খুঁজুন

অভিবাসী ঠেকাতে ১৬০০ ফুট দীর্ঘ ভাসমান প্রতিবন্ধক বসাচ্ছে স্পেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ
অভিবাসী ঠেকাতে ১৬০০ ফুট দীর্ঘ ভাসমান প্রতিবন্ধক বসাচ্ছে স্পেন

দুই দিন আগে স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত শহর সেউতায় হাজার হাজার অভিবাসীর আকস্মিক ঢল নামার পর সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ সক্ষমতা নিয়ে ইউরোপজুড়ে প্রশ্ন উঠেছে। এমন প্রেক্ষাপটে মরক্কো ও সেউতার মধ্যবর্তী সাগরে ভাসমান প্রতিবন্ধক স্থাপন করা হচ্ছে বলে গতকাল শনিবার জানিয়েছে স্পেনের কর্তৃপক্ষ।

উত্তর আফ্রিকায় স্পেনের ছিটমহল হিসেবে পরিচিত সেউতা থেকে অধিকাংশ অভিবাসীকে মরক্কোয় ফেরত পাঠানোর পর স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দেয়। তবে সেউতায় এখনো যাঁরা রয়েছেন এবং পুলিশ ও স্থানীয় ক্ষুব্ধ জনতার চোখ ফাঁকি দিয়ে বেরিয়ে পড়ার চেষ্টা করছেন, তাঁদের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে—তা এখনো স্পষ্ট নয়।

নতুন কাঠামোটি প্রায় ১ হাজার ৬০০ ফুট দীর্ঘ এবং স্ফীত করা যায় এমন একটি ভাসমান প্রতিবন্ধক। এটি পানির নিচে সর্বোচ্চ এক মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে। এর বাইরে স্পেনের নৌবাহিনী নোঙর করা বয়ার আরেকটি সারি বসিয়ে এ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করবে।

স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় মরক্কো থেকে আনুমানিক ৫০–৬০ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী সেউতায় প্রবেশ করেছিলেন। এর মধ্যে অন্তত ৪৮ হাজার ৩০০ জনকে গত শুক্রবার শেষ বিকেলের মধ্যে মরক্কোতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া আরও শত শত অভিবাসী সারা রাত ধরে ছিটমহলটি ছেড়ে চলে যান।

সেউতায় নিযুক্ত স্পেন সরকারের একজন গণমাধ্যম কর্মকর্তা জানান, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে শহরটিতে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় অন্তত ৬৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

সেউতার এ সংকটের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২০টির বেশি সদস্যদেশ ইউরোপীয় কমিশনের কাছে চিঠি দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি বৈঠক আহ্বানের দাবি জানায়। একই সময় স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজও কমিশনকে একটি চিঠি পাঠান। সেখানে তিনি তাঁর সরকারের অভিবাসন নীতির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন এবং স্পেনকে শেনজেন অঞ্চলের মুক্ত চলাচল ব্যবস্থার বাইরে রাখার আহ্বান জানানো ব্যক্তিদের ‘স্বার্থপর’ বলে আখ্যায়িত করেন।

গতকাল সেউতা শহরের একটি সৈকতে আফ্রিকার অন্য দেশ থেকে আসা কয়েক শ অভিবাসীকে বিশ্রাম নিতে দেখা যায়। এসব অভিবাসীর অনেকে বলেন, তাঁরা অন্য দেশের নাগরিক হওয়ায় স্পেন তাঁদের মরক্কোয় ফেরত পাঠাতে পারবে না বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। তাঁদের আরও দাবি, বৃহস্পতিবারের পর থেকে তাঁরা কিছু খাননি।

সেউতায় প্রবেশ করা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বেশির ভাগই ছিলেন কাজের সন্ধানে আসা তরুণ মরক্কোর নাগরিক। গতকাল শহরটির উত্তর-পশ্চিমের একটি সৈকতে আফ্রিকার অন্য দেশ থেকে আসা কয়েক শ অভিবাসীকে বিশ্রাম নিতে দেখা যায়। এসব অভিবাসীর অনেকে বলেন, তাঁরা অন্য দেশের নাগরিক হওয়ায় স্পেন তাঁদের মরক্কোয় ফেরত পাঠাতে পারবে না বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। তাঁদের আরও দাবি, বৃহস্পতিবারের পর থেকে তাঁরা কিছু খাননি।

সেউতায় আসা ২৪ বছর বয়সী কামাল ওমর বলেন, ২০২৩ সালে গৃহযুদ্ধের কারণে তিনি সুদান ছেড়েছিলেন এবং গত বছর মরক্কোতে পৌঁছান। কামাল ওমর বলেন, ‘আমি মরক্কোতে ফিরতে চাই না। দয়া করে আমাদের সুরক্ষা দিন।’

এ পর্যন্ত স্পেন সরকার মূলত মরক্কোর সঙ্গে সেউতার সীমান্ত আরও শক্তিশালী করার দিকেই নজর দিয়েছে। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী সানচেজ বলেন, সমুদ্রে ভাসমান বয়া বসিয়ে সীমান্তে অন্তত দৃশ্যমান একটি প্রতিবন্ধক তৈরি করা হবে।

সানচেজ বলেন, নতুন এ বয়া স্পেনের সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক এক রায়ের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। তাঁর মতে, ওই রায়ই এ সপ্তাহে অভিবাসীদের ঢলের একটি কারণ হয়ে থাকতে পারে।

স্পেনের এ পরিকল্পনা ‘উদ্বেগের কারণ তৈরি করছে’। প্রতিবন্ধকটি সাঁতরে ঘুরে যাওয়ার চেষ্টা করলে কর্তৃপক্ষ কীভাবে লোকজনকে থামাবে, তা কল্পনা করা কঠিন।

জুডিথ সান্ডারল্যান্ড, হিউম্যান রাইটস ওয়াচের শরণার্থী ও অভিবাসী অধিকারবিষয়ক বিভাগের কর্মকর্তা
সানচেজের অভিযোগ, মানব পাচারকারীরা ওই রায়ের ভুল ব্যাখ্যা ছড়িয়েছে। রায়ে বলা হয়েছিল, সমুদ্রে আটক হওয়া অভিবাসীরা যদি স্পেনের ভূখণ্ডে পৌঁছাতে গিয়ে কোনো সীমান্তপ্রতিবন্ধক অতিক্রম না করে থাকেন, তবে তাঁদের তাৎক্ষণিকভাবে ফেরত পাঠানো যাবে না।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নতুন কাঠামোটি ৫০০ মিটার (প্রায় ১ হাজার ৬০০ ফুট) দীর্ঘ এবং স্ফীত করা যায় এমন একটি ভাসমান প্রতিবন্ধক। এটি পানির নিচে সর্বোচ্চ এক মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে। এর বাইরে স্পেনের নৌবাহিনী নোঙর করা বয়ার আরেকটি সারি বসিয়ে এ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করবে।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের শরণার্থী ও অভিবাসী অধিকারবিষয়ক বিভাগের কর্মকর্তা জুডিথ সান্ডারল্যান্ড বলেন, স্পেনের এ পরিকল্পনা ‘উদ্বেগের কারণ তৈরি করছে’।

সান্ডারল্যান্ড বলেন, ‘প্রতিবন্ধকটি সাঁতরে ঘুরে যাওয়ার চেষ্টা করলে কর্তৃপক্ষ কীভাবে লোকজনকে থামাবে, তা কল্পনা করা কঠিন।’ তিনি ২০১৪ সালের একটি ঘটনার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন। তখন সেউতায় সমুদ্রপথে পৌঁছানোর চেষ্টা করা একদল অভিবাসীর দিকে স্পেনের সিভিল গার্ড রাবারের গুলি ছুড়েছিল। সে ঘটনায় অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়।

সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফীক নাওয়াজ মারা গেছেন

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৪ পূর্বাহ্ণ
সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফীক নাওয়াজ মারা গেছেন

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

রাত পৌনে ১২টায় কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের ডিউটি ম্যানেজার বলেন, “উনি একটু আগে মারা গেছেন। আপাতত আমরা শুধু এতটুকু তথ্যই দিতে পারি।”

দীপু মনির বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু বলেন, “রাত ১০টা ২৭ মিনিটে তিনি মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।”

কোথায় কখন দাফন এবং জানাজা হবে, তা বুধবার দুপুরের পর সিদ্ধান্ত হবে বলেও জানান টিপু।

২০১৯ সালে স্ট্রোক করেন তৌফিক নেওয়াজ। গত ২৭ মে হুইলচেয়ারে করে কারাবন্দী স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করাতে তাকে আদালতে নিয়ে গিয়েছিলেন স্বজনেরা।

পেশায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ছিলেন তৌফীক নাওয়াজ, যিনি ধ্রুপদি সংগীতের চর্চাও করতেন।

“সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ’র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি

স্টাফ রিপোর্টার:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
“সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ’র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি

“একটি গাছ একটি প্রাণ, সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” স্লোগানকে সামনে রেখে শিক্ষা, মানবতা ও সমৃদ্ধির পতাকাবাহী সামাজিক সংগঠন, ঐতিহ্যবাহী সভ্যতার ভবানীগঞ্জ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। যা নিয়ে রীতিমতো এলাকাবাসীর প্রশংসায় ভাসছেন সংগঠনটির সকলে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের জিয়ার খালের দুই পাড়ে সংগঠনটির একঝাঁক তরুণদের উদ্যোগে এই মহৎ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এসময় অমলকি, জলপাই, তেতুল, হরিতকি, অর্জুন, চালতা, আতা সহ বিভিন্ন ধরনের প্রায় শতাধিক ফল ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়।

উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে স্থানীয় যুবসম্প্রদায় সহ সভ্যতার ভবানীগঞ্জের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে তারা নিয়মিত এমন উদ্যোগের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর দুই দেশের জন্যই ফলপ্রসূ হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক বিদ্যাভূষণ সোনি। তিনি মনে করছেন, তারেক রহমান ভারতে না এলে এই সুযোগ হারিয়ে যেতে পারে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের পথও খোলা নাও থাকতে পারে।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআইকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বিদ্যাভূষণ সোনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এই সফরের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় সমস্যা সমাধানের পথও খুলতে পারে।

সাক্ষাৎকারে সোনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে অনেক বিষয় এখনও অমীমাংসিত রয়েছে। এর মধ্যে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বেশিরভাগ বিষয়ে দুই দেশ একমত হলেও পরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি।

সোনি বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যার সমাধানেও বাংলাদেশ ভারতের আরও সক্রিয় ভূমিকা চায়। তার মতে, এ ক্ষেত্রে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা ছাড়া ভারতের তেমন কিছু করার নেই। কারণ, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ভারতের কথা শুনতে পারে। তারেক রহমানের ভারত সফরের মাধ্যমে সেই সুযোগ তৈরি হলে বাংলাদেশ ভারতকে এসব সমস্যা সমাধানে তার প্রভাব কাজে লাগানোর অনুরোধ করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তুলনামূলকভাবে ‘অনেক বেশি খোলামেলা’ এবং ‘ভারতবিরোধী নন’ বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যাভূষণ সোনি। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন সোনি। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, তারেক রহমান তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি খোলামেলা মানুষ। তিনি ভারতবিরোধী নন এবং নিজে এমন কোনও বক্তব্যও দেননি, যেটিকে ভারতের বিরুদ্ধে বলে মনে করা যায়। তাই ভারতও সতর্কভাবে এই সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করছে।’

তিনি বলেন, দুই দেশের সরকারি মুখপাত্ররা এখন পর্যন্ত যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, সেগুলো মূলত রাজনৈতিক বক্তব্য। তবে দুই দেশের রাজনীতিবিদরা এ বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। তাই তারেক রহমানের ভারত সফরের এখনও সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

সোনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে খুবই আশাবাদী’। তার মতে, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর এই সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া করা উচিত নয়। তিনি বলেন, ‘তিনি (তারেক রহমান) যদি না আসেন, তাহলে এই সুযোগটি হারিয়ে যাবে। দীর্ঘ সময়ের জন্য এই যোগাযোগের পথ খোলা নাও থাকতে পারে। আমরা কেউই এই সুযোগ হারাতে চাই না। তাই আমি বেশ আশাবাদী।’

তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে নয়াদিল্লি ও ঢাকার কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। গত রোববার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শহীদুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তারেক রহমান দিল্লিতে গেলে সেটি হবে ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেয়ার পর তার প্রথম ভারত সফর। সফর নিয়ে আলোচনা চললেও এখনও কোনও চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফীক নাওয়াজ মারা গেছেন "সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ'র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা: ঢাবি ছাত্রদল নেতা আজীবন বহিষ্কার প্রবাসীর পাল্টা অভিযোগ: খাসির জন্য নয়, ১০ গুণ দেনমোহর ধরায় ভেঙেছে বিয়ে