খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

গণ-অভ্যুত্থান সংক্রান্ত ‘বিশেষ সেল’ গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪, ৮:৫৫ অপরাহ্ণ
গণ-অভ্যুত্থান সংক্রান্ত ‘বিশেষ সেল’ গঠন

জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণ, শহীদ ও আহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা চূড়ান্তকরণ, আহতদের চিকিৎসা এবং তাদের পরিবারকে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে ‘বিশেষ সেল’ গঠন করেছে সরকার।

সোমবার (২৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অধীনে এ সেল গঠন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। ১০ সদস্যের এই সেলের দলনেতা অতিরিক্ত সচিব-যুগ্মসচিব পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণ, শহীদ ও আহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা চূড়ান্তকরণ, আহতদের চিকিৎসা এবং তাদের পরিবারকে সহায়তা দিতে গত ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্তে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের আওতায় গণ-অভ্যুত্থান সংক্রান্ত ‘বিশেষ সেল’ গঠন করা হলো।

সেলে উপসচিব বা সিনিয়র সহকারী সচিব পর্যায়ের চারজন কর্মকর্তা, চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি দুজন, ছাত্র প্রতিনিধি আবদুল্লাহ সালেহীন অয়ন ও সিনথিয়া জাহিন আয়েশা এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পিআইডির একজন প্রতিনিধি সদস্য হিসেবে থাকবেন।

বিশেষ সেল জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের তালিকা পূর্ণাঙ্গ করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংগৃহীত তালিকার ধারাবাহিকতায় অন্যান্য সূত্রে প্রাপ্ত তালিকা বিবেচনায় নিয়ে যাচাই-বাছাইপূর্বক তালিকাভুক্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

বিশেষ সেল শহীদদের তালিকা চূড়ান্ত করতে সম্ভাব্য সব উৎস থেকে নতুন তথ্যাদি সংগ্রহ করার উদ্যোগী ভূমিকা পালন করবে এবং প্রয়োজনে তথ্য সংগ্রহের জন্য দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরেজমিন তথ্যানুসন্ধানে যাবে ও স্থানীয় সংশ্লিষ্টদের সহায়তা গ্রহণ করবে।

অফিস আদেশে আরও জানানো হয়েছে, জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আহতদের হাসপাতালে সুচিকিৎসা পেতে সহায়তা করবে এবং শহীদ ও আহতদের পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া ছাড়াও গুরুতর আহতদের প্রয়োজনে বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নিতে সহায়তা করবে এ সেল।

বিশেষ সেল জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস সংগ্রহ ও সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি এ জন্য তথ্যানুসন্ধ্যান ও ডকুমেন্টেশনের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং গণ-অভ্যুত্থানের ছবি, ভিডিও, বক্তব্য, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশিত নিবন্ধ, রিপোর্ট সংগ্রহ করবে। ক্লাউড সোর্স থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই এবং সংরক্ষণ করবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন নিবিড়ভাবে সহযোগিতা করবে বলে অফিস আদেশে জানানো হয়েছে।

বিশেষ সেল জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের ডকুমেন্টারি তথা তথ্যচিত্র তৈরি করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে। গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদের তথ্য যাচাই করে ব্যবস্থা নেবে এবং ভুল তথ্যের বিষয়ে প্রতিবাদলিপি পাঠিয়ে সঠিক তথ্য তুলে ধরবে।

সেলের কার্যক্রম পরিচালনার অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব বিশেষ সেলের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে তত্ত্বাবধান করবেন বলে অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে, গত ১৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসা ও শহীদ পরিবারকে সহায়তা দিতে একটি নীতিমালা প্রণয়ন এবং শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিচিতিসহ একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা করতে কমিটি গঠন করেছিল স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুলাই মাসে সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে রাজপথে নেমে আসেন লাখ লাখ শিক্ষার্থী। তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন দমনের নামে পুলিশ দমন-পীড়ন চালালে আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নেয়। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাধারণ মানুষ যোগ দিলে কোটা সংস্কার আন্দোলন রূপ নেয় সরকারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানে। আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা।

