খুঁজুন

সিরাজগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষ্যে, র‍্যালি, আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ
সিরাজগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষ্যে, র‍্যালি, আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ

“রুপালী মৎস্যে সমৃদ্ধ হোক বাংলাদেশ, মৎস্যজীবিদের জীবন হোক নিরাপদ ও স্বচ্ছল, আর মৎস্য সম্পদে টেকসই ব্যবস্থাপনার গড়ে উঠতে একটি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ”- এই শ্লোগান নিয়ে সিরাজগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬খ্রি. উপলক্ষ্যে- মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান ও বিশেষ  অতিথিকে স্মারক সন্মাননা ক্রেস্ট প্রদান এবং মৎস্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য  পুরস্কার প্রাপ্তি হন- কার্প জাতীয় মাছ উৎপাদনে উল্লাপাড়া দবিরগঞ্জের-মেসার্স মোল্লা ফিসারিজ, প্রোঃ মোঃ আবুল হোসেন, চৌহালী উপজেলার খাসকাউলিয়া, চরজাজুরিয়া-কে,আর, পাইলট, মৎস্য খামার প্রোঃ রফিকুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়াহরিপুর ইউনিয়নের বনবাড়িয়া মোরগ্রামের বিসমিল্লাহ খামারের প্রোঃ মোঃ সাইফুল ইসলাম সেখ। 

রোববার (১৬ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে সিরাজগঞ্জ জেলা মৎস্য মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জেলা মৎস্য অফিসার মোঃ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে- প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, জেলা জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আমিনুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু বিপিএম (বার), সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মামুন খান, এবং উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাজরান রউফ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি সিরাজগঞ্জের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ এ,কে,এম মনজুরে মাওলা, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ এ,কে,এম আনোয়ারুল হক, সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবে সভাপতি মোঃ হারুন-অর-রশিদ খান হাসান, নিমগাছি এলাকায় সমাজভিত্তিক মৎস্য সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোঃ শহিদুল ইসলাম।

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রহমান খান এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সিরাজগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা দপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক দেবাশীষ ঘোষ। অনুষ্ঠানে আরও দায়িত্বে ছিলেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দপ্তরের সহকারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমজাদ হোসেন। 

আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা জাতীয়তাবাী মৎস্যজীবিদলের আহবায়ক মোঃ মনিরুজ্জামান সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক মোঃ আলমাস আহমেদ, সদস্য সচিব মোঃ নূরুল হক, মৎস্যজীবি ওয়াজেদ আলী আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবিদলের যুগ্ন-আহবায়ক এস,এম,সোহেল রানা, সদর উপজেলা মৎস্যজীবি দলের আহবায়ক মোঃ আশিক মাহমুদ, পৌর মৎস্যজীবি দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম রেজা, কালিয়া হরিপুর ইউনিয়ন মৎস্যজীবিদলের আহবায়ক ইব্রাহীম মোল্লা প্রমুখ। 

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মৎস্য খাতের উন্নয়ন, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, নিরাপদ মাছ উৎপাদন এবং দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে মৎস্যচাষে অবদান রাখা ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্টদের উৎসাহিত করতে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

বক্তারা বলেন, দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি জলাশয় সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক মাছের প্রজননক্ষেত্র রক্ষায় সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিকগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ইনচার্জ নৌ-পুলিশ, জেলা ও সদর উপজেলা মৎস্য দপ্তরে কর্মকর্তা, জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবি দলের কর্মকর্তা, সদস্য, মৎস্যচাষী, মৎস্য আড়তদার, মৎস্য উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান

সাবেক এমপি ইকবালের কার্যালয় সিলগালা, ৩০০’র বেশি দলিল ও চেক জব্দ

বিশেষ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ণ
সাবেক এমপি ইকবালের কার্যালয় সিলগালা, ৩০০’র বেশি দলিল ও চেক জব্দ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এইচ বি এম ইকবালের কার্যালয় সিলগালা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গত বুধবার (১২ আগস্ট) বনানীর ইকবাল সেন্টারের ১৬ তলায় ওই কার্যালয় সিলগালা করে দুদক। সংস্থাটির শীর্ষ কর্মকর্তা সোমবার (১৭ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, ৪ দিন ধরে অভিযান চালিয়ে কার্যালয়টি থেকে তার সম্পদ-সংক্রান্ত তিনশ’র বেশি দলিল জব্দ করা হয়েছে। সেখানে পাওয়া গেছে কয়েকশ চেকবই, সাতটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং স্থায়ী আমানত-এফডিআর সংক্রান্ত নথি। নগদ প্রায় দেড় লাখ টাকাও জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথিও পাওয়া গেছে।

প্রিমিয়ার গ্রুপের অভিযোগ অনুসন্ধানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুদকের উপপরিচালক হোসাইন শরীফ। তিনি বলেন, বনানীতে পুরো ইকবাল সেন্টার সিলগালা করা হয়নি। ইকবালের চেম্বার ও একটি পরিচালক কক্ষ সিলগালা করা হয়েছে।

ইকবাল সেন্টারের মালিক এইচ বি এম ইকবাল। ১৯৯৯ সালে লাইসেন্স পাওয়ার পর ২৬ বছর এই ভবনেই প্রিমিয়ার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ছিল। গত ৩ আগস্ট থেকে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের কার্যক্রম তেজগাঁওয়ের শান্তা পিনাকলে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ইকবালের কার্যালয়ে অভিযান ও সিলগালার মধ্যেই আজ সোমবার প্রিমিয়ার গ্রুপের তিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে দুদক।

দুদক সূত্র জানায়, একাধিক দফায় চারদিন অভিযান চালানোর পর গত বুধবার কার্যালয়টি সিলগালা করা হয়। একজন বিচারিক হাকিমের উপস্থিতিতে তল্লাশি ও জব্দতালিকা করা হয়। ওই কার্যালয় থেকে জব্দ করা জিনিসের পাঁচটি আলাদা তালিকা করা হয়েছে। এর মধ্যে সম্পদের দলিলের তালিকাই হয়েছে প্রায় ৩৭ পৃষ্ঠা। ইকবালের সম্পদের তিনশ’র বেশি দলিল পাওয়া গেছে। সেখানে পাঁচশ থেকে ছয়শ’র বেশি চেকবই পাওয়া গেছে। এছাড়া আরও নথি পাওয়া গেছে।

জানা যায়, ওই কার্যালয়ে জব্দ করা সাতটি ডিভাইসের মধ্যে একটি ম্যাকবুক, কয়েকটি মোবাইল ফোন, একটি নেক্সাস ট্যাব ও একটি আইপ্যাড। এর কয়েকটি ইকবালের ছেলেরা ব্যবহার করতেন। তল্লাশির সময় কক্ষের ভেতরে থাকা নথি যেন সরানো না যায়, সেজন্য সেগুলো তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। পরে কারিগরি কর্মী নিয়ে গিয়ে দরজাগুলো সিলগালা করা হয়।

দুদক সূত্র জানায়, বনানীর ইকবাল সেন্টারের পূর্ব পাশে একটি আলাদা লিফট রয়েছে। সেটি দিয়ে ১৬, ১৭ ও ২২ তলায় যাওয়া যায়। লিফটটি দিয়ে সরাসরি ইকবালের চেম্বারে প্রবেশ করা যেত। ১৬ তলায় ইকবালের দুই ছেলে ও এক জামাই বসতেন। সেখানে একটি পরিচালক কক্ষও ছিল। ওই কক্ষটিও সিলগালা করা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, প্রিমিয়ার গ্রুপের অনিয়মের অভিযোগে এখন পর্যন্ত ১৬টি মামলা হয়েছে। আরও পাঁচটি মামলার সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা রয়েছে। দুদকের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদ শূন্য থাকায় সেগুলোর অনুমোদন হয়নি। নতুন কমিশন গঠনের পর অনুমোদন পেলে মামলাগুলো করা হবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনার পরিবার ও ১০টি শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঘুস, দুর্নীতি, প্রতারণা, জালিয়াতি, অর্থপাচার এবং কর ও শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু হয়। পরে যোগ হওয়া ওই শিল্পগ্রুপের অন্যতম একটি প্রিমিয়ার গ্রুপ।

‘ভূতের ভয়ে’ হোস্টেল ছাড়ল ৬০০ শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
‘ভূতের ভয়ে’ হোস্টেল ছাড়ল ৬০০ শিক্ষার্থী

ভারতের মহারাষ্ট্রের অমরাবতী জেলার একটি সরকারি উপজাতীয় আবাসিক হোস্টেলে কয়েকজন ছাত্রীর ওপর ভূত ভর করার গুজবে প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী হোস্টেল ছেড়ে চলে গেছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

মুম্বাই থেকে ৭০০ কিলোমিটার দূরে মেলঘাট অঞ্চলের চিকলদারা তালুকের ডোমা গ্রামে আদিবাসী উন্নয়ন বিভাগ পরিচালিত এই আবাসিক বিদ্যালয়ে ৮১০ জন ছাত্র-ছাত্রী বাস করত। গত ২২ জুলাই থেকে চারজন ছাত্রী অনিয়ন্ত্রিতভাবে হাসাকাঁদা শুরু করাসহ অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে। একপর্যায়ে কয়েকজন ছাত্রী নূপুরের শব্দ শোনার দাবি করলে হোস্টেলটিতে ভূতের উপদ্রব রয়েছে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ে।

উপজাতীয় বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছে। তাদের মতে, এটি কোনো অলৌকিক ঘটনা নয় বরং মানসিক চাপজনিত ‘সিলেক্টিভ হিস্টেরিয়া’ হতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষার্থীরা বিশ্বাস করত বিদ্যালয়ের মহুয়া গাছ কেটে ফেলা, ড্রেনেজের কারণে স্থানীয় দেবীর মন্দির ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং কাছেই এক আদিবাসী যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মা রুষ্ট হয়েছে।

কুসংস্কার দূরীকরণে কাজ করা সংস্থা ‘মহারাষ্ট্র অন্ধশ্রদ্ধা নির্মূলন সমিতি’ শিক্ষার্থীদের কাউন্সেলিং করছে এবং জনগণকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ঘটনাটি দেখার আহ্বান জানিয়েছে। অমরাবতীর সংসদ সদস্য বলবন্ত ওয়াংখেড়ে শিক্ষার্থীদের ভয় না পেয়ে ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় চৌধুরী জানান যে শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে এবং কয়েকজন ইতোমধ্যে ফিরে এসেছে।

সূত্র: এনডিটিভি

৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জন রোহিঙ্গাকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে মিয়ানমার। রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তাদের ফিরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

সোমবার (১৭ আগস্ট) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, যাচাই-বাছাই শেষে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জন বাস্তুচ্যুত মানুষকে রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া কার্যকর হবে না।

নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা না থাকায় এর আগে একাধিকবার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ব্যর্থ হয়। তাছাড়া মিয়ানমার সেনাবাহিনী এবং আরাকান আর্মির মধ্যকার চলমান সশস্ত্র সংঘাতের কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি আরও জটিল হয়ে পড়েছে।

২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া সহিংসতা ও নির্যাতনের মুখে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। বাংলাদেশ শুরু থেকেই নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, তবে রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে আসছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

সাবেক এমপি ইকবালের কার্যালয় সিলগালা, ৩০০'র বেশি দলিল ও চেক জব্দ ‘ভূতের ভয়ে’ হোস্টেল ছাড়ল ৬০০ শিক্ষার্থী ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার অটোরিকশায় সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া চার্জ দিলে জরিমানা, নিবন্ধন-নবায়নও নয়: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষ্যে, র‍্যালি, আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