খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮ বৈশাখ, ১৪৩৩

শিবপুরে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা

মোঃ আলম মৃধা, স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ
শিবপুরে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা

নরসিংদীর শিবপুরে গত (১৬ সেপ্টেম্বর) আইয়ূবপুর ইউনিয়নের আলীয়াবাদ পূর্ব পাড়ার মৃত কলিম উদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে মোঃ রোকন উদ্দিন ভূঁইয়ার জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করেন মাউন আহমেদ ও মাহাবুব এবং তাদের লোকজন। এই জমিতে দুইটি মামলা চলমান, মামলা নং-৮৬৯/২৩ এবং মামলা নং-১০১/২৩।

সরে জমিনে গিয়ে জানা যায়, আলীয়াবাদ পূর্বপাড়ার শাহাবুদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে মাউন আহমেদ ও মাহাবুব ভূঁইয়া দীর্ঘদিন যাবত জোরপূর্বক রোকন উদ্দিন ভূঁইয়া জমি দখলের পাঁয়তারা করে যাচ্ছে ও মাহবুব বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে প্রতারণা করে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
রোকন উদ্দিন ভুইয়া বলেন, আমি আমার ফুপুর কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছি। আমার ক্রয় করা সম্পত্তি সঠিক আছে বলে সরকার আমার কাছ থেকে খাজনা নিয়ে আমাকে নামজারি করে দিয়েছে। এই জমিতে আমি দীর্ঘদিন যাবত বসবাস করিতেছি। আমাকে উচ্ছেদ করার জন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এনে হুমকি- ধমকি দিয়ে যাচ্ছে‌। আমাকে মেরে ফেলারও হুমকি দিচ্ছে মাউন আহমেদ ও মাহাবুব।

এলাকাবাসী জানায়, মাহাবুব বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে কৌশলে টাকা হাতিয়ে নেওয়া এবং তা মেরে দেওয়াই তার পেশা। পাওনাদারা আমাদের গ্রামে এসে ঝামেলা সৃষ্টি করতেছে এবং আমরা নিরীহ গ্রামবাসী মাহবুবের অত্যাচারে অতিষ্ঠ।

নোয়াদিয়া গ্রামের পিয়াস মিয়া বলেন, ২০২০ সালে আমার ছোট ভাইকে ছয় মাসের ভিতরে বিদেশ পাঠাবেন বলে মাহাবুব তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা নেয় আজ প্রায় চার বছরের বেশি হয়ে যায় আমার টাকা ফেরত দিচ্ছে না। আমি এলাকাবাসীকে জানাইলে এলাকাবাসী আমাকে আশ্বাস দেয় মাহবুবের সাথে কথা বলে আমাকে আমার পাওনা টাকার ব্যবস্থা করে দিবে। আমি এখনো আমার টাকা ফেরত পাইনি। আমি এখানে এসে শুনি আরেক পাওনাদার টাকা চাইতে আসলে তাকে মার দর করে ও উল্টো পাওনাদার কে হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছে।

মিরপুরের সুলতানা আক্তার রিতা বলেন, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান আমার কাছ থেকে জানুয়ারিতে পঞ্চাশ হাজার টাকা নেয় মাহাবুব। আমাকে বলে তার ছেলেকে স্কুলের বেতন দিতে পারছেনা স্কুল থেকে বের করে দিয়েছে। মেয়ের পরীক্ষার ফ্রি দিতে পারছেনা। মাহাবুবের পা ভেঙ্গে গেছে বলে আমার কাছ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা দার নেয়। পরে আমি জানতে পারি পাওনাদাররা তাকে মেরে পা ভেঙ্গে দিয়েছে। আমি আমার পাওনা টাকা চাইতে আসলে আমাকে মেরে রক্তাক্ত জখম করে। আমি থানায় অভিযোগ করেছি আমি তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা করব।

বন্যা শিবপুরের সুফিয়া বেগম বলেন, মাহাবুবের পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে আমাদের বাড়িতে আসছিল আমি তাদেরকে চা নাস্তা দেই। আমার বাড়িতে একটি আইফোন চার্জে লাগিয়ে রেখেছিলাম তারা বাড়ি থেকে যাওয়ার পরে ফোনটি পাওয়া যাচ্ছিলো না। পরে আমি শিবপুর থানায় ও নরসিংদী ডিবি অফিসে অভিযোগ করেছিলাম। ছয় মাস পরে ডিবির কর্মকর্তাদের কাছে জানতে পারি মাহাবুব ফোনটি চুরি করেছে। খবর পেয়ে মাহাবুব এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। আমার এক ভাই মারা গিয়েছে তারা গরিব মানুষ তাদের অবস্থা তেমন একটা ভালো না। তার ছেলে আকরাম হোসেনকে ইতালি নেওয়ার কথা বলে তিন লক্ষ টাকা এনেছে মাহাবুব। আজকে প্রায় পাঁচ বছর হয় এখন পর্যন্ত টাকা ফেরত দেয়নি বিদেশও নেয়নি। মাহবুবের কাছে টাকা চাইতে আসলে হুমকি দিচ্ছে। মাহাবুবের বয়ে আমার ভাতিজারা টাকা চাইতে তার বাড়িতে আসতে পারছে না।

