খুঁজুন
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ২ মাঘ, ১৪৩২

পানিফল নামে নামকরণ সিংড়া, আগাম পানিফল সংগ্রহে ব্যস্ত সিংড়ার কৃষক

মোঃ কুরবান আলী, স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৪, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
পানিফল নামে নামকরণ সিংড়া, আগাম পানিফল সংগ্রহে ব্যস্ত সিংড়ার কৃষক

শীত আসতে না আসতেই শীতের জলজ ফল পানিফল সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন নাটোরের সিংড়ার চলনবিল অঞ্চলের কৃষক। অল্প খরচে লাভবান হওয়ায় প্রায় দুই দশক ধরে এই এলাকার কৃষকরা বাণিজ্যিক ভাবে পানিফলের চাষ করে আসছেন। তবে গত কয়েক বছরের চেয়ে এবছর আগাম চাষ করায় শীতের শুরুতেই ফল ধরা শুরু করেছে। তাই জমি থেকে ফল সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক।

কৃষকরা বলছেন, শীতের শুরুতে বাজারে ফলের চাহিদা বেশি থাকে। দামও বেশি পাওয়া যায়। আবহাওয়া অনুকুল থাকলে লাভবান হওয়ার আশা করছেন তারা।

সরেজমিনে উপজেলার রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়নের কৈগ্রামে গিয়ে দেখা যায়, জমি থেকে পানিফল সংগ্রহ করছেন কৃষক। প্রতিবছর এই গ্রামে নুন্যতম ৮ থেকে ১০ জন কৃষক পানিফল চাষ করেন। এবছর তাদের পানিফল চাষের জমির পরিমান প্রায় ২০ থেকে ২২ বিঘা।

গত দুই দশক ধরে এই গ্রামের কৃষকরা বাণিজ্যিক ভাবে পানিফল চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া অনেক প্রান্তিক কৃষকদের সংসারে ফিরেছে স্বচ্ছলতা। স্থানীয়রা জানায়, পানিফল মৌসুম শুরু হলে বিভিন্ন জেলা শহর থেকে পাইকাররা আসেন এ গ্রামে। এলাকায় এ গ্রামকে কেউ কেউ পানিফলের গ্রাম নামেও চিনেন।

কৃষকরা জানায়, প্রায় ৩০ বছর আগে কৈগ্রামে প্রথম পানিফলের চাষ শুরু করেন এই গ্রামের কৃষক রইচ উদ্দিন (৬১)। কৃষক রইচ উদ্দিনের সফলতা দেখে এ গ্রামের অনেকেই ঝুঁকে পড়েন পানিফল চাষে।

কৃষক রইচ উদ্দিন জানান, পুকুর, ডোবা নালায় যেখানে মাছ চাষ ও ধান চাষ হয় না বর্ষাকালে অল্প পরিমান পানি থাকে এমন পতিত নীচু জমিতে পানি ফলের চাষ ভালো হয়।রইচ উদ্দিন আরো জানান, অল্প খরচে লাভ বেশি হলেও পরিশ্রম করতে হয় বেশি এ ফল চাষে। বিশেষ করে প্রতি দিনই জমি থেকে ফল সংগ্রহ করতে হয়।

তিনি জানান, আমি অন্য কোন আবাদ করি না। প্রতি বছরই দুই এক বিঘা জমি লিজ নিয়ে পানিফলের চাষই করি। এবছর এক বিঘা জমি লিজ নিয়ে চাষ করেছি। ৭ হাজার টাকা লিজ সহ আমার মোট খরচ ১২ হাজার টাকা। নিজে পরিশ্রম করি তাই শ্রমিক খরচ কম। এবছর তিনি এ জমি থেকে খরচ বাদে ৭০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা আয় করার আশা করছেন।

ওই গ্রামের কৃষক আব্দুল মজিদ, ইদ্রিস আলী ও শহিদ হোসেন জানান, এবার ফলন ও বাজার মুল্য দুটোই ভালো। ১ হাজার ৬০০শ’ থেকে ২ হাজার টাকা প্রতি মণ পাইকারী বিক্রি হচ্ছে। আর খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি। শীতের শেষ পর্যন্ত বাজার ঠিক থাকলে গতবছরের চেয়ে বেশি লাভের আশা করছেন তারা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ খন্দকার ফরিদ বলেন, সিংড়া উপজেলার রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়নের কৈগ্রাম সহ পৌরসভার চক সিংড়া, সোহাগ বাড়ি, তাজপুর, কলম এবং শেরকোল ইউনিয়নের পতিত ও নীচু জমিতে বাণিজ্যিক ভাবে কৃষকরা পানিফল চাষ করছেন। এতে খরচ ও পরিশ্রম কম, লাভ বেশি।

এছাড়া এ ফল চাষে রোগবালাই নাই বল্লেই চলে। তাই পানি ফল চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। উপজেলা কৃষি বিভাগ সবসময় কৃষকদের পাশে থেকে সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।
২১.১০.২৪

বিসিএস প্রশ্নফাঁসের সেই আবেদ আলী রিমান্ডে

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ণ
বিসিএস প্রশ্নফাঁসের সেই আবেদ আলী রিমান্ডে

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় সরকারী কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অবসরপ্রাপ্ত গাড়ি চালক ও প্রশ্নফাঁসে জড়িত সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের তিন দিনের রিমান্ডে মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এদিন কারাগারে থেকে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর দুদকের সহকারী পরিচালক আল আমিন তার সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। এসময় আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, জ্ঞাত আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শেষে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইন ও মানি লন্ডারিং আইনে আসামি সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তার সঙ্গে বিভিন্ন ব্যক্তির অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক ব্যাংকিং লেনদেন পাওয়া যায়। তার মধ্যে মো। জাকারিয়া রহমানসহ একাধিক সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত আছেন মর্মে তথ্য পাওয়া যায়।

আসামি সৈয়দ আবেদ আলী বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের (পিএসসি) একজন গাড়িচালক (অবসরপ্রাপ্ত) হয়েও তিনি সংঘবদ্ধ প্রশ্ন ফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অনেক সরকারী কর্মকর্তার সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল এবং অনৈতিকভাবে চাকুরি পেয়েছেন মর্মে বিশ্বস্থসূত্রে জানা যায়।

আসামি সৈয়দ আবেদ আলী ওরফে জীবনের কাছে থেকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপাত্ত পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে প্রকৃত তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহের জন্য আসামিকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ণ
২

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
১
বিসিএস প্রশ্নফাঁসের সেই আবেদ আলী রিমান্ডে বেলকুচিতে রাজস্ব তহবিল হতে প্রতিবন্ধী, নারী ও যুবদের মাঝে সহায়তা সামগ্রী ও সনদ বিতরণ কুড়িগ্রামে মাদক সেবনের অপরাধে ৩ মাদকসেবির কারাদন্ড