খুঁজুন
শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১৮ বৈশাখ, ১৪৩৩

গ্রিসে বাসায় নামাজের জামাত আয়োজনের অভিযোগে বাংলাদেশির রেসিডেন্স পারমিট বাতিল

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ণ
গ্রিসে বাসায় নামাজের জামাত আয়োজনের অভিযোগে বাংলাদেশির রেসিডেন্স পারমিট বাতিল

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে বাসায় অনুমোদনহীনভাবে নামাজের জামাত আয়োজনের অভিযোগে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর রেসিডেন্স পারমিট বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ডিপোর্টেশন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় দেশটিতে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

গ্রিসের অভিবাসন ও আশ্রয়ণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সম্প্রতি প্রণীত কঠোর আইনের একটি বিশেষ ধারা প্রয়োগ করে ওই বাংলাদেশির বসবাসের অনুমতি বাতিল করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি অবৈধ উপাসনালয় পরিচালনার বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ। যদিও সরকার বিষয়টিকে বিল্ডিং কোড ও জননিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের সঙ্গে যুক্ত করছে, মানবাধিকার সংগঠন ও প্রবাসী কমিউনিটির একাংশ একে ধর্মীয় চর্চার ওপর অতিরিক্ত দমনমূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।

নিরাপত্তাজনিত কারণে ভুক্তভোগীর প্রকৃত নাম প্রকাশ করা হয়নি; প্রতিবেদনে তাকে ‘মোহাম্মদ হাসান’ (ছদ্মনাম) হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। ৩৪ বছর বয়সী এই বাংলাদেশি নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে বৈধ ভাবে এথেন্সে বসবাস ও কাজ করে আসছিলেন। স্থানীয় প্রবাসী কমিউনিটির সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কোনও ধর্মীয় নেতা নন, বরং কমিউনিটির একজন সাধারণ ও সম্মানিত সদস্য।

জানা গেছে, এথেন্সের অ্যাজিওস নিকোলাওস এলাকায় ভাড়া করা একটি বেসমেন্ট ফ্ল্যাটে তিনি পরিচিত কয়েকজন বাংলাদেশির সঙ্গে নামাজ আদায় করতেন। বিশেষ করে জুমার নামাজে সেখানে একত্রিত হতেন প্রবাসীরা। ইউরোপের অনেক শহরের মতোই, নিজস্ব মসজিদ স্বল্পতার কারণে প্রবাসীদের মধ্যে এ ধরনের ঘরোয়া নামাজের আয়োজন নতুন কিছু নয়।

তবে স্থানীয় এক বাসিন্দার অভিযোগের পর অ্যাজিওস পান্তেলিমনাস থানার পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানে ওই স্থানটিকে অনুমোদনহীন উপাসনালয় হিসেবে চিহ্নিত করে সিলগালা করা হয়। পরবর্তীতে অনুমতি ছাড়া নামাজ পরিচালনার অভিযোগে হাসানকে আদালতে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন গ্রিসের অভিবাসন ও আশ্রয়ণ বিষয়ক মন্ত্রী থানোস প্লেভরিস সদ্য পাস হওয়া ‘ল ৫২২৪/২০২৫’ এর ২৮ নম্বর অনুচ্ছেদ প্রয়োগের নির্দেশ দেন। এই আইনে অবৈধ উপাসনালয় পরিচালনার অভিযোগে সরাসরি রেসিডেন্স পারমিট বাতিলের বিধান রাখা হয়েছে। এর আওতায় হাসানের বিরুদ্ধে জারি করা ডিপোর্টেশন আদেশে তাকে স্বেচ্ছায় দেশত্যাগের সুযোগও দেওয়া হয়নি। যা সাধারণত গুরুতর অপরাধীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার অংশ। কর্তৃপক্ষের দাবি, এথেন্সজুড়ে বহু অনুমোদনহীন নামাজঘর রয়েছে, যেগুলোর বেশিরভাগই বায়ু চলাচলহীন বেসমেন্টে অবস্থিত এবং অগ্নিনিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাদের মতে, দীর্ঘ আলোচনার পর ভোটানিকস এলাকায় চালু হওয়া সরকারি মসজিদই মুসলিমদের নামাজের জন্য অনুমোদিত একমাত্র স্থান।

অন্যদিকে, মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই অবস্থানকে বৈষম্যমূলক ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে আখ্যা দিয়েছে। হেলেনিক লিগ ফর হিউম্যান রাইটস-এর এক প্রতিনিধি বলেছেন, এটি অপরাধ দমনের চেয়ে বরং দারিদ্র্য ও ধর্মীয় বিশ্বাসকে অপরাধে পরিণত করার শামিল। কেবল নামাজের জায়গা দেওয়ার কারণে কাউকে দেশ থেকে বহিষ্কার করা ধর্মীয় স্বাধীনতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

সংগঠনগুলোর দাবি, এথেন্সের বিশাল আয়তনের তুলনায় একটিমাত্র সরকারি মসজিদ সব মুসলমানের জন্য সহজলভ্য নয়। বিশেষ করে স্বল্প আয়ের শ্রমজীবী প্রবাসীদের পক্ষে প্রতিদিন বা জুমার দিনে শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাতায়াত করে নামাজ আদায় করা বাস্তবসম্মত নয়।

এই ঘটনায় গ্রিসে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, ঘরোয়া পরিবেশে একসঙ্গে নামাজ আদায় করলেও তারা আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন।

হাসানের আইনজীবীরা ডিপোর্টেশন আদেশের বিরুদ্ধে জরুরি আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাদের যুক্তি, একটি প্রশাসনিক নিয়মভঙ্গের শাস্তি হিসেবে দেশান্তর সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অনুপাতহীন। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মামলার রায় গ্রিসে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অভিবাসন নীতির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

বর্তমানে হাসানের ভবিষ্যৎ আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তবে ব্যক্তিগত ধর্মীয় অনুশীলনের অভিযোগে একজন বৈধ অভিবাসীকে দেশত্যাগে বাধ্য করার এই ঘটনা গ্রিসের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও অভিবাসীদের প্রতি রাষ্ট্রীয় আচরণ নিয়ে গভীর প্রশ্ন তুলেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন।

‎‎ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে আটক একাধিক, রিমান্ড মঞ্জুর

নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তদন্ত অগ্রগতি

‎জুলকার নাইন, স্টাফ রিপোর্টার:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তদন্ত অগ্রগতি

নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলায় একই পরিবারের দুই শিশু সহ চারজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় এলাকায় চরম চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পরপরই জেলা পুলিশের ডিবি ইউনিট ও থানা পুলিশ যৌথভাবে বিশেষ অভিযান শুরু করে এবং তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করে।

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার খবর পেয়ে সকালে ডিবি নওগাঁর একটি বিশেষ টিম দ্রুত ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। দুর্গম পথ, বিল ও কাঁচা রাস্তা অতিক্রম করে টিমটি ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে।

‎ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ একই পরিবারের দুই শিশু সহ চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে এবং জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

‎পারিবারিক বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার ইঙ্গিত:

‎প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধসহ পারিবারিক অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে ঘটনার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচনা করছে। এ ঘটনায় একাধিক ব্যক্তিকে সন্দেহের তালিকায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

‎অভিযান ও প্রযুক্তিগত তদন্ত:

‎ডিবি পুলিশের টিম প্রযুক্তিগত সহায়তা, স্থানীয় তথ্য এবং জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ক্লু সংগ্রহ করে। এর ভিত্তিতে একাধিক সন্দেহভাজনকে আটক করা হয় এবং আলাদা আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

‎পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকা থেকে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ অব্যাহত রয়েছে।

‎আদালতে রিমান্ড ও জিজ্ঞাসাবাদ: ‎

আটককৃতদের আদালতে হাজির করা হলে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। আদালতে একজন আসামি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি দিতে চাইলে রাষ্ট্রপক্ষ ও প্রতিরক্ষা পক্ষের মধ্যে যুক্তিতর্ক হয়।

‎পরবর্তীতে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করে তদন্তকারী সংস্থাকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন।

‎পুলিশের মন্তব্য: ‎

ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জটিল হত্যাকাণ্ড। প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ ও মাঠপর্যায়ের তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

‎মানবিক দিক:

‎ঘটনাস্থলে শিশুদের মরদেহ উদ্ধারের সময় পুলিশ ও স্থানীয়রা গভীরভাবে মর্মাহত হন। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এই ধরনের নৃশংস ঘটনা তাদের দায়িত্ব পালনে গভীর প্রভাব ফেলেছে।

‎নওগাঁ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, খুব শিগগিরই ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

‎প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনসাধারণকে গুজবে কান না দিয়ে তদন্ত কাজে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণে জামায়াতের মেয়রপ্রার্থী সাদিক কায়েম

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
ঢাকা দক্ষিণে জামায়াতের মেয়রপ্রার্থী সাদিক কায়েম

ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বর্তমান সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েমকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) কাউন্সিল হলে আয়োজিত এ দায়িত্বশীল সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

ঘোষণার সময় সাদিক কায়েম নিজেও সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। জামায়াতের একাধিক নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সম্মেলনে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বক্তব্য রাখেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতার ঘোষণা দেবে।

এদিকে জামায়াতের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষ্যে সাদিক কায়েম ইতোমধ্যে তার জাতীয় পরিচয়পত্র খাগড়াছড়ি থেকে স্থানান্তর করে ঢাকার ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। যদিও তিনি এখনো প্রকাশ্যে বড় কোনো নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেননি, তবে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের জন্যই আমাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং এক-দুই দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে।

রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি রেমিট্যান্স প্রবাহের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। পরবর্তী সময় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাকে সমুন্নত রেখে শ্রমিক সমাজের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও শ্রমিকদের কল্যাণে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে সবার নব প্রভাত’–এই প্রতিপাদ্য নিয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।

দেশের শিল্পায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র দুই মাসের মধ্যেই বন্ধ কলকারখানা, চিনিকল ও রেশম কারখানা চালুর কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ছয়টি বন্ধ পাটকল পুনরায় চালু করা হবে।’

অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শ্রমিকদের কল্যাণে ঘোষিত কর্মপরিকল্পনাগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করছে।’

শ্রমিকদের দেশের উন্নয়নের ‘মূল কারিগর’ হিসেবে অভিহিত করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘তাদের নিরলস পরিশ্রমই দেশের অর্থনীতি ও সভ্যতাকে বেগবান করছে।’

শ্রমিকদের অধিকার আরও সুসংহত করতে সরকারের নেয়া আইনি পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘দায়িত্ব নেয়ার পরপরই ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ পাস করা হয়েছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক শ্রমমান বজায় রাখতে বাংলাদেশ এরইমধ্যে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর ৩৯টি কনভেনশন ও একটি প্রোটোকলে অনুস্বাক্ষর করেছে।’
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই বর্তমান সরকার শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে কাজ করছে।’

শ্রমিক ও মালিকের মধ্যে সুসম্পর্কের ওপর জোর দিয়ে রাষ্ট্রপতি সতর্ক করে বলেন, কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় শ্রম অসন্তোষের মতো ঘটনায় শ্রমিকদের জড়িয়ে পড়া উচিত নয়। দেশের টেকসই শিল্পোন্নয়নের স্বার্থে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে মিরপুরের রূপনগরে কেমিক্যাল গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৩ জন শ্রমিকের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তদন্ত অগ্রগতি ঢাকা দক্ষিণে জামায়াতের মেয়রপ্রার্থী সাদিক কায়েম রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি মহান মে দিবস আজ ব্যারাক থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ কলাবাগান থানার এসআই রাকিবুল