খুঁজুন
বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১৩ ফাল্গুন, ১৪৩১

১৩ বছর একসাথে থাকার পর বিয়ে করলেন মেহজাবীন

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১২:১১ পূর্বাহ্ণ
১৩ বছর একসাথে থাকার পর বিয়ে করলেন মেহজাবীন

বিভিন্ন সময়ে মেহজাবিনের লিভ টু গেদার নিয়ে বিতর্ক থাকলেও নাটকে জনপ্রিয়তার কারণে সমালোচনা সামনে এগোই নি। দীর্ঘদিন গোপনে চুটিয়ে প্রেম করছিলেন, অবশেষে সেই প্রেমিককেই (নির্মাতা আদনান আল রাজীব) বিয়ে করলেন মেহজাবীন চৌধুরী। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুক) নজরকাড়া কনে সাজের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন।

নিজের বিয়ের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে মেহজাবীন লেখেন, ২০১২ সালের ৯ এপ্রিল একটি বাঁকা দাঁতের ছেলে, তার হাসি ছিল অপূর্ব, সে আমার সাথে দেখা করতে এসেছিল। আমি একটি শুটিং হাউসের টেরেসে দাঁড়িয়েছিলাম, আর সে রাস্তা থেকে আমার দিকে হাত নাড়ল। আমরা মাত্র ১৫ মিনিট কথা বললাম এবং যখন সে চলে গেল আমি অনুভব করলাম আমার হৃদয়ের একটি টুকরোও তার সাথে চলে গেল। আমি তখনই বুঝে ছিলাম, এই হলো সেই মানুষ।

১৩ বছর পর আজ আমরা এখানে একসঙ্গে বেড়ে উঠছি, প্রতিটি উঁচু মুহূর্ত উদযাপন করছি এবং প্রতিটি নিম্ন মুহূর্ত কাটিয়ে উঠছি। তারা বলে সাত বছরের বন্ধুত্ব সারাজীবন স্থায়ী হয়! আমরা এর প্রায় দ্বিগুণ সময় পার করেছি।

২০২৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, আমরা আমাদের বন্ধনকে চিরতরে মজবুত করলাম, হাত ধরে এই যাত্রায় একসঙ্গে চলার প্রতিশ্রুতি দিলাম। আদনান আল রাজীব, আমি তোমাকে আমার আজীবনের সেরা বন্ধু হিসেবে বেছে নিলাম। আমরা যখন এই নতুন অধ্যায় শুরু করছি, আমরা আপনার ভালোবাসা এবং দোয়া চাই, যেন আমাদের জীবন সুখ এবং একসঙ্গে থাকার মধ্য দিয়ে ভরে যায়। পোস্টের সঙ্গে হ্যাশট্যাগ দিয়ে ৪৬৯৪ দিন লেখেন তিনি।

সবশেষে ভক্ত ও অনুসারীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন।

বিয়ের ছবিতে দেখা যায়, মেহজাবীনের পরনে ছিল সাদা লেহেঙ্গা আর আদনানের পরনে খয়েরি শেরওয়ানি।

এর আগে রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর অদূরে একটি রিসোর্টে মেহজাবীনের গায়ে হলুদ হয়। এতে উপস্থিত ছিল দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠজনরা।

২০০৯ লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছিলেন মেহজাবীন। এরপর নাটক, বিজ্ঞাপন ও ওটিটিতে দুর্দান্ত সব চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ছোটপর্দার শীর্ষ অভিনেত্রী হয়ে ওঠেন।

আ’লীগ নেতার হাসপাতালে গিয়ে অবরুদ্ধ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৪ নেতা

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
আ’লীগ নেতার হাসপাতালে গিয়ে অবরুদ্ধ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৪ নেতা

রাজশাহীর বারিন্দ মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে তোপের মুখে অবরুদ্ধ হয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক এক কেন্দ্রীয় সমন্বয়কসহ ৪ জন। পরে তাদের পুলিশ উদ্ধার করে।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে তাদের উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে দুপুরে তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলা হয়েছিল।

তারা হলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মেশকাত চৌধুরী মিশু। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী। বাকিরা হলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংগঠনের জেলা কমিটির মুখ্য সংগঠক সোহাগ সরদার, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল বারী ও রাবির শিক্ষার্থী আল-সাকিব। আব্দুল বারী ও সোহাগ সরদার রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, বারিন্দ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মালিক আওয়ামী সরকারের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তিনি এই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ছিলেন। হাসিনা সরকার পতনের পরে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। তবে শাহরিয়ার আলমের বাবা শামসুদ্দিন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। বর্তমানে তিনি চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে।

বারিন্দ মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. বেলাল উদ্দীন বলেন, তারা গতকাল (সোমবার) এসে সচিবের সঙ্গে কথা বলে গিয়েছিলেন। আজ তার (ডা. বেলাল) সঙ্গে বসার কথা ছিল। কিন্তু তার সঙ্গে না বসে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কক্ষে যান তারা। বিভিন্ন কথাবার্তা বলছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। কলেজে অনুষ্ঠান চলছে। তাই আগে থেকেই পুলিশ ছিল। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পুলিশ সেনাবাহিনীকে খবর দেই। পরে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) কুইক রেসপন্স টিমের (সিআরটি) সদস্যরাও আসেন। তারা চার জনকে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামসুদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এদিকে, সন্ধ্যায় ওই চার ছাত্রনেতাকে নগরীর চন্দ্রিমা থানা থেকে অন্য ছাত্রনেতাদের জিম্মায় দেওয়া হয়।

আরএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের মেডিক্যাল কলেজ থেকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তাই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার বিষয়ে সন্ধ্যায় সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মিশু গণমাধ্যমে একটি লিখিত বক্তব্য পাঠিয়েছেন। এতে তিনি লেখেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে দেশের ছাত্র-জনতার ওপর গণহত্যার সঙ্গে জড়িত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের আশ্রয় প্রশ্রয়ে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছেন। বেশ কয়েক দিন ধরে বারিন্দ মেডিক্যাল কলেজ থেকে আমাদের কাছে বেশ কিছু অভিযোগ আসতে থাকে। সেখানে আওয়ামী লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের বাবার (যিনি শাহরিয়ার আলমের অবর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন) আশ্রয়ে বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী কর্মরত রয়েছেন।’

তিনি আরও লেখেন, ‘চলমান অপারেশন ডেভিল হান্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করতে আমরা সেখানে তথ্য সংগ্রহ করতে যাই। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত সচিব তাজুল ইসলাম রনির সঙ্গে যোগাযোগ করে আমরা প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল ও চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনায় বসি। আলোচনার একপর্যায়ে সেখানে কর্মরত বেশ কয়েকজন অফিস স্টাফ (যারা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত) এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ঢুকে পড়েন এবং আমাদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা শুরু করেন। এর মধ্যে রুম এবং প্রতিষ্ঠানটির বাইরে মব তৈরি করে আমাদের আটকে ফেলা হয় এবং ইচ্ছাকৃত চাঁদাবাজ বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়।’

মিশু লেখেন, ‘আমরা এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছি। অনতিবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।’

ইংল্যান্ডের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অভিযানে বড় ধাক্কা

Sports Desk
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:১৭ অপরাহ্ণ
ইংল্যান্ডের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অভিযানে বড় ধাক্কা

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি কখনও জেতা হয়নি ইংল্যান্ডের। এবার তারা অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে শুরু করেছে মিশন। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে আফগানিস্তানের বিপক্ষে পরের ম্যাচটি তাই ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ইংলিশদের জন্য।

সেই ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা লেগেছে ইংলিশ শিবিরে। ডানহাতি পেসার ব্রাইডন কার্স পায়ের আঙুলের চোটের কারণে বাকি টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছেন। তার জায়গায় ডাকা হয়েছে স্পিনার রেহান আহমেদকে।

লাহোরে শনিবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ ‘বি’র প্রথম ম্যাচে কার্স এই চোট পান। সোমবার ইংল্যান্ডের অনুশীলন সেশনেও তিনি অংশ নিতে পারেননি।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে খেলার জন্য তাকে ফিট মনে করা হয়েছিল, তবে বল হাতে ছন্দ পেতে ব্যর্থ হন তিনি। কার্স ছিলেন সবচেয়ে ব্যয়বহুল বোলার, ৯.৮৫ ইকোনমি রেটে রান খরচ করেন, যেখানে অস্ট্রেলিয়া ৩৫২ রানের রেকর্ড লক্ষ্য তাড়া করে জয় পায়।

ইসির ৬৯ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শোকজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
ইসির ৬৯ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শোকজ

নির্বাচন কমিশনের ৬৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শোকজ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যথাসময়ে অফিসে উপস্থিত না হতে পারায় তাদেরকে শোকজ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের জনবল ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপসচিব স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ওই চিঠিতে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, যথাসময়ে অফিসে উপস্থিত না হতে পারায়, কমিশনের ৬৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে শোকজ করা হয়েছে।