খুঁজুন
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৮ মাঘ, ১৪৩২

‘এমন ব্যবস্থা করতে চাই জাতি যেনো চিরদিন মনে রাখে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৪, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ
‘এমন ব্যবস্থা করতে চাই জাতি যেনো চিরদিন মনে রাখে’

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান বদিউল আলম মুজমদার বলেছেন, নির্বাচন ব্যবস্থা একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়ে আগামীতে একটি সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা করা আমাদের দায়িত্ব। অতীতের কথা বাদ দিয়ে এমন একটা ব্যবস্থা করে যেতে চাই জাতি যেনো চিরদিন মনে রাখে।

বুধবার (৯ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনে ইসি সচিবের সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় নির্বাচন কমিশন সচিব শফিউল আজিমসহ সংস্কার কমিশনের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচনসংক্রান্ত আইনকানুন, বিধিবিধান সবকিছু আমরা পর্যালোচনা করব, যাতে সুষ্ঠু নির্বাচনের সহায়ক হয়। আমরা চাই, নতুন করে শুরু করতে। এখানকার যারা কর্মকর্তা-কর্মচারী আছেন, তাদেরও আমি বলেছি, অতীতে যা ঘটেছে, তা অতীত। আমরা একটা নতুন সম্পর্ক, সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তুলব, যাতে আমরা সবাই মিলে একটা নির্বাচনের পথ প্রশস্ত করতে পারি, যা নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারব। একইসঙ্গে জাতি চিরদিন মনে রাখবে। আমরা আমাদের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করার চেষ্টা করব, যাতে ভবিষ্যতে যারাই এখানে আসুক, তাদের সেভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। মূলত বাংলাদেশের মালিক এ দেশের নাগরিক। ফলে, দেশের সব মানুষের দায়বদ্ধতা তাদের কাছে। বিভিন্ন কারণে অতীতে হয়ে ওঠেনি। ভবিষ্যতে যাতে ভালোকিছু হয়, সে ব্যাপারে আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করব।

কোনো সংলাপ করার চিন্তা আছে কি না, এমন প্রশ্নে সংস্কার কমিশনের প্রধান বলেন, আমরা রাজনৈতিক দলের মতামত নেব, তাদের প্রস্তাব নেব। বিভিন্ন পদ্ধতিতে আমরা সবার সুপারিশ নেওয়ার চেষ্টা করব। রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে আমরা কীভাবে মতামত নেব, তা আলাপ-আলোচনা করে ঠিক করব।

তিনি বলেন, আমরা যেটা করব… নির্বাচনের সঙ্গে সংবিধান যুক্ত আছে, অনেকগুলো আইন যুক্ত আছে, বিধিবিধান যুক্ত আছে, সংবিধানে নির্বাচনসংক্রান্ত যেসব বিধিবিধান আছে সেগুলো পর্যালোচনা করব। পরে এইসব বিষয়ে কী করা যায়, তা আমরা সুপারিশ করব।

বদিউল আলম মজুমদার আরও বলেন, আমাদের বড় কাজ জাতীয় নির্বাচনের আরপিওসহ অনেকগুলো আইন পর্যালোচনা করব। প্রত্যেক বাক্য আমরা পর্যালোচনা করব, মূল্যায়ন করার চেষ্টা করব, ওইখানে কোনো পরিবর্তন করার প্রয়োজন আছে কি না। তারপরেও নির্বাচনের ব্যাপারে অনেকগুলো ফরম আছে, এইগুলো আমরা খতিয়ে দেখব, কোনো পরিবর্তন করার প্রয়োজন আছেন কি না। সবচেয়ে শুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হলো নির্বাচন কমিশন। এরসঙ্গে আরও কিছু প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত। এসব প্রতিষ্ঠানকে কীভাবে নিরপেক্ষ কার্যকরী করা যায়, এই বিষয়ে আমাদের অভিজ্ঞতা আপনাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছু সুপারিশ করব।

