খুঁজুন
রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ২৭ বৈশাখ, ১৪৩৩

বিতর্কিত খতিবকে নিয়ে সমালোচনা

বায়তুল মোকাররমের অপসারিত খতিব রুহুল আমিনের বিচার দাবি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৮:৪১ অপরাহ্ণ
বায়তুল মোকাররমের অপসারিত খতিব রুহুল আমিনের বিচার দাবি

নানা বিতর্কের পর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মো. রুহুল আমিনকে তার পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। তবে শুধু অপসারণ নয়, তাকে গ্রেফতার করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নেটিজেনরা।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারত চলে যান। এরপর রাজনীতিবিদদের মতো আত্মগোপনে চলে যায় দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অনেক মানুষ। যাদের একজন ছিলেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের বিতর্কিত খতিব মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন। গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি আর মসজিদে নামাজ পড়াতে আসেননি। এরপর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে নতুন খতিব হিসেবে নিয়োগ পান হাফেজ মাওলানা ড. মুফতি ওয়ালিয়ুর রহমান খান আজহারী।

দেড় মাস আত্মগোপনে থাকার পর গত শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) তার অনুসারীদের নিয়ে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে আসেন মুফতি রুহুল আমিন। এ সময় জোরপূর্বক জুমা নামাজ পড়াতে গেলে মুসল্লিদের বাধার মুখে পড়েন তিনি। এ সময় রুহুল আমিনের অনুসারীদের সঙ্গে সাধারণ মুসল্লিদের সংঘর্ষ হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। মসজিদের কয়েকটি দরজা ভাঙচুর করা হয়। একপর্যায়ে দলবল নিয়ে পালিয়ে যান স্বৈরশাসক শেখ হাসিনাকে কওমি জননী স্বীকৃতিদাতা মুফতি রুহুল আমিন।

মসজিদের মতো পবিত্র জায়গায় আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আমলে নিয়োগ পাওয়া রুহুল আমিনের এমন কাণ্ডে সারা দেশে ব্যাপক সমালোচনা হয়। এরই ধারবাহিকতায় রোববার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিবের পদ থেকে তাকে অপসারণ করে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

এদিকে রুহুল আমিনকে অপসারণের খবরে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই সন্তোষ প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। অনেকেই ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তবে শুধু অপসারণে খুশি নন নেটিজেনবাসী। তাকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন তারা।

রফিকুল আনসারি লিখেছেন, শুধু অপসারণ করলেই হবে না, এই ন্যক্কারজনক কাজের জন্য উনাকে বিচারের আওতায় আনা হোক।

ফখরুল ইসলাম নামে একজন লিখেছেন, মসজিদে সন্ত্রাসীদের মতো আচরণ করার জন্য দ্রুত রুহুল আমিনকে গ্রেফতার করুন।

রতন ভুঁইয়া লিখেছেন, আওয়ামী লীগের আমলে এর চাইতে ভণ্ড হুজুর ছাড়া আর কিছু আশা করা যায় না।

মহিবুল্লাহ নামে একজন লিখেছেন, অপসারণের সিদ্ধান্ত অনেকে দেরিতে হলো। তবে শুধু অপসারণ যথেষ্ট নয়। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী গং কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের দালাল এই ইমামকে আল্লাহর ঘর মসজিদে ফ্যাসাদ সৃষ্টির দায়ে তাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মুখোমুখি করা সমীচীন হয়।

রাইসা লিখেছেন, শুধু অপসারণ করলে হবে না, গ্রেফতার করতে হবে। এই লোকের শাস্তি দাবি করছি। আওয়ামী লীগের এই দালালকে গ্রেফতার দেখতে চাই।

এমএইচ হোসাইন লিখেছেন, শুধু অপসারণ করলেই হবে না, আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করেন।

কেএম বনি আমিন খান লিখেছেন, তাকে দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করা হোক।

আব্দুল্লাহ আল মামুন লিখেছেন, আরও আগেই অপসারণ করা উচিত ছিল তাকে, আইনের আওতায় আনা হোক। উনার কারণে পবিত্র মসজিদের ভেতর গণ্ডগোল লেগেছে।

নিজাম নামে একজন লিখেছেন, বায়তুল মোকাররমে হামলাকারী সন্ত্রাসী রুহুল আমিনের বিচার জরুরি।

সানোয়ার হোসাইন পাঠান লিখেছেন, চাটুকার, দালালের বিদায় হলো।

মুফতি রুহুল আমিনকে তার মাদ্রাসার পদ থেকেও অপসারণের দাবি জানিয়েছেন ইয়াকুব আলী জহির নামে এক ব্যক্তি।

খান সাহেব লিখেছেন, শুধু অপসারণ করলে হবে না, সে জাতীয় মসজিদে হামলার করেছে, তাকে গ্রেফতার করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচারের সম্মুখীন করা উচিত।

আল্লাহর ঘর মসজিদকে অপবিত্র করার অপরাধে তার বিচার হওয়া উচিৎ বলে মনে করেন মোস্তফা জামান নামের আরেক নেটিজেন।

আব্দুল মুয়িদ নামে একজন বলেছেন, এসব আলেমকে এখন সমাজের অধিকাংশ মানুষ জালেম মনে করে। কারণ, এরা স্বৈরাচারের সুবিধাভোগী ও দোসর। এসব আলেম নামধারী জালেমদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

নিরব মনসুর লিখেছেন, এই বাটপারকে আরও আগেই অপসারণ করা দরকার ছিল এবং তার শাস্তি দাবি করছি।

মো. সরোয়ার উদ্দিন বলেছেন, জাতীয় মসজিদকে কলঙ্ক করেছে। এদের বিচার না হলে মুসলিম জাতির লজ্জা ছাড়া আর কিছু নাই।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের মার্চে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব হিসেবে নিয়োগ পার মুফতি রুহুল আমিন। তার বাড়ি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গওহরডাঙ্গা গ্রামে। তিনি গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসার মুহতামিম (প্রিন্সিপাল)।

আপিল বিভাগে আইভীর জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ২:৪০ অপরাহ্ণ
আপিল বিভাগে আইভীর জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই

হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা ১০ মামলায় নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার মুক্তিতে আপাতত কোনও বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন খারিজ করে রবিবার (১০ মে) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

আদালতে আইভীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. মোতাহার হোসেন সাজু।

এর আগে ২০২৫ সালের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকার চুনকা কুটির থেকে সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরবর্তীতে হাইকোর্ট পাঁচ মামলায় তাকে জামিন দেন।

তবে আপিল বিভাগে সেই জামিন স্থগিত হয়ে যায়। এর মধ্যে গত ১৮ নভেম্বর আরও পাঁচ মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২৬ ফেব্রুয়ারি তাকে জামিন দেন।

হামে মৃত্যু: ইউনূস ও নূরজাহানসহ জড়িতদের শাস্তির দাবি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
হামে মৃত্যু: ইউনূস ও নূরজাহানসহ জড়িতদের শাস্তির দাবি

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে অস্বাভাবিক মৃত্যুতে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেছেন, ইউনূস সরকারের গাফিলতিতে এ ঘটনা ঘটছে।

হামে তিনশতাধিক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর কারণে শনিবার (৯ মে) রাজধানীর পুরান পল্টন মোড়ে ইউনূস সরকার ও নূরজাহান বেগমসহ জড়িতদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে তিনি এ কথা বলেন।

রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, বাংলাদেশ অনেক দিন ধরে বিশ্বের মধ্যে নানা বিষয় শিশুদের টিকাদান কর্মসূচিতে দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী হয়েছে। আজ ইউনূস সরকারের অবহেলায় শিশুগুলোর মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। অথচ সরকার রহস্যজনক কারণে দোষীদের বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে। এজন্য তিনি ইউনূস সরকার ও নূরজাহান বেগমসহ জড়িত সংশ্লিষ্টদের বিচার দাবি করেন।

এই নেতা বলেন, জাতীয় সংসদে সরকারি ও বিরোধী দল মিলিয়ে অনেক অপ্রয়োজনীয় হাস্যরসের কথা বলে সময় নষ্ট করলেও এ ধরনের জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পর্যাপ্ত আলোচনা হলো না।

তিনি বলেন, হামে আক্রান্ত হওয়ার পর পর্যাপ্ত আইসিইউ সাপোর্ট না দেওয়ার কারণে অনেক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পরপর সরকার আইসিইউ সাপোর্ট দেওয়ার জন্য পরিকল্পিত উদ্যোগ নিলে অনেক শিশুর মৃত্যু এড়ানো যেত।

রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, দেশে বেকারত্ব ও দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। চিকিৎসা নিতে জায়গা জমি বেচার কারণে প্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়ে যাচ্ছে।

সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত সরকারি হাসপাতাল গড়ে তোলার জন্য তিনি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যব্যবস্থা বেসরকারিকরণের নামে অপ্রয়োজনীয় ডায়গনস্টিক সেন্টার ও মানহীন হাসপাতাল গড়ে উঠেছে। এগুলো দেখার কেউ নেই। তিনি চিকিৎসার নামে ব্যবসা কঠোরভাবে নিষিদ্ধের দাবি জানান।

সংগঠনের পল্টন শাখার সম্পাদক রফিজুল ইসলাম রফিকের সভাপতিত্বে ও সহসম্পাদক রবিউল ইসলাম রবির সঞ্চলনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- সিপিবি ঢাকা মহানগরের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ত্রিদিব সাহা, সিপিবি পল্টন থানার সভাপতি মুর্শিকুল ইসলাম শিমুল, বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার হায়াত প্রমুখ।

বাংলাদেশ কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হবে না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হবে না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

বাংলাদেশ বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান, ভারসাম্য ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ভিত্তিতে সরকার এমন একটি পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করবে, যা হবে বহুমাত্রিক, নমনীয় এবং কোনো নির্দিষ্ট দেশকেন্দ্রিক নয়।

শনিবার (৯ মে) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ (বিআইপিএসএস) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট: এ ফরেন পলিসি আউটলুক ফর এ নিউ বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং একক শক্তির আধিপত্যের যুগ শেষের পথে। এই নতুন বাস্তবতায় বাংলাদেশকে কৌশলগতভাবে নমনীয় ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান নিতে হবে। বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক রাখবে, তবে কোনো দেশের ওপর এককভাবে নির্ভরশীল হবে না। জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখে স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণই হবে সরকারের মূল লক্ষ্য।

অর্থনৈতিক কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি জানান, রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে। বাংলাদেশকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের মধ্যে একটি অর্থনৈতিক সেতুবন্ধন হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশ কোনো নির্দিষ্ট পক্ষ না নিয়ে বাণিজ্য, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নের উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে।

অভ্যন্তরীণ রাজনীতির বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, একটি দেশের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে তার সুশাসন ও গণতন্ত্রের ওপর। বাংলাদেশ আর কখনো স্বৈরাচার ও দুঃশাসনের অন্ধকার সময়ে ফিরে যাবে না। সরকার দেশে জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অনুষ্ঠানে বিআইপিএসএস প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল (অব.) আ ন ম মুনিরুজ্জামান বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের এই সময়ে অর্থনৈতিক কূটনীতি ও বড় শক্তিগুলোর সঙ্গে কৌশলগত ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। এছাড়া রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক সামুদ্রিক নিরাপত্তায় সরকারকে আরও উদ্ভাবনী কৌশল গ্রহণের পরামর্শ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিআইপিএসএসের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো শাফকাত মুনিরের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে আলোচনা সমাপ্ত হয়। এতে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপিল বিভাগে আইভীর জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই হামে মৃত্যু: ইউনূস ও নূরজাহানসহ জড়িতদের শাস্তির দাবি বাংলাদেশ কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হবে না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জনগণ এমন রাষ্ট্র চায়, যেখানে অবিচার অনাচার থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী শিশুকে যৌন নিপীড়ন, শ্রীলঙ্কার শীর্ষ বৌদ্ধ ভিক্ষু গ্রেফতার