অবশেষে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নিলো ইসি
বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবিষ্যৎ কোনো নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং পুরনো ও অব্যবহৃত ইভিএমগুলো নিষ্কাশন বা ধ্বংস করার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করছে।
জুলাই ২০২৫ সালে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় যে, ভবিষ্যতে দেশের কোনো নির্বাচনে আর ইভিএম ব্যবহার করা হবে না। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসেও ইসি পুনরায় নিশ্চিত করেছে যে আগামী কোনো নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে না।
প্রায় ৩৮ হাজার ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে কেনা দেড় লাখ ইভিএম এখন কমিশনের জন্য একটি বড় বোঝা ও গুদামে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া ও অকেজো হয়ে পড়ায় এসব মেশিন পুড়িয়ে ফেলা বা পরিবেশসম্মত উপায়ে ধ্বংস করার চিন্তাভাবনা ও প্রস্তাব এসেছে। তবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর তদন্ত এবং অডিট আপত্তির কারণে চাইলেও তাৎক্ষণিকভাবে ইভিএমগুলো ধ্বংস করতে আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতায় পড়েছে ইসি।
টিআইবি জানিয়েছে, ইভিএমগুলোতে সার্কিট বোর্ড, মাইক্রোকন্ট্রোলার ও প্লাস্টিক রয়েছে; তাই যথাযথ পরিবেশগত নিয়ম না মেনে এগুলো খোলা স্থানে বা অনিয়ন্ত্রিতভাবে পোড়ালে পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
সম্পর্কিত খবর
রাজশাহীতে ধর্মসভা মন্দিরে ১০ লাখ টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী
বিশ্বের ইতিহাসে এত বড় চোরের দল মানুষ দেখেনি : স্পিকার
রংপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী
চাঁদাবাজ ