খুঁজুন
রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ২৭ বৈশাখ, ১৪৩৩

আছরের নামাজ আদায়কারীর পুরস্কার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৪:১৭ অপরাহ্ণ
আছরের নামাজ আদায়কারীর পুরস্কার

মুমিনদের ওপর দিনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ। কোনো ওয়াক্তই না পড়া বা কাজা করার সুযোগ নেই। তবে আছরের নামাজের আলাদা গুরুত্বের কথা বর্ণিত হয়েছে কোরআন ও হাদিসে। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেছেন, ‘তোমরা সব নামাজ এবং মধ্যবর্তী নামাজের প্রতি যত্নবান হও।’ (সুরা বাকারা: ২৩৮)

এখানে মধ্যবর্তী নামাজ বলতে আছরের নামাজকেই বোঝানো হয়েছে। কারণ এই নামাজের আগেও দুই ওয়াক্ত নামাজ রয়েছে, পরেও দুই ওয়াক্ত নামাজ রয়েছে। মুফাসসিরিনে কেরাম বলেন, আছর নামাজ বেশি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার অন্যতম কারণ হলো- সাধারণত এ সময় মানুষ কাজকর্মে ব্যস্ত থাকে। ফলে নামাজ আদায়ে গাফিলতি হওয়ার যথেষ্ট আশঙ্কা থাকে। কিন্তু এই সময়টা আল্লাহ তাআলার কাছে দামী। আল্লাহ তাআলা কোরআন মাজিদে কিছু জিনিসের কসম করেছেন, সেখানে আছরের কসমও রয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আছরের কসম’ (সুরা আছর: ১)

বিজ্ঞাপন

উল্লিখিত দুটি আয়াত থেকে বোঝা যায়, আল্লাহ তাআলার কাছে আছরের নামাজ কত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া আরেক আয়াতে তিনি বলেছেন, ‘আপনার রবের প্রশংসা করুন সূর্যোদয়ের আগে এবং সূর্যাস্তের আগে।’ (সুরা ত্ব-হা: ১৩০) এই আয়াতে সূর্যোদয়ের আগে মানে ফজর এবং সূর্যাস্তের আগে মানে আছর, এই দুই নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।

আরও পড়ুন: জীবনে অনেক নামাজ কাজা হয়েছে, করণীয় কী

এছাড়া হাদিসে এই নামাজের বহু ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ফেরেশতারা পালাবদল করে তোমাদের মধ্যে আগমন করেন। একদল দিনে, একদল রাতে। আছর ও ফজরের নামাজে উভয় দল একত্র হয়। তারপর তোমাদের মধ্যে রাত যাপনকারী দলটি যখন উঠে যায়, তাদের প্রতিপালক তাদের জিজ্ঞাসা করেন, আমার বান্দাদের কোন অবস্থায় দেখে এলে? অবশ্য তিনি নিজেই বান্দাদের ব্যাপারে সর্বাধিক জ্ঞাত। জবাবে ফেরেশতারা বলেন, আমরা তাদের নামাজরত দেখে এসেছি। আমরা যখন গিয়েছিলাম তখনও তারা নামাজরত ছিল। (সহিহ মুসলিম: ৬৩২)

সুতরাং যে ব্যক্তি নিয়মিত ফজর ও আছরের নামাজ জামাতে আদায় করেন, ফেরেশতারা আল্লাহ তাআলার কাছে তার ব্যাপারে প্রতিদিন বলছেন- আমরা যখন পৃথিবীতে গিয়েছি, তাকে নামাজরত দেখেছি। যখন পৃথিবী থেকে এসেছি, তখনও তাকে নামাজরত দেখেছি।

আরেক হাদিসে এসেছে, জাবির বিন আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, আমরা একবার নবীজির কাছে বসা ছিলাম। হঠাৎ তিনি পূর্ণিমার চাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেন, অচিরেই তোমরা তোমাদের রবকে দেখতে পাবে, যেভাবে চাঁদ দেখতে পাচ্ছো। আল্লাহকে দেখতে কোনো ধরনের ভিড়ের সম্মুখীন হবে না। যদি এ নিয়ামত লাভ করতে চাও, তাহলে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের আগের (ফজর ও আছর) নামাজের প্রতি যত্নবান হও। (সহিহ বুখারি: ৪৮৫১)

পূর্ববর্তী উম্মতদের ওপরও এই নামাজ ফরজ ছিল। আবু বাসরা গিফারি (রা.) বলেন, (একবার) রাসুলুল্লাহ (স.) ‘মুখাম্মাস’ নামক স্থানে আমাদের নিয়ে আছরের নামাজ আদায় করলেন। (এবং) বলেন, এই নামাজ তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতগণের কাছে পেশ করা হয়েছিল। কিন্তু তারা এর মর্যাদা রক্ষা করেনি। যে ব্যক্তি ওই নামাজ যথাযথ আদায় করবে, সে দ্বিগুণ সওয়াব পাবে। তার (আছর) পর শাহিদ উদয়ের পূর্ব পর্যন্ত আর কোনো সালাত নেই। শাহিদ (অর্থ) তারকারাজি। (নাসায়ি: ৫২১)

অবশ্য আছরের নামাজের ব্যাপারে শুধু ফজিলতই নয়, হাদিসে ধমকিও এসেছে। নবীজি (স.)বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আছরের নামাজ ছেড়ে দিল, তার আমল নষ্ট হয়ে গেল।’ (সহিহ বুখারি: ৫৫৩) আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (স.) বলেছেন, যদি কোনো ব্যক্তির আছরের নামাজ ছুটে যায়, তাহলে যেন তার পরিবার-পরিজন ও মাল-সম্পদ সব কিছুই ধ্বংস হয়ে গেল। (বুখারি: ৫৫২)

আল্লাহ তাআলা আমাদের আছরের নামাজসহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের ব্যাপারে যত্নবান হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

আপিল বিভাগে আইভীর জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ২:৪০ অপরাহ্ণ
আপিল বিভাগে আইভীর জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই

হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা ১০ মামলায় নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার মুক্তিতে আপাতত কোনও বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন খারিজ করে রবিবার (১০ মে) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

আদালতে আইভীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. মোতাহার হোসেন সাজু।

এর আগে ২০২৫ সালের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকার চুনকা কুটির থেকে সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরবর্তীতে হাইকোর্ট পাঁচ মামলায় তাকে জামিন দেন।

তবে আপিল বিভাগে সেই জামিন স্থগিত হয়ে যায়। এর মধ্যে গত ১৮ নভেম্বর আরও পাঁচ মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২৬ ফেব্রুয়ারি তাকে জামিন দেন।

হামে মৃত্যু: ইউনূস ও নূরজাহানসহ জড়িতদের শাস্তির দাবি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
হামে মৃত্যু: ইউনূস ও নূরজাহানসহ জড়িতদের শাস্তির দাবি

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে অস্বাভাবিক মৃত্যুতে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেছেন, ইউনূস সরকারের গাফিলতিতে এ ঘটনা ঘটছে।

হামে তিনশতাধিক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর কারণে শনিবার (৯ মে) রাজধানীর পুরান পল্টন মোড়ে ইউনূস সরকার ও নূরজাহান বেগমসহ জড়িতদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে তিনি এ কথা বলেন।

রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, বাংলাদেশ অনেক দিন ধরে বিশ্বের মধ্যে নানা বিষয় শিশুদের টিকাদান কর্মসূচিতে দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী হয়েছে। আজ ইউনূস সরকারের অবহেলায় শিশুগুলোর মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। অথচ সরকার রহস্যজনক কারণে দোষীদের বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে। এজন্য তিনি ইউনূস সরকার ও নূরজাহান বেগমসহ জড়িত সংশ্লিষ্টদের বিচার দাবি করেন।

এই নেতা বলেন, জাতীয় সংসদে সরকারি ও বিরোধী দল মিলিয়ে অনেক অপ্রয়োজনীয় হাস্যরসের কথা বলে সময় নষ্ট করলেও এ ধরনের জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পর্যাপ্ত আলোচনা হলো না।

তিনি বলেন, হামে আক্রান্ত হওয়ার পর পর্যাপ্ত আইসিইউ সাপোর্ট না দেওয়ার কারণে অনেক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পরপর সরকার আইসিইউ সাপোর্ট দেওয়ার জন্য পরিকল্পিত উদ্যোগ নিলে অনেক শিশুর মৃত্যু এড়ানো যেত।

রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, দেশে বেকারত্ব ও দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। চিকিৎসা নিতে জায়গা জমি বেচার কারণে প্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়ে যাচ্ছে।

সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত সরকারি হাসপাতাল গড়ে তোলার জন্য তিনি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যব্যবস্থা বেসরকারিকরণের নামে অপ্রয়োজনীয় ডায়গনস্টিক সেন্টার ও মানহীন হাসপাতাল গড়ে উঠেছে। এগুলো দেখার কেউ নেই। তিনি চিকিৎসার নামে ব্যবসা কঠোরভাবে নিষিদ্ধের দাবি জানান।

সংগঠনের পল্টন শাখার সম্পাদক রফিজুল ইসলাম রফিকের সভাপতিত্বে ও সহসম্পাদক রবিউল ইসলাম রবির সঞ্চলনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- সিপিবি ঢাকা মহানগরের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ত্রিদিব সাহা, সিপিবি পল্টন থানার সভাপতি মুর্শিকুল ইসলাম শিমুল, বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার হায়াত প্রমুখ।

বাংলাদেশ কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হবে না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হবে না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

বাংলাদেশ বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান, ভারসাম্য ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ভিত্তিতে সরকার এমন একটি পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করবে, যা হবে বহুমাত্রিক, নমনীয় এবং কোনো নির্দিষ্ট দেশকেন্দ্রিক নয়।

শনিবার (৯ মে) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ (বিআইপিএসএস) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট: এ ফরেন পলিসি আউটলুক ফর এ নিউ বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং একক শক্তির আধিপত্যের যুগ শেষের পথে। এই নতুন বাস্তবতায় বাংলাদেশকে কৌশলগতভাবে নমনীয় ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান নিতে হবে। বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক রাখবে, তবে কোনো দেশের ওপর এককভাবে নির্ভরশীল হবে না। জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখে স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণই হবে সরকারের মূল লক্ষ্য।

অর্থনৈতিক কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি জানান, রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে। বাংলাদেশকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের মধ্যে একটি অর্থনৈতিক সেতুবন্ধন হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশ কোনো নির্দিষ্ট পক্ষ না নিয়ে বাণিজ্য, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নের উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে।

অভ্যন্তরীণ রাজনীতির বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, একটি দেশের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে তার সুশাসন ও গণতন্ত্রের ওপর। বাংলাদেশ আর কখনো স্বৈরাচার ও দুঃশাসনের অন্ধকার সময়ে ফিরে যাবে না। সরকার দেশে জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অনুষ্ঠানে বিআইপিএসএস প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল (অব.) আ ন ম মুনিরুজ্জামান বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের এই সময়ে অর্থনৈতিক কূটনীতি ও বড় শক্তিগুলোর সঙ্গে কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। এছাড়া রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক সামুদ্রিক নিরাপত্তায় সরকারকে আরও উদ্ভাবনী কৌশল গ্রহণের পরামর্শ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিআইপিএসএসের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো শাফকাত মুনিরের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে আলোচনা সমাপ্ত হয়। এতে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপিল বিভাগে আইভীর জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই হামে মৃত্যু: ইউনূস ও নূরজাহানসহ জড়িতদের শাস্তির দাবি বাংলাদেশ কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হবে না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জনগণ এমন রাষ্ট্র চায়, যেখানে অবিচার অনাচার থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী শিশুকে যৌন নিপীড়ন, শ্রীলঙ্কার শীর্ষ বৌদ্ধ ভিক্ষু গ্রেফতার