খুঁজুন

বাংলাদেশের আসিয়ানের সদস্য হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে: জোট মহাসচিব

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩৬ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের আসিয়ানের সদস্য হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে: জোট মহাসচিব

বাংলাদেশ ও পাপুয়া নিউগিনির (পিএনজি) দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের সদস্য হওয়ার সম্ভাবনা কার্যত শূন্য। কারণ হিসেবে এ জোটের শীর্ষ কর্মকর্তা সাফ জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় ভৌগোলিক অবস্থানগত শর্ত পূরণ করতে না পারায় এই দুই দেশের আসিয়ানের সদস্য হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

ইন্দোনেশিয়ার সংবাদমাধ্যম জাকার্তা গ্লোবের প্রতিবেদন অনুসারে, দীর্ঘদিন ধরেই আসিয়ানে যোগ দেওয়ার আগ্রহ দেখিয়ে আসছে বাংলাদেশ ও পিএনজি। এমনকি পিএনজিকে সমর্থন দিয়েছিল সদস্যরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়াও।

কিন্তু সম্প্রতি আসিয়ানের মহাসচিব কাও কিম হর্ন নিশ্চিত করেছেন, জোটের সর্বশেষ সদস্য হিসেবে জায়গা পাচ্ছে কেবল পূর্ব তিমুর। এরপর আর কাউকে নেওয়া হবে না।

ম্যানিলায় দশম আসিয়ান মিডিয়া ফোরামে কাও বলেন, ‘আমাদের জোট সম্প্রসারণ এখানেই শেষ হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আসিয়ান চার্টার অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত দেশের সংখ্যা মাত্র ১১টি। এখানেই শেষ। পিএনজি ও বাংলাদেশ এই ভৌগোলিক সীমারেখার বাইরে।’

আসিয়ান চার্টারই এই জোটের আইনি কাঠামো। এই ডকুমেন্টে নতুন সদস্য নেওয়ার ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত বেঁধে দেওয়া আছে। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান শর্ত হলো, সদস্য দেশকে অবশ্যই ‘স্বীকৃত ভৌগোলিক অঞ্চল হিসেবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত’ হতে হবে।

ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক থেকে পিএনজি ওশেনিয়া মহাদেশের অংশ, আর বাংলাদেশের অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ায়।

ঢাকা ও পোর্ট মোর্সবির সামনে এখন আসিয়ানে ঢোকার একটাই পথ খোলা—দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই জোটকে তাদের চার্টার বদলাতে হবে। তবে সনদে এমন কোনো সংশোধনী আনতে হলে জোটের সব কটি সদস্য দেশের সর্বসম্মত অনুমোদন প্রয়োজন।

কাও বলেন, ‘যতক্ষণ না সদস্য দেশগুলো সনদ সংশোধন করে ভূগোলের নতুন সংজ্ঞা নির্ধারণ করছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই ১১ দেশ নিয়েই গঠিত থাকবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া (বা আসিয়ান)।’

গত বছর অবশেষে আসিয়ানে বহুল কাঙ্ক্ষিত সদস্যপদ পেয়েছে পূর্ব তিমুর। ২০১১ সাল থেকে জোটের সদস্য হতে চেষ্টা করছিল তারা। প্রক্রিয়াটি এতই দীর্ঘ ও ক্লান্তিকর ছিল যে পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট হোসে রামোস-হোর্তা রসিকতা করে বলেছিলেন, ‘আসিয়ানের দরজা পার হওয়ার চেয়ে বরং স্বর্গে যাওয়া সহজ।’

গত বছর আসিয়ানের সভাপতিত্ব ছিল মালয়েশিয়ার হাতে। ওই সময় কুয়ালালামপুরের সমর্থন আদায়ে তদবির চালিয়েছিল ঢাকা। অন্যদিকে পিএনজির সদস্যপদের পক্ষে প্রকাশ্যে সমর্থন ঘোষণা করেছেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো।

২০২৫ সালের কুয়ালালামপুর আসিয়ান বৈঠকে প্রাবোও বলেছিলেন, ‘আমরা আমাদের এক ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশীর অংশগ্রহণের প্রস্তাব দিতে চাই, সেটি হলো পিএনজি। তারা আসিয়ানে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।’

১৯৭৬ সাল থেকেই আসিয়ানে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা ভোগ করে আসছে পিএনজি; যার সুবাদে তারা জোটের বিভিন্ন বৈঠকে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়।

সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফীক নাওয়াজ মারা গেছেন

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৪ পূর্বাহ্ণ
সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফীক নাওয়াজ মারা গেছেন

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

রাত পৌনে ১২টায় কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের ডিউটি ম্যানেজার বলেন, “উনি একটু আগে মারা গেছেন। আপাতত আমরা শুধু এতটুকু তথ্যই দিতে পারি।”