রাজারহাটে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে অনশন কর্মসূচি

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
রাজারহাটে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে অনশন কর্মসূচি

রাজারহাটের ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খিতাম খা গ্রামে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে মানববন্ধনে অংশ নেন ভুক্তভোগী নারী সহ এলাকার প্রায় শতাধিক নারী পুরুষ। সোমবার (৮ জুন) বিকেল ৫ টার সময় এই মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, ২০১৭ সালের পাশ্ববর্তী রাজারহাট সদর ইউনিয়নের নাটুয়া মহল গ্রামের হায়দার আলীর মেয়ে সামিনার সাথে পারিবারিক ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের খিতাবখা গ্রামের সোলেমান মুন্সীর চতুর্থ পুত্র রফিকুল ইসলাম। বিয়ের পরে তাদের সংসারে রোমানা নামের এক কন্যা সন্তান জন্ম নেয়।

বিয়ের পর রফিকুল ইসলাম তার ভাবীর সাথে পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে স্ত্রী সামিনার সাথে দুরত্ব তৈরি করতে থাকেন।এরেই এক পর্যায়ে ২০১৯ সালে তাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়।সামিনার ডিভোর্সের পরে ঢাকায় গিয়ে একটি গার্মেন্টসে অপারেটর হিসাবে তিন বছর চাকুরী করেন।

এদিকে সামিনার সাবেক স্বামী রফিকুল ইসলাম বিদেশে (মরিচাস) গমন করেন।সামিনার সাবেক স্বামী রফিকুল ইসলাম পুনরায় সামিনার সাথে বিদেশ থেকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন।তাদের একমাত্র কন্যা সন্তানের কথা চিন্তা করে পুনরায় স্বামী স্ত্রী রুপে ঘর সংসার করার প্রলোভন দেখান।সামিনা অবুঝ কন্যা সন্তানের কথা চিন্তা করে তার সাবেক স্বামীর কথায় রাজি হন।এরপরে রফিকুল ইসলাম সামিনা কে তার গ্রামের বাড়িতে আসতে বলেন।সামিনা ঢাকায় চাকুরী ছেড়ে রফিকুল ইসলামের গ্রামের বাসায় অবস্থান করতে থাকেন।

কয়েকমাস পেরিয়ে গেলে রফিকুল ইসলাম তার বসতবাড়ি পাকা করনের প্রস্তাব সামিনা কে দেন এবং সামিনাকে তার চাকুরীরত অবস্থায় সঞ্চয় করা প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকা বাড়ির কাজের জন্য খরচ করতে বলেন।সাদাসিধে সামিনা তার স্বামীর কথায় রাজি হয়ে নিজ উদ্যোগে তার সঞ্চিত টাকা খরচ করে রফিকুল ইসলামের নিজ বাড়িতে টিনশেডের ঘর ভেঙ্গে ইটের দালাল নির্মাণ করেন।এই দালান নির্মাণের সামিনার সমস্ত জমাকৃত অর্থ খরচ করার পাশাপাশি বাড়ি নির্মাণের রাজমিস্ত্রীদের রান্না বান্না করেও খাওয়ান।

বাড়ির কাজ শেষ হবার পরে সামিনা তার বাবার বাসা নাটিয়া মহলে ঘুরতে যান।সেখান থেকে ঘুরে এসে দেখেন তার নিজ হাতে গড়া বাড়িতে রফিকুল ইসলাম বিদেশ থেকে তার ভাইকে নির্দেশ দিয়ে তালাবন্ধ করে রেখেছেন।
এই ঘটনায় জানাজানি হলে এলাকার সাধারণ নারীপুরুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

