খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৭ মাঘ, ১৪৩২

অভিযোগ, বিতর্ক, বর্থতা ছিলো তাদের সঙ্গী

বিতর্কিত দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগপত্র গৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৪, ১:১৯ অপরাহ্ণ
বিতর্কিত দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগপত্র গৃহীত

ছাত্র-জনতার গনঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রায় ৩ মাস পর গত মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার পদত্যাগ করেন। রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাদের পদত্যাগপত্রগুলো গৃহীত হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে সই করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ (২০০৪ সনের ৫নং আইন) এর ১০(১) নং ধারা অনুযায়ী দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনার মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ এবং কমিশনার জহুরুল হক ও কমিশনার মোছা. আছিয়া খাতুন পদত্যাগ করেছেন। ৩১ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাদের পদত্যাগপত্রগুলো গৃহীত হয়েছে।’

জানা যায়, চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আব্দুল্লাহ ও দুই কমিশনার ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগ করার আগে মঙ্গলবার সকালে প্রতিদিনের মতো অফিসে গিয়ে তারা দাপ্তরিক কাজ সারেন। ওইদিন বিকেলে তাদের দুদক সংস্কার কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করার কথা ছিল। কিন্তু দুপুর ১টার দিকে সংস্কার কমিশনের বৈঠক স্থগিতের খবর আসে কমিশনে। কার্যত এর পরই তারা পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেন।

পরিচয় গোপন রেখে দেশের শীর্ষস্থানীয় এক গণমাধ্যমে দুদকের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার তাদের পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়ে অনেকটা নীরবে দুদক কার্যালয় ত্যাগ করেন। এ সময় সচিব খোরশেদা ইয়াসমিন তাদের এগিয়ে দেন। বিকাল সাড়ে তিনটায় দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নিতে আসার কথা ছিল দুদক সংস্কার কমিশনের।’

তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের ৩ মার্চ মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহকে দুদকের চেয়ারম্যান নিয়োগ করা হয়। তিনি ইকবাল মাহমুদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন। ওই সময় তার সঙ্গে জহুরুল হককে কমিশনার (তদন্ত) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এর দেড় বছর পর কমিশনার (অনুসন্ধান) মোজাম্মেল হক খান অবসরে গেলে নিয়োগ পেয়েছিলেন আছিয়া খাতুন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়। এরপর প্রশাসনিক হেডকোয়ার্টার হিসাবে পরিচিত সচিবালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে থাকা স্বৈরশাসকের দোসরদের বিদায় ঘণ্টা বাজতে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় পতিত সরকারের আজ্ঞাবহ হিসাবে পরিচিত দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারকে সরিয়ে দেওয়াসহ দুদক ঢেলে সাজানোর দাবি ওঠে। আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সমন্বয়করাও সম্প্রতি দুদকে গিয়ে চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করে সংস্থাটির ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। দুদক সংস্কারে সরকার গঠন করে কমিশন। তখন সরকারের আস্থা অর্জনে দুদক শতাধিক সাবেক মন্ত্রী-এমপি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু দুদকের এসব কাজ লোক দেখানো বলে মন্তব্য করতে থাকে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

দুদক সংস্কার কমিশনের প্রধান ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান দুদকের কাজের সমালোচনা করে সংস্থাটিকে ঢেলে সাজানোর তাগিদ দেন। দুদকের বিতর্কিত কাজ ও দায়সারা ভূমিকা নিয়ে যুগান্তর, বাংলা খবর প্রতিদিন, বিডিনিউজ ট্রিপল নাইন সহ একাধিক পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। নানা বিতর্কের মুখে অবশেষে মঙ্গলবার পদত্যাগ করলেন দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি গণমাধ্যমে জানান, দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদে নতুন মুখ নিয়োগ দিতে শিগগিরই সার্চ কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে নতুন কমিশন। তবে সার্চ কমিটি কাজে স্বচ্ছতা দাবি করেছেন দুদক কর্মকর্তারা। তাদের অভিযোগ-আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সার্চ কমিটির কাজে স্বচ্ছতা ছিল না।

উদাহরণস্বরূপ এক কর্মকর্তা বলেন, সার্চ কমিটির তালিকায় বিদায়ি চেয়ারম্যান ও একজন কমিশনারের নাম ছিল না। সার্চ কমিটির তালিকা প্রকাশও করা হয়নি। সরকারের পছন্দের ব্যক্তিদের রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়েছেন। কিন্তু এবার যে সার্চ কমিটি গঠন করা হবে তাদের সুপারিশ করা নামের তালিকা প্রকাশ করতে হবে। এরপর সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ দিতে হবে।

