খুঁজুন
শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ২১ ফাল্গুন, ১৪৩২

‘দেশত্যাগ নয় রাজপথে সংখ্যালঘুরা অধিকার আদায়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ’

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১১:১১ অপরাহ্ণ
‘দেশত্যাগ নয় রাজপথে সংখ্যালঘুরা অধিকার আদায়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ’

পাহাড়ে-সমতলে আদিবাসী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে টার্গেট করে পরিচালিত সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা ৫ আগস্ট পরবর্তী ঘটনাবলীর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্যে জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

নেতৃবৃন্দ গভীর ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, সরকার ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করার জন্যে এসব ঘটনাকে ‘রাজনীতিকীকরণের’ অপচেষ্টা করছে। বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ও আদিবাসীরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। এহেন রাজনৈতিক অপকৌশলকে তারা কোনভাবেই মেনে নেবে না। সত্যকে মিথ্যা দিয়ে ঢাকার চেষ্টা থেকে বিরত থাকার জন্যে নেতৃবৃন্দের প্রতি তারা আহ্বান জানান।

আজ শনিবার ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাব চত্বরে অধ্যাপক ড. নিমচন্দ্র ভৌমিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ মিছিলপূর্ব সমাবেশে ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে বক্তৃতা করেন সংগঠনের অন্যতম সভাপতি নির্মল রোজারিও, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রঞ্জন কর্মকার, ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয়, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবীন্দ্রনাথ বসু, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. দিপংকর ঘোষ, পদ্মাবতী দেবী, যুব বিষয়ক সহ-সম্পাদক বলরাম বাহাদুর, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি অতুল চন্দ্র মণ্ডল, যুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি শিমুল সাহা, ছাত্র ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক সজীব সরকার প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, শাক দিয়ে মাছ ঢাকার আজ আর কোন অবকাশ নেই। অনতিবিলম্বে দেশব্যাপী চলমান সাম্প্রদায়িক সহিংসতার অবসানের পাশাপাশি সংখ্যালঘুরা তাদের অস্তিত্ব, স্বার্থ ও অধিকার রক্ষার দাবিতে রাজপথে নেমে এসেছে। এর মধ্যে কোনরূপ বিদেশী চক্রান্ত খোঁজা বিগত সময়ের মত অপকৌশল ও সত্যের অপলাপ মাত্র। তারা দেশত্যাগ নয় বরং রাজপথে ঐক্যবদ্ধভাবে মরনপণ লড়াই সংগ্রাম অব্যাহত রেখে তাদের অস্তিত্ব রক্ষায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এরা সুদূর অতীতকাল থেকেই রাজনীতি সচেতন।

ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সংখ্যালঘুদের অধিকার আদায়ের অগ্রসৈনিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট রাণা দাশগুপ্তের ‘কণ্ঠ’কে রুদ্ধ করার জন্যে তাঁকে ঢাকার দুটো থানায় রুজুকৃত হত্যা মামলায় আসামী করা হয়েছে। দেশের অন্যান্য বেশ কয়েকটি স্থানেও নেতৃবৃন্দের নামে অনুরূপ গায়েবী মামলা করা হয়েছে। রাণা দাশগুপ্তসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে আনীত মিথ্যা মামলা থেকে তাদের নাম প্রত্যাহারের জোর দাবি জানিয়ে তারা বলেন, নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি এবং চলমান সাম্প্রদায়িক সহিংসতার অবসান না হওয়া পর্যন্ত সংখ্যালঘুদের আন্দোলন চলবে।

ঐক্য পরিষদ নেতারা সংখ্যালঘুদের দিকে অহেতুক চোখ রাঙিয়ে বা প্রতারণার মাধ্যমে তাদের সাথে ছলচাতুরী না করার জন্যে সরকার ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের মানবাধিকার নেতা এ্যাডভোকেট রাণা দাশগুপ্তসহ বিভিন্ন জেলার সংখ্যালঘু নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, ৪ আগস্ট পরবর্তী সারাদেশে সংঘটিত সকল মানবতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক সহিংস ঘটনাবলীর সাথে যুক্ত দুষ্কৃতিকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান, পাহাড় ও সমতলে সংঘটিত সকল সাম্প্রদায়িক সহিংসতার জাতিসংঘের তত্ত¡াবধানে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত ও অনতিবিলম্বে সংখ্যালঘুদের ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানী ঢাকাসহ ময়মনসিংহ, সিরাজগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ,

মুন্সিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ফেণী, কুমিল্লা, ঝিনাইদহ, রংপুর, যশোর, ফরিদপুর, দিনাজপুর, সাতক্ষিরা, বরিশাল, পটুয়াখালীসহ দেশের প্রায় ৫২টি জেলা ও মহানগরে প্রতিবাদ ও সমাবেশ কর্মসূচী পালিত হয়। যেখানে হাজার হাজার সংখ্যালঘু ও আদিবাসী নারী-পুরুষ, যুব, শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে ঘোষণা হয়, আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চলমান থাকবে।
প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে ঢাকায় একটি বিক্ষোভ মিছিল পল্টন মোড় ঘুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়।

ড্রাইভারের সঙ্গে পরকীয়া: মুখ খুললেন ডলি সায়ন্তনী

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
ড্রাইভারের সঙ্গে পরকীয়া: মুখ খুললেন ডলি সায়ন্তনী

একসময়ের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি ডলি সায়ন্তনী ও রবি চৌধুরী। বিচ্ছেদের পর দীর্ঘদিন তারা এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। তবে রবির এক বক্তব্যে আবারও আলোচনায় এসেছে এই জুটির সম্পর্ক।

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে সাবেক স্ত্রী ডলি সায়ন্তনীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তোলেন রবি চৌধুরী।

তিনি দাবি করেন, বিপ্লব নামের এক ড্রাইভারের সঙ্গে ডলির সম্পর্ক ছিল। তার মতে, এই ঘটনাই তাদের সংসার ভাঙার অন্যতম কারণ।

এদিকে রবি চৌধুরীর এমন অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন ডলি সায়ন্তনী।

ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি তাদের পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এসব তথ্য ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক।’

ডলি সায়ন্তনী বলেন, ‘ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি নিয়ে বিতর্কে যেতে চাই না। সম্মান ও আইনের প্রতি আস্থা রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।’

ব্যক্তিগত বিষয়কে অযথা আলোচনার বিষয় না বানানোরও অনুরোধ জানান তিনি।

একই সঙ্গে বলেন, ‘আমাদের নীরবতাকে দুর্বলতা ভাবার কোনো সুযোগ নেই। আমরা আমাদের মতো আছি, বাকিটা সময়ের হাতে।’

ডিভোর্স প্রসঙ্গে ডলি সায়ন্তনী স্পষ্ট করে বলেন, ‘ডিভোর্স আমি দিয়েছিলাম। কেন দিয়েছিলাম সেটি এই মুহূর্তে আর বলতে চাই না। ডিভোর্স দেওয়ার পর সেই সময়েই প্রকাশ্যে প্রেস কনফারেন্সে বিস্তারিত বলে দিয়েছিলাম।

অতএব এতবছর পর এসব নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক বিভ্রান্তি তৈরির কোনো সুযোগ নেই।’

এদিকে ওই পডকাস্টে রবি চৌধুরী দাবি করেন, ডলির ফোনে একটি নম্বর ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা ছিল।

বিষয়টি নিয়ে তার মনে সন্দেহ তৈরি হয়। পরে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, ওই ব্যক্তির আসল নাম বিপ্লব। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় গাড়ি চালান। ডলি ও রবি কোরিয়া সফরে গেলে এই বিপ্লবই তাদের গাড়ি চালাতেন।

রবি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি ডলির পরিবারের সঙ্গেও কথা বলেন। ডলির বড় ভাই সংগীতশিল্পী বাদশা বুলবুল-এর সঙ্গে নম্বরটি যাচাই করেন। তখন জানা যায়, ওই নামে তাদের পরিবারের কোনো দুলাভাই নেই। এরপর নিজের সন্দেহ নিশ্চিত হয়ে ডলিকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান রবি চৌধুরী।

সচিবালয়ে নিজের কক্ষের বিদ্যুৎ ব্যবহার কমালেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
সচিবালয়ে নিজের কক্ষের বিদ্যুৎ ব্যবহার কমালেন প্রধানমন্ত্রী

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সচিবালয়ে নিজের কক্ষের অর্ধেক লাইট ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে সকল মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে এসে এই উদ্যোগ নেন।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকাল ৯টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে আসেন। তিনি অফিসে এসে নিজ কক্ষের ৫০ শতাংশ লাইটের সুইচ অফ করে দেন এবং এসির বিদ্যুৎ প্রবাহ ২৫ দশমিক ১ মাত্রায় নিয়ে আসেন। এই মাত্রা নিলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। সেইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে মন্ত্রিসভায় বৈঠকে প্রবেশ করেই কক্ষের অর্ধেক লাইট বন্ধ করে দিতে এবং এসির মাত্রা কমিয়ে দিতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই ব্যক্তিক্রমী উদ্যোগের পরে তার দপ্তরের সব কক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে অর্ধেক লাইট বন্ধ এবং এসির মাত্রা কমানো হয়।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ের সকল মন্ত্রণালয়, সারাদেশে সরকারি অফিস-আদালত, বেসরকারি ভবন, শপিংমল, বিপণিবিতানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। লাইট কম ব্যবহার করে দিনের বেলা অফিস বা বাড়ি-ঘরের পর্দার জানালার সরিয়ে সূর্যের আলো ব্যবহারের জন্য সবাইকে প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন।

ভোট কারচুপির রাজস্বাক্ষী: রিজওয়ানা হাসান, খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ ও বিচার দাবি জামায়াতের

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
ভোট কারচুপির রাজস্বাক্ষী: রিজওয়ানা হাসান, খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ ও বিচার দাবি জামায়াতের

বিগত নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা কারচুপির বিষয়ে সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসানকে ‘রাজসাক্ষী’ উল্লেখ করে তাকে ও বর্তমান সরকারের মন্ত্রী খলিলুর রহমানকে দ্রুত জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির অভিযোগ, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে থেকে তারা সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করেছেন এবং নির্দিষ্ট দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে সমসাময়িক বিষয়ে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন জামায়াতের নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।

নির্বাচনী কারচুপি প্রসঙ্গে ড. তাহের বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’য়ের বিষয়ে আমরা নানা অভিযোগ ইতিমধ্যেই তুলে ধরেছি। কিছু আসনের বিষয়ে আদালতেও যাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে গতকালকে আমরা একটা রাজসাক্ষী পেয়েছি, যিনি সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান। সরকারের কাছে দাবি থাকবে, রিজওয়ানা হাসানকে দ্রুত জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনতে হবে।’

সাবেক উপদেষ্টা ও বর্তমান মন্ত্রী খলিলুর রহমানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘খলিলুর রহমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে থেকে বিএনপির পারপাস সার্ভ করেছেন। যে কারণে তিনি পুরস্কৃত হয়ে বর্তমান বিএনপি সরকারের মন্ত্রী হয়েছেন। ওনারা অন্তর্বর্তী সরকারে থেকে সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করেছেন। খলিলুর রহমানকেও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনতে হবে।’

আদালতে গণভোট নিয়ে হওয়া রিট প্রসঙ্গে জামায়াতের এই নেতা অভিযোগ করেন, সরকারের ইঙ্গিতেই এই রিট হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আদালতকে আমরা স্বাধীন দেখতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তা হয়নি। আমরা এ বিষয়টি আদালত, আদালতের বাইরে ও সংসদে সমানভাবে মোকাবেলা করবো।’ এ সময় তিনি ১২ মার্চ সংসদ বসার দিন থেকেই ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবি জানান।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ড. তাহের বলেন, ‘ভেবেছিলাম নির্বাচনের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে। কিন্তু নির্বাচনের এতোদিন পরও বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুর, হামলা, ধর্ষণ ও খুনের মতো ঘটনা ঘটছে।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিজস্ব লোক বসিয়ে আগের সরকারের মতো ‘দলীয়করণ’ করছে।

বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, বিরোধী দলকে ডেপুটি স্পিকার দিতে চাওয়ার বিষয়ে লিখিত প্রস্তাবনা দেওয়া জরুরি। তাহলে আমাদের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে।

ব্রিফিংয়ে ডা. তাহের জানান, মার্কিন পররাষ্ট্র সহকারীর সঙ্গে বাংলাদেশে-মার্কিন ইনভেস্টমেন্ট, ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে কথা হয়েছে। বাংলাদেশ নিজেদের স্বার্থ বজায় রেখে সবার সুসম্পর্ক রাখতে চায় এটা আমরা জানিয়েছি। চলমান যুদ্ধের বিষয়ে আমরা বলেছি আমরা যুদ্ধের বিরোধী। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে আমাদের কিছু পর্যবেক্ষণ আছে, তবে এটাকে এখনি আমরা বিরোধীতা করছি না।

ড্রাইভারের সঙ্গে পরকীয়া: মুখ খুললেন ডলি সায়ন্তনী সচিবালয়ে নিজের কক্ষের বিদ্যুৎ ব্যবহার কমালেন প্রধানমন্ত্রী ভোট কারচুপির রাজস্বাক্ষী: রিজওয়ানা হাসান, খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ ও বিচার দাবি জামায়াতের আসিফের বিরুদ্ধে মাদক মামলা: হতে পারে ৫ বছরের সাজা হরমুজ প্রণালি বন্ধ হলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলারে উঠতে পারে