২০৩০ সালের মধ্যে ১০ শতাংশ রাজস্ব বৃদ্ধি করা হবে: তিতুমীর
২০৩০ সালের মধ্যে ১০ শতাংশ রাজস্ব বৃদ্ধি করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাজবাড়ী পৌরসভার মিলনায়তনে রাজবাড়ী জেলার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেসব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ক্ষমতাচ্যুত সরকার দেশের ব্যাংকিং খাতের যে পরিস্থিতি রেখে গেছে, তা পুনরুদ্ধারে কাজ করা হচ্ছে। এ ছাড়া দেশ থেকে লুট করে নেওয়া ৪০ বিলিয়ন ডলার পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বন্ধ কলকারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ সামাজিক খাতে ধারাবাহিকভাবে সরকারি ব্যয় বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক মনে করে, সরকার সুনির্দিষ্ট সংস্কার কর্মসূচি নির্ধারণ করেছে। এসব সংস্কার বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
অবশেষে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নিলো ইসি
রাজশাহীতে ধর্মসভা মন্দিরে ১০ লাখ টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী
বিশ্বের ইতিহাসে এত বড় চোরের দল মানুষ দেখেনি : স্পিকার
রংপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী
চাঁদাবাজ ধরিয়ে দেওয়ার তথ্য দিয়ে নিজেই করতেন চাঁদাবাজি
ধর্মের নামে কেউ যেন বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে না পারে: রাষ্ট্রপতি

আরও পড়ুন
২০৩০ সালের মধ্যে ১০ শতাংশ রাজস্ব বৃদ্ধি করা হবে: তিতুমীর
২০৩০ সালের মধ্যে ১০ শতাংশ রাজস্ব বৃদ্ধি করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাজবাড়ী পৌরসভার মিলনায়তনে রাজবাড়ী জেলার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেসব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ক্ষমতাচ্যুত সরকার দেশের ব্যাংকিং খাতের যে পরিস্থিতি রেখে গেছে, তা পুনরুদ্ধারে কাজ করা হচ্ছে। এ ছাড়া দেশ থেকে লুট করে নেওয়া ৪০ বিলিয়ন ডলার পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বন্ধ কলকারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ সামাজিক খাতে ধারাবাহিকভাবে সরকারি ব্যয় বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক মনে করে, সরকার সুনির্দিষ্ট সংস্কার কর্মসূচি নির্ধারণ করেছে। এসব সংস্কার বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে।
