খুঁজুন

বিদেশে বসেই চলছে দেশ বিরোধী চক্রান্ত

আ’লীগের নৈরাজ্য ঠেকাতে বাঙলা কলেজ ছাত্রদলের কঠোর অবস্থান

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৪, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
আ’লীগের নৈরাজ্য ঠেকাতে বাঙলা কলেজ ছাত্রদলের কঠোর অবস্থান

স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতন হলেও থেমে নেই তাদের দেশ বিরোধী প্রপাগাণ্ডা। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিগ্রে দিতে রোববার (১০ নভেম্বর) কথিত কর্মসূচির ঘোষণা দেয় আ’লীগ। তাই বহুল বিতর্কিত আওয়ামী লীগ ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের দায়ে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রুখে দিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি করেছে রাজধানীর সরকারি বাঙলা কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

রোববার (১০ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বাঙলা কলেজ ছাত্রদল সভাপতি ইব্রাহিম বিপ্লব ও সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন সোহাগের নেতৃত্বে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।

শত শত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সক্রিয় উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে ওঠে রাজধানীর রাজপথ। এ-সময় ছাত্রদল নেতা ইব্রাহিম বিপ্লব ও বেলাল হোসেন সোহাগকে সম্মুখে রেখে বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দিতে থাকে নেতাকর্মীরা।

মূলত বাঙলা কলেজের সামনে থেকেই বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। সেখান থেকে পাইকপাড়া, মিরপুর-১ গোল চত্ত্বর হয়ে আনসার ক্যাম্প, টেকনিক্যাল সহ আশপাশের এলাকাগুলোতে প্রদক্ষিণ করে ছাত্রদল। সবশেষে তারা টেকনিক্যাল মোড়ে অবস্থান নেয়। তখন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আ’লীগ সহ বিতর্কিত সকলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী স্লোগান দিতে থাকে ছাত্রদল। তারা টিম করে মিরপুর, গাবতলী, টেকনিক্যাল, কল্যানপুর সহ আশেপাশের সব যায়গায় পাহারারত অবস্থান গ্রহণ করে।

বস্তুত দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী শাসনামলে জর্জরিত বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি জনপদ। অবশেষে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে যুগান্তকারী আন্দোলন শুরু করে এদেশের ছাত্র-জনতা। এই আন্দোলনে তুমুল বিতর্কিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন হয় ইতিহাসের সর্বোচ্চ লজ্জাজনকভাবে। লেজ গুটিয়ে পালিয়ে যায় শেখ হাসিনা। তবুও ভারতে বসেই একশ্রেণির চাটুকার, আবেগী আ’লীগকে বলির পাঠা হিসেবে ব্যবহার করছে শেখ হাসিনা। যারই ফলশ্রুতিতে আজকের কর্মসূচি ঘোষণা করে আওয়ামী লীগ।

অবস্থা কর্মসূচিতে বাঙলা কলেজ ছাত্রদল সভাপতি ইব্রাহিম বিপ্লব বলেন, “বাংলাদেশের ইতিহাসে রচিত আছে এদেশের জনগণ সবসময়ই আ’লীগ নামক সন্ত্রাসী সংগঠনকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। স্বৈরাচার, গণহত্যাকারী পলাতক শেখ হাসিনা ও তাঁর দোসরদের আরো একবার বাংলাদেশের জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে জুলাই-আগস্টের ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে। তবে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচার হাসিনা পালিয়ে গেলেও ভারতে অবস্থান করে হাসিনা বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার পায়তারা করছে। তার রাজনীতি হচ্ছে লাশের রাজনীতি। তাকে বাংলাদেশের মাটিতে লাশের রাজনীতি আর করতে দিবে না জাতীয়তাবাদী শক্তি। সেই লক্ষ্যেই আমাদের আজকের অবস্থান।”

এ-সময় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন সোহাগ বলেন, “স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের একমাত্র আওয়ামী লীগই ঘৃণিত রাজনৈতিক দল। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নৈরাজ্য চালিয়েছে সারাদেশব্যপী। বর্তমানে তাদের মাদার অব মাফিয়া ভারতে অবস্থান করেও তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নৈরাজ্য করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাই আগামীর রাষ্ট্রনায়ক জননেতা তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় আমরা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বদা রাজপথে আছি। প্রিয় মাতৃভূমিকে নিয়ে যত ষড়যন্ত্রই করা হোক না কেনো, আমরা তা প্রতিহত করবো ইনশাআল্লাহ।”

এদিকে বাঙলা কলেজের আবুল কাসেম হল সভাপতি কে এম ইব্রাহিম খলিল বলেন, “আওয়ামিলীগের দীর্ঘদিনের শোষণ, নিপীড়নে দেশের সাধারণ মানুষ তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। আ’লীগের লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মী যেন সড়কে নেমে নৈরাজ্য বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্যই আজ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে বাঙলা কলেজ ছাত্রদল। আগামীতে আওয়ামী লীগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ বা তাদের যেকোন সংগঠনের ব্যানারে যদি কেউ সড়কে নেমে কোনো প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করে, তাহলে ছাত্রদল তা কঠোরভাবে প্রতিহত করবে। কারণ এদেশে নতুন করে আর কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর উৎপাত সহ্য করা হবে না।”

এদিনের বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচিতে শাখাটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের পাশাপাশি সিনিয়র সহ সভাপতি, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, হল সভাপতি-সেক্রেটারি, সহ-সভাপতি সহ অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
‘কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু

‘আমি বেঁচে থাকতে কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’-নির্বাচনী মাঠে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বলার কয়েক ঘণ্টা পরই চিরতরে নির্বাচনী মাঠ ছাড়লেন কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে দিনভর গণসংযোগ করার পর রাতেই না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

তিনি চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। গত কয়েক মাস ধরে শুহিলপুর ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটার ও সমর্থকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন তিনি।

জানা যায়, এদিন নিজের ইউনিয়ন শুহিলপুরে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে গণসংযোগ করেন বিএনপির এ নেতা। চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দিনভর নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নির্বাচনী শোডাউন করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যায় পথসভায়ও দিয়েছিলেন জয়ের প্রত্যয়ী বক্তব্য।

দিনভর প্রচারণা শেষে গতকাল সন্ধ্যায় শালিখা বাজারে আয়োজিত পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বক্তব্য দেন খোকন।

পথসভায় বিএনপি নেতা বলেন, আপনারা কি চান, শাওন সাহেব (বর্তমান এমপি) আমাকে দলীয় প্রার্থী করুক? তাহলে নিশ্চিত থাকেন, শাওন সাহেব এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করবেন।

তার বক্তব্যে ছিল নির্বাচনে জয়ের প্রত্যয়, ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা। নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই যেন বদলে গেল সবকিছু।

সারাদিনের নির্বাচনী কর্মসূচি শেষে রাতে বাড়ি ফিরে খাবার খান সাইফুল ইসলাম খোকন। এরপর ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ইলিয়টগঞ্জ বাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন মেঝ ছেলে সাঈদ।

মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেও যে মানুষটি নেতা-কর্মীদের সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার কথা বলছিলেন, রাত না পেরোতেই সেই মানুষটিই চলে গেলেন না ফেরার দেশে। থেমে গেল তার রাজনৈতিক পথচলা। থেমে গেল চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন। নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে গেলেন ঠিকই তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে পরাজিত হয়ে নয়, চিরদিনের জন্য।

সাইফুল ইসলাম খোকনের আকস্মিক মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ পুরো চান্দিনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী, নেতা-কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিরাজ করছে গভীর শোক ও বেদনা।

জানা যায়, আজ সকাল ১১টায় ইলিয়টগঞ্জ রা.বি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজে শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে জানাজা নামাজের আগে কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আতিকুল আলম শাওন বলেন, সাইফুল ইসলাম খোকন আমার মরহুম পিতার সময়কাল থেকে বিএনপি’র রাজনীতি করেছেন। আমার কয়েকজন অভিভাবকদের মধ্যে তিনিও ছিলেন একজন। তার এই মৃত্যুতে শুহিলপুর ইউনিয়নসহ উপজেলা বিএনপিতে শূন্যতা সৃষ্টি হবে।

‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি

‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ’- সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের পর দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কর্মকর্তা মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দায়িত্বেও রদবদল আনা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বিআরটিএ চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের বিষয়টি জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলমকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শফিকুজ্জামান ভূঞাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের একই পদে বদলি করা হয়েছে। ফলে মাসুদ আলমের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বিআরটিএর সেবা ও অনিয়ম নিয়ে এক পরিদর্শনকালে কর্মকর্তা মাসুদ আলমকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ‘তুমি এখনো ভালো হওনি, ভালো হয়ে যাও মাসুদ।’ তার সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাসুদ আলমকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়।

বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের উদ্যোগে ও ঢাকা ব্যাংক পি এল সি অর্থায়নে ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের যমুনা নদীর শাখায় তিন দিনব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম খাঁন আলীম। 

বাইচ কমিটির সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিষ্টার শাহানাজ প্রধান, সহকারী পুলিশ সুপার বেলকুচি সার্কেল শহিদুল ইসলাম, বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান, বেলকুচি কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম আজম, উপজেলার বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলসহ স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিবর্গ। 

সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পানসি ১৮ টা ও ১২ টা কোষা নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবিবার বাইচ প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু 'ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ খ্যাত সেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ঢাকায় বদলি বেলকুচিতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন বিশ্বের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণের দেশ এখন বাংলাদেশ যতবারই নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি জিতেছে: মন্ত্রী দুলু