এই নির্বাচন বিশ্লেষক বলেন, আমাদের বড় ইস্যু হলো প্রবাসীদের ভোট দেওয়ার অধিকার ও ভোটের অধিকার নিয়ে কী করা যায়, এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখব। আমাদের যে টেকনোলজি এক্সপার্ট আছে, খতিয়ে দেখবে। অন্যদেরও সহায়তা নেব। নির্বাচন ব্যবস্থায় নারীর অংশগ্রহণ ও জাতীয় নির্বাচনে যে সংরক্ষিত আসন আছে, স্থানীয় নির্বাচনে যে রিজার্ভ সিট আছে, এসব বিষয় নিয়ে আমরা পর্যালোচনা করব।

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আমরা অতীতের নির্বাচনগুলো খতিয়ে দেখার চেষ্টা করব। তার থেকে শিক্ষাগ্রহণ করার চেষ্টা করব এবং আমরা পার্শ্ববর্তী দেশের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চেষ্টা করব। সব অংশীজনের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করার চেষ্টা করব। এরপরে আমরা প্রতিবেদন তৈরি করে জমা দেব। এইগুলো আমরা প্রাথমিকভাবে চিন্তা করেছি।

ইসি সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, এই কমিশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এটা আমাদের বারবার স্মরণ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই কমিশনের কাজের ওপর পরবর্তীতে নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরি হবে ও নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক করা হবে। আমরা মনে করি, এটা আমাদের ওপর পবিত্র দায়িত্ব। এই কমিশনের মাধ্যমে নির্বাচন ব্যবস্থা একটি শক্তিশালী ভিতের ওপর দাঁড় করিয়ে আগামী একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা করা আমাদের দায়িত্ব।

তিনি বলেন, এই দায়িত্ব সততার ও আন্তরিকতার সাথে পালন করে যাতে শহীদদের রক্তের ঋণ আমরা শোধ করতে পারি… সেই লক্ষ্যে আমরা সর্বশক্তি প্রয়োগ করব। আপনাদের সবার সহায়তা প্রয়োজন।

নেতাদের টাকা উদ্ধারের নামে ‘ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ চলছে: আসিফ মাহমুদ

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ
নেতাদের টাকা উদ্ধারের নামে ‘ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ চলছে: আসিফ মাহমুদ

টাকা উদ্ধারের নামে অনেকের ব্যক্তি স্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বুধবার রাতে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘১৮ বছর পর এ দেশের মানুষ ভোট দেওয়ার স্বপ্ন দেখছে। নির্বাচন নিয়ে মানুষের আগ্রহ ও উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু এই নির্বাচনের প্রাক্কালে মিসইনফরমেশন, ডিসইনফরমেশন ও পক্ষপাত দেখা যাচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন দলের নেতাদের টাকা উদ্ধারের নামে ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ চলছে।’

বুধবার সকালে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরের চেকপোস্টে নিয়মিত তল্লাশির সময় বিপুল টাকাসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির বেলাল উদ্দিনকে আটক করে পুলিশ।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, বেলাল উদ্দিন সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবহার করে অন্যত্র যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় নিরাপত্তা তল্লাশির অংশ হিসেবে তাঁর ব্যাগ ও দেহ তল্লাশি করা হলে নগদ অর্থের বিষয়টি নজরে আসে। এত বড় অঙ্কের টাকা বহনের বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং পরে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

অন্যদিকে আটক জামায়াত নেতা বেলাল উদ্দিন গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলে দাবি করেছেন, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ ৫০ লাখ টাকার কিছু বেশি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ‘আমি ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক প্রয়োজনে এই টাকা বহন করছিলাম। এর সঙ্গে কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডের সংশ্লিষ্টতা নেই।’ তিনি আরও দাবি করেন, টাকার উৎস বৈধ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তিনি পরে দেখাতে পারবেন।