সামিনা রফিকুল ইসলাম তার বাড়িতে উঠতে না দিয়ে যে অন্যায় করেছেন তার প্রতিবাদে রফিকুল ইসলামের উঠানে এলাকার প্রায় শতাধিক নারীপুরুষ মানববন্ধন করে সামিনা কে স্ত্রী রূপে গ্রহণ করতে রফিকুল ইসলামের প্রতি আহবান জানান।

উক্ত মানববন্ধনে স্থানীয় নারী রোকাইয়া বেগম,আব্দুল লতিফ,নাসির শেখ,আতিয়ার রহমান সহ বেশ কয়েকজন বক্তব্য দেন।মানববন্ধনে বক্তারা সামিনার সাথে এধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান। সেই সাথে একমাত্র কন্যা সন্তান সহ সামিনাকে স্ত্রী রুপে গ্রহণ করার দাবী জানান।

ভুক্তভোগী সামিনা সাংবাদিক কে জানান,আমি ডিভোর্সের পরে আমার একমাত্র কন্যা সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি করি।
তিন বছর চাকুরী করে প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকা জমা করি।আমার সাবেক স্বামী রফিকুল ইসলামের প্রলোভনে সব টাকা দিয়ে তার বাড়ি নির্মাণ করি,এই আশায় আমার একমাত্র কন্যা সন্তান নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকবো বলে।

কিন্তু লোভী রফিকুল ইসলাম বার বার আমার সাথে প্রতারণা করলো।আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে এর উপযুক্ত বিচার চাই।

১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এখন পর্যন্ত ১৪০টি দেশে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার সুবিধার্থে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজের এক লাখ ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড (আইভি স্যালাইন) হস্তান্তর উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ১৪০টি দেশে আমাদের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। এতে আমরা গর্বিত। এখন দেশে টিকা তৈরি করতে পারলে সেটার পরিসর আরও বাড়বে। ওষুধ শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করতে আমরাও সহযোগিতা করে যাব।

তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে আমরা নির্দেশনা পেয়েছি, আমাদের শাখাগুলো বাড়াতে হবে। আমাদের অনেকগুলো জানালা খুলতে হবে। নাহলে একটি মন্ত্রণালয় ভালোভাবে চলতে পারে না।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, সামনে ডেঙ্গু মৌসুম আসছে, সে বিষয়ে আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছি। পরিকল্পনা, চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করছি। পাশাপাশি যারা আক্রান্ত হবেন, তারা যাতে যথাযথ চিকিৎসা পান, সেই ব্যবস্থা করছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত তিন মাসে স্বাস্থ্যখাতে কৌশলগত বড় পরিবর্তন এসেছে। আমরা সবাই দেশের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে পারছি।

উলিপুরে দলিল লেখকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মোঃ রেজাউল হক, কুড়িগ্রামঃ
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
উলিপুরে দলিল লেখকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোমবার (৮ জুন) ২০২৬ ইং সকাল ১১টায় উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দিনব্যাপী দলিল লেখকগণের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, শুদ্ধাচার চর্চা, সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করণ বিষয়ক এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কুড়িগ্রামের উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের আয়োজনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রুহুল কুদ্দুস জেলা রেজিস্টার কুড়িগ্রাম। প্রশিক্ষণ সমন্বয়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ অহেদুল ইসলাম উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রার (অঃদাঃ) কুড়িগ্রাম।

এসময় উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মোঃ আব্দুল মালেক খাঁ সেক্রেটারি বাবলু পাঠান সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাফিজুর রহমান সহ শতাধিক সনদপ্রাপ্ত দলিল লেখক ও উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত সকল কর্মকর্তা,কর্মচারীগণ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহকারী সাজ্জাদুর রহমান প্রমুখ।

রাজারহাটে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে অনশন কর্মসূচি ১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উলিপুরে দলিল লেখকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ট্রাম্পের অবরোধ উপেক্ষা করে ইরানে পালটা হামলা চালাল ইসরাইল ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ১১ জেলায় ঝড়বৃষ্টির আভাস