খুঁজুন
শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২১ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

পৃথক সচিবালয় চেয়ে প্রধান বিচারপতির চিঠি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৪, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ
পৃথক সচিবালয় চেয়ে প্রধান বিচারপতির চিঠি

বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় চেয়ে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। রবিবার দুপুরে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের পাবলিক রিলেশন অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

চিঠিতে বলা হয়, বিশ্বায়নের এই যুগে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রকাঠামোতে সাংবিধানিক বিধিবিধানের আলোকে সরকার তথা নির্বাহী বিভাগের একচ্ছত্র ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ক্ষমতার পৃথকীকরণ নীতির প্রয়োগ ও চর্চার বিষয়টি সর্বজনবিদিত। আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের তিনটি বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার পৃথকীকরণ কার্যকররূপে বাস্তবায়িত না হলে রাষ্ট্রে সংবিধানের সুসংহত চর্চা বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়। এর ফলে রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিভাগসমূহের মধ্যে ক্ষমতার সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখার যে প্রয়োজনীয়তা রয়েছে তা একদিকে যেমন ব্যহত হয়, তেমনি সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে।

বাংলাদেশ একটি সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও আমাদের দেশে ক্ষমতার পৃথকীকরণ নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে, দীর্ঘদিন ধরে বিচার বিভাগের ওপর নির্বাহী বিভাগের কর্তৃত্ব প্রয়োগের প্রবণতার যে চর্চা অব্যাহত রয়েছে তা রোধ করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। স্বীকার করতে দ্বিধা নেই যে, এর ফলে স্বাধীনতার পর হতে অদ্যাবধি আমাদের দেশে আইনের শাসন ও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা চর্চার সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অথচ, আমাদের সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ নিশ্চিতকরণকে রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

তাই দেখা যাচ্ছে যে, আমাদের সংবিধানে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক রাখার কথা বলা হলেও সমকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতায় এদেশে বিচার বিভাগের কার্যকর পৃথকীকরণ অসম্পূর্ণই থেকে গিয়েছে। তবে একথা অনস্বীকার্য যে, এমন একটি প্রেক্ষাপট সত্ত্বেও বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ৭৯/১৯৯৯ নম্বর সিভিল আপিল মামলার রায়ে (যা মাসদার হোসেন মামলা নামেই অধিক সমাদৃত) নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের পূর্ণ রূপরেখা তুলে ধরার মাধ্যমে আমাদের দেশে ক্ষমতার পৃথকীকরণ নীতির বাস্তবায়নের পথকে সুগম করে দিয়েছে। উক্ত রায়ে ক্ষমতার পৃথকীকরণের যে রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে তার অন্যতম মৌলিক ভিত্তি হলো দেশের বিচার বিভাগের জন্য একটি পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা। মাসদার হোসেন মামলার রায়ে একাধিকবার বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের প্রসঙ্গ এসেছে।

আর বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের সর্বোত্তম কার্যকর উপায় স্বাধীন বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠা। এ কারণে উক্ত মামলার রায়ে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত বর্তমানে প্রচলিত দ্বৈত-শাসন কাঠামো তথা অধস্তন আদালতের বিচারকগণের নিয়োগ, বদলি, শৃঙ্খলা প্রভৃতি বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের যে যৌথ এখতিয়ার রয়েছে তা সম্পূর্ণরূপে বিলোপ করে বিচার বিভাগের জন্য একটি পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠাকে ক্ষমতার পৃথকীকরণের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করেছে।

এ কথা সত্য যে, বিগত বছরগুলোতে রাজনৈতিক সরকারের অনীহার কারণে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ সম্ভবপর হয়নি। এ কারণে বিগত জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত ছাত্র-জনতার অবিস্মরণীয় গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বর্তমান সময় হচ্ছে মাসদার হোসেন মামলার রায়ের বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণের শ্রেষ্ঠ সময়। এ প্রচেষ্টার প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে নির্বাহী বিভাগ হতে সম্পূর্ণরূপে স্বাধীন একটি পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা। কেননা, কেবল পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই আমাদের দেশে দক্ষ, নিরপেক্ষ ও মানসম্পন্ন বিচার কাজের মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

আমাদের সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদে হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন সকল আদালত ও ট্রাইব্যুনালের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ওপর অর্পণ করা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি অধস্তন আদালতের বিভিন্ন বিষয় পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট তথা হাইকোর্ট বিভাগকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।

কিন্তু হাইকোর্ট বিভাগের এই তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ নিরঙ্কুশ নয়। কেননা বিদ্যমান কাঠামোতে আইন মন্ত্রণালয় হতে অধস্তন আদালত-সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তাব আসার পর হাইকোর্ট বিভাগ তার তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকে। কিন্তু আমাদের সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদের মর্ম অনুসারে অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ হাইকোর্ট বিভাগের একচ্ছত্র অধিকার। তাই সাংবিধানিক এই বাধ্যবাধকতা সুচারুরূপে সম্পন্ন করার জন্য পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠা অত্যাবশ্যক।

এ ছাড়া, বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মামলার সংখ্যা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বৃদ্ধি, অধস্তন আদালতের বিচারকের সংখ্যা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কারণে সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রির কর্মপরিধি পূর্বের তুলনায় ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলেও বিচার বিভাগের জন্য পৃথক একটি সচিবালয় স্থাপন জরুরি হয়ে পড়েছে।

তাই সার্বিক বিশ্লেষণে শুধু পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই অধস্তন আদালতের বিচারকগণের শৃঙ্খলা, বদলি, পদোন্নতি, ছুটি এবং অন্যান্য বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা নিশ্চিত করা সম্ভব বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

বিএনপির সঙ্গে ২০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করল বাংলাদেশ লেবার পার্টি

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২:২১ অপরাহ্ণ
বিএনপির সঙ্গে ২০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করল বাংলাদেশ লেবার পার্টি

আসনে ছাড় না পেয়ে এবার বিএনপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দিয়েছে লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) নয়া পল্টনের দলীয় কার্যালয়ে দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় লেবার পার্টির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠির একটি আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে ছাড় দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই আসনে বিএনপি নিজ দলের প্রার্থী ঘোষণা করায় ক্ষুব্ধ হয় দলটি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই বিএনপির সঙ্গে প্রায় ২০ বছরের রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল দলটি।

দলের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপি দীর্ঘ দিনের মিত্রতার সম্পর্ককে অবজ্ঞা করে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। তারা সমমনা দলগুলোকে বাদ দিয়ে এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। এমন আচরণকে প্রতারণামূলক ও বেঈমানিপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

লেবার পার্টির নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএনপি অযোগ্য ও বিতর্কিত ব্যক্তিদকে মনোনয়ন দিয়ে টাকার বিনিময়ে ‘মনোনয়ন বাণিজ্যে’ লিপ্ত হয়েছে। এতে বিএনপির নৈতিক নেতৃত্ব সম্পূর্ণরূপে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার সংকটকালে মিত্রদের সঙ্গে এমন আচরণ কেউ প্রত্যাশা করেনি।

এছাড়া আগেও বিএনপি জামায়াতে ইসলামীকে বাদ দিয়ে ২০ দলীয় জোট ভেঙে দিয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তারা। নেতারা মনে করেন, শরিকদের প্রতি অবজ্ঞা ও নীতিহীন মনোনয়নের মধ্য দিয়ে বিএনপি নিজেকে বন্ধুহীন ও নেতৃত্বহীন দলে পরিণত হয়েছে।

সভায় লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এস এম ইউসুফ আলী, অ্যাডভোকেট জোহরা খাতুন জুঁই, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যান্য সদস্যরা বক্তব্য দেন।

৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহারণের সম্ভাবনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহারণের সম্ভাবনা

দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনা হরহামেশাই মুখোমুখি হয় একে অপরের। কিন্তু ফিফা বিশ্বকাপে এই নজির খুবই বিরল। সবশেষ ১৯৯০ সালে দুই দল মুখোমুখি হয়েছিল ফুটবলের বিশ্বআসরে। ৩৬ বছর পর আবারও দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা জেগেছে ২০২৬ বিশ্বকাপে এসে।

তবে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে কোন পর্যায়ে—এই প্রশ্নের উত্তর পুরোটা নির্ভর করছে গ্রুপপর্বের অবস্থানের ওপর। দুটি দলই যদি নিজ নিজ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়, তাহলে সেমিফাইনালের আগে তাদের দেখা হওয়ার সুযোগ নেই। দুই দলই যদি রানার্সআপ হয়, তবুও সেমিফাইনালের আগে মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

একটি দল যদি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় এবং অন্যটি রানার্সআপ হয়ে পরবর্তী রাউন্ডে ওঠে, তাহলেও ফাইনালের আগে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী একে অপরের সামনে পড়বে না।

তবে কোনো একটি দল যদি সেরা আটটি তৃতীয় স্থানের দল হিসেবে নকআউট পর্বে যায়, তখন পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়বে। সেই অবস্থায় দুই দলের ঠিক কোন পর্যায়ে মুখোমুখি হতে পারে, তা অনুমান করা কঠিন। আজ বিশ্বকাপের নকআউটের সূচি নির্ধারিত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে পরিষ্কার জানা যেতে পারে।

ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করলো পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১:৩৫ অপরাহ্ণ
ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করলো পাকিস্তান

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)–এর প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের সঙ্গে আদিয়ালা কারাগারে সব ধরনের সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এ ঘোষণা দেন। সেইসঙ্গে তিনি ইমরান খানকে ‘যুদ্ধোন্মাদনায় আক্রান্ত উগ্রপন্থি’ হিসেবে আখ্যা দেন।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের ‘নয়া পাকিস্তান’ অনুষ্ঠানে তারার বলেন, ‘কারাগারের নিয়ম অনুযায়ীই বন্দীদের সাক্ষাৎকার হয়। এখন কোনো সাক্ষাৎ নেই; সব সাক্ষাৎ বন্ধ।’

কারাগারের বাইরে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করতে কেউ চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব পুনরুদ্ধারের এখনই সময়। কোনো জেল সাক্ষাৎ হবে না, কোনো জমায়েতও অনুমোদন দেওয়া হবে না।’

কারা বিধি অনুযায়ী সাক্ষাতের সময় জেল সুপারিনটেন্ডেন্ট উপস্থিত থাকেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে এসব সাক্ষাতে রাজনৈতিক আলোচনা এবং নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছিল।

তিনি বলেন, ‘কারাগারের ভেতর থেকে রাষ্ট্রবিরোধী এজেন্ডা এগিয়ে নিতে কোনো অনুমতি দেওয়া হবে না।’

তারার দাবি করেন, খান ও তার দল দেশকে ডিফল্টে ঠেলে দিতে চেয়েছিল। ‘আইএমএফকে চিঠি লেখা হয়েছিল যাতে পাকিস্তান ডিফল্টে যায়। ৯ মে সামরিক স্থাপনায় হামলাও চালানো হয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত দেখেই রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য ছড়াচ্ছেন।’

তিনি আরও দাবি করেন, ইমরান খানের ‘তালেবানসুলভ মানসিকতা’ রয়েছে এবং তিনি ‘সন্ত্রাসীদের বন্ধু’ মনে করেন।

তারার প্রশ্ন ছুড়ে দেন, ‘এই উগ্র ও যুদ্ধোন্মাদ ব্যক্তি—তাকে তার নিজের দলের সদস্যরাই বা আর কতদিন সহ্য করবে?’

তথ্যমন্ত্রী জানান, ফেডারেল সরকার খাইবার পাখতুনখোয়ায় গভর্নর শাসন জারির বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে।

তিনি আরও বলেন, ‘পিটিআই সদস্যরা তার (ইমরান খানের) বর্ণনার সঙ্গে নেই।’ রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণা চালানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

তারার বলেন, ‘তাদের আর কোনো ভবিষ্যৎ নেই; তাদের রাজনৈতিক জায়গা ও বর্ণনা সীমিত করে দেওয়া হবে।’

পিটিআইয়ের সঙ্গে পুনর্মিলন সম্ভব কি না- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘তারা সুযোগ নষ্ট করেছে। যারা বিশৃঙ্খলা, সন্ত্রাস বা উগ্রবাদী চিন্তা ছড়ায়, তাদের সঙ্গে কোনো সংলাপ হবে না।’

বিএনপির সঙ্গে ২০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করল বাংলাদেশ লেবার পার্টি ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা মহারণের সম্ভাবনা ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করলো পাকিস্তান নজিরবিহীন আত্মহত্যা ইসরাইলি বাহিনীতে, নেপথ্যে কী? পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে রাতভর গোলাগুলি, নিহত ৪