খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ২০ চৈত্র, ১৪৩১

কয়রায় ঘুগরাকাটি ফাজিল মাদরাসায় সিরাতুন্নবী (সাঃ) উদযাপন

মোঃ রেজাউল ইসলাম, পাইকগাছা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ
কয়রায় ঘুগরাকাটি ফাজিল মাদরাসায় সিরাতুন্নবী (সাঃ) উদযাপন

খুলনা জেলার কয়রায় ঘুগরাকাটি ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসায় সিরাতুন্নবী (সাঃ) উদযাপন এবং আলিম প্রথম বর্ষের নবীন বরণ ও সবক অনুষ্ঠান-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টায় (১৮ই সেপ্টেম্বর) দক্ষিণ খুলনার ঐতিহ্যবাহী কয়রা উপজেলার বারবার নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঘুগরাকাটি ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার নিজস্ব অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী (সাঃ) উদযাপন উপলক্ষে কুইজ প্রতিযোগিতা, রচনা প্রতিযোগিতা, উপস্থিত বক্তৃতা, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে  রজনীগন্ধার স্টিকার ও লাল গোলাপ ফুল দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এছাড়াও রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয় । 

উক্ত অনুষ্ঠানে খুলনা জেলা নায়েবে আমির ও অত্র মাদরাসার স্বপ্নদ্রষ্টা উপাধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ গোলাম সরোয়ার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে  উপস্থিত ছিলেন অত্র মাদরাসার গভর্নিং বডির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা ওসমান গনি। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গভর্নিং বডির বিদ্যুৎসাহী সদস্য আলহাজ্ব নুরুল হক, গভর্নিং বডির অন্যতম সদস্য মাওলানা আব্দুস সালাম, খুলনা দক্ষিণ জেলা ইসলামী ছাত্রশিবির সভাপতি মোঃ আবুজার গিফারি। 

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী অধ্যাপক ইয়াছিন আরাফাত, সহকারী অধ্যাপক ও এমফিল গবেষণা মাওলানা আশরাফুল আলম, সহকারি অধ্যাপক  ইংরেজি ও  অনুষ্ঠান সঞ্চালক মোঃ শরিফুল আলম, সরকারী অধ্যাপক শ্যামনগরী মুফতি মোঃ আফতাবুজ্জামান, সিনিয়র মৌলভী মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম, ইসলামী বক্তা ফরিদপুরী প্রভাষক মাওলানা নুর আলম,  মাওলানা মোঃ গোলাম মোর্তজা,  প্রভাষক মোহাঃ দুরুল হোদা, প্রভাষক মাওলানা মিনারুল ইসলাম, প্রভাষক বাংলা অনুপম মন্ডল,  সিনিয়র সরকারি শিক্ষক খানজাহান আলী, সহকারী শিক্ষক মোঃ  হাবিবুর রহমান, সহকারী শিক্ষক   মোঃ আজিজুল ইসলাম, আইসিটি সহকারী শিক্ষক  আখতারুজ্জামান, সহকারী শিক্ষক মোঃ আকাশ মিয়া, মোঃ শাহিনুর ইসলাম, মোঃ মাহমুদুর রহমান, ইসলামী ধর্মীয় নেতা মাওলানা সাইফুল ইসলাম, মাওলানা ইউনুস আলী, এবতেদায়ী প্রধান মাওলানা জি এম জায়েদ আলী,  মাওলানা মোঃ ওয়ালীউল্লাহ, কারী মোঃ আলী হোসেন, প্রভাষক মাওলানা আব্দুল্লাহ, মৌলভী মোঃ মুজাইদুল ইসলাম ও অত্র মাদরাসার কর্মচারীবৃন্দ। 

অনুষ্ঠানে সভাপতি বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা ও আধুনিক  বিজ্ঞানের জ্ঞান সম্পর্কে ধারণা রাখা খুবই প্রয়োজন, গবেষণা করে মানুষ  কোরআন থেকে জ্ঞান আহরণ করে মানুষ চাঁদ, নক্ষত্র, নতুন নতুন গ্রহ, উপগ্রহ আবিষ্কার করছে। আগামীতে উদ্ভাবনের এই ধারা আরো বেশি সম্ভাবনাময়। প্রধান অতিথি  ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বলেন, প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে  ভালভাবে পড়ালেখা করে ভালো ফলাফলের পাশাপাশি একজন  ভালো মানুষ হতে হবে।

