খুঁজুন

নিমে নিরাময় হয় যে সব রোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
নিমে নিরাময় হয় যে সব রোগ

নিমে যে সব রোগের নিরাময় হয়, তা সকলেরই জানা প্রয়োজন। নিমের পাতা থেকে আজকাল প্রসাধনীও তৈরি হচ্ছে। নিম ওষুধি গাছ যার ডাল, পাতা, রস, সবই কাজে লাগে। শুধু নিম দিয়েই নিরাময় হয় যে সব রোগ। নিমের পাতা থেকে আজকাল প্রসাধনীও তৈরি হচ্ছে। কৃমিনাশক হিসেবে নিমের রস খুবই কার্যকর।

নিমের কাঠও খুবই শক্ত। এ কাঠে কখনো ঘুণ ধরে না। পোকা বাসা বাঁধে না। উইপোকা খেতে পারে না। নিমের এই গুণাগুণের কথা বিবেচনা করেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘একুশ শতকের বৃক্ষ’ বলে ঘোষণা করেছে।

“”নিমে যে সব রোগের নিরাময় হয়””

খোস পাচড়া বা চুলকানি:

নিম পাতা সিদ্ধ করে সেই জল দিয়ে স্নান করলে খোসপাচড়া চলে যায়। পাতা বা ফুল বেটে গায়ে কয়েকদিন লাগালে চুলকানি ভালো হয়। পাতা ভেজে গুড়া করে সরিষার তেলের সাথে মিষিয়ে চুলকানিতে লাগালে যাদুর মতো কাজ হয়।

নিম পাতার সাথে সামান্য কাঁচা হলুদ পিষে নিয়ে আক্রান্ত স্থানে প্রলেপ আকারে ৭-১০ দিন ব্যবহার করলে খোস-পাঁচড়া ও পুরনো ক্ষতের উপশম হয়। নিম পাতা ঘিয়ে ভেজে সেই ঘি ক্ষতে লাগালে ক্ষত অতি সত্বর আরোগ্য হয়।

কৃমিনাশক:

পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। পেটে বড় হয়। চেহারা ফ্যকাশে হয়ে যায়।

বাচ্ছাদের পেটে কৃমি নির্মূল করতে নিমের পাতার জুড়ি নেই। শিশুরাই বেশি কৃমি আক্রান্তের শিকার হয়। এ জন্য ৫০ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিম গাছের মূলের ছালের গুড়া দিন ৩ বার সামান্য গরম জল সহ খেতে হবে। আবার ৩-৪ গ্রাম নিম ছাল চূর্ণ সামান্য পরিমাণ সৈন্ধব লবণসহ সকালে খালি পেটে সেবন করে গেলে কৃমির উপদ্রব হতে রক্ষা পাওয়া যায়। নিয়মিত এক সপ্তাহ সেবন করে যেতে হব। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ১-২ গ্রাম মাত্রায় সেব্য।

রূপচর্চায়:

বহুদিন রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। আবার ঘরে তৈরি নিমের বড়িও খাওয়া যেতে পারে। বড়ি তৈরি করতে নিমপাতা ভালোভাবে ধুয়ে বেটে নিন। এবার হাতে ছোট ছোট বড়ি তৈরি করুন। বড় ডিশে ফ্যানের বাতাসে একদিন রেখে দিন। পরদিন রোদে শুকোতে দিন। নিমের বড়ির জল একেবারে শুকিয়ে এলে এয়ারটাইট বয়ামে সংরক্ষণ করুন। নিমপাতা ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়া বিরোধী। তাই ত্বকের সুরক্ষায় এর জুড়ি নেই। ব্রণের সংক্রমণ হলেই নিমপাতা থেঁতো করে লাগালে ভালো ফল নিশ্চিত। মাথার ত্বকে অনেকেরই চুলকানি ভাব হয়, নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগালে এই চুলকানি কমে। নিয়মিত নিমপাতার সাথে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি ও স্কিন টোন ঠিক হয়। তবে হলুদ ব্যবহার করলে রোদ এড়িয়ে চলাই ভালো। নিমপাতার চেয়ে হলুদের পরিমাণ কম হবে। নিমপাতা সিদ্ধ জল গোসলের জলর সাথে মিশিয়ে নিন। যাদের স্কিন ইরিটেশন এবং চুলকানি আছে তাদের এতে আরাম হবে আর গায়ে দুর্গন্ধের ব্যাপারটাও কমে যাবে আশা করা যায়।

দাঁতের রোগ:

দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার প্রচলন রয়েছে সেই প্রাচীনকাল থেকেই। নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দন্ত রোগ থেকেও। কচি নিম ডাল দিয়ে দাঁত মাজলে দাঁত ভালো থাকে। নিম পাতার নির্যাস জলে মিশিয়ে বা নিম দিয়ে মুখ আলতোভাবে ধুয়ে ফেললে দাঁতের আক্রমণ, দাঁতের পচন, রক্তপাত ও মাড়ির ব্যথা কমে যায় এবং বুকে কফ জমে গেলে নিম পাতা বেটে এর ৩০ ফোঁটা রস সামান্য গরম জলে মিশিয়ে দিনে তিন থেকে চারবার খেলে উপকার পাওয়া যায়।

রক্তের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে:

নিম ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে চমৎকার ভাবে কাজ করে। নিমের পাতা রক্তের সুগার লেভেল কমতে সাহায্য করে। এছাড়াও রক্ত নালীকে প্রসারিত করে রক্ত সংবহন উন্নত করে। ভালো ফল পেতে নিমের কচি পাতার রস প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পান করুন। সকালে খালি পেটে ৫টি গোলমরিচ ও ১০টি নিম পাতা বেটে খেলে তা ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে।

চুলের যত্নে:

উজ্জ্বল, সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন চুল পেতে নিম পাতার অবদান অপরিসীম। চুলের খুশকি দূর করতে শ্যাম্পু করার সময় নিমপাতা সিদ্ধ জল দিয়ে চুল ম্যাসেজ করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। খুশকি দূর হয়ে যাবে। চুলের জন্য নিম পাতার ব্যবহার অদ্বিতীয়। চুলে প্রতি সপ্তাহে ১ দিন নিমপাতা ভালো করে বেটে চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টার মতো রাখুন। এবার ১ ঘণ্টা পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুল পড়া কমার সাথে সাথে চুল নরম ও কোমল হবে। মধু ও নিমপাতার রস একত্রে মিশিয়ে সপ্তাহে কমপক্ষে ৩ দিন চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত লাগান। এবার ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর শ্যাম্পু করুন আর অধিকারী হোন ঝলমলে সুন্দর চুলের। এক চা চামচ আমলকির রস, এক চা চামচ নিমপাতার রস, এক চা চামচ লেবুর রস, প্রয়োজন অনুযায়ী টকদই মিশিয়ে সপ্তাহে ২ দিন চুলে লাগিয়ে আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর শ্যাম্পু করুন।

উকুন বিনাশে:

নিমের ব্যবহারে উকুনের সমস্যা দূর হয়। নিমের পেস্ট তৈরি করে মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন, তারপর মাথা শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন এবং উকুনের চিরুনি দিয়ে মাথা আঁচড়ান। সপ্তাহে ২-৩ বার ২ মাস এভাবে করুন। উকুন দূর হবে।

খুশকি বিনাশে:

নিমের ব্যাকটেরিয়া নাশক ও ছত্রাক নাশক উপাদানের জন্য খুশকির চিকিৎসায় কার্যকরী ভূমিকা রাখে। নিম মাথার তালুর শুষ্কতা ও চুলকানি দূর করে। খুশকির চিকিৎসায় নিমের ব্যাকটেরিয়া নাশক ও ছত্রাক নাশক উপাদানের জন্য খুশকির চিকিৎসায় কার্যকরী ভূমিকা রাখে। নিম মাথার তালুর শুষ্কতা ও চুলকানি দূর করে। চার কাপ জলে এক মুঠো নিমের পাতা দিয়ে গরম করতে হবে যতক্ষণ না জলটা সবুজ বর্ণ ধারণ করে এই জল ঠান্ডা হলে চুল শ্যাম্পু করার পর এই জল দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। নিমের জল কন্ডিশনারের মত কাজ করবে। সপ্তাহে ২-৩বার ব্যবহার করুন যতদিন না খুশকি দূর হয়।

ওজন কমাতে:

যদি আপনি ওজন কমাতে চান বিশেষ করে পেটের তাহলে নিমের ফুলের জুস খেতে হবে আপনাকে। নিমফুল মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে শরীরের চর্বি ভাঙতে সাহায্য করে। একমুঠো নিমফুল চূর্ণ করে নিয়ে এর সাথে এক চামচ মধু এবং আধা চামচ লেবুর রস দিয়ে ভালোভাবে মিশান। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই মিশ্রণটি পান করুন। দেখবেন কাজ হবে।

রক্ত পরিষ্কার করে:

নিমপাতার রস রক্ত পরিষ্কার করে ও রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়। এছাড়াও রক্ত চলাচল বাড়িয়ে হৃৎপিণ্ডের গতি স্বাভাবিক রাখে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও নিমের জুড়ি নেই।

ঠান্ডাজনিত বুকের ব্যথা:

অনেক সময় বুকে কফ জমে বুক ব্যথা করে। এ জন্য ৩০ ফোটা নিম পাতার রস সামান্য গরম জলে মিশিয়ে দিতে ৩/৪ বার খেলে বুকের ব্যথা কমবে। গর্ভবতীদের জন্য ঔষধটি নিষেধ।

পোকা-মাকড়ের কামড়:

পোকা মাকড় কামড় দিলে বা হুল ফোঁটালে নিমের মূলের ছাল বা পাতা বেটে ক্ষত স্থানে লাগালে ব্যথা উপশম হবে।

জন্ডিস:

জন্ডিস হলে প্রতিদিন সকালে নিম পাতার রস একটু মধু মিশিয়ে খালি পেটে খেতে হবে। ২৫-৩০ ফোঁটা নিম পাতার রস একটু মধুর সাথে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে জন্ডিস আরোগ্য হয়। জন্ডিস হলে এক চামচ রসের সাথে একটু মধু মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খান। পুরোপুরি নিরাময় হতে এক সপ্তাহ চালিয়ে যেতে হবে।

ভাইরাস রোগ:

ভারতীয় উপমহাদেশে ভাইরাল রোগ নিরাময়ে নিম ব্যবহৃত হয়। নিমপাতার রস ভাইরাস নির্মূল করে। আগে চিকেন পক্স, হাম ও অন্য চর্মরোগ হলে নিমপাতা বাটা লাগানো হতো। এছাড়াও নিমপাতা জলে সিদ্ধ করে সে জল দিয়ে স্নান করলে ত্বকের জ্বালাপোড়া ও চুলকানি দূর হয়।

ম্যালেরিয়া:

গ্যাডোনিন উপাদান সমৃদ্ধ নিম ম্যালেরিয়ার ওষুধ হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও নিমপাতা সিদ্ধ জল ঠান্ডা করে স্প্রে বোতলে রাখুন। প্রতিদিন ঘরে স্প্রে করলে মশার উপদ্রব কমে যাবে।

বাতের ব্যথা সারাতে:

নিমপাতা, নিমের বীজ ও বাকল বাতের ব্যথা সারাতে ওষুধ হিসেবে কাজ করে। বাতের ব্যথায় নিমের তেলের ম্যাসাজও বেশ উপকারী। নিমপাতা, নিমের বীজ ও বাকল বাতের ব্যথা সারাতে ওষুধ হিসেবে কাজ করে। বাতের ব্যথায় নিমের তেলের ম্যাসাজও বেশ উপকারী।

চোখে চুলকানি হলে:

চোখে চুলকানি হলে নিমপাতা জলে দশ মিনিট সিদ্ধ করে ঠান্ডা করে নিন। চোখে সেই জলর ঝাপটা দিন। আরামবোধ করবেন।

ব্রণ দূর করতে:

নিমপাতার গুঁড়ো জলে মিশিয়ে মুখ ধুতে পারেন। এতে ব্রণ দূর হবে এবং ব্রণ থেকে তৈরি জ্বালাপোড়া ভাবও দূর হবে। এটা ব্রণ দূর করার একটি কার্যকর পদ্ধতি।

ছত্রাকের ইনফেকশন দূর করতে:

যদি আপনার পায়ে কোন ফাঙ্গাল ইনফেকশন থাকে নিম ব্যবহার করুন। নিমে নিম্বিডল এবং জেডুনিন আছে যা ফাঙ্গাস ধ্বংস করতে পারে। নিম পাতার পেস্ট বানিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগালে নিরাময় লাভ করা যায়। আক্রান্ত স্থানে কয়েক ফোঁটা নিমের তেল দিনে তিনবার লাগালেও ভালো ফল পাওয়া যায়।

ক্ষত নিরাময়ে:

হয়তো চিন্তা করছেন নিম কীভাবে ক্ষত দূর করবে? হ্যাঁ, নিমপাতা ক্ষত নিরাময়েও বেশ উপকারী। নিমপাতা বেটে ক্ষতস্থানে লাগিয়ে রাখতে পারেন। এর অ্যান্টিমাক্রোবাইয়াল উপাদান ক্ষত নিরাময়ে দ্রুত কাজ করবে।

অজীর্ণ:

অনেকদিন পেটে অসুখ? পাতলা পায়খানা হলে ৩০ ফোটা নিম পাতার রস, এক কাপ জলর ৪/১ ভাগ জলর সঙ্গে মিশিয়ে সকাল-বিকাল খাওয়ালে উপকার পাওয়া যাবে।

অ্যালার্জি:

অ্যালার্জির সমস্যায় নিম পাতা ফুটিয়ে স্নান করুন। অ্যালার্জি যাবে ১০০ হাত দূরে। তাছাড়া কাঁচা হলুদ ও নিম পাতা একসাথে বেঁটে শরীরে লাগান। অ্যালার্জি কমবেই।

একজিমা:

একজিমা, ফোড়া অথবা বিভিন্ন ধরনের ত্বকের সমস্যা নিরাময়ে নিম খুব কার্যকর। ত্বকের যেসব জায়গায় এ ধরনের সমস্যা রয়েছে সেখানে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন।

সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফীক নাওয়াজ মারা গেছেন

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৪ পূর্বাহ্ণ
সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফীক নাওয়াজ মারা গেছেন

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

রাত পৌনে ১২টায় কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের ডিউটি ম্যানেজার বলেন, “উনি একটু আগে মারা গেছেন। আপাতত আমরা শুধু এতটুকু তথ্যই দিতে পারি।”

দীপু মনির বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু বলেন, “রাত ১০টা ২৭ মিনিটে তিনি মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।”

কোথায় কখন দাফন এবং জানাজা হবে, তা বুধবার দুপুরের পর সিদ্ধান্ত হবে বলেও জানান টিপু।

২০১৯ সালে স্ট্রোক করেন তৌফিক নেওয়াজ। গত ২৭ মে হুইলচেয়ারে করে কারাবন্দী স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করাতে তাকে আদালতে নিয়ে গিয়েছিলেন স্বজনেরা।

পেশায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ছিলেন তৌফীক নাওয়াজ, যিনি ধ্রুপদি সংগীতের চর্চাও করতেন।

“সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ’র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি

স্টাফ রিপোর্টার:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
“সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ’র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি

“একটি গাছ একটি প্রাণ, সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন” স্লোগানকে সামনে রেখে শিক্ষা, মানবতা ও সমৃদ্ধির পতাকাবাহী সামাজিক সংগঠন, ঐতিহ্যবাহী সভ্যতার ভবানীগঞ্জ কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। যা নিয়ে রীতিমতো এলাকাবাসীর প্রশংসায় ভাসছেন সংগঠনটির সকলে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের জিয়ার খালের দুই পাড়ে সংগঠনটির একঝাঁক তরুণদের উদ্যোগে এই মহৎ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এসময় অমলকি, জলপাই, তেতুল, হরিতকি, অর্জুন, চালতা, আতা সহ বিভিন্ন ধরনের প্রায় শতাধিক ফল ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়।

উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে স্থানীয় যুবসম্প্রদায় সহ সভ্যতার ভবানীগঞ্জের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে তারা নিয়মিত এমন উদ্যোগের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর দুই দেশের জন্যই ফলপ্রসূ হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক বিদ্যাভূষণ সোনি। তিনি মনে করছেন, তারেক রহমান ভারতে না এলে এই সুযোগ হারিয়ে যেতে পারে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের পথও খোলা নাও থাকতে পারে।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআইকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বিদ্যাভূষণ সোনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এই সফরের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় সমস্যা সমাধানের পথও খুলতে পারে।

সাক্ষাৎকারে সোনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে অনেক বিষয় এখনও অমীমাংসিত রয়েছে। এর মধ্যে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বেশিরভাগ বিষয়ে দুই দেশ একমত হলেও পরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি।

সোনি বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যার সমাধানেও বাংলাদেশ ভারতের আরও সক্রিয় ভূমিকা চায়। তার মতে, এ ক্ষেত্রে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা ছাড়া ভারতের তেমন কিছু করার নেই। কারণ, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ ভারতের কথা শুনতে পারে। তারেক রহমানের ভারত সফরের মাধ্যমে সেই সুযোগ তৈরি হলে বাংলাদেশ ভারতকে এসব সমস্যা সমাধানে তার প্রভাব কাজে লাগানোর অনুরোধ করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তুলনামূলকভাবে ‘অনেক বেশি খোলামেলা’ এবং ‘ভারতবিরোধী নন’ বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যাভূষণ সোনি। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন সোনি। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, তারেক রহমান তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি খোলামেলা মানুষ। তিনি ভারতবিরোধী নন এবং নিজে এমন কোনও বক্তব্যও দেননি, যেটিকে ভারতের বিরুদ্ধে বলে মনে করা যায়। তাই ভারতও সতর্কভাবে এই সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করছে।’

তিনি বলেন, দুই দেশের সরকারি মুখপাত্ররা এখন পর্যন্ত যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, সেগুলো মূলত রাজনৈতিক বক্তব্য। তবে দুই দেশের রাজনীতিবিদরা এ বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। তাই তারেক রহমানের ভারত সফরের এখনও সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

সোনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে খুবই আশাবাদী’। তার মতে, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর এই সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া করা উচিত নয়। তিনি বলেন, ‘তিনি (তারেক রহমান) যদি না আসেন, তাহলে এই সুযোগটি হারিয়ে যাবে। দীর্ঘ সময়ের জন্য এই যোগাযোগের পথ খোলা নাও থাকতে পারে। আমরা কেউই এই সুযোগ হারাতে চাই না। তাই আমি বেশ আশাবাদী।’

তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে নয়াদিল্লি ও ঢাকার কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। গত রোববার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শহীদুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তারেক রহমান দিল্লিতে গেলে সেটি হবে ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেয়ার পর তার প্রথম ভারত সফর। সফর নিয়ে আলোচনা চললেও এখনও কোনও চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফীক নাওয়াজ মারা গেছেন "সবুজ ভুবন আমাদেরই প্রয়োজন" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সভ্যতার ভবানীগঞ্জ'র বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি তারেক রহমান ভারত না এলে যোগাযোগের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে: সাবেক কূটনীতিক ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা: ঢাবি ছাত্রদল নেতা আজীবন বহিষ্কার প্রবাসীর পাল্টা অভিযোগ: খাসির জন্য নয়, ১০ গুণ দেনমোহর ধরায় ভেঙেছে বিয়ে