তাছাড়া চেয়ারম্যান ও কমিশনার হিসাবে যারা নিয়োগ পাবেন তারা আসলে দুর্নীতি প্রতিরোধে কী করতে চান তার একটি পরিকল্পনা নেওয়া যেতে পারে। এছাড়া কমিশনের অনুপস্থিতিতে দুদকের কাজ কীভাবে চলবে সে বিষয়ে আইনি শূন্যতা রয়েছে। তা দূর করতে হবে।

দীর্ঘদিন ধরেই দুদকের ভেতর-বাইরে আলোচনা আছে, পতিত সরকারের আজ্ঞাবহ হিসাবে মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ কমিশন নানা ঘটনায় দুদককে বিতর্কিত করেছেন। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ইশারায় বিদায়ি কমিশন বর্তমান সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তার বিরুদ্ধে আরও মামলা দেওয়ার প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ পটপরিবর্তনে সেটা করতে পারেনি।

আবার সরকারের ইশারা ও উচ্চ আদালতের চাপে কমিশন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করলেও প্রশাসন ও দুদকের সহায়তায় তিনি দেশত্যাগ করেন। কমিশনের অবহেলায় অনুসন্ধান চলাকালে ব্যাংক থেকে ১৩ কোটি টাকা তুলে নেন বেনজীর। এ ধরনের স্পর্শকাতর দুর্নীতির অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার কথা থাকলেও তা করা হয়নি।

তাছাড়া বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের ব্যাংক থেকে ঋণের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের ঘটনা অনুসন্ধান করার সাহসই করেনি কমিশন। সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুনী জাভেদ ও তার স্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও দুবাইয়ে বিপুল সম্পদের তথ্য থাকার পরও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এর বাইরেও পতিত সরকারের চামচা খ্যাত বিতর্কিত দুদক চেয়ারম্যান ও কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। এ ধরনের অসংখ্য অভিযোগ ও ব্যর্থতার দায় নিয়েই বিদায় নিলেন চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার।

এদেশের মাটিতে হাদি হত্যার বিচার হবে: বেলকুচিতে বিএনপি প্রার্থী আলীমের জনসভায় টুকু

রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টারঃ
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ণ
এদেশের মাটিতে হাদি হত্যার বিচার হবে: বেলকুচিতে বিএনপি প্রার্থী আলীমের জনসভায় টুকু

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, কেউ কেউ দাবি–দাওয়া তুলে নির্বাচন বন্ধ করার চেষ্টা করছে। কখনো স্লোগান দেওয়া হচ্ছে ‘আগে হাদির বিচার, পরে নির্বাচন’। আমরা বিএনপিও হাদির বিচার চাই। হাদির বিচার এদেশের মাটিতেই হবে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারী) বিকেল পাঁচটায় বেলকুচি সরকারি কলেজ মাঠে বেলকুচি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী জামাল উদ্দিন ভূইয়ার সভাপতিত্বে এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। 

তিনি বলেন, একটি গুপ্ত দল দীর্ঘ সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের পরিচয়ে সক্রিয় ছিল। শেখ হাসিনার পতনের পর তারা প্রকাশ্যে এসে নিজেদের বিপ্লবী হিসেবে তুলে ধরছে। এখন তারা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করছে। 

টুকু জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে বলেন, আপনারা ষড়যন্ত্র করছেন। ঢাকায় বৈঠক করে বলা হচ্ছে ক্ষমতায় গেলে অমুক ছাত্রনেতাকে মন্ত্রী বানানো হবে। মানুষ হিসাব করতে পারে। সরকার গঠন না করেই যদি ধরে নেন ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় যাবেন, তাহলে জনগণ তা মেনে নেবে না।

তিনি আরও বলেন, তাঁরা সৎ মানুষের শাসনের কথা বলেন। তাহলে কি আমরা সবাই অসৎ? নির্বাচনে কী পরিমাণ টাকা খরচ হচ্ছে মানুষ দেখছে। সেই টাকার উৎস কোথায়। আর আমরা সীমিত সামর্থ্য নিয়ে হিমসিম খাচ্ছি।

