খুঁজুন
বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১৩ ফাল্গুন, ১৪৩১

‘অযাচিত তর্ক-বিতর্কে দেশের স্বার্থ থেকে যেন দূরে সরে না যাই’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১১:৫২ অপরাহ্ণ
‘অযাচিত তর্ক-বিতর্কে দেশের স্বার্থ থেকে যেন দূরে সরে না যাই’

অযাচিত তর্ক-বিতর্ক করে দেশের স্বার্থ রক্ষা থেকে যেন দূরে সরে না যাই, সেদিকে সতর্ক থাকার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ সোমবার দুপুরে খুলনা মহানগর বিএনপির সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি। খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

তারেক রহমান বলেন, বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে, তর্ক-বিতর্ক হবে এটা রাজনীতির একটি অংশ। তবে, আমাদের খেয়াল করতে হবে তর্ক-বিতর্ক করতে গিয়ে দেশে যাতে এমন পরিস্থিতির উদ্ভব না হয় যাতে করে সেই স্বৈরাচার অথবা যারা বাংলাদেশের ভালো চায় না এমন কেউ সুযোগ পেয়ে না বসে। এ ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। অযাচিত তর্ক-বিতর্ক করে জনগণ এবং দেশের স্বার্থ রক্ষা থেকে যাতে দূরে সরে না যাই সেই বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের সামনে অনেক কাজ আছে।

তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে, বিশেষ করে গণতন্ত্রের স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সবাইকে অব্যাহতভাবে চেষ্টা করতে হবে যাতে বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরে আসে। যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার যাতে প্রতিষ্ঠিত হয়। আমরা যদি বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশ যে খাদের কিনারে চলে গেছে সেখান থেকে উঠিয়ে আনতে সক্ষম হব।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আজ আমরা দলের ভেতরে গণতান্ত্রিক চর্চা করছি। দলকে গণতান্ত্রিকভাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার, কথা বলার অধিকার, রাজনৈতিক অধিকার, অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের হাজারো নেতাকর্মী খুন হয়েছে, গুম হয়েছে, আমাদের লাখ লাখ মানুষ বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছে, বিভিন্ন গায়েবি মামলা, মিথ্যা মামলায় হাজিরা দিতে হয়েছে। কিন্তু এখনো প্রতিনিয়ত আদালতে হাজিরা দিতে হচ্ছে কেন? সেই একটি কারণ দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য। এখন বলতে পারেন দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করলে কী হবে? দলের ভেতরে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করলে দলের ভিত্তি যেমন শক্তিশালী হবে তেমনি দল পরিচালনার দায়িত্ব যখন ধীরে ধীরে সঠিক ব্যক্তিদের কাছে ফিরে যাবে তারা দলকে নেতৃত্ব দিলে দল সুন্দরভাবে এগিয়ে যেতে পারবে। ঠিক একইভাবে দেশের ভেতরে যদি আমরা গণতান্ত্রিক চর্চা করি, ভোটের চর্চা করি তাহলে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জনগণের কথা বলবে, দেশের সমস্যার কথা বলবে।

তিনি আরও বলেন, অতীতে কি হয়েছে আমরা দেখেছি, কীভাবে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংস হয়েছে। কীভাবে মানুষের ওপর অত্যাচার, নির্যাতন হয়েছে। আমাদের বহু সহকর্মীকে আমরা হারিয়েছি। বিশেষ করে জুলাই-আগস্ট মাসে আমরা দেখেছি কীভাবে নিরীহ সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার, নির্যাতন হয়েছে। কীভাবে ১৪০০ মানুষ শহীদ হয়েছেন আজকের এই মুক্ত পরিবেশ উপহার দেওয়ার জন্য। কিন্তু আমাদেরকে থেমে থাকলে চলবে না, সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

আরও দুই উপদেষ্টার পদত্যাগ চাইলেন ছাত্রদল সেক্রেটারি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৯:৫৬ অপরাহ্ণ
আরও দুই উপদেষ্টার পদত্যাগ চাইলেন ছাত্রদল সেক্রেটারি

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের পদত্যাগ নিয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সেক্রেটারি নাসির উদ্দিন ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। স্ট্যাটাসে তিনি নাহিদ ইসলামের নতুন পথচলায় তাকে অভিনন্দন জানান। সেই সঙ্গে আরও দুই ছাত্র প্রতিনিধির পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

