খুঁজুন

কাকা তুমি খালি বাইরে বাইরে থাকলে কেন: ফোনালাপে পরশকে বলেছিলেন কাদের

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
কাকা তুমি খালি বাইরে বাইরে থাকলে কেন: ফোনালাপে পরশকে বলেছিলেন কাদের

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় ট্রাইব্যুনালে একটি ফোনালাপ শোনানো হয়। সেখানে যুবলীগ সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, কাকা, তুমি খালি বাইরে বাইরে থাকলে কেন?

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ উপস্থাপিত ফোনালাপটিতে এরপর ওবায়দুল কাদেরকে শেখ পরশ বলেন না, আমি আছি তো। আমি বাইরে থাকলেও সার্বক্ষণিক প্রতিটা ঘণ্টায় আমি আপনাদের সঙ্গে আছি।

এরপর ওবায়দুল কাদের পরশের বাইরে থাকা নিয়ে ইতস্তত করলে পরশ বলেন, আপনি জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন। আমি তো অনেক আগে গেছি। আমি গেছি ২৫ তারিখ। কিন্তু তারপরে প্রত্যেকটা দিন আমি আপনাদের সঙ্গে ছিলাম।

এরপর ওবায়দুল কাদের তাকে মিছিলে অধিকসংখ্যক উপস্থিতির জন্য বলেন, ফিজিক্যালি থাকাটা…..কালকের র‍্যালিতে ম্যাক্সিমাম যেন প্রেজেন্স থাকে।

এর উত্তরে পরশ বলেন, হ্যাঁ। আমরা এটা প্রস্তুতি নিচ্ছি। জি, অবশ্যই। এর জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, সে জন্য তোমাকে ফোন করি।

শেষে শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, না, না। থ্যাংক ইউ। ঠিক আছে। জি, আমি ফোন দিচ্ছি সব জায়গায়। জি, জি, জি, চাচা। আসসালামু আলাইকুম।

ওবায়দুল কাদের ছাড়া এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান

সাবেক এমপি ইকবালের কার্যালয় সিলগালা, ৩০০’র বেশি দলিল ও চেক জব্দ

বিশেষ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ণ
সাবেক এমপি ইকবালের কার্যালয় সিলগালা, ৩০০’র বেশি দলিল ও চেক জব্দ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এইচ বি এম ইকবালের কার্যালয় সিলগালা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গত বুধবার (১২ আগস্ট) বনানীর ইকবাল সেন্টারের ১৬ তলায় ওই কার্যালয় সিলগালা করে দুদক। সংস্থাটির শীর্ষ কর্মকর্তা সোমবার (১৭ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, ৪ দিন ধরে অভিযান চালিয়ে কার্যালয়টি থেকে তার সম্পদ-সংক্রান্ত তিনশ’র বেশি দলিল জব্দ করা হয়েছে। সেখানে পাওয়া গেছে কয়েকশ চেকবই, সাতটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং স্থায়ী আমানত-এফডিআর সংক্রান্ত নথি। নগদ প্রায় দেড় লাখ টাকাও জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথিও পাওয়া গেছে।

প্রিমিয়ার গ্রুপের অভিযোগ অনুসন্ধানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুদকের উপপরিচালক হোসাইন শরীফ। তিনি বলেন, বনানীতে পুরো ইকবাল সেন্টার সিলগালা করা হয়নি। ইকবালের চেম্বার ও একটি পরিচালক কক্ষ সিলগালা করা হয়েছে।

ইকবাল সেন্টারের মালিক এইচ বি এম ইকবাল। ১৯৯৯ সালে লাইসেন্স পাওয়ার পর ২৬ বছর এই ভবনেই প্রিমিয়ার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ছিল। গত ৩ আগস্ট থেকে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের কার্যক্রম তেজগাঁওয়ের শান্তা পিনাকলে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ইকবালের কার্যালয়ে অভিযান ও সিলগালার মধ্যেই আজ সোমবার প্রিমিয়ার গ্রুপের তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে দুদক।

দুদক সূত্র জানায়, একাধিক দফায় চারদিন অভিযান চালানোর পর গত বুধবার কার্যালয়টি সিলগালা করা হয়। একজন বিচারিক হাকিমের উপস্থিতিতে তল্লাশি ও জব্দতালিকা করা হয়। ওই কার্যালয় থেকে জব্দ করা জিনিসের পাঁচটি আলাদা তালিকা করা হয়েছে। এর মধ্যে সম্পদের দলিলের তালিকাই হয়েছে প্রায় ৩৭ পৃষ্ঠা। ইকবালের সম্পদের তিনশ’র বেশি দলিল পাওয়া গেছে। সেখানে পাঁচশ থেকে ছয়শ’র বেশি চেকবই পাওয়া গেছে। এছাড়া আরও নথি পাওয়া গেছে।

জানা যায়, ওই কার্যালয়ে জব্দ করা সাতটি ডিভাইসের মধ্যে একটি ম্যাকবুক, কয়েকটি মোবাইল ফোন, একটি নেক্সাস ট্যাব ও একটি আইপ্যাড। এর কয়েকটি ইকবালের ছেলেরা ব্যবহার করতেন। তল্লাশির সময় কক্ষের ভেতরে থাকা নথি যেন সরানো না যায়, সেজন্য সেগুলো তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। পরে কারিগরি কর্মী নিয়ে গিয়ে দরজাগুলো সিলগালা করা হয়।

দুদক সূত্র জানায়, বনানীর ইকবাল সেন্টারের পূর্ব পাশে একটি আলাদা লিফট রয়েছে। সেটি দিয়ে ১৬, ১৭ ও ২২ তলায় যাওয়া যায়। লিফটটি দিয়ে সরাসরি ইকবালের চেম্বারে প্রবেশ করা যেত। ১৬ তলায় ইকবালের দুই ছেলে ও এক জামাই বসতেন। সেখানে একটি পরিচালক কক্ষও ছিল। ওই কক্ষটিও সিলগালা করা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, প্রিমিয়ার গ্রুপের অনিয়মের অভিযোগে এখন পর্যন্ত ১৬টি মামলা হয়েছে। আরও পাঁচটি মামলার সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা রয়েছে। দুদকের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদ শূন্য থাকায় সেগুলোর অনুমোদন হয়নি। নতুন কমিশন গঠনের পর অনুমোদন পেলে মামলাগুলো করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনার পরিবার ও ১০টি শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঘুস, দুর্নীতি, প্রতারণা, জালিয়াতি, অর্থপাচার এবং কর ও শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু হয়। পরে যোগ হওয়া ওই শিল্পগ্রুপের অন্যতম একটি প্রিমিয়ার গ্রুপ।

‘ভূতের ভয়ে’ হোস্টেল ছাড়ল ৬০০ শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
‘ভূতের ভয়ে’ হোস্টেল ছাড়ল ৬০০ শিক্ষার্থী

ভারতের মহারাষ্ট্রের অমরাবতী জেলার একটি সরকারি উপজাতীয় আবাসিক হোস্টেলে কয়েকজন ছাত্রীর ওপর ভূত ভর করার গুজবে প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী হোস্টেল ছেড়ে চলে গেছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

মুম্বাই থেকে ৭০০ কিলোমিটার দূরে মেলঘাট অঞ্চলের চিকলদারা তালুকের ডোমা গ্রামে আদিবাসী উন্নয়ন বিভাগ পরিচালিত এই আবাসিক বিদ্যালয়ে ৮১০ জন ছাত্র-ছাত্রী বাস করত। গত ২২ জুলাই থেকে চারজন ছাত্রী অনিয়ন্ত্রিতভাবে হাসাকাঁদা শুরু করাসহ অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে। একপর্যায়ে কয়েকজন ছাত্রী নূপুরের শব্দ শোনার দাবি করলে হোস্টেলটিতে ভূতের উপদ্রব রয়েছে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ে।

উপজাতীয় বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছে। তাদের মতে, এটি কোনো অলৌকিক ঘটনা নয় বরং মানসিক চাপজনিত ‘সিলেক্টিভ হিস্টেরিয়া’ হতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষার্থীরা বিশ্বাস করত বিদ্যালয়ের মহুয়া গাছ কেটে ফেলা, ড্রেনেজের কারণে স্থানীয় দেবীর মন্দির ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং কাছেই এক আদিবাসী যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মা রুষ্ট হয়েছে।

কুসংস্কার দূরীকরণে কাজ করা সংস্থা ‘মহারাষ্ট্র অন্ধশ্রদ্ধা নির্মূলন সমিতি’ শিক্ষার্থীদের কাউন্সেলিং করছে এবং জনগণকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ঘটনাটি দেখার আহ্বান জানিয়েছে। অমরাবতীর সংসদ সদস্য বলবন্ত ওয়াংখেড়ে শিক্ষার্থীদের ভয় না পেয়ে ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় চৌধুরী জানান যে শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে এবং কয়েকজন ইতোমধ্যে ফিরে এসেছে।

সূত্র: এনডিটিভি

৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জন রোহিঙ্গাকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে মিয়ানমার। রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তাদের ফিরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সোমবার (১৭ আগস্ট) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, যাচাই-বাছাই শেষে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জন বাস্তুচ্যুত মানুষকে রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া কার্যকর হবে না।

নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা না থাকায় এর আগে একাধিকবার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ব্যর্থ হয়। তাছাড়া মিয়ানমার সেনাবাহিনী এবং আরাকান আর্মির মধ্যকার চলমান সশস্ত্র সংঘাতের কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি আরও জটিল হয়ে পড়েছে।

২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া সহিংসতা ও নির্যাতনের মুখে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। বাংলাদেশ শুরু থেকেই নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, তবে রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে আসছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

সাবেক এমপি ইকবালের কার্যালয় সিলগালা, ৩০০'র বেশি দলিল ও চেক জব্দ ‘ভূতের ভয়ে’ হোস্টেল ছাড়ল ৬০০ শিক্ষার্থী ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার অটোরিকশায় সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ দিলে জরিমানা, নিবন্ধন-নবায়নও নয়: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষ্যে, র‍্যালি, আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