মাসুম সাহেব বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে মাউন আহমেদ ও মাহাবুব মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক একটি ভিডিও প্রচার করিয়েছে আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। মাসুম সাহেব আরো বলেন, মূলত এই জায়গাটা নিয়ে আয়ূবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মজিবর রহমান সরকার, ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার বুলবুল, ৭ নং ওয়ার্ডের বিএনপির নেতাকর্মী, আমিসহ এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তিন দিন দরবার পরিচালনার পর সিদ্ধান্ত হয় যে রোকন উদ্দিনের খরিদা সম্পত্তিটি সঠিক ও তার কাগজপত্র সঠিক। মাউন আহমেদ ও মাহাবুব তাদের পক্ষ থেকে শিবপুর আমলীগের সেক্রেটারি রাখিল সাহেবসহ মাহবুবের পক্ষে অনেকে দরবারে উপস্থিত রেখেছিলেন। সমাজে আমাদের সামাজিক মর্যাদা নষ্ট করার জন্য মাউন আহমেদ ও মাহাবুব একটি ভিডিও অপপ্রচার চালিয়েছে আমি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেছি সঠিক তদন্ত করে তাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার বুলবুল বলেন, আমরা বড় ভাই ওবাইদুল মাউন আহমেদ ও মাহবুবের কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছে ভিডিওতে অভিযোগ করেছে অভিযোগটি সম্পন্ন মিথ্যা বানোয়াট। সমাজে আমাদের সামাজিক মর্যাদা নষ্ট করার জন্য মাহাবুব একটি ভিডিও অপপ্রচার চালিয়েছে আমি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেছি সঠিক তদন্ত করে তাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। তিনি আরো বলেন, ভিডিওতে অপপ্রচার যে এই জমিতে মাদক, ইয়াবা সেবন ও ব্যবসা পরিচালনা করিতেছে। আমি প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি সঠিক তদন্ত করে আপনারা দেখুন।

এ বিষয়ে জানতে, আইয়ুপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মজিবর রহমান সরকারের মোবাইলে ফোন দিলে তিনি বলেন আমি মিটিং-এ আছি পরে কথা বলবো।

এ বিষয়ে জানতে, মাহাবুবের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন দিলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

চট্টগ্রাম সিটি কলেজে গ্রাফিতি আঁকা নিয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ১০

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম সিটি কলেজে গ্রাফিতি আঁকা নিয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ১০

‘ছাত্র রাজনীতি’র জায়গায় ‘গুপ্ত রাজনীতি’ লেখাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ ঘটনার পর ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলমান স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষ ও স্নাতকোত্তরের পরীক্ষাগুলো যথারীতি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় কলেজ ক্যাম্পাসে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। দুপুর ১২টার দিকে উভয়পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে পাল্টাপাল্টি স্লোগান দেয়। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘণ্টাব্যাপী ধরে উত্তেজনা চলার পর অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কলেজের একটি ভবনের দেওয়ালে জুলাই-আগস্ট আন্দোলন ঘিরে আঁকা একটি গ্রাফিতির নিচে ‘ছাত্র রাজনীতি ও ছাত্রলীগমুক্ত ক্যাম্পাস’ লেখা ছিল। পরে কলেজ শাখা ছাত্রদলের এক নেতা সেটিতে ‘ছাত্র’ শব্দ মুছে ‘গুপ্ত’ শব্দ লিখে দেন। ফলে লেখাটি হয়ে যায় ‘গুপ্ত রাজনীতি ও ছাত্রলীগমুক্ত ক্যাম্পাস’।

সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দুই সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এর জেরেই সংঘর্ষের সূত্রপাত।

কলেজের একজন শিক্ষক বলেন, সংঘর্ষের কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ব্যাহত হলে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হতে পারতো। সে বিষয়টি বুঝিয়ে বলার পর শিক্ষার্থীরা সরে যান। এরপর দুপুর ১২টার পর থেকে কলেজের অভ্যন্তরীণ ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রাখা হয়।

কলেজের অধ্যক্ষ আবু সালেহ মোহাম্মদ নঈম উদ্দিন গণমাধ্যমে বলেন, দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। প্রথমে শিক্ষকরা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত।

জোট সঙ্গীদের প্রতি উদার জামায়াত

সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের ৮, এনসিপিসহ বাকিদের ৫

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের ৮, এনসিপিসহ বাকিদের ৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে। যেখানে জোট সঙ্গীদের প্রতি উদার মনোভাব দেখিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

সংসদে জামায়াতের যাচ্ছেন ৮জন নারী সদস্য, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে যাচ্ছেন ২জন। এছাড়া জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) একজন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের একজন এবং জুলাই শহীদ পরিবারের একজনকে নারী আসনের সংসদ সদস্য করা হচ্ছে এই জোট থেকে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৬৮টি আসনে জয়ী হয় ১১ দলীয় ঐক্য। সেই হিসেবে তারা ১৩টি নারী আসন পাচ্ছে। ৫০ নারী আসনের ৩৬টি বিএনপি পাচ্ছে। ক্ষমতাসীন দলটি আজ (২০ এপ্রিল) তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। এর পরপরই ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

জামায়াতের মহিলা বিভাগ সূত্র জানিয়েছে; সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য জোট থেকে যাদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে তারা হলেন- নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন নাহার মুন্নি, মাহফুজা সিদ্দিকা, নাজমুন নাহার নীলু, সাজেদা সামাদ, মারদিয়া মমতাজ, মাহমুদা আলম মিতু, মনিরা শারমিন, তাসমিয়া প্রধান, সামসুন নাহার, মাহবুবা হাকিম ও রোকেয়া বেগম।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির একজন নেতা ও কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের শীর্ষস্থানীয় একজন নেত্রী এই নামগুলো গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন। তারা জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে মনোনীত প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হবে।

জামায়াত থেকে যারা সংসদ সদস্য হচ্ছেন, তারা হলেন– কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সাবিকুন নাহার মুন্নি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও মহিলা বিভাগের সদস্য মারদিয়া মমতাজ, মহিলা বিভাগের সদস্য নাজমুন নাহার নীলু, সিলেটের নেত্রী মাহফুজা সিদ্দিকা, বগুড়ার নেত্রী ও সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদা সামাদ এবং খুলনা মহানগরীর সেক্রেটারি সামসুন নাহার।

এনসিপির দু’জন হলেন দলের নারী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’র আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ও সদস্য সচিব মাহমুদা আলম মিতু।

তাসমিয়া প্রধান জাগপার চেয়ারম্যান। তিনি দলটির প্রয়াত চেয়ারম্যান শফিউল আলম প্রধানের মেয়ে। মাহবুবা হাকিম বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নারী মজলিসের সদস্য। তিনি সম্পর্কে দলটির আমির মাওলানা মামুনুল হকের ভাগনি হন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। এছাড়া জুলাই শহীদ শিশু জাবির ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগমকে মনোনয়ন দিয়ে সংসদে নিচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্য।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ মে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন হবে।

নিয়ম অনুযায়ী নারী আসনে সরাসরি নির্বাচন হয় না। সংসদে দলগুলোর আসন সংখ্যার অনুপাতে নারী আসনগুলো বণ্টিত হয়। সংসদের নারী আসন ৫০টি। প্রতি ৬ জন সাধারণ সদস্যের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন হচ্ছে। সে অনুযায়ী, বিএনপি জোট ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্ররা মিলে ১টি সংরক্ষিত আসন পাবে।

নারী আসনে বিএনপি থেকে মনোনীত ৩৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
নারী আসনে বিএনপি থেকে মনোনীত ৩৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণা

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। বিএনপির প্রেস উইং সূত্রে এসব নাম জানা গেছে।

তালিকায় আছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক শিরীন সুলতানা, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক রাশেদা বেগম, সহপ্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক রেহেনা আক্তার, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক বিলকিস ইসলাম, বিএনপি সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে শাকিলা ফারজানা, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা নেওয়াজ হালিমা আরলী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য মাহমুদা হাবিবা, মায়ের ডাক-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম, সহস্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আক্তার, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌসী আহমেদ, প্রয়াত শফিউল বারীর স্ত্রী বীথিকা বিনতে হোসাইন, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানসুরা আক্তারসহ অনেকে।

১৭ এপ্রিল সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার শুরু করে বিএনপি। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেন দলটির মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা। মনোনয়ন পেতে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাত শতাধিক আবেদন জমা পড়ে।

আগামী ১২ মে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন হবে। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি। প্রতি ৬ জন সাধারণ সদস্যের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন হবে। সে অনুযায়ী, বিএনপি জোট ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্ররা মিলে ১টি সংরক্ষিত আসন পাবে।

চট্টগ্রাম সিটি কলেজে গ্রাফিতি আঁকা নিয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ১০ সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের ৮, এনসিপিসহ বাকিদের ৫ নারী আসনে বিএনপি থেকে মনোনীত ৩৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি করলে কেউ ২৪ ঘণ্টাও থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী এক মাসে দাম বাড়লো ২ বার, ১২ কেজি এলপিজি ১৯৪০ টাকা