এ ঘটনাকে পরিকল্পিত বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারা।

অবৈধভাবে নির্বাচনি দায়িত্বে আনসারের ৩৩০ জন, পরে অব্যাহতি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ
অবৈধভাবে নির্বাচনি দায়িত্বে আনসারের ৩৩০ জন, পরে অব্যাহতি

রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকার আনসারের এক দলনেতা টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে ৩৩০ জনকে নির্বাচনি দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী তাদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আনসার বাহিনী থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ১৩ জন ‘প্রশিক্ষণবিহীন’ হওয়ার পরও নির্বাচনি দায়িত্ব পান। বিষয়টি প্রাথমিকভাবে সত্য প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

দুর্নীতিতে জড়িত যে কাউকেই তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে জানিয়ে বাহিনী আরও জানিয়েছে, রাজধানীর গুলশানের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের দলনেত্রী মোসাম্মৎ শাহনাজ সুলতানা এবং ভাটারা থানাধীন ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের দলনেত্রী সামসুন্নাহারকে ‘একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার পর দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে।

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, সম্প্রতি হাতিরঝিলের ঘটনার অভিযোগ পাওয়ার পর নিবিড় তদারকি চালিয়ে এ দুর্নীতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হাতিরঝিল থানার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের শহর প্রতিরক্ষা দলের (টিডিপি) নেতা মামুন জনপ্রতি ৪০০ টাকার বিনিময়ে ভুয়া সনদ তৈরি করে প্রশিক্ষণবিহীন ৩৩০ জনকে নির্বাচনি দায়িত্বে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। পরে দায়িত্ব দেওয়ার নামে জনপ্রতি ১ হাজার ১০০ টাকা হারে উৎকোচ নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্ত ওয়ার্ড দলনেতা মামুন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, নির্বাচনি দায়িত্বের জন্য শুধু শারীরিক সক্ষমতা নয়, বৈধ সনদ ও প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতাও বাধ্যতামূলক। ভুয়া সনদধারী, অযোগ্য বা প্রভাবিত ব্যক্তির মাধ্যমে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ দেওয়া হবে না।

এবার ভোটের মাঠের নিরাপত্তায় বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় সাড়ে ৯ লাখ সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। এর মধ্যে আনসারের সংখ্যা সাড়ে ৫ লাখের বেশি।

দেশবাসীর উদ্দেশে তারেক রহমানের নির্বাচনী অডিও বার্তা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
দেশবাসীর উদ্দেশে তারেক রহমানের নির্বাচনী অডিও বার্তা

আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক অডিও বার্তার মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে ভোট ও সমর্থন প্রার্থনা করেছেন।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দেশের মানুষের মোবাইল ফোনে পাঠানো এ বিশেষ বার্তায় তিনি ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

বার্তার শুরুতেই জনাব তারেক রহমান দেশবাসীকে সালাম জানিয়ে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট, দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন। এরপর তিনি দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ব্যক্ত করেন।

ওই অডিও বার্তায় তারেক রহমান জনগণের প্রতি তার দীর্ঘদিনের দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করে বলেন, তিনি অতীতেও সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও ইনশাআল্লাহ তাদের সঙ্গে থাকবেন।

বার্তার শেষে তিনি বিএনপির স্লোগান তুলে ধরে বলেন, করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।

তারেক রহমানের অডিও বার্তাটি দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশেষ উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে সরাসরি জনগণের কাছে পৌঁছানোর এ উদ্যোগটি নির্বাচনী প্রচারণায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

নেতাদের টাকা উদ্ধারের নামে ‘ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ চলছে: আসিফ মাহমুদ অবৈধভাবে নির্বাচনি দায়িত্বে আনসারের ৩৩০ জন, পরে অব্যাহতি দেশবাসীর উদ্দেশে তারেক রহমানের নির্বাচনী অডিও বার্তা ঢাকা-১৬ আসন: বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক এর সঙ্গে ইসি কর্মকর্তার গোপন বৈঠকের অভিযোগ নীলফামারীর এসপিকে ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের