন করা হচ্ছে বলে সময় একটু লাগছে। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ কম হওয়ায় প্রকল্প ধীরগতিতে এগোলে অর্থ প্রবাহ বাড়বে না। অর্থ প্রবাহ বাড়াতে আগের প্রকল্পের কাজ এগোতে হবে। নতুন কিছু প্রকল্প হাতে নিতে হবে। তবে চলমান প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর আগে ব্যয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের আওতায় বড় বড় অবকাঠামো নির্মাণ কিংবা গাড়ি কেনার চেয়ে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় নাগরিক সুবিধা বাড়ানো, পার্ক ও লাইব্রেরি নির্মাণ, জলাধার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। উন্নয়ন প্রকল্পের গাড়ি কোথায় যায় এবং একজন অফিসার কয়টা করে জিপ গাড়ি ব্যবহার করেন এসব খুঁজে বের করা হবে। এজন্য একনেক সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, জেলা-উপজেলাসহ সারা দেশে সরকারি গাড়ি আছে তার একটি তালিকা করা হবে। দেখা হবে কোন গাড়ি কোথায় আছে, কতদিন কার্যকর থাকে সব তথ্য দিতে বলা হয়েছে।

উপদেষ্টা বলেন, ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের টাঙ্গাইল পর্যন্ত হয়ে স্থবির হয়ে আছে। সেখানে যথেষ্ট বিদেশি অর্থায়ন আছে। সুদের হারও কম। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। বর্তমান সরকার বিদেশি অর্থায়নের প্রকল্পগুলোকে বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এছাড়া ঢাকার বাইরে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে রাজধানীকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩, ৪ ও ৫শ’ শিক্ষক সবাই ভিসি, প্রোভিসি হতে চান। তারা পড়াতে চান না কেউ। এটা কেন হচ্ছে। কই আমি তো কখনও ভিসি হতে চাইনি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির মধ্যে রাজনৈতিক প্রভাব আছে। আমরা এখন বিবিএসের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিয়েছি। তারা যে হিসাব নিয়ে আসে আমি আইনগতভাবে শুধু স্বাক্ষর করা ছাড়া আর কিছুই দেখি না।

তিনি আরও বলেন, দেশে বেসরকারি বিনিয়োগ কম। এক্ষেত্রে আমরাও অনেক যাচাই-বাছাই করে প্রকল্প নিচ্ছি। আবার যেসব রাজনৈতিক প্রকল্প আছে কিন্তু এখনো শুরু হয়নি সেগুলো নেওয়া হচ্ছে না। যেসব রাজনৈতিক প্রকল্পের কাজ শেষের পথে সেগুলো প্রয়োজনীয়তা না থাকলে শেষ করা হচ্ছে। ফলে সরকারি বিনিয়োগও কম হচ্ছে।

জামায়াত নেতার টাকা প্রসঙ্গ

৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই: ইসি সচিব

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই: ইসি সচিব

ভোটের সময় নগদ টাকা বহনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো সর্বোচ্চ সীমা নেই বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। টাকার বৈধ উৎস ও ব্যবহারের খাত দেখাতে পারলে প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহন করতেও বাধা নেই বলে স্পষ্ট করেছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভোটের সময় টাকা পরিবহনের সীমা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

একজন ব্যক্তি ভোটের সময় কত টাকা বহন করতে পারবেন-এমন প্রশ্নে সচিব বলেন, টাকা যদি বৈধ হয় এবং তার উৎস সঠিকভাবে দেখানো যায়, তাহলে সমস্যা নেই। ব্যক্তিগত প্রয়োজনে যে কেউ যে কোনো পরিমাণ টাকা বহন করতে পারবেন।

তিনি বলেন, ভোটের সময় টাকা বহনের নির্দিষ্ট সীমা নেই। সোর্স ও ব্যবহারের বৈধ খাত দেখাতে পারলে ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই।

তিনি আরও বলেন, ওই টাকা যদি ভোটে কাউকে প্রভাবিত করার কাজে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি ‘নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি’ দেখবে। আর টাকা অবৈধ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

