খুঁজুন

৩ বছর পর ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিলিস্তিনের সাবেক মন্ত্রীর পরিবারের ১১২ জনের লাশ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৪ অপরাহ্ণ
৩ বছর পর ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিলিস্তিনের সাবেক মন্ত্রীর পরিবারের ১১২ জনের লাশ উদ্ধার

ইসরায়েলি হামলার প্রায় ৩ বছর পর উদ্ধার হওয়া ১১২ জনকে গাজার পরিবারগুলো দাফন করেছে। ২০২৩ সালে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ১১২ জন ফিলিস্তিনির মরদেহ ২০২৬ সালের ৪ আগস্ট গাজা শহরে দাফন করা হয়। এমইই

প্রায় এক হাজার দিন পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করা দেহাবশেষের মাধ্যমে গাজা শহরে একই গোত্রের ১১২ সদস্যকে একসঙ্গে দাফন করা হয়েছে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত এসব ফিলিস্তিনির মরদেহ গত মাসে উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার স্বজনদের উপস্থিতিতে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়। সূত্র: মিডল ইস্ট আই

আবু শরিয়া ও আল-হাসায়না পরিবারের সদস্যরা প্রিয়জনদের শেষ বিদায় জানাতে গাজা শহরে জড়ো হন। ফিলিস্তিনি পতাকায় মোড়ানো মরদেহগুলো সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছিল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্বজনদের দাফনের সুযোগ পেলেও পরিবারের সদস্যদের জন্য মুহূর্তটি ছিল একই সঙ্গে স্বস্তি ও গভীর শোকের।

হামলায় স্বজন হারানো আমের আবু শরিয়া মিডল ইস্ট আই-কে বলেন, তিন বছর পর শহীদদের দাফন করতে পারছেন- এটি যেমন স্বস্তির, তেমনি ঘটনাটি যেন আবার নতুন করে তাদের শোকের মধ্যে ফিরিয়ে নিয়েছে।

২০২৩ সালের নভেম্বরে গাজার সাবরা মহল্লায় চালানো ওই হামলাকে দুই বছরব্যাপী সংঘাতের সবচেয়ে ভয়াবহ একক হামলাগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান পুরো একটি আবাসিক ব্লক ধ্বংস করে দেয়, যেখানে আবু শরিয়া ও আল-হাসায়না গোত্রের শত শত মানুষ বসবাস করতেন এবং অনেকেই আশ্রয় নিয়েছিলেন।

এই হামলায় ৪৪ শিশু, ৩৭ নারী এবং ১০ জনের বেশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ ৩০০-এর বেশি মানুষ নিহত হন। অধিকাংশই ধসে পড়া ভবনের নিচে চাপা পড়েছিলেন।

যুদ্ধের শুরুর দিকে পর্যাপ্ত ভারী যন্ত্রপাতির অভাবে উদ্ধারকাজ কার্যত বন্ধ ছিল। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রয়োজনীয় অনেক সরঞ্জাম ইসরায়েল ধ্বংস করে দিয়েছিল অথবা গাজায় প্রবেশ করতে দেয়নি। ফলে দীর্ঘ সময় ধ্বংসস্তূপের নিচেই রয়ে যায় নিহতদের মরদেহ।

গত ১৪ জুলাই সীমিত সরঞ্জাম নিয়ে ফিলিস্তিনি বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী আবার উদ্ধার অভিযান শুরু করে। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, বিস্ফোরণের তীব্রতায় অনেক মরদেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়ায় উদ্ধারকাজ অত্যন্ত জটিল হয়ে ওঠে।

১ আগস্ট পর্যন্ত উদ্ধারকারীরা ১১২ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার করতে সক্ষম হন। তবে ধারণা করা হচ্ছে, এখনও আরও অনেকের মরদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে রয়েছে।

গাজার ফিলিস্তিনি বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল মিডল ইস্ট আই-কে বলেন, অত্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে টানা ১৭ দিন কাজ করে তারা ১১২ জনের দেহাবশেষ উদ্ধার করেছেন। তিনি জানান, গাজাজুড়ে এখনও হাজার হাজার মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন এবং তাদের পরিবার স্বজনদের উদ্ধারের অপেক্ষায় রয়েছে।

আবারও জেগে উঠল পুরোনো শোক:

নিহতদের মধ্যে আবু শরিয়া গোত্রের মোখতার বা বয়োজ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি ফাথি আবু শরিয়াও ছিলেন। তার বাড়িতে হামলার পর বহু মানুষ আশ্রয় নেন মোফিদ আল-হাসায়নেহর বাড়িতে। তিনি ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের গণপূর্ত ও আবাসনমন্ত্রী ছিলেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বও ধারণ করতেন।

হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া মাহমুদ আল-হাসায়নেহ জানান, পরিবারের প্রায় ২০০ সদস্য নিরাপদ মনে করে ওই বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানেও বোমা হামলা চালানো হয়। এতে সাবেক মন্ত্রী মোফিদ আল-হাসায়নেহসহ আশ্রয় নেওয়া বহু মানুষ নিহত হন।

তিনি বলেন, ইসরায়েলি হামলায় শিশু, নারী কিংবা বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তার কোনো তোয়াক্কা করা হয়নি। নিহতদের মধ্যে রোমানিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকও ছিলেন।

হামলার সময় মাহমুদ আল-হাসায়নেহ বাড়িতে ছিলেন না। তবে হামলায় তার ছেলে আহত হন। এছাড়া তিনি তার ভাই, ভাইয়ের স্ত্রী ও সন্তান, দুই বোন ও তাদের সন্তানসহ আরও বহু আত্মীয়কে হারিয়েছেন।

তার ভাষায়, মরদেহ উদ্ধার ও দাফনের জন্য এত দীর্ঘ অপেক্ষা ছিল অত্যন্ত বেদনাদায়ক। বিশেষ করে বিদেশে থাকা আত্মীয়দের জন্য প্রতিবার নতুন করে শোক ফিরে এসেছে। যখনই কোনো মরদেহ উদ্ধার করা হতো, বিদেশে থাকা স্বজনেরা ফোন করে কান্নায় ভেঙে পড়তেন।

তিনি বলেন, মৃতদের যথাযথভাবে দাফন করতে পারাই তাদের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান।

এখনও নিখোঁজ হাজারো মানুষ:

গাজার নিখোঁজ ব্যক্তি বিষয়ক সরকারি কমিটির প্রধান ওমর নোফাল জানান, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অন্তত ৬ হাজার মানুষকে সরকারিভাবে নিখোঁজ হিসেবে নিবন্ধন করা হয়েছে। তবে তার ধারণা, প্রকৃত সংখ্যা ১৫ হাজারের কাছাকাছি হতে পারে। কারণ এখনও গাজার বিভিন্ন স্থানে ধসে পড়া ভবনের নিচে অসংখ্য মানুষ চাপা পড়ে আছেন।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এছাড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও হাজারো মানুষের চাপা পড়ে থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

“সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ’র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি

স্টাফ রিপোর্টার:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
“সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ’র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি

“একটি গাছ একটি প্রাণ, সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” স্লোগানকে সামনে রেখে শিক্ষা, মানবতা ও সমৃদ্ধির পতাকাবাহী সামাজিক সংগঠন, ঐতিহ্যবাহী সভ্যতার ভবানীগঞ্জ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। যা নিয়ে রীতিমতো এলাকাবাসীর প্রশংসায় ভাসছেন সংগঠনটির সকলে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের জিয়ার খালের দুই পাড়ে সংগঠনটির একঝাঁক তরুণদের উদ্যোগে এই মহৎ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এসময় অমলকি, জলপাই, তেতুল, হরিতকি, অর্জুন, চালতা, আতা সহ বিভিন্ন ধরনের প্রায় শতাধিক ফল ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়।

উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে স্থানীয় যুবসম্প্রদায় সহ সভ্যতার ভবানীগঞ্জের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে তারা নিয়মিত এমন উদ্যোগের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর দুই দেশের জন্যই ফলপ্রসূ হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক বিদ্যাভূষণ সোনি। তিনি মনে করছেন, তারেক রহমান ভারতে না এলে এই সুযোগ হারিয়ে যেতে পারে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের পথও খোলা নাও থাকতে পারে।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআইকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বিদ্যাভূষণ সোনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এই সফরের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় সমস্যা সমাধানের পথও খুলতে পারে।