অন্যান্য অতিথিরা বলেন, অযথা সময় নষ্ট না করে যে যত পড়াশোনায় মনোযোগী হবে, সে তত বেশি সফলতার নাগাল পাবে। বর্তমান ধর্ম  উপদেষ্টা বলেন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদেরকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখতে হবে। এজন্য তোমাদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। নেপোলিয়ান বলেছেন, তোমরা আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাদেরকে একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দেব। তাই আমাদের ছেলেমেয়েদেরকে ইসলামী শিক্ষায় সুশিক্ষিত হয়ে প্রকৃত জ্ঞানের বাণী সমাজে প্রচার করে সমাজ তথা দেশ থেকে সন্রাস, চাঁদাবাজ,  জঙ্গিবাদ ও মাদকের ভয়াল থাবা থেকে যুবসমাজ তথা দেশকে বাঁচাতে হবে ।

দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হলে সরকার হার্ডলাইনে যাবে : তথ্য উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২ এপ্রিল, ২০২৫, ২:০১ অপরাহ্ণ
দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হলে সরকার হার্ডলাইনে যাবে : তথ্য উপদেষ্টা

তিশীল করার চেষ্টা হলে সরকার হার্ডলাইনে যাবে।

গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মাসুম মিয়ার কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার উত্তর রামপুর গ্রামে কবর জিয়ারত ও পরিবারের সাথে সাক্ষাত শেষে সাংবাদিকদের তিনি আজ এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বাংলাদেশে চরমপন্থার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ সুযোগ কাউকে নিতে দেওয়া হবে না। আমরা চেষ্টা করব বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উগ্রপন্থা যেন মাথাচাড়া দিতে না পারে। নির্বাচনের মাধ্যমে যেন গণতান্ত্রিক রূপান্তরের ভূমিকা রাখতে পারি। যদি আলোচনা সতর্কতায় কাজ না হয়, যদি দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হয়, সরকার অবশ্যই হার্ডলাইনে যাবে।

মাহফুজ আরো বলেন, শহীদের চেতনা যেন বাংলাদেশের জনগণ ধারণ করে। আমরা চেষ্টা করবো যাতে গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের খুনিদের বিচার কাজ শেষ করে যেতে পারি।

শহীদদের আকাঙ্খার বাংলাদেশ বিনির্মাণে এই সরকারের চেষ্টা আছে। জনগণ এটার সাথে আছে। আমরা বিশ্বাস করি এই চেতনার সাথে রাজনৈতিক দলের সদিচ্ছা প্রকাশ করলে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গঠন করবো।

গণমাধ্যমের সংস্কার প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, যতদিন আছি আমরা চাইবো গণমাধ্যমের একটি গুণগত সংস্কারের জন্য। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের পর্যালোচনা ও প্রস্তাবনায় মফস্বল ও কেন্দ্র নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা আছে।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান, বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া খানম, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কুমিল্লা মহানগরের আহবায়ক আবু রায়হান ও সদস্য সচিব রাশেদুল হাসানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

৪০ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব, হামাসকে যে শর্ত দিল ইসরাইল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
৪০ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব, হামাসকে যে শর্ত দিল ইসরাইল

৫০ দিনের নয়, দখলদার ইসরাইল গাজায় ৪০ দিনের যুদ্ধবিরতির একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে। যার মাধ্যমে ১১ জন জীবিত ইসরাইলি বন্দিকে মুক্ত করার পাশাপাশি ১৬টি মরদেহও ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করছে নেতানিয়াহুর সরকার।

Advertisement

বিপরীতে ইসরাইলের কারাগার থেকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি দেওয়া হবে।

সোমবার ইসরাইলি প্রভাবশালী দৈনিক হারেৎজ এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের কাছে এই প্রস্তাব পাঠিয়েছে।

প্রস্তাবের প্রধান শর্তগুলো হলো:

৪০ দিনের যুদ্ধবিরতি;
হামাসের কাছ থেকে ১১ জন জীবিত বন্দির মুক্তি ও ১৬টি মরদেহ ফেরত;
ইসরাইলের কারাগার থেকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি;
যুদ্ধবিরতির ৫ম দিনে হামাসের কাছে বাকি বন্দিদের তথ্য চাওয়া;
১০ম দিনে ১৬ জনের মরদেহ হস্তান্তরের অনুরোধ।
পক্ষগুলোর প্রতিক্রিয়া

যদিও এই প্রতিবেদনের বিষয়ে ইসরাইল, হামাস বা মধ্যস্থতাকারীদের কেউই এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

বর্তমান পরিস্থিতি

নেতানিয়াহুর সরকার মনে করে যে, গাজায় হামাসের হাতে এখনো ৫৯ জন ইসরাইলি বন্দি রয়েছে। যাদের মধ্যে অন্তত ২৪ জন জীবিত।

অন্যদিকে, ইসরাইলি কারাগারে ৯,৫০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছেন। যাদের ওপর চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন, নির্যাতন ও চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ রয়েছে।

ইসরাইল চলতি বছরের জানুয়ারিতে হওয়া একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে গাজায় গত ১৮ মার্চ থেকে নতুন বিমান হামলা চালিয়েছে। গত ১৫ দিন ধরে অব্যাহতভাবে চালানো এই হামলায় ১,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ২,৫০০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছে।

এ নিয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলের হামলায় সবমিলিয়ে ৬৩,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

আইসিসি (International Criminal Court) গত বছর ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা চলমান।সূত্র: আনাদোলু

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটি ‘উদ্বেগজনক ও বিভ্রান্তিকর’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটি ‘উদ্বেগজনক ও বিভ্রান্তিকর’

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, বাংলাদেশে ইসলামিস্টদের উত্থান নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটি উদ্বেগজনক এবং বিভ্রান্তিকর।

মঙ্গলবার সিএ প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিউইয়র্ক টাইমসের নিবন্ধটি ইঙ্গিত দেয় যে বাংলাদেশে ধর্মীয় চরমপন্থা উত্থানের দ্বারপ্রান্তে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি বাংলাদেশের ভুল চিত্র তুলে ধরেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভ্রান্তিকর এ চিত্রায়ন কেবল দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিশীলতাকে অতি সরলীকৃত করে না বরং ১৮ কোটি মানুষের একটি সমগ্র জাতিকে অন্যায়ভাবে কলঙ্কিত করার ঝুঁকিও তৈরি করে।

নিউইয়র্ক টাইমস প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ যখন নিজেকে পুনরুজ্জীবিত করছে, তখন কট্টরপন্থি ইসলামিস্টরা একটি সুযোগ দেখতে পাচ্ছে। তবে এ বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করে প্রেস উইং বলছে, নিউইয়র্ক টাইমসের নিবন্ধটি বাংলাদেশ সম্পর্কে একটি উদ্বেগজনক এবং একপেশে দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছে।

সিএ প্রেস উইংয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকাশ করার জন্য সুনির্দিষ্টভাবে উসকানিমূলক নিবন্ধের ওপর নির্ভর করার পরিবর্তে বাংলাদেশের অগ্রগতিকে স্বীকৃতি দেওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বছর ধরে বাংলাদেশ যে অগ্রগতি করেছে সেটাকে এবং পরিস্থিতির জটিলতাকে স্বীকার করা উচিত।

আরও বলছে, যদিও নিবন্ধটি ধর্মীয় উত্তেজনা এবং রক্ষণশীল আন্দোলনের কিছু ঘটনা তুলে ধরেছে, তবে এটি অগ্রগতির বৃহত্তর প্রেক্ষাপটকে উপেক্ষা করেছে। বাংলাদেশ নারীদের অবস্থার উন্নতিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাদের সুরক্ষা এবং কল্যাণের জন্য বিশেষভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এটি এমন একটি সরকার যা নারীর অধিকার এবং সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। অথচ নিবন্ধে এর উলটোটা বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের মতো একটি দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ধর্মীয় সহিংসতার মধ্যে পার্থক্য করা গুরুত্বপূর্ণ। শেখ হাসিনার বিদায়ের পর এবং তার পর থেকে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘটিত অনেক সংঘর্ষকে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হিসেবে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যদিও বাস্তবে এসব ঘটনা ঘটেছিল রাজনৈতিক কারণে। রাজনৈতিক দলগুলি প্রায়শই সমর্থন জোগাড় করার জন্য ধর্মকে ব্যবহার করে। যা বিষয়টিকে জটিল করে তোলে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতাকে ধর্মীয় নিপীড়নের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে। সুতরাং পুরো পরিস্থিতিকে সাম্প্রদায়িক সংঘাত হিসেবে উপস্থাপন করা বিভ্রান্তিকর। এটি প্রকৃত রাজনৈতিক এবং আর্থ-সামাজিক বিষয়গুলিকে উপেক্ষা করে।

প্রেস উইং জানিয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সমস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে রক্ষা করার জন্য তার প্রতিশ্রুতি স্পষ্ট করেছে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সন্ত্রাসবাদ দমন প্রচেষ্টার সাথে তার চলমান কাজ এই প্রতিশ্রুতিকে আরও জোরদার করে। সামাজিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে চরমপন্থা মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টা ভুল তথ্যের বিস্তারের দ্বারা ম্লান হওয়া উচিত নয়।