প্রসঙ্গেত, বুধবার দুপুর ১২টায় ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমীর বেলাল উদ্দিন প্রধানকে আনুমানিক ৫০ লাখ টাকাসহ আটক করে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থানা পুলিশ। এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে টাকা বহনের সীমা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানায় জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়- অনুমতি নিয়ে, নিয়ম মেনেই টাকা বহন করছিলেন জেলা আমির। তাছাড়া ওই সম্পূর্ণ টাকা তার নিজের ব্যবসায়ের। একটি পক্ষ জামায়াতের নামে কুৎসা রটনার লক্ষ্যে জেলা আমিরের ব্যক্তিগত টাকা অন্য খাতে দেখানোর অপচেষ্টা করে।

ঢাকার দূষণ রোধে ৪৫২৮ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
ঢাকার দূষণ রোধে ৪৫২৮ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

রাজধানীর স্যানিটেশন ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিষেবা উন্নত করতে, পানি দূষণ কমাতে এবং নদী ও খাল পুনরুদ্ধারের জন্য ৩৭ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। যা প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩৯ পয়সা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় দাঁড়ায় প্রায় ৪ হাজার ৫২৮ কোটি টাকা। সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় এ ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। বুধবার সংস্থাটির ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেট্রো ঢাকায় পানি নিরাপত্তা ও টেকসই কর্মসূচির মাধ্যমে বৃহত্তর ঢাকায় পানি দূষণ কমাতে স্থানীয় ও জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলির সক্ষমতা জোরদার করা হবে। কর্মসূচিটি সিটি করপোরেশন এবং ওয়াসাকে গ্রাউন্ড ওয়াটার উত্তোলনে শক্তিশালী করা হবে।যাতে করে ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে নিরাপদ পানি ও ৫ লাখ মানুষকে উন্নত স্যানিটেশন সুবিধার আওতায় আনা যায়।এতে মানুষকে উন্নত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিষেবা দেবে, দূষণ এবং পরিষেবার ঘাটতির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়গুলোকে অগ্রাধিকার দেবে।

বাংলাদেশ ও ভুটান নিযুক্ত বিশ্বব্যাংক বিভাগীয় পরিচালক জ্যাঁ পেম বলেন, বৃহত্তর ঢাকার লাখ মানুষের জন্য পানি হলো জীবনরেখা। কিন্তু দ্রুত, অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং শিল্প প্রবৃদ্ধি বজ্যের কারণে পানি দূষণ বাড়ছে। কিন্তু দূষণ শহরের ছাড়িয়ে গেছে, যা জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এই কর্মসূচি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার নদী ও খালের দূষণ কমাতে এবং স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরিতে সহায়তা করবে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, ঢাকায় বর্জ্য এবং পানি দূষণের তীব্র চ্যালেঞ্জ রয়েছে। মাত্র ২০ শতাংশ বাসিন্দার পাইপযুক্ত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার সংযোগ রয়েছে এবং আরও ২ শতাংশ কার্যকরী মল-মূত্র ব্যবস্থাপনা ব্যবহার করেন। ৮০ শতাংশেরও বেশি অপরিশোধিত বর্জ্য পানি এবং পয়ঃনিষ্কাশন ঢাকার আন্তঃসংযুক্ত জলপথে ফেলা হয়। ঢাকার অর্ধেকেরও বেশি খাল অদৃশ্য হয়ে গেছে অথবা আটকে গেছে, যা দূষণকে আরও খারাপ করে তুলেছে। এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার জন্য, এই অভিযানটি সরকারি ও বেসরকারি খাতের পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনগুলোকে জড়িত করে একটি সামগ্রিক পদ্ধতি গ্রহণ করে। এটি পরিষেবা সরবরাহ উন্নত করতে, নিয়ন্ত্রক কাঠামো শক্তিশালী করতে এবং দূষণ হ্রাস করে এবং প্রবাহ ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করে ঢাকার চারপাশের নদী এবং খালগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে সহায়তা করবে।