সাক্ষাৎকারে সোনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে অনেক বিষয় এখনও অমীমাংসিত রয়েছে। এর মধ্যে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বেশিরভাগ বিষয়ে দুই দেশ একমত হলেও পরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি।

সোনি বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যার সমাধানেও বাংলাদেশ ভারতের আরও সক্রিয় ভূমিকা চায়। তার মতে, এ ক্ষেত্রে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা ছাড়া ভারতের তেমন কিছু করার নেই। কারণ, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ভারতের কথা শুনতে পারে। তারেক রহমানের ভারত সফরের মাধ্যমে সেই সুযোগ তৈরি হলে বাংলাদেশ ভারতকে এসব সমস্যা সমাধানে তার প্রভাব কাজে লাগানোর অনুরোধ করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তুলনামূলকভাবে ‘অনেক বেশি খোলামেলা’ এবং ‘ভারতবিরোধী নন’ বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যাভূষণ সোনি। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন সোনি। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, তারেক রহমান তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি খোলামেলা মানুষ। তিনি ভারতবিরোধী নন এবং নিজে এমন কোনও বক্তব্যও দেননি, যেটিকে ভারতের বিরুদ্ধে বলে মনে করা যায়। তাই ভারতও সতর্কভাবে এই সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করছে।’

তিনি বলেন, দুই দেশের সরকারি মুখপাত্ররা এখন পর্যন্ত যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, সেগুলো মূলত রাজনৈতিক বক্তব্য। তবে দুই দেশের রাজনীতিবিদরা এ বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। তাই তারেক রহমানের ভারত সফরের এখনও সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

সোনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে খুবই আশাবাদী’। তার মতে, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর এই সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া করা উচিত নয়। তিনি বলেন, ‘তিনি (তারেক রহমান) যদি না আসেন, তাহলে এই সুযোগটি হারিয়ে যাবে। দীর্ঘ সময়ের জন্য এই যোগাযোগের পথ খোলা নাও থাকতে পারে। আমরা কেউই এই সুযোগ হারাতে চাই না। তাই আমি বেশ আশাবাদী।’

তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে নয়াদিল্লি ও ঢাকার কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। গত রোববার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শহীদুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তারেক রহমান দিল্লিতে গেলে সেটি হবে ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেয়ার পর তার প্রথম ভারত সফর। সফর নিয়ে আলোচনা চললেও এখনও কোনও চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা: ঢাবি ছাত্রদল নেতা আজীবন বহিষ্কার

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা: ঢাবি ছাত্রদল নেতা আজীবন বহিষ্কার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারের সমালোচনা করে পোস্ট দেওয়া, সাংগঠনিক শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং দীর্ঘদিন সংগঠনের কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয় থাকার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের এক নেতাকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কৃত নেতা হলেন মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক আলামিন ফারাজি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক ওয়াসি উদ্দিন তামী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং দীর্ঘদিন সাংগঠনিক কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয় থাকার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আলামিন ফারাজিকে সংগঠনের সব সাংগঠনিক পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। একই সঙ্গে আলামিন ফারাজির সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের বিষয়ে আলামিন ফারাজি বলেন, তার ফেসবুক পোস্টে সরকারের ভুল-ত্রুটির সমালোচনা করা হয়েছে। যৌক্তিক ও ন্যায়ের জায়গা থেকে তিনি ভবিষ্যতেও সরকারের সমালোচনা করবেন।

তিনি দাবি করেন, তার বক্তব্যের উদ্দেশ্য সরকারের ভুল সংশোধনে সমালোচনা করা। তার ভাষ্য, সরকার যদি সমালোচকদের শত্রু হিসেবে বিবেচনা করে এবং চাটুকারদের বন্ধু মনে করে, তাহলে ওই চাটুকাররাই একসময় সরকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

আলামিন ফারাজি আরও বলেন, দেশের প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও তাকে রাজপথে পাওয়া যাবে—লাঠি হাতে কিংবা কলম হাতে।

"সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ'র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা: ঢাবি ছাত্রদল নেতা আজীবন বহিষ্কার প্রবাসীর পাল্টা অভিযোগ: খাসির জন্য নয়, ১০ গুণ দেনমোহর ধরায় ভেঙেছে বিয়ে কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে অস্ত্র হাতে সাবেক ছাত্রদল নেতার মহড়া, এলাকায় আতঙ্ক