খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

রাঙ্গাবালীতে সিনিয়র সহকারী জজ আদালত অপসারণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

মোঃ মামুনুর রহমান মামুন, রাঙ্গাবালী
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৪, ৫:০২ অপরাহ্ণ
রাঙ্গাবালীতে সিনিয়র সহকারী জজ আদালত অপসারণের প্রতিবাদে মানববন্ধন

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় সিনিয়র সহকারী জজ আদালত ষড়যন্ত্র মূলকভাবে অপসারণ চেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১১ টায় উপজেলা প্রশাসন ভবনের সামনে এ কর্মসূচি করা হয়।

উপজেলার ৬ ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের আয়োজিত মানববন্ধন অনুষ্ঠানে অন্তত ২ হাজার নানা শ্রেনী পেশার মানুষ অংশ নেয়। এদিন অনুমোদিত সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দ্রুত স্থাপনের দাবী জানান তারা। মানববন্ধন শেষে আইন ও বিচার বিভাগ মন্ত্রণালয়ের আইন উপদেষ্টা বরাবর ৭টি দাবী তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

জানা গেছে, ২০১২ সালে রাঙ্গাবালী উপজেলা হিসেবে ঘোষনা হওয়ার পরে পর্যায়ক্রমে সকল দাপ্তরিক অফিস স্থাপন হলেও কেবল ‘সিনিয়র সহকারী জজ আদালত’ স্থাপন হয়নি।

এ উপজেলার জমিজমার মামলা এবং ক্রিমিনাল মামলার জট খুলতে দৌড়াতে হতো পাশ্ববর্তী গলাচিপা উপজেলায়। এতে নানা ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হতো রাঙ্গাবালীর মানুষদের। এটির সুরহার জন্য দীর্ঘদিন রাঙ্গাবালীবাসী দাবী তুললে ২০২৪ সালে জুন মাসে রাঙ্গাবালীতে ‘সিনিয়র সহকারী জজ আদালত’ স্থানান্তর করে মামলার কার্যক্রম শুরু করা হয়।

সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে প্রথম দিকে দেওয়ানী মামলার নথিপত্র এলেও অনুমোদিত সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কার্যক্রম থমকে রয়েছে। ভোগান্তি লাঘবে রাঙ্গাবালীতে বিচারিক ব্যবস্থার সুরহা চায় উপজেলাবাসী।

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মু. নিয়াজ আকন বলেন, রাঙ্গাবালী অবহেলিত উপজেলা। জেলা শহর হতে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় এখানকার মানুষ রাষ্ট্রের সিংহভাগ সুবিধাবঞ্চিত। জেলা শহরসহ সারাদেশে যোগাযোগ করতে হলে আগুনমুখা এবং রাবনাবাদ নদী পারাপার হয়ে যেতে হয়। যাহা জীবন মৃত্যুর ঝুঁকিতে রাখতে হয়।

এ উপজেলাবাসীর নাগরিক অধিকার ও দুর্ভোগ বিবেচনায় অত্র উপজেলায় চৌকি আদালত (সিনিয়র সহকারী জজ আদালত) স্থাপন করা হয়। এতে সকলে উপকৃত হলেও কিছু ষড়যন্ত্রকারী এই এলাকার মানুষের নাগরিক অধিকার হরনকরনের জন্য চৌকি আদালত অপসারণ করার পায়তারা করতেছে আমরা এর তীব্র নিন্দা জানায় পাশাপাশি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর রেখে আহ্বান জানাই সকল অপচেষ্টা নতসাৎ করে বিচারিক কার্যক্রম তরান্বিত করা হোক।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি আঃ রহমান ফরাজী বলেন, বিজ্ঞ আদালত স্থাপিত হওয়ার পর থেকে কিছু কুচক্রী মহল তাহাদের ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলে জন্য এ উপজেলার মানুষদের বিপদগামী করে স্থাপিত চৌকি আদালত জেলা শহরে স্থানান্তরের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। এমনকি আদালত স্থাপন হওয়ার পর এযাবৎকালে জেলা আইনজীবী সমিতি থেকে কোন ধরনের তদারকি বা খোঁজখবর নেয়া হয়নি।

এছাড়াও রাঙ্গাবালীর চৌকি আদালতের এখতিয়ারধীন মোকদ্দমা সমূহ পূর্বের দায়িত্ব প্রাপ্ত গলাচিপা সহকারী জজ আদালতের আওতা হতে রাঙ্গাবালীর চৌকি আদালতে প্রেরণ করা হয়নি। কুচক্রী মহল উপজেলা হতে জেলা শহরে বিজ্ঞ আদালত স্থানান্তর করতে না পারে এ জন্য মানববন্ধন কর্মসূচি করা হয়েছে এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে আইন উপদেষ্টা বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হাসান বলেন, স্মারকলিপি পেয়েছি। জেলা প্রশাসক বরাবর পাঠানো হয়েছে।

রাজারহাটে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে অনশন কর্মসূচি

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
রাজারহাটে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে অনশন কর্মসূচি

রাজারহাটের ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খিতাম খা গ্রামে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে মানববন্ধনে অংশ নেন ভুক্তভোগী নারী সহ এলাকার প্রায় শতাধিক নারী পুরুষ। সোমবার (৮ জুন) বিকেল ৫ টার সময় এই মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, ২০১৭ সালের পাশ্ববর্তী রাজারহাট সদর ইউনিয়নের নাটুয়া মহল গ্রামের হায়দার আলীর মেয়ে সামিনার সাথে পারিবারিক ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের খিতাবখা গ্রামের সোলেমান মুন্সীর চতুর্থ পুত্র রফিকুল ইসলাম। বিয়ের পরে তাদের সংসারে রোমানা নামের এক কন্যা সন্তান জন্ম নেয়।

বিয়ের পর রফিকুল ইসলাম তার ভাবীর সাথে পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে স্ত্রী সামিনার সাথে দুরত্ব তৈরি করতে থাকেন।এরেই এক পর্যায়ে ২০১৯ সালে তাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়।সামিনার ডিভোর্সের পরে ঢাকায় গিয়ে একটি গার্মেন্টসে অপারেটর হিসাবে তিন বছর চাকুরী করেন।

এদিকে সামিনার সাবেক স্বামী রফিকুল ইসলাম বিদেশে (মরিচাস) গমন করেন।সামিনার সাবেক স্বামী রফিকুল ইসলাম পুনরায় সামিনার সাথে বিদেশ থেকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন।তাদের একমাত্র কন্যা সন্তানের কথা চিন্তা করে পুনরায় স্বামী স্ত্রী রুপে ঘর সংসার করার প্রলোভন দেখান।সামিনা অবুঝ কন্যা সন্তানের কথা চিন্তা করে তার সাবেক স্বামীর কথায় রাজি হন।এরপরে রফিকুল ইসলাম সামিনা কে তার গ্রামের বাড়িতে আসতে বলেন।সামিনা ঢাকায় চাকুরী ছেড়ে রফিকুল ইসলামের গ্রামের বাসায় অবস্থান করতে থাকেন।

কয়েকমাস পেরিয়ে গেলে রফিকুল ইসলাম তার বসতবাড়ি পাকা করনের প্রস্তাব সামিনা কে দেন এবং সামিনাকে তার চাকুরীরত অবস্থায় সঞ্চয় করা প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকা বাড়ির কাজের জন্য খরচ করতে বলেন।সাদাসিধে সামিনা তার স্বামীর কথায় রাজি হয়ে নিজ উদ্যোগে তার সঞ্চিত টাকা খরচ করে রফিকুল ইসলামের নিজ বাড়িতে টিনশেডের ঘর ভেঙ্গে ইটের দালাল নির্মাণ করেন।এই দালান নির্মাণের সামিনার সমস্ত জমাকৃত অর্থ খরচ করার পাশাপাশি বাড়ি নির্মাণের রাজমিস্ত্রীদের রান্না বান্না করেও খাওয়ান।

বাড়ির কাজ শেষ হবার পরে সামিনা তার বাবার বাসা নাটিয়া মহলে ঘুরতে যান।সেখান থেকে ঘুরে এসে দেখেন তার নিজ হাতে গড়া বাড়িতে রফিকুল ইসলাম বিদেশ থেকে তার ভাইকে নির্দেশ দিয়ে তালাবন্ধ করে রেখেছেন।
এই ঘটনায় জানাজানি হলে এলাকার সাধারণ নারীপুরুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

সামিনা রফিকুল ইসলাম তার বাড়িতে উঠতে না দিয়ে যে অন্যায় করেছেন তার প্রতিবাদে রফিকুল ইসলামের উঠানে এলাকার প্রায় শতাধিক নারীপুরুষ মানববন্ধন করে সামিনা কে স্ত্রী রূপে গ্রহণ করতে রফিকুল ইসলামের প্রতি আহবান জানান।

উক্ত মানববন্ধনে স্থানীয় নারী রোকাইয়া বেগম,আব্দুল লতিফ,নাসির শেখ,আতিয়ার রহমান সহ বেশ কয়েকজন বক্তব্য দেন।মানববন্ধনে বক্তারা সামিনার সাথে এধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান। সেই সাথে একমাত্র কন্যা সন্তান সহ সামিনাকে স্ত্রী রুপে গ্রহণ করার দাবী জানান।

ভুক্তভোগী সামিনা সাংবাদিক কে জানান,আমি ডিভোর্সের পরে আমার একমাত্র কন্যা সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি করি।
তিন বছর চাকুরী করে প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকা জমা করি।আমার সাবেক স্বামী রফিকুল ইসলামের প্রলোভনে সব টাকা দিয়ে তার বাড়ি নির্মাণ করি,এই আশায় আমার একমাত্র কন্যা সন্তান নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকবো বলে।

কিন্তু লোভী রফিকুল ইসলাম বার বার আমার সাথে প্রতারণা করলো।আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে এর উপযুক্ত বিচার চাই।

১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এখন পর্যন্ত ১৪০টি দেশে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার সুবিধার্থে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজের এক লাখ ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড (আইভি স্যালাইন) হস্তান্তর উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ১৪০টি দেশে আমাদের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। এতে আমরা গর্বিত। এখন দেশে টিকা তৈরি করতে পারলে সেটার পরিসর আরও বাড়বে। ওষুধ শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করতে আমরাও সহযোগিতা করে যাব।

তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে আমরা নির্দেশনা পেয়েছি, আমাদের শাখাগুলো বাড়াতে হবে। আমাদের অনেকগুলো জানালা খুলতে হবে। নাহলে একটি মন্ত্রণালয় ভালোভাবে চলতে পারে না।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, সামনে ডেঙ্গু মৌসুম আসছে, সে বিষয়ে আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছি। পরিকল্পনা, চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করছি। পাশাপাশি যারা আক্রান্ত হবেন, তারা যাতে যথাযথ চিকিৎসা পান, সেই ব্যবস্থা করছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত তিন মাসে স্বাস্থ্যখাতে কৌশলগত বড় পরিবর্তন এসেছে। আমরা সবাই দেশের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে পারছি।

উলিপুরে দলিল লেখকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মোঃ রেজাউল হক, কুড়িগ্রামঃ
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
উলিপুরে দলিল লেখকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোমবার (৮ জুন) ২০২৬ ইং সকাল ১১টায় উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দিনব্যাপী দলিল লেখকগণের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, শুদ্ধাচার চর্চা, সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করণ বিষয়ক এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কুড়িগ্রামের উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের আয়োজনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রুহুল কুদ্দুস জেলা রেজিস্টার কুড়িগ্রাম। প্রশিক্ষণ সমন্বয়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ অহেদুল ইসলাম উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রার (অঃদাঃ) কুড়িগ্রাম।

এসময় উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মোঃ আব্দুল মালেক খাঁ সেক্রেটারি বাবলু পাঠান সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাফিজুর রহমান সহ শতাধিক সনদপ্রাপ্ত দলিল লেখক ও উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত সকল কর্মকর্তা,কর্মচারীগণ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহকারী সাজ্জাদুর রহমান প্রমুখ।

রাজারহাটে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে অনশন কর্মসূচি ১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উলিপুরে দলিল লেখকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ট্রাম্পের অবরোধ উপেক্ষা করে ইরানে পালটা হামলা চালাল ইসরাইল ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ১১ জেলায় ঝড়বৃষ্টির আভাস