প্রায় ৮০ শতাংশ রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা ঢাকায় অবস্থিত। ৭ হাজারের বেশি কারখানা প্রতিদিন আনুমানিক ২ হাজার ৪০০ মিলিয়ন লিটার অপরিশোধিত বর্জ্য পানিপথে ছেড়ে দেয় যা ত্বক, ডায়রিয়া এবং স্নায়বিক রোগের সৃষ্টি করে। এই কর্মসূচিটি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে, বিশেষ করে ঢাকার আশেপাশের শিল্প বর্জ্য পরিশোধন এবং পানি পুনঃব্যবহার বৃদ্ধির জন্য তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন বিশেষজ্ঞ এবং প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার হার্ষা গোয়েল বলেন, এই কর্মসূচি বাংলাদেশের বৃহত্তর পানি সুরক্ষা এবং টেকসই কর্মসূচিকে সমর্থন করে। এই পর্যায়ে ঢাকার জলাশয়ে দূষণের নির্গমন হ্রাস করা, ঢাকার নদীগুলির জন্য একটি বিস্তৃত পানির মান সূচকসহ প্রাতিষ্ঠানিক এবং নিয়ন্ত্রক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, ডিজিটাল রিয়েল-টাইম দূষণ পর্যবেক্ষণ স্থাপন করা এবং ঢাকার চারটি নদীর জন্য সমন্বিত নদী পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা তৈরি করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এই কর্মসূচি প্রথম পর্যায়ে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জের নির্বাচিত এলাকাগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করবে। এটি প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহের কভারেজ উন্নত করতে সাহায্য করবে – প্রধান খাল এবং নদীর কাছাকাছি সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়গুলোকে অগ্রাধিকার দেবে এবং পুনর্ব্যবহার ব্যবস্থা উন্নত করবে। এটি কঠিন বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে, ড্রেনেজ নেটওয়ার্কে সরাসরি পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং শিল্প বর্জ্য নদী ও খালে ফেলা বন্ধ করতে হবে।

ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না: এডিসি জুয়েল রানা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না: এডিসি জুয়েল রানা

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা।

তিনি বলেছেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং ব্যালট বাক্সে হাত দেয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন পুলিশের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

ব্যালট বাক্স ছিনতাই প্রসঙ্গে জুয়েল রানা বলেন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার সবার হাতে দামি দামি অস্ত্র থাকবে। সবার হাতে একে-৪৭ থাকবে, এগুলো দেখলে ভোটের ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার সাহসই পাবে না।

তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস, ভোট কারচুপি কিংবা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্র থাকবে কড়া নজরদারিতে। পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে। যারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে মঙ্গলবার বিকেলে মোহাম্মদপুর তিন রাস্তার মোড়ে নির্বাচন উপলক্ষে র‍্যাব, সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ ফুট পেট্রোল মহড়া শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে মোহাম্মদপুরে র‍্যাব, সেনাবাহিনী ও পুলিশ এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করেছে, যেখানে দুষ্কৃতিকারী কিংবা বিশৃঙ্খলাকারীদের মধ্যে এখন আতঙ্ক কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, এর আগে আমরা দিনদুপুরে রেট দিয়েছি এবং ইতোমধ্যে দুষ্কৃতিকারীরা এলাকা ছাড়া হয়েছে। সাংবাদিকরাও কোনো প্রশ্ন তুলতে পারেননি। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মোহাম্মদপুরে দুষ্কৃতিকারীদের সাইজ করে ফেলা হয়েছে।

পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ ও বিজিবির পক্ষ থেকে ওয়াদা করেছিলাম ঢাকা-১৩ আসনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সবার সহযোগিতায় এখনও পর্যন্ত শতভাগ নিরাপদ পরিবেশ বজায় রয়েছে। প্রচারণা যেহেতু শেষ এখন পুরো কেন্দ্র, পুরো আসন আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীর দখলে। একইসঙ্গে সাধারণ ভোটারদের নিশ্চয়তা দিতে চাই—নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসুন এবং নিজের ভোট দিন।

তিনি বলেন, যারা দুষ্কৃতিকারী আছে তাদের মনে ভয় ও আতঙ্ক ঢুকিয়ে দিতে চাই। যেন ভোটের আগেই তারা মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরেবাংলা নগর এলাকা ছেড়ে চলে যায়। ১২ ফেব্রুয়ারি হবে শুধু ভোটার ও প্রশাসনের দিন।

ঢাকা-১৩ আসনের ‘ঝুঁকি’ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, কোনো ঝুঁকিপূর্ণ আসন নেই। গত ১০-১৫ দিনে এখানে আমরা একটা পাতাও পড়তে দেইনি। মারামারি, কাটাকাটি কিংবা ফাটাফাটি অনেক দূরের বিষয়।

৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই: ইসি সচিব ঢাকার দূষণ রোধে ৪৫২৮ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের ব্যালট বাক্সে হাত দিলে হাতই থাকবে না: এডিসি জুয়েল রানা এককভাবে সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান সারাদেশে বৈধ অ//স্ত্র জমা ২৭ হাজার, বাকি আছে ২০ হাজার