ধর্মের প্রসঙ্গ টেনে টুকু বলেন, ইসলামের নামে ভোট চাওয়া হচ্ছে। কোরআনে স্পষ্ট বলা আছে ধর্মকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করা যাবে না এবং ধর্মের বিনিময় করা যাবে না। সেই নির্দেশ অমান্য করেই তারা রাজনীতিতে ধর্ম ব্যবহার করছে।

জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান আলীম। তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক গোলাম মওলা খান বাবলুসহ জনসভায় জেলা ও উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ঋণের ব্যবস্থা করা হবে, জমি বিক্রি করতে হবে না: তারেক রহমান

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ঋণের ব্যবস্থা করা হবে, জমি বিক্রি করতে হবে না: তারেক রহমান

বিদেশগামীদের যেন জমিজমা বিক্রি করতে না হয়, সেজন্য সরকারিভাবে দ্রুত ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানীতে নির্বাচনি পথসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান বলেন, এই ঋণের মাধ্যমে তারা সহজেই বিদেশের যাওয়ার খরচ মেটাতে পারবেন এবং বিদেশে গিয়ে উপার্জিত অর্থ দিয়ে পরবর্তীতে তা পরিশোধ করতে পারবেন।

তিনি বলেন, দেশের তরুণদের সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে দেশজুড়ে আধুনিক প্রশিক্ষণ সেন্টার গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে তারা যেন দেশে এবং বিদেশে সম্মানজনক কাজ করে স্বাবলম্বী হতে পারে এবং দেশের বেকারত্ব ঘুচাতে পারে।

ধর্মগুরুদের নিয়ে তারেক রহমান বলেন, মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিব খতিব ও অন্যান্য ধর্মের যারা ধর্মগুরু আছেন বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তাদের সম্মানীর ব্যবস্থা করা হবে। এতে তারা সমাজে সম্মানজনকভাবে বসবাস করতে পারবেন।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপির দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বিএনপি রাষ্ট্র পুনর্গঠনের কাজে হাত দিতে চায়।

তারেক রহমান বলেন, নির্বাচন ঘিরে মানুষের অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়। বিএনপির কাছে সারা বাংলাদেশের মানুষের অনেক প্রত্যাশা আছে। আমরাও সেভাবেই পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চেষ্টা করেছি। পথসভায় ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।

ঢাকা-১৭ তে যানজট, জলাবদ্ধতা, বায়ু দূষণের সমস্যা আছে। আমরা একত্রে কাজ করলে সবাই মিলে এই সমস্যার সমাধান করতে পারব।

খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে তিনি বলেন, স্বৈরাচারের সময় দেশত্যাগের প্রস্তাব দেয়া হলেও খালেদা জিয়া দেশ ছেড়ে কোথাও যাননি। খালেদা জিয়া জীবনের শেষ পর্যন্ত এদেশের মাটিতে ছিলেন। মানুষ ছেড়ে যাননি। সেজন্য আমাদেরও শেষ ঠিকানা এই দেশ।

তিনি আরও বলেন, বিএনপিই একমাত্র দল এই মুহূর্তে, যাদের দেশ গঠনের কর্মসূচি আছে। প্রতিবারই বিএনপির ওপর জনগণের সমর্থন ছিলো। তারা দেশ ও মানুষ ছেড়ে কোথাও যায়নি।

৪ দিন নির্বাচনি এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ
৪ দিন নির্বাচনি এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচনী এলাকায় অবস্থানের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি জানিয়েছে, আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় কোনো বহিরাগত অবস্থান করতে পারবে না।

সোমবার (৯ ফেব্রয়ারি) নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

এতে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাচনী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যক্তি, কমিশনের অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার বাসিন্দা বা ভোটার ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর পর্যন্ত ওই নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না।

এই বিধিনিষেধ আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি সাড়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদেশের মাটিতে হাদি হত্যার বিচার হবে: বেলকুচিতে বিএনপি প্রার্থী আলীমের জনসভায় টুকু বিদেশগামীদের জন্য দ্রুত ঋণের ব্যবস্থা করা হবে, জমি বিক্রি করতে হবে না: তারেক রহমান ৪ দিন নির্বাচনি এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা ডিএনসিসি প্রশাসক এজাজকে অপসারণ, নতুন দায়িত্বে সুরাইয়া আখতার ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত 'অযৌক্তিক', ভোটারদের মধ্যে 'ভয় ও শঙ্কা সৃষ্টি' করবে: জামায়াত