খুঁজুন

দুঃখ প্রকাশ করে নিজের বক্তব্য স্পষ্ট করলেন সারজিস আলম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
দুঃখ প্রকাশ করে নিজের বক্তব্য স্পষ্ট করলেন সারজিস আলম

‘ছাত্র-গণহত্যা ও ফ্যাসিবাদবিরোধী সিটি ও পৌর কাউন্সিলরদের জনস্বার্থে পুনর্বহালের দাবিতে কাউন্সিলর সমাবেশ’এ অংশগ্রহণ ও নিজের বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।

সারজিস ফেসবুকে লেখেন, বাংলাদেশে এই মুহূর্তে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কাউন্সিলর আছে। এর মধ্যে প্রায় দেড় হাজার কাউন্সিলরের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল আমাদের সঙ্গে কিছুদিন পূর্বে দেখা করে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে তারা স্পষ্ট ভাষায় বলেছিল আমরা সব কাউন্সিলরদের প্রতিনিধিত্ব করছি না বরং আমরা সাড়ে পাঁচ হাজারের মধ্যে দেড় হাজার কাউন্সিলরদের প্রতিনিধিত্ব করছি। তাদের ভাষ্য ছিল- ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আমলে আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসর ব্যতীত বিএনপি-জামায়াত এবং স্বতন্ত্র জায়গা থেকে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হয়েছেন তারা তাদের প্রতিনিধিত্ব করছেন। যদিও আওয়ামী আমলের নির্বাচন যে প্রশ্নবিদ্ধ তা নিয়ে আমার সন্দেহ নেই।

তিনি বলেন, তাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ মতামতের সারমর্ম অনেকটা এমন- প্রথমত, নির্বাচনে তারা দলীয় প্রতীকে অংশগ্রহণ করেননি।পাশাপাশি বিগত ১৬ বছরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের মাধ্যমে তারা বিভিন্নভাবে অত্যাচার, নির্যাতন, মামলা ও জেল জুলুমের শিকার হয়েছেন। তারপরও ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতায় তারা নির্বাচন করে জয় লাভ করেছেন। ২৪ এর ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণও ছিল যা তাদের মধ্যে কয়েকজন ছবি ও ভিডিওর মাধ্যমে দেখিয়েছেন। তাছাড়া ইউনিয়ন পরিষদে দলীয় মার্কায় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের অনেকেই নির্বাচিত হয়েও এখনো সপদে বহাল আছে। তাহলে ব্যক্তিগত যোগ্যতায় জয় লাভের পরেও তারা সপদে বহাল থাকার দাবি করতে পারেন কি না।

দ্বিতীয়ত, যে কাউন্সিলররা আওয়ামী লীগের দোসর ছিল তারা অলরেডি পালিয়ে গিয়েছে। এতদিন আওয়ামী লীগের বিপক্ষে লড়াই করে টিকে থাকার পর আজ যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এসেছে তখন আওয়ামী লীগের দোসরদের মতো তাদেরও বরখাস্ত করা হলে এটা তাদের জন্য অপমানজনক। চট্টগ্রামসহ দুই তিনটি জায়গায় কোর্টের রায়ের মাধ্যমে বিএনপির একাধিক নেতা মেয়র ও চেয়ারম্যান পদ ফিরে পাওয়ায় এটি তারা উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে। তাদের ভাষ্যমতে- তাদের সঙ্গে যদি আওয়ামী লীগের কোনো সম্পৃক্ততা কিংবা ফ্যাসিস্ট দোসরদের সঙ্গে অভ্যুত্থানের বিপক্ষে অংশগ্রহণের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে তাদের কাউন্সিলর পদ ফিরিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং শাস্তি দেওয়া হোক। কিন্তু যদি এমন কোনো সম্পৃক্ততা না পাওয়া যায় তাহলে তারা যেন কাউন্সিলর পদ ফিরে পায়।

সারজিস আরও লেখেন, সেই জায়গা থেকে তারা একটি মতবিনিময় সভা করতে চায় এবং তাদের কথাগুলো শোনার জন্য বারংবার অনুরোধ জানায়। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের জায়গা থেকে মনে হয়েছে যেহেতু তারা দেশের স্থানীয় পর্যায়ের একটি অংশকে রিপ্রেজেন্ট করে তাই অন্তত তাদের কথাগুলো শোনার মানসিকতা আমাদের থাকা উচিত।

আমাদের জায়গা থেকে ওই সময়ে মনে হয়েছে- দলীয় প্রতীকে নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদ এখনো বিদ্যমান রয়েছে, স্থানীয় প্রশাসন জনপ্রতিনিধির অভাবে কিছুটা স্থবির হয়ে পড়েছে এবং জনগণের পালস বুঝে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় রেসপন্স করতে পারছে না, আমলাদের যাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে তারাও বিগত ১৬ বছরে কোনো না কোনোভাবে আওয়ামী লীগকে সার্ভ করে এসেছে- কেউই ধোয়া তুলসি পাতা না, তদন্ত সাপেক্ষে ফ্যাসিস্টবিরোধী এবং স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য কাউন্সিলরদের যদি তার নির্দিষ্ট অফিসে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয় তাহলে স্থানীয় প্রশাসনে এই স্থবিরতা কিছুটা কমে আসতে পারে।

তিনি আরও লেখেন, সেই জায়গা থেকে আমরা তাদের কথা শোনার জন্য মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করি এবং ওই সময়ের অনুধাবন থেকে আমরা তাদের বিষয়টিকে স্থানীয় সরকার বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কাছে তুলে ধরার মতামত ব্যক্ত করি। কোনো একটি জিনিস সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে তুলে ধরার মানে এই নয় যে সেটি বাস্তবায়ন হবে। তাছাড়া আমরা এটাও মনে করি না যে, আমরা একটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে যা অনুধাবন করবো তার সবই ঠিক। আমাদেরও সীমাবদ্ধতা আছে। কেউ যখন সেটি ধরিয়ে দেয় তখন সেটিকে যৌক্তিক মনে হলে আমরা সেটি সংশোধন করার মানসিকতা রাখি।

সারজিস আলম লেখেন, গতকালকের বক্তব্যে আমাদের দুই একজনের কিছু শব্দ ও বাক্য এমন ছিল যা আমাদের বক্তব্যে আসা উচিত হয়নি। এজন্য আমরা দুঃখিত। কিন্তু অভ্যুত্থানের স্পিরিটের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয় এমন সামান্যতম চিন্তা থেকেও আমরা সেখানে যাইনি। আমাদের মতামত ও কার্যক্রম জনগণ তথা পুরো দেশের সামনে উন্মুক্ত। সমালোচনার দ্বারও উন্মুক্ত। সেই সমালোচনা যৌক্তিক হলে তা থেকে নিজেকে সংশোধন করার মানসিকতাও উন্মুক্ত। দিনশেষে জনগণের মতামতের ভিত্তিতে আগামীর বাংলাদেশের সিদ্ধান্তগুলো প্রতিষ্ঠিত হবে এবং আমরা সেই পথের সারথি হতে বদ্ধপরিকর।

ভূঞাপুরে বালুর ট্রাক আটক করে ওসির বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ
ভূঞাপুরে বালুর ট্রাক আটক করে ওসির বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানার ওসি এ কে এম রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে বালুর ট্রাক আটক করে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘুমের টাকা না পেয়ে উল্টো মামলা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জড়িতদের শাস্তির দাবি করেছেন। ভুক্তভোগী রিপন খন্দকার ঘাটাইল উপজেলার বাসিন্দা।

বিজ্ঞাপন
ট্রাক মালিক রিপন খন্দকার বলেন, গত ৪ অক্টোবর রাতে ভূঞাপুর উপজেলার মাটিকাটা থেকে মোটাবালু কিনে ট্রাকে করে ঘাটাইলের একটি অফিসের ঘর নির্মান কাজের জন্য নিয়ে আসছিলো। পথিমধ্যে ট্রাকটি ভূঞাপুর রেল ক্রসিংয়ের সামনে পৌঁছালে ওসির বহনকারী গাড়ি থেকে একজন নেমে এসে আমার ট্রাক চালককে বলে ওসি সাহের কথা বলবে। পরবর্তীতে ট্রাকটি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় ট্রাক চালক বিষয়টি আমাকে অবগত করলে আমি থানায় গিয়ে ওসির সাথে যোগাযোগ করি।

তিনি আরো বলেন, বৈধভাবে ট্রাকে করে বালু আনার কথা বললে ওসি বলে ‘১০ চাকার গাড়িতে বালু উঠলে সেটি ভিটি বালু, তা আন লিগ্যাল।’ এক পর্যায়ে তিনি আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে করেন। টাকা না দিলে গাড়ি ‘ছাড়বে না’ বলে জানান ওসি। পরে আমরা টাকা না দিয়েই চলে আসি৷ পরবর্তীতে জানতে পারি পরদিন বিকেলে ২৫ হাজার টাকার মামলা দেয়া হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ঘুষের টাকা না দেয়ার কারণে মামলা দেয়া হয়। মামলার ২৫ হাজার টাকা দেয়ার পরে থানা থেকে ট্রাকটি ছেড়ে দেয়৷ আমি এ ঘটনায় বিচারের দাবি করছি৷ দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যবসার সাথে জড়িত আমি।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার ওসি এ কে এম রেজাউল করিম বলেন, রাতেই ওই ট্রাকের মালিক আমার কাছে এসেছিলেন । আমি মালিককে বৈধ কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেছিলাম। পরবর্তীতে তিনি আর কোন কাগজপত্র নিয়ে আসেনি। পরে মামলা দেয়া হয়। তিনি মামলার জরিমানার টাকা নিয়ে ট্রাকটি নিয়ে যায়।

‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’, আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামায়াত আমীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’, আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামায়াত আমীর

‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’- মন্তব্য করে গ্রেপ্তার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে শফিকুর রহমান লেখেন, বিমানবন্দরে যাত্রী সাধারণের দুর্ভোগ-ভোগান্তি, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা, অনিয়ম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আখতারুজ্জামান আওয়াজ তুলেছেন। কার্যত তিনি ভুক্তভোগী যাত্রী সাধারণ, বিশেষ করে বিদেশফেরত প্রবাসীদের প্রতিবাদের কণ্ঠে পরিণত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, তার এই প্রতিবাদকে আমলে নিয়ে দুর্বলতাগুলো সংশোধন করার পরিবর্তে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এমনকি দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে জনসম্মুখে অপমানিত করার নানা হীন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘জনগণ অন্ধ নয়, সবই দেখছে।’ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আখতারুজ্জামান বীরত্বের প্রমাণ দিয়েছেন এবং ভুক্তভোগী মানুষের হৃদয়ের বীরে পরিণত হয়েছেন বলেও দাবি করেন জামায়াতের আমীর।

শেষে আখতারুজ্জামানের জন্য দোয়া করে শফিকুর রহমান লেখেন, ‘আল্লাহ তায়ালা তার সম্মান বৃদ্ধি করুন। আমীন।’

এর আগে গত ১ অক্টোবর বিমানবন্দরে অব্যবস্থাপনা, লাগেজ ট্রলির সংকট, লাগেজ পেতে বিলম্ব এবং জমজমের পানি না আসাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি হুমকি-ধামকির পর্যায়ে পৌঁছায়।

পরে বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হেনস্তার অভিযোগে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

পরদিন শনিবার প্রিজনভ্যানে করে তাকে ঢাকার সিএমএম আদালতে নেওয়ার সময় মাথায় নিরাপত্তা হেলমেট পরানো হয়। আদালতে নেওয়ার সময় হেলমেট পরার প্রতিবাদ করেন আখতারুজ্জামান। পরে তিনি হেলমেট খুলে ফেলে দেন।

প্রিজনভ্যান থেকে নামার সময় তিনি বলেন, ‘আমি হেলমেট পড়বো না। আমাকে অন্যায়ভাবে-অবৈধভাবে হেলমেট পরানো হচ্ছে। আমি আওয়ামী লীগ না। হালের হেলমেট এখন আওয়ামী লীগের ফ্যাশন হয়েছে। আমাকে হাতকড়া পরান।’ এরপর দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য তার হাতে হাতকড়া পরান।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পরই ইরানে মার্কিন সেনা!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পরই ইরানে মার্কিন সেনা!

ইরানের বিপক্ষে বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে নভেম্বর মাসে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে সেনা মোতায়েনের বিষয় বিবেচনা করছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। গালফ নিউজের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট মনে করেন ইরানে সেনা পাঠানোর ক্ষেত্রে তার ‘হারানোর কিছু নেই’। ট্রাম্পের একাধিক হুমকি ও সেনা মোতায়েন নিয়ে অবশ্য তেমন উদ্বিগ্ন নয় ইরান। দেশটির মেহের নিউজের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন হামলার কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

গত শুক্রবার রাতে এক জনসভায় ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধও করে দেয়, তবুও ইরানের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে লেগে যাবে কয়েক বছর। ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমরা আগামীকালই চলে আসতে পারি; কিন্তু তাদের যে ক্ষতি করেছি, তা পুষিয়ে উঠতে তাদের কয়েক বছর সময় লাগবে। কারণ, তারা কোনো সমঝোতায় আসতে চায়নি। তারা তাদের চাল চেলেছিল; তবে তারা অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছিল।’

এরই মধ্যে ইরানের কাছাকাছি মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্র তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টের নেতৃত্বে একটি স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন করছে বলে আলজাজিরাকে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ অষ্টম মাসে গড়িয়েছে এবং উভয় পক্ষ সংঘাতের তীব্রতা বাড়ানো কিংবা কূটনৈতিক আলোচনার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

ইরানে নতুন করে সেনা মোতায়েন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র এক মাস আগে পাঠানো হচ্ছে আরও হাজার হাজার সেনা। দেশটির আশপাশে নতুন করে প্রায় ১০ হাজার সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন। একজন মার্কিন কর্মকর্তা আলজাজিরাকে জানিয়েছেন, ‘ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট’ ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপটি গত রবিবার স্যান ডিয়েগো ঘাঁটি থেকে ওই অঞ্চলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। এর ঠিক এক দিন পর ‘মার্কিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট’ (এমইইউ), যেটিতে ২ হাজারের বেশি মেরিন সেনা রয়েছেন, সেটিও একই পথে যাত্রা করেছে। ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’- এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই স্ট্রাইক গ্রুপ ও নৌবাহিনীর মোতায়েন প্রক্রিয়ায় সব মিলিয়ে যুক্ত হতে পারে অতিরিক্ত ৯-১০ হাজার মার্কিন সেনা। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ ও অন্যান্য জাহাজে নিয়োজিত নাবিক ও মেরিন সেনাও।

জবাব দিতে প্রস্তুত ইরান
যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ‘ট্রিগারে আঙুল রেখে’ হামলার জবাব দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে তারা। মেহের নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র বা আঞ্চলিক হুমকি, আগ্রাসন কিংবা ভুল পদক্ষেপের মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত আইআরজিসি। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা এবং অবস্থান সম্পর্কে আইআরজিসির কাছে বিস্তারিত গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে এবং যেকোনো উসকানির জবাবে তারা “অত্যন্ত কঠোর, তাৎক্ষণিক, বেদনাদায়ক এবং ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ২’-এর চেয়েও অধিক প্রাণঘাতী” পাল্টা ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ২’ ছিল ২০২৪ সালের অক্টোবরে ইসরায়েলের ওপর ইরানের চালানো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। সে সময় তেহরান নিক্ষেপ করেছিল প্রায় ২০০টি ক্ষেপণাস্ত্র। আইআরজিসি স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, নতুন কোনো সংঘাতের ঘটনা ঘটলে তার জবাবে যে পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা ওই হামলার চেয়েও অনেক বড় ও অধিক প্রাণঘাতী হতে পারে।

ভূঞাপুরে বালুর ট্রাক আটক করে ওসির বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ ‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’, আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামায়াত আমীর মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পরই ইরানে মার্কিন সেনা! সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াংসহ চার বারে অভিযান একযোগে ১১ পুলিশ কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি