খুঁজুন

আমির হামজার গাড়িতে অতর্কিত হামলা, জামায়াত-গণঅধিকার সংঘর্ষে আহত ১০

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ
আমির হামজার গাড়িতে অতর্কিত হামলা, জামায়াত-গণঅধিকার সংঘর্ষে আহত ১০

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আমির হামজার কর্মী-সমর্থকের ওপর গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের হামলা ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আমির হামজার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমির হামজা আহত হয়েছেন। সেইসঙ্গে দুই পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শহরের ছয় রাস্তা মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

হামলার সময় এমপি আমির হামজার গাড়ির কাচ ভেঙে গেছে। সেইসঙ্গে গাড়ির সামনে বসা এমপির চাচার পা কেটে যায়। এ ছাড়াও আমির হামজা নিজেও মাথায় আঘাত পেয়েছেন। পরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে এমপির বাড়িতেও ভাঙচুরের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গণআধিকার পরিষদকে নিয়ে মুফতি আমির হামজার বক্তব্যকে ঘিরে কুষ্টিয়া ছয় রাস্তার মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করছিল গণধিকার পরিষদ। এ সময় আমির হামজার গাড়ি ছয় রাস্তার মোড়ে পৌঁছালে তার গাড়িতে অতর্কিত হামলা করা হয়। এ সময় উভয় পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে যায়। এতে জামায়াতে ইসলামীর সাত জন ও গণঅধিকার পরিষদের তিন জন আহত হন। তারা কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আমির হামজা সম্প্রতি গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে বক্তব্য দেন। এর প্রেক্ষিতে সংগঠনের কুষ্টিয়া জেলা শাখার নেতাকর্মীরা শনিবার বিকালে শহরের ছয় রাস্তা মোড়ে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেন। এই সমাবেশ স্থলের অদূরে আমির হামজার বাসভবন। সমাবেশের শেষের দিকে আমির হামজা পুলিশ প্রটোকল নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় সমাবেশস্থলে আসলে গাড়ির ভেতর থেকে তার সমর্থকরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরপর প্রথমে তাদের মধ্যে হাতাহাতি পরে দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ির ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এই সংঘর্ষ ঘিরে শহরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদ গণমাধ্যমে বলেন, ‘এমপি আমির হামজা আমাদের গণঅধিকার পরিষদকে নিয়ে বলেছেন- এই দল দুজনের, তাছাড়া এদের আর কোনও লোকজন নেই। এ ছাড়াও তিনি আরও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে আমাদের গণঅধিকার পরিষদ নিয়ে কথা বলেছেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে আজকে আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিল চলছিল ছয় রাস্তার মোড়ে। এ সময় আমির হামজার সমর্থকরা আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে আমাদের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।’

এ ব্যাপারে আমির হামজার দুইজন কর্মী জানান, গণধিকার পরিষদের লোকজন প্রথমে তাদের ওপর হামলা চালান। তারা কেবল প্রতিরোধের চেষ্টা করেছেন।

কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ গণমাধ্যমে বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য দুই পক্ষকে থামানোর চেষ্টা করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য আমির হামজা গণমাধ্যমে বলেন, ‘আমি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই দিকে প্রোগ্রামে ছিলাম। রাস্তাঘাট কালভার্ট কোথায় কোনটা করতে হবে সেই তথ্য নিচ্ছিলাম। আমি ২০ তারিখে মন্ত্রণালয়ে যাবো সেজন্য। এ সময় খবর পাই আমার বাবা-মা তুলে আমাকে গালাগালি করছে। আমি সদর থানার ওসিকে কল দিই। তার গাড়ি আগে এবং আমার গাড়ি পেছনে ছিল। এ সময় অতর্কিতভাবে আমার গাড়িতে লাঠি-হকিস্টিক দিয়ে হামলা করা হয়। গাড়ির সামনে বসে থাকা আমার চাচার পা কেটে যায় ও আমি মাথায় আঘাত পেয়েছি। গণধিকার পরিষদের আব্দুল খালেক ও তৌকিরের নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। আমি এ বিষয়ে আজকেই মামলা করবো।’

প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান

সাবেক এমপি ইকবালের কার্যালয় সিলগালা, ৩০০’র বেশি দলিল ও চেক জব্দ

বিশেষ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ণ
সাবেক এমপি ইকবালের কার্যালয় সিলগালা, ৩০০’র বেশি দলিল ও চেক জব্দ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এইচ বি এম ইকবালের কার্যালয় সিলগালা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গত বুধবার (১২ আগস্ট) বনানীর ইকবাল সেন্টারের ১৬ তলায় ওই কার্যালয় সিলগালা করে দুদক। সংস্থাটির শীর্ষ কর্মকর্তা সোমবার (১৭ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, ৪ দিন ধরে অভিযান চালিয়ে কার্যালয়টি থেকে তার সম্পদ-সংক্রান্ত তিনশ’র বেশি দলিল জব্দ করা হয়েছে। সেখানে পাওয়া গেছে কয়েকশ চেকবই, সাতটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং স্থায়ী আমানত-এফডিআর সংক্রান্ত নথি। নগদ প্রায় দেড় লাখ টাকাও জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথিও পাওয়া গেছে।

প্রিমিয়ার গ্রুপের অভিযোগ অনুসন্ধানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুদকের উপপরিচালক হোসাইন শরীফ। তিনি বলেন, বনানীতে পুরো ইকবাল সেন্টার সিলগালা করা হয়নি। ইকবালের চেম্বার ও একটি পরিচালক কক্ষ সিলগালা করা হয়েছে।

ইকবাল সেন্টারের মালিক এইচ বি এম ইকবাল। ১৯৯৯ সালে লাইসেন্স পাওয়ার পর ২৬ বছর এই ভবনেই প্রিমিয়ার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ছিল। গত ৩ আগস্ট থেকে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের কার্যক্রম তেজগাঁওয়ের শান্তা পিনাকলে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ইকবালের কার্যালয়ে অভিযান ও সিলগালার মধ্যেই আজ সোমবার প্রিমিয়ার গ্রুপের তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে দুদক।

দুদক সূত্র জানায়, একাধিক দফায় চারদিন অভিযান চালানোর পর গত বুধবার কার্যালয়টি সিলগালা করা হয়। একজন বিচারিক হাকিমের উপস্থিতিতে তল্লাশি ও জব্দতালিকা করা হয়। ওই কার্যালয় থেকে জব্দ করা জিনিসের পাঁচটি আলাদা তালিকা করা হয়েছে। এর মধ্যে সম্পদের দলিলের তালিকাই হয়েছে প্রায় ৩৭ পৃষ্ঠা। ইকবালের সম্পদের তিনশ’র বেশি দলিল পাওয়া গেছে। সেখানে পাঁচশ থেকে ছয়শ’র বেশি চেকবই পাওয়া গেছে। এছাড়া আরও নথি পাওয়া গেছে।

জানা যায়, ওই কার্যালয়ে জব্দ করা সাতটি ডিভাইসের মধ্যে একটি ম্যাকবুক, কয়েকটি মোবাইল ফোন, একটি নেক্সাস ট্যাব ও একটি আইপ্যাড। এর কয়েকটি ইকবালের ছেলেরা ব্যবহার করতেন। তল্লাশির সময় কক্ষের ভেতরে থাকা নথি যেন সরানো না যায়, সেজন্য সেগুলো তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। পরে কারিগরি কর্মী নিয়ে গিয়ে দরজাগুলো সিলগালা করা হয়।

দুদক সূত্র জানায়, বনানীর ইকবাল সেন্টারের পূর্ব পাশে একটি আলাদা লিফট রয়েছে। সেটি দিয়ে ১৬, ১৭ ও ২২ তলায় যাওয়া যায়। লিফটটি দিয়ে সরাসরি ইকবালের চেম্বারে প্রবেশ করা যেত। ১৬ তলায় ইকবালের দুই ছেলে ও এক জামাই বসতেন। সেখানে একটি পরিচালক কক্ষও ছিল। ওই কক্ষটিও সিলগালা করা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, প্রিমিয়ার গ্রুপের অনিয়মের অভিযোগে এখন পর্যন্ত ১৬টি মামলা হয়েছে। আরও পাঁচটি মামলার সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা রয়েছে। দুদকের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদ শূন্য থাকায় সেগুলোর অনুমোদন হয়নি। নতুন কমিশন গঠনের পর অনুমোদন পেলে মামলাগুলো করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনার পরিবার ও ১০টি শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঘুস, দুর্নীতি, প্রতারণা, জালিয়াতি, অর্থপাচার এবং কর ও শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু হয়। পরে যোগ হওয়া ওই শিল্পগ্রুপের অন্যতম একটি প্রিমিয়ার গ্রুপ।

‘ভূতের ভয়ে’ হোস্টেল ছাড়ল ৬০০ শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
‘ভূতের ভয়ে’ হোস্টেল ছাড়ল ৬০০ শিক্ষার্থী

ভারতের মহারাষ্ট্রের অমরাবতী জেলার একটি সরকারি উপজাতীয় আবাসিক হোস্টেলে কয়েকজন ছাত্রীর ওপর ভূত ভর করার গুজবে প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী হোস্টেল ছেড়ে চলে গেছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

মুম্বাই থেকে ৭০০ কিলোমিটার দূরে মেলঘাট অঞ্চলের চিকলদারা তালুকের ডোমা গ্রামে আদিবাসী উন্নয়ন বিভাগ পরিচালিত এই আবাসিক বিদ্যালয়ে ৮১০ জন ছাত্র-ছাত্রী বাস করত। গত ২২ জুলাই থেকে চারজন ছাত্রী অনিয়ন্ত্রিতভাবে হাসাকাঁদা শুরু করাসহ অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে। একপর্যায়ে কয়েকজন ছাত্রী নূপুরের শব্দ শোনার দাবি করলে হোস্টেলটিতে ভূতের উপদ্রব রয়েছে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ে।

উপজাতীয় বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছে। তাদের মতে, এটি কোনো অলৌকিক ঘটনা নয় বরং মানসিক চাপজনিত ‘সিলেক্টিভ হিস্টেরিয়া’ হতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষার্থীরা বিশ্বাস করত বিদ্যালয়ের মহুয়া গাছ কেটে ফেলা, ড্রেনেজের কারণে স্থানীয় দেবীর মন্দির ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং কাছেই এক আদিবাসী যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মা রুষ্ট হয়েছে।

কুসংস্কার দূরীকরণে কাজ করা সংস্থা ‘মহারাষ্ট্র অন্ধশ্রদ্ধা নির্মূলন সমিতি’ শিক্ষার্থীদের কাউন্সেলিং করছে এবং জনগণকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ঘটনাটি দেখার আহ্বান জানিয়েছে। অমরাবতীর সংসদ সদস্য বলবন্ত ওয়াংখেড়ে শিক্ষার্থীদের ভয় না পেয়ে ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় চৌধুরী জানান যে শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে এবং কয়েকজন ইতোমধ্যে ফিরে এসেছে।

সূত্র: এনডিটিভি

৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জন রোহিঙ্গাকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে মিয়ানমার। রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তাদের ফিরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সোমবার (১৭ আগস্ট) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, যাচাই-বাছাই শেষে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জন বাস্তুচ্যুত মানুষকে রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া কার্যকর হবে না।

নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা না থাকায় এর আগে একাধিকবার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ব্যর্থ হয়। তাছাড়া মিয়ানমার সেনাবাহিনী এবং আরাকান আর্মির মধ্যকার চলমান সশস্ত্র সংঘাতের কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি আরও জটিল হয়ে পড়েছে।

২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া সহিংসতা ও নির্যাতনের মুখে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। বাংলাদেশ শুরু থেকেই নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, তবে রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে আসছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

সাবেক এমপি ইকবালের কার্যালয় সিলগালা, ৩০০'র বেশি দলিল ও চেক জব্দ ‘ভূতের ভয়ে’ হোস্টেল ছাড়ল ৬০০ শিক্ষার্থী ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার অটোরিকশায় সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ দিলে জরিমানা, নিবন্ধন-নবায়নও নয়: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষ্যে, র‍্যালি, আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