বিএনপির নেতৃত্বে ২২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ১০ দিনের সফরে চীন গেছেন। ওই দলে ছাত্রদলের সেক্রেটারি নাসির উদ্দিনও রয়েছেন। সেখান থেকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ স্ট্যাটাস দেন।

তিনি নাহিদের উদ্দেশ্যে লিখেন, জনাব নাহিদ ইসলাম সরকার থেকে পদত্যাগ করে নতুন দলের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। নতুন পথচলায় তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আশা করি তার নেতৃত্বে যে রাজনৈতিক দল গঠিত হবে তারা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর অটল থাকবে।

নাসির উদ্দিন লেখেন, নতুন রাজনৈতিক দলের প্রতি আমাদের আহ্বান থাকবে তারা যাতে ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক চেতনা, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী গোষ্ঠীগুলোর অপতৎপরতা এবং গোপন তৎপরতার রাজনীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকে।

তিনি আরও লেখেন, নাহিদ ইসলাম সরকার থেকে পদত্যাগ করার অব্যবহিত পরেই দলের দায়িত্ব নেওয়ার ঘটনায় এটা সুস্পষ্ট যে, দল গঠনের জন্য বিগত দিনগুলোতে যে প্রক্রিয়া চলেছে, নাহিদ ইসলাম সরকারে থেকেও সেই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। দল গঠন প্রক্রিয়ার কিছু না জেনেই হঠাৎ করে দলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিবেন, এমন যুক্তি অবিশ্বাস্য।

ছাত্রদলের সেক্রেটারি বলেন, নাহিদ ইসলাম পদত্যাগ করলেও সরকার নিরপেক্ষ থাকবে না। আসিফ মাহমুদ এবং মাহফুজ আলম ডিফ্যাক্টো নতুন দলের নেতা। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে তারা নতুন দলের হয়েই করবেন। বাস্তবতাকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। জনগণের চোখে ধুলো দেওয়া অসম্ভব। সরকারকে নিরপেক্ষ করতে হলে সব ছাত্র-প্রতিনিধিকে সরকার থেকে পদত্যাগ করতে হবে। সরকারের সঙ্গে বিশেষ সখ্য পরিহার করতে হবে।

প্রসঙ্গত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করতে যাচ্ছে। এই দলের নেতৃত্ব দেবেন নাহিদ ইসলাম। সে কারণে তিনি উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি নতুন এ রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে।

নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে বিক্ষোভ–হাতাহাতি

মহানগর প্রতিনিধি, ঢাকা
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে বিক্ষোভ–হাতাহাতি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়কদের উদ্যোগে গঠিত নতুন ছাত্র সংগঠনের নাম দেওয়া হয়েছে ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’। নতুন এই ছাত্রসংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক হয়েছেন আবু বাকের মজুমদার। আর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন জাহিদ আহসান।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে সংবাদ সম্মেলন করে এই সংগঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই ঘোষণা ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি স্লোগান ও মারামারিতে মিশু আলি (২৪) ও আকিব আল হাসান (২৩) নামে দুই সমন্বয়ক আহত হয়েছেন।

সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছে।

এর আগে বিকেল ৩টায় মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশের ঘোষণা ছিল। এ উপলক্ষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়কেরা বিকেলে সেখানে এসে জড়ো হন। অপরদিকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটিতে নিজেদের পর্যাপ্ত সংখ্যক পদ দাবি করে বিক্ষোভ করেন।

মধুর ক্যান্টিনের সামনে দুই পক্ষের অবস্থানের মধ্যে বিকেল চারটার পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর এক পর্যায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা মধুর ক্যান্টিনে এসে নতুন ছাত্র সংগঠনের নাম ও দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নাম ঘোষণা করেন। এরপর তারা মিছিল নিয়ে মল চত্বরের দিকে এগিয়ে যান। সেখানে পদবঞ্চিত দাবি করে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের দ্বিতীয় দফায় হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

নতুন ছাত্র সংগঠনের উদ্যোক্তারা বলেছেন, মূলত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক রিফাত রশিদের শীর্ষ পদে আসা নিয়ে বিভক্তির সূত্রপাত। রিফাত রশিদ শীর্ষ চার পদের একটিতে আসতে চাইলেও নারী সদস্যদের বিরোধিতার কারণে তাকে শীর্ষ পদ দেওয়া হয়নি। ফলে রিফাত রশিদের অনুসারী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও উত্তরার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ দেখান।

বিক্ষোভকারীদের মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা মহানগরের যুগ্ম আহ্বায়ক পরিচয় দিয়ে ঢাকা কলজের উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী নাহিদ হক বলেন, আমি রিফাত রশিদ ভাইয়ের জন্য এসেছি। যখন ৬ সমন্বয়ক ডিবি হেফাজতে তখন কোটি টাকার প্রলোভনের মুখেও তিনি আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন। এখন রিফাত রশিদকে মাইনাস করা হচ্ছে। আমরা এর প্রতিবাদ জানাই।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম থেকে বেরিয়ে একদল শিক্ষার্থী গত ১৭ ফেব্রুয়ারি স্বতন্ত্র নতুন দল গড়ার ঘোষণা দেন। ওই দিন এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে এই ঘোষণা দিয়েছিলেন আব্দুল কাদের এবং আবু বাকের মজুমদার। তারা বলেছিলেন, নতুন সংগঠন শুধু শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করবে, তাদের কার্যক্রম শিক্ষাঙ্গনে সীমাবদ্ধ থাকবে। পাশাপাশি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে না যাওয়া ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে সংবাদ সম্মেলেন।

নতুন ছাত্রসংগঠন ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়কের দায়িত্ব পাওয়া আবু বাকের মজুমদার ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সম্মুখসারির অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন তিনি। গণঅভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর কার্যক্রম স্থগিত হওয়া ছাত্রসংগঠন ‘গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি’র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যসচিব ছিলেন আবু বাকের মজুমদার।

এই সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্যসচিবের দায়িত্ব পাওয়া জাহিদ আহসানও সাবেক সমন্বয়ক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় দপ্তর সেলের সম্পাদক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। জাহিদ একসময় ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দপ্তর সম্পাদক ছিলেন।

নতুন ছাত্রসংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক করা হয়েছে তাহমিদ আল মুদাসসির চৌধুরীকে। আর মুখপাত্রের দায়িত্ব পেয়েছেন আশরেফা খাতুন। তারা দুজনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। এছাড়া তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়ামকে সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং রিফাত রশীদকে সিনিয়র সদস্যসচিব করা হয়েছে।

সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক করা হয়েছে সাবেক সমন্বয়ক আবদুল কাদেরকে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। কাদেরের সঙ্গে সদস্যসচিব হিসেবে আছেন মাহির আলম। কাদের ও মাহির দুজনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। কাদের আগে ছাত্রশক্তির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আর মাহির ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কোনো পদে ছিলেন না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার মুখ্য সংগঠক হয়েছেন হাসিব আল ইসলাম আর মুখপাত্র হয়েছেন রাফিয়া রেহনুমা হৃদি। দুজনই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক এই দুই সমন্বয়ক গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তিরও নেতা ছিলেন।

এছাড়া লিমন মাহমুদ হাসানকে সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং আল আমিন সরকারকে সিনিয়র সদস্য সচিব করা হয়েছে।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হলেন মাহফুজ আলম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হলেন মাহফুজ আলম

অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার পদ থেকে মো. নাহিদ ইসলামের পদত্যাগের পর তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে মো. মাহফুজ আলমকে, যিনি এতদিন সরকারের দপ্তরবিহীন উপদেষ্টা ছিলেন।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে মাহফুজ আলমের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন নাহিদ ইসলাম। তিনি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে।

নাহিদ ইসলামের পদত্যাগের পর এই দুই মন্ত্রণালয়, বিশেষ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে আসছেন, তা নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। মাহফুজ আলম এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে জোর গুঞ্জন ছিল।

মাহফুজ আলম গত বছরের ১০ নভেম্বর উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। তবে তিনি কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন না। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের ২০ দিনের মাথায় ২৮ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে স্নাতক করেছেন তিনি।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্ল্যাটফর্মের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন মাহফুজ আলম। আন্দোলনে তিনি রাজনৈতিক-বুদ্ধিবৃত্তিক সহযোগীর দায়িত্বে ছিলেন। গণ–অভ্যুত্থানের পরে ছাত্র, নাগরিক ও অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষার জন্য গঠিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়ক ছিলেন তিনি।