দীপু মনির বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু বলেন, “রাত ১০টা ২৭ মিনিটে তিনি মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।”

কোথায় কখন দাফন এবং জানাজা হবে, তা বুধবার দুপুরের পর সিদ্ধান্ত হবে বলেও জানান টিপু।

২০১৯ সালে স্ট্রোক করেন তৌফিক নেওয়াজ। গত ২৭ মে হুইলচেয়ারে করে কারাবন্দী স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করাতে তাকে আদালতে নিয়ে গিয়েছিলেন স্বজনেরা।

পেশায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ছিলেন তৌফীক নাওয়াজ, যিনি ধ্রুপদি সংগীতের চর্চাও করতেন।

“সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ’র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি

স্টাফ রিপোর্টার:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
“সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ’র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি

“একটি গাছ একটি প্রাণ, সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” স্লোগানকে সামনে রেখে শিক্ষা, মানবতা ও সমৃদ্ধির পতাকাবাহী সামাজিক সংগঠন, ঐতিহ্যবাহী সভ্যতার ভবানীগঞ্জ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। যা নিয়ে রীতিমতো এলাকাবাসীর প্রশংসায় ভাসছেন সংগঠনটির সকলে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের জিয়ার খালের দুই পাড়ে সংগঠনটির একঝাঁক তরুণদের উদ্যোগে এই মহৎ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এসময় অমলকি, জলপাই, তেতুল, হরিতকি, অর্জুন, চালতা, আতা সহ বিভিন্ন ধরনের প্রায় শতাধিক ফল ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়।

উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে স্থানীয় যুবসম্প্রদায় সহ সভ্যতার ভবানীগঞ্জের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে তারা নিয়মিত এমন উদ্যোগের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর দুই দেশের জন্যই ফলপ্রসূ হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক বিদ্যাভূষণ সোনি। তিনি মনে করছেন, তারেক রহমান ভারতে না এলে এই সুযোগ হারিয়ে যেতে পারে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের পথও খোলা নাও থাকতে পারে।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআইকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বিদ্যাভূষণ সোনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এই সফরের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় সমস্যা সমাধানের পথও খুলতে পারে।

সাক্ষাৎকারে সোনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে অনেক বিষয় এখনও অমীমাংসিত রয়েছে। এর মধ্যে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বেশিরভাগ বিষয়ে দুই দেশ একমত হলেও পরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি।

সোনি বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যার সমাধানেও বাংলাদেশ ভারতের আরও সক্রিয় ভূমিকা চায়। তার মতে, এ ক্ষেত্রে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা ছাড়া ভারতের তেমন কিছু করার নেই। কারণ, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ভারতের কথা শুনতে পারে। তারেক রহমানের ভারত সফরের মাধ্যমে সেই সুযোগ তৈরি হলে বাংলাদেশ ভারতকে এসব সমস্যা সমাধানে তার প্রভাব কাজে লাগানোর অনুরোধ করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তুলনামূলকভাবে ‘অনেক বেশি খোলামেলা’ এবং ‘ভারতবিরোধী নন’ বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যাভূষণ সোনি। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন সোনি। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, তারেক রহমান তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি খোলামেলা মানুষ। তিনি ভারতবিরোধী নন এবং নিজে এমন কোনও বক্তব্যও দেননি, যেটিকে ভারতের বিরুদ্ধে বলে মনে করা যায়। তাই ভারতও সতর্কভাবে এই সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করছে।’

তিনি বলেন, দুই দেশের সরকারি মুখপাত্ররা এখন পর্যন্ত যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, সেগুলো মূলত রাজনৈতিক বক্তব্য। তবে দুই দেশের রাজনীতিবিদরা এ বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। তাই তারেক রহমানের ভারত সফরের এখনও সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

সোনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে খুবই আশাবাদী’। তার মতে, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর এই সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া করা উচিত নয়। তিনি বলেন, ‘তিনি (তারেক রহমান) যদি না আসেন, তাহলে এই সুযোগটি হারিয়ে যাবে। দীর্ঘ সময়ের জন্য এই যোগাযোগের পথ খোলা নাও থাকতে পারে। আমরা কেউই এই সুযোগ হারাতে চাই না। তাই আমি বেশ আশাবাদী।’

তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে নয়াদিল্লি ও ঢাকার কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। গত রোববার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শহীদুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তারেক রহমান দিল্লিতে গেলে সেটি হবে ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেয়ার পর তার প্রথম ভারত সফর। সফর নিয়ে আলোচনা চললেও এখনও কোনও চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফীক নাওয়াজ মারা গেছেন "সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ'র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা: ঢাবি ছাত্রদল নেতা আজীবন বহিষ্কার প্রবাসীর পাল্টা অভিযোগ: খাসির জন্য নয়, ১০ গুণ দেনমোহর ধরায় ভেঙেছে বিয়ে