খুঁজুন

বিজয় দিবসে নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে সতর্ক অবস্থানে র‍্যাব

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৩:২৫ অপরাহ্ণ
বিজয় দিবসে নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে সতর্ক অবস্থানে র‍্যাব

১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সন্দেহভাজন ব্যক্তি অথবা নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম সম্পর্কে বিশেষ গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান পরিচালনা করবে র‍্যাব। পাশাপাশি কিশোর গ্যাং সংক্রান্ত গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং এরা যেন সংঘাতে লিপ্ত হয়ে কোনো অনুষ্ঠান পণ্ড করতে না পারে, সে ব্যাপারেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে পুলিশের এই এলিট ফোর্স।

রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) রাতে র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক আল আমিন এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হবে। জাতীয় স্মৃতিসৌধ, বঙ্গবভনসহ দেশব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠান, জনসমাবেশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপিত হবে। সার্বিকভাবে সব ধরনের ঝুঁকি পর্যালোচনা করে বিজয় দিবসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে র‍্যাব।

অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে র‌্যাবও বিজয় দিবস উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করেছে। দিবসটি ঘিরে এরই মধ্যে জারি করা আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সব নির্দেশনা বাস্তবায়নে র‌্যাব ফোর্সেস কাজ করছে।

বিজয় দিবসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাব ১৩ ডিসেম্বর থেকে দায়িত্বপূর্ণ এলাকার উল্লেখযোগ্য ভেন্যুগুলো ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি এবং নিরাপত্তা টহল বাড়িয়েছে।

আগামী ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে ব্যাটালিয়নসমূহের নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় পর্যাপ্ত সংখ্যক র‌্যাব সদস্য মোতায়েন থাকবে।

র‍্যাবের ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা গুরুত্বপূর্ণ স্থানের আশেপাশে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের মাধ্যমে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি ও ইউনিফর্ম টহল বৃদ্ধি করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়াও র‌্যাবের সাইবার মনিটরিং টিম অনলাইন নজরদারির মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

র‌্যাবের টহল জোরদার করার পাশাপাশি দেশব্যাপী বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডগ স্কোয়াড ও র‌্যাব বোম্ব স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সম্ভাব্য যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‌্যাবের স্পেশাল ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

র‍্যাবের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ, বঙ্গভবন ও প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনসহ সারাদেশে মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণকল্পে র‌্যাবের দৃশ্যমান উপস্থিতি ও টহল অব্যাহত রাখা হয়েছে।

অনুষ্ঠানস্থলের আশেপাশে কেউ যেন কোনো প্রকার ব্যাগ, বস্তা বা কার্টুন জাতীয় কোনো দ্রব্য বহন ও সংরক্ষণ না করতে পারে সেটি খেয়াল করা হবে।

বিজয় দিবসে ঢাকা মহানগরীতে বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে দেশের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন। এসব ভেন্যু ও অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

সারাদেশে ভিভিআইপি/ভিআইপি, বিদেশি কূটনৈতিক মিশনের গমনাগমনের স্থানসহ জনসমাগম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এমন স্থানে র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

শহরের প্রবেশ ও বাহির পথগুলোর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যেখানে জনসমাগম বেশি হয় সেসব এলাকায় যেন কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সৃষ্টি না হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

সন্ত্রাসী ও অপরাধীরা যেন বস্তি, হোটেল ও রেস্ট হাউজে অবস্থান করে অপরাধ পরিকল্পনা করতে না পারে এই লক্ষ্যে নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সব বস্তি, হোটেল, গেস্ট ও রেস্ট হাউজ, নগরীর উপকণ্ঠে নতুনভাবে গড়ে ওঠা আবাসিক এলাকা ও ক্রাইম জোনে নজরদারি করা হবে।

র‌্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড টিমকে কৌশলগত স্থানে সার্বক্ষণিকভাবে নিরাপত্তার কাজে নিয়োগ করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক, বোমাবাজিসহ সহিংস ঘটনা রোধকল্পে আগাম গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহপূর্বক প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও নিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আসা কোনো নারী যেন ইভটিজিং, যৌন হয়রানি অথবা সম্মানহানির শিকার না হন সেদিকে বিশেষভাবে সতর্ক দৃষ্টি রেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন এবং লঞ্চ টার্মিনাল ও এর আশপাশের এলাকায় সাদা পোশাক ও ইউনিফর্মে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

র‍্যাবের ব্যাটলিয়নগুলো নিজ নিজ কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে তাদের জনপ্রতিনিধি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করবে। র‌্যাব সদরদপ্তরে কন্ট্রোল রুমের (কন্ট্রোল রুমের হটলাইন নম্বর- ০১৭৭৭৭২০০২৯) মাধ্যমে ঢাকাসহ সারাদেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় করা হবে।

‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’, আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামায়াত আমীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’, আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামায়াত আমীর

‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’- মন্তব্য করে গ্রেপ্তার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে শফিকুর রহমান লেখেন, বিমানবন্দরে যাত্রী সাধারণের দুর্ভোগ-ভোগান্তি, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা, অনিয়ম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আখতারুজ্জামান আওয়াজ তুলেছেন। কার্যত তিনি ভুক্তভোগী যাত্রী সাধারণ, বিশেষ করে বিদেশফেরত প্রবাসীদের প্রতিবাদের কণ্ঠে পরিণত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, তার এই প্রতিবাদকে আমলে নিয়ে দুর্বলতাগুলো সংশোধন করার পরিবর্তে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এমনকি দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে জনসম্মুখে অপমানিত করার নানা হীন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘জনগণ অন্ধ নয়, সবই দেখছে।’ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আখতারুজ্জামান বীরত্বের প্রমাণ দিয়েছেন এবং ভুক্তভোগী মানুষের হৃদয়ের বীরে পরিণত হয়েছেন বলেও দাবি করেন জামায়াতের আমীর।

শেষে আখতারুজ্জামানের জন্য দোয়া করে শফিকুর রহমান লেখেন, ‘আল্লাহ তায়ালা তার সম্মান বৃদ্ধি করুন। আমীন।’

এর আগে গত ১ অক্টোবর বিমানবন্দরে অব্যবস্থাপনা, লাগেজ ট্রলির সংকট, লাগেজ পেতে বিলম্ব এবং জমজমের পানি না আসাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি হুমকি-ধামকির পর্যায়ে পৌঁছায়।

পরে বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হেনস্তার অভিযোগে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

পরদিন শনিবার প্রিজনভ্যানে করে তাকে ঢাকার সিএমএম আদালতে নেওয়ার সময় মাথায় নিরাপত্তা হেলমেট পরানো হয়। আদালতে নেওয়ার সময় হেলমেট পরার প্রতিবাদ করেন আখতারুজ্জামান। পরে তিনি হেলমেট খুলে ফেলে দেন।

প্রিজনভ্যান থেকে নামার সময় তিনি বলেন, ‘আমি হেলমেট পড়বো না। আমাকে অন্যায়ভাবে-অবৈধভাবে হেলমেট পরানো হচ্ছে। আমি আওয়ামী লীগ না। হালের হেলমেট এখন আওয়ামী লীগের ফ্যাশন হয়েছে। আমাকে হাতকড়া পরান।’ এরপর দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য তার হাতে হাতকড়া পরান।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পরই ইরানে মার্কিন সেনা!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পরই ইরানে মার্কিন সেনা!

ইরানের বিপক্ষে বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে নভেম্বর মাসে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে সেনা মোতায়েনের বিষয় বিবেচনা করছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। গালফ নিউজের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট মনে করেন ইরানে সেনা পাঠানোর ক্ষেত্রে তার ‘হারানোর কিছু নেই’। ট্রাম্পের একাধিক হুমকি ও সেনা মোতায়েন নিয়ে অবশ্য তেমন উদ্বিগ্ন নয় ইরান। দেশটির মেহের নিউজের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন হামলার কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

গত শুক্রবার রাতে এক জনসভায় ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধও করে দেয়, তবুও ইরানের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে লেগে যাবে কয়েক বছর। ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমরা আগামীকালই চলে আসতে পারি; কিন্তু তাদের যে ক্ষতি করেছি, তা পুষিয়ে উঠতে তাদের কয়েক বছর সময় লাগবে। কারণ, তারা কোনো সমঝোতায় আসতে চায়নি। তারা তাদের চাল চেলেছিল; তবে তারা অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছিল।’

এরই মধ্যে ইরানের কাছাকাছি মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্র তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টের নেতৃত্বে একটি স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন করছে বলে আলজাজিরাকে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ অষ্টম মাসে গড়িয়েছে এবং উভয় পক্ষ সংঘাতের তীব্রতা বাড়ানো কিংবা কূটনৈতিক আলোচনার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

ইরানে নতুন করে সেনা মোতায়েন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র এক মাস আগে পাঠানো হচ্ছে আরও হাজার হাজার সেনা। দেশটির আশপাশে নতুন করে প্রায় ১০ হাজার সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন। একজন মার্কিন কর্মকর্তা আলজাজিরাকে জানিয়েছেন, ‘ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট’ ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপটি গত রবিবার স্যান ডিয়েগো ঘাঁটি থেকে ওই অঞ্চলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। এর ঠিক এক দিন পর ‘মার্কিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট’ (এমইইউ), যেটিতে ২ হাজারের বেশি মেরিন সেনা রয়েছেন, সেটিও একই পথে যাত্রা করেছে। ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’- এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই স্ট্রাইক গ্রুপ ও নৌবাহিনীর মোতায়েন প্রক্রিয়ায় সব মিলিয়ে যুক্ত হতে পারে অতিরিক্ত ৯-১০ হাজার মার্কিন সেনা। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ ও অন্যান্য জাহাজে নিয়োজিত নাবিক ও মেরিন সেনাও।

জবাব দিতে প্রস্তুত ইরান
যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ‘ট্রিগারে আঙুল রেখে’ হামলার জবাব দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে তারা। মেহের নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র বা আঞ্চলিক হুমকি, আগ্রাসন কিংবা ভুল পদক্ষেপের মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত আইআরজিসি। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা এবং অবস্থান সম্পর্কে আইআরজিসির কাছে বিস্তারিত গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে এবং যেকোনো উসকানির জবাবে তারা “অত্যন্ত কঠোর, তাৎক্ষণিক, বেদনাদায়ক এবং ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ২’-এর চেয়েও অধিক প্রাণঘাতী” পাল্টা ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ২’ ছিল ২০২৪ সালের অক্টোবরে ইসরায়েলের ওপর ইরানের চালানো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। সে সময় তেহরান নিক্ষেপ করেছিল প্রায় ২০০টি ক্ষেপণাস্ত্র। আইআরজিসি স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, নতুন কোনো সংঘাতের ঘটনা ঘটলে তার জবাবে যে পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা ওই হামলার চেয়েও অনেক বড় ও অধিক প্রাণঘাতী হতে পারে।

সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াংসহ চার বারে অভিযান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫৬ অপরাহ্ণ
সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াংসহ চার বারে অভিযান

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের মালিকানাধীন ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডসহ রাজধানীর চারটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কয়েকটি সংস্থা।

শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে গুলশানের র-ক্যানভাস রেস্তোরাঁ, হাবিব হোটেল ইন্টারন্যাশনাল, মার্গারিটা লাউঞ্জ ও ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডে অভিযান শুরু হয়।

অভিযানের কারণ

শনিবার সন্ধ্যায় এনবিআরের বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনার কথা জানায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।

সিআইআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকার কিছু বার, রেস্তোরাঁ, ডিপ্লোম্যাটিক বন্ডেড ওয়্যারহাউজ ও ডিউটি ফ্রি শপে অবৈধ উৎস থেকে অ্যালকোহল বা অ্যালকোহলজাত পণ্য সংগ্রহ, শুল্ক-মূসক ও আয়কর ফাঁকি এবং অননুমোদিত গ্রাহকের কাছে এসব পণ্য সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ অনুসন্ধানে সিআইআইডি চারটি দল গঠন করে।

অভিযানে এসব দলের সঙ্গে এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল, মূসক নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এবং ঢাকা উত্তর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কর্মকর্তারা অংশ নিচ্ছেন।

এনবিআর সূত্রের দাবি, ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের মালিক শেখ নুরুল ইসলাম। তবে ফু-ওয়াং কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে শেখ নুর ইসলাম বা তাঁর পরিবারের কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই।

অভিযান শেষে প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য ও সার্বিক ফলাফল জানাতে শনিবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করবে এনবিআর। রাত সাড়ে ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিচতলায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার শুল্কমুক্ত মদ মজুদের অভিযোগে সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নুরুল ইসলামের চারটি গুদাম সিলগালা করা হয়।

‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’, আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামায়াত আমীর মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পরই ইরানে মার্কিন সেনা! সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াংসহ চার বারে অভিযান একযোগে ১১ পুলিশ কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি 'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু