খুঁজুন

গ্রিসে বাসায় নামাজের জামাত আয়োজনের অভিযোগে বাংলাদেশির রেসিডেন্স পারমিট বাতিল

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ণ
গ্রিসে বাসায় নামাজের জামাত আয়োজনের অভিযোগে বাংলাদেশির রেসিডেন্স পারমিট বাতিল

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে বাসায় অনুমোদনহীনভাবে নামাজের জামাত আয়োজনের অভিযোগে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর রেসিডেন্স পারমিট বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ডিপোর্টেশন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় দেশটিতে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

গ্রিসের অভিবাসন ও আশ্রয়ণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সম্প্রতি প্রণীত কঠোর আইনের একটি বিশেষ ধারা প্রয়োগ করে ওই বাংলাদেশির বসবাসের অনুমতি বাতিল করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি অবৈধ উপাসনালয় পরিচালনার বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ। যদিও সরকার বিষয়টিকে বিল্ডিং কোড ও জননিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের সঙ্গে যুক্ত করছে, মানবাধিকার সংগঠন ও প্রবাসী কমিউনিটির একাংশ একে ধর্মীয় চর্চার ওপর অতিরিক্ত দমনমূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।

নিরাপত্তাজনিত কারণে ভুক্তভোগীর প্রকৃত নাম প্রকাশ করা হয়নি; প্রতিবেদনে তাকে ‘মোহাম্মদ হাসান’ (ছদ্মনাম) হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। ৩৪ বছর বয়সী এই বাংলাদেশি নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে বৈধ ভাবে এথেন্সে বসবাস ও কাজ করে আসছিলেন। স্থানীয় প্রবাসী কমিউনিটির সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কোনও ধর্মীয় নেতা নন, বরং কমিউনিটির একজন সাধারণ ও সম্মানিত সদস্য।

জানা গেছে, এথেন্সের অ্যাজিওস নিকোলাওস এলাকায় ভাড়া করা একটি বেসমেন্ট ফ্ল্যাটে তিনি পরিচিত কয়েকজন বাংলাদেশির সঙ্গে নামাজ আদায় করতেন। বিশেষ করে জুমার নামাজে সেখানে একত্রিত হতেন প্রবাসীরা। ইউরোপের অনেক শহরের মতোই, নিজস্ব মসজিদ স্বল্পতার কারণে প্রবাসীদের মধ্যে এ ধরনের ঘরোয়া নামাজের আয়োজন নতুন কিছু নয়।

তবে স্থানীয় এক বাসিন্দার অভিযোগের পর অ্যাজিওস পান্তেলিমনাস থানার পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানে ওই স্থানটিকে অনুমোদনহীন উপাসনালয় হিসেবে চিহ্নিত করে সিলগালা করা হয়। পরবর্তীতে অনুমতি ছাড়া নামাজ পরিচালনার অভিযোগে হাসানকে আদালতে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন গ্রিসের অভিবাসন ও আশ্রয়ণ বিষয়ক মন্ত্রী থানোস প্লেভরিস সদ্য পাস হওয়া ‘ল ৫২২৪/২০২৫’ এর ২৮ নম্বর অনুচ্ছেদ প্রয়োগের নির্দেশ দেন। এই আইনে অবৈধ উপাসনালয় পরিচালনার অভিযোগে সরাসরি রেসিডেন্স পারমিট বাতিলের বিধান রাখা হয়েছে। এর আওতায় হাসানের বিরুদ্ধে জারি করা ডিপোর্টেশন আদেশে তাকে স্বেচ্ছায় দেশত্যাগের সুযোগও দেওয়া হয়নি। যা সাধারণত গুরুতর অপরাধীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার অংশ। কর্তৃপক্ষের দাবি, এথেন্সজুড়ে বহু অনুমোদনহীন নামাজঘর রয়েছে, যেগুলোর বেশিরভাগই বায়ু চলাচলহীন বেসমেন্টে অবস্থিত এবং অগ্নিনিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাদের মতে, দীর্ঘ আলোচনার পর ভোটানিকস এলাকায় চালু হওয়া সরকারি মসজিদই মুসলিমদের নামাজের জন্য অনুমোদিত একমাত্র স্থান।

অন্যদিকে, মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই অবস্থানকে বৈষম্যমূলক ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে আখ্যা দিয়েছে। হেলেনিক লিগ ফর হিউম্যান রাইটস-এর এক প্রতিনিধি বলেছেন, এটি অপরাধ দমনের চেয়ে বরং দারিদ্র্য ও ধর্মীয় বিশ্বাসকে অপরাধে পরিণত করার শামিল। কেবল নামাজের জায়গা দেওয়ার কারণে কাউকে দেশ থেকে বহিষ্কার করা ধর্মীয় স্বাধীনতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

সংগঠনগুলোর দাবি, এথেন্সের বিশাল আয়তনের তুলনায় একটিমাত্র সরকারি মসজিদ সব মুসলমানের জন্য সহজলভ্য নয়। বিশেষ করে স্বল্প আয়ের শ্রমজীবী প্রবাসীদের পক্ষে প্রতিদিন বা জুমার দিনে শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাতায়াত করে নামাজ আদায় করা বাস্তবসম্মত নয়।

এই ঘটনায় গ্রিসে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, ঘরোয়া পরিবেশে একসঙ্গে নামাজ আদায় করলেও তারা আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন।

হাসানের আইনজীবীরা ডিপোর্টেশন আদেশের বিরুদ্ধে জরুরি আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাদের যুক্তি, একটি প্রশাসনিক নিয়মভঙ্গের শাস্তি হিসেবে দেশান্তর সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অনুপাতহীন। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মামলার রায় গ্রিসে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অভিবাসন নীতির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

বর্তমানে হাসানের ভবিষ্যৎ আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তবে ব্যক্তিগত ধর্মীয় অনুশীলনের অভিযোগে একজন বৈধ অভিবাসীকে দেশত্যাগে বাধ্য করার এই ঘটনা গ্রিসের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও অভিবাসীদের প্রতি রাষ্ট্রীয় আচরণ নিয়ে গভীর প্রশ্ন তুলেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন।

‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’, আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামায়াত আমীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’, আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামায়াত আমীর

‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’- মন্তব্য করে গ্রেপ্তার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে শফিকুর রহমান লেখেন, বিমানবন্দরে যাত্রী সাধারণের দুর্ভোগ-ভোগান্তি, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা, অনিয়ম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আখতারুজ্জামান আওয়াজ তুলেছেন। কার্যত তিনি ভুক্তভোগী যাত্রী সাধারণ, বিশেষ করে বিদেশফেরত প্রবাসীদের প্রতিবাদের কণ্ঠে পরিণত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, তার এই প্রতিবাদকে আমলে নিয়ে দুর্বলতাগুলো সংশোধন করার পরিবর্তে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এমনকি দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে জনসম্মুখে অপমানিত করার নানা হীন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘জনগণ অন্ধ নয়, সবই দেখছে।’ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আখতারুজ্জামান বীরত্বের প্রমাণ দিয়েছেন এবং ভুক্তভোগী মানুষের হৃদয়ের বীরে পরিণত হয়েছেন বলেও দাবি করেন জামায়াতের আমীর।

শেষে আখতারুজ্জামানের জন্য দোয়া করে শফিকুর রহমান লেখেন, ‘আল্লাহ তায়ালা তার সম্মান বৃদ্ধি করুন। আমীন।’

এর আগে গত ১ অক্টোবর বিমানবন্দরে অব্যবস্থাপনা, লাগেজ ট্রলির সংকট, লাগেজ পেতে বিলম্ব এবং জমজমের পানি না আসাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি হুমকি-ধামকির পর্যায়ে পৌঁছায়।

পরে বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হেনস্তার অভিযোগে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

পরদিন শনিবার প্রিজনভ্যানে করে তাকে ঢাকার সিএমএম আদালতে নেওয়ার সময় মাথায় নিরাপত্তা হেলমেট পরানো হয়। আদালতে নেওয়ার সময় হেলমেট পরার প্রতিবাদ করেন আখতারুজ্জামান। পরে তিনি হেলমেট খুলে ফেলে দেন।

প্রিজনভ্যান থেকে নামার সময় তিনি বলেন, ‘আমি হেলমেট পড়বো না। আমাকে অন্যায়ভাবে-অবৈধভাবে হেলমেট পরানো হচ্ছে। আমি আওয়ামী লীগ না। হালের হেলমেট এখন আওয়ামী লীগের ফ্যাশন হয়েছে। আমাকে হাতকড়া পরান।’ এরপর দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য তার হাতে হাতকড়া পরান।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পরই ইরানে মার্কিন সেনা!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পরই ইরানে মার্কিন সেনা!

ইরানের বিপক্ষে বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে নভেম্বর মাসে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে সেনা মোতায়েনের বিষয় বিবেচনা করছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। গালফ নিউজের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট মনে করেন ইরানে সেনা পাঠানোর ক্ষেত্রে তার ‘হারানোর কিছু নেই’। ট্রাম্পের একাধিক হুমকি ও সেনা মোতায়েন নিয়ে অবশ্য তেমন উদ্বিগ্ন নয় ইরান। দেশটির মেহের নিউজের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন হামলার কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

গত শুক্রবার রাতে এক জনসভায় ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধও করে দেয়, তবুও ইরানের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে লেগে যাবে কয়েক বছর। ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমরা আগামীকালই চলে আসতে পারি; কিন্তু তাদের যে ক্ষতি করেছি, তা পুষিয়ে উঠতে তাদের কয়েক বছর সময় লাগবে। কারণ, তারা কোনো সমঝোতায় আসতে চায়নি। তারা তাদের চাল চেলেছিল; তবে তারা অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছিল।’

এরই মধ্যে ইরানের কাছাকাছি মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্র তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টের নেতৃত্বে একটি স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন করছে বলে আলজাজিরাকে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ অষ্টম মাসে গড়িয়েছে এবং উভয় পক্ষ সংঘাতের তীব্রতা বাড়ানো কিংবা কূটনৈতিক আলোচনার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

ইরানে নতুন করে সেনা মোতায়েন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র এক মাস আগে পাঠানো হচ্ছে আরও হাজার হাজার সেনা। দেশটির আশপাশে নতুন করে প্রায় ১০ হাজার সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন। একজন মার্কিন কর্মকর্তা আলজাজিরাকে জানিয়েছেন, ‘ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট’ ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপটি গত রবিবার স্যান ডিয়েগো ঘাঁটি থেকে ওই অঞ্চলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। এর ঠিক এক দিন পর ‘মার্কিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট’ (এমইইউ), যেটিতে ২ হাজারের বেশি মেরিন সেনা রয়েছেন, সেটিও একই পথে যাত্রা করেছে। ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’- এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই স্ট্রাইক গ্রুপ ও নৌবাহিনীর মোতায়েন প্রক্রিয়ায় সব মিলিয়ে যুক্ত হতে পারে অতিরিক্ত ৯-১০ হাজার মার্কিন সেনা। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ ও অন্যান্য জাহাজে নিয়োজিত নাবিক ও মেরিন সেনাও।

জবাব দিতে প্রস্তুত ইরান
যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ‘ট্রিগারে আঙুল রেখে’ হামলার জবাব দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে তারা। মেহের নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র বা আঞ্চলিক হুমকি, আগ্রাসন কিংবা ভুল পদক্ষেপের মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত আইআরজিসি। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা এবং অবস্থান সম্পর্কে আইআরজিসির কাছে বিস্তারিত গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে এবং যেকোনো উসকানির জবাবে তারা “অত্যন্ত কঠোর, তাৎক্ষণিক, বেদনাদায়ক এবং ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ২’-এর চেয়েও অধিক প্রাণঘাতী” পাল্টা ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ২’ ছিল ২০২৪ সালের অক্টোবরে ইসরায়েলের ওপর ইরানের চালানো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। সে সময় তেহরান নিক্ষেপ করেছিল প্রায় ২০০টি ক্ষেপণাস্ত্র। আইআরজিসি স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, নতুন কোনো সংঘাতের ঘটনা ঘটলে তার জবাবে যে পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা ওই হামলার চেয়েও অনেক বড় ও অধিক প্রাণঘাতী হতে পারে।

সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াংসহ চার বারে অভিযান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫৬ অপরাহ্ণ
সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াংসহ চার বারে অভিযান

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের মালিকানাধীন ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডসহ রাজধানীর চারটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কয়েকটি সংস্থা।

শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে গুলশানের র-ক্যানভাস রেস্তোরাঁ, হাবিব হোটেল ইন্টারন্যাশনাল, মার্গারিটা লাউঞ্জ ও ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডে অভিযান শুরু হয়।

অভিযানের কারণ

শনিবার সন্ধ্যায় এনবিআরের বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনার কথা জানায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।

সিআইআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকার কিছু বার, রেস্তোরাঁ, ডিপ্লোম্যাটিক বন্ডেড ওয়্যারহাউজ ও ডিউটি ফ্রি শপে অবৈধ উৎস থেকে অ্যালকোহল বা অ্যালকোহলজাত পণ্য সংগ্রহ, শুল্ক-মূসক ও আয়কর ফাঁকি এবং অননুমোদিত গ্রাহকের কাছে এসব পণ্য সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ অনুসন্ধানে সিআইআইডি চারটি দল গঠন করে।

অভিযানে এসব দলের সঙ্গে এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল, মূসক নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এবং ঢাকা উত্তর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কর্মকর্তারা অংশ নিচ্ছেন।

এনবিআর সূত্রের দাবি, ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের মালিক শেখ নুরুল ইসলাম। তবে ফু-ওয়াং কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে শেখ নুর ইসলাম বা তাঁর পরিবারের কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই।

অভিযান শেষে প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য ও সার্বিক ফলাফল জানাতে শনিবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করবে এনবিআর। রাত সাড়ে ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিচতলায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার শুল্কমুক্ত মদ মজুদের অভিযোগে সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নুরুল ইসলামের চারটি গুদাম সিলগালা করা হয়।

‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’, আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামায়াত আমীর মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পরই ইরানে মার্কিন সেনা! সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াংসহ চার বারে অভিযান একযোগে ১১ পুলিশ কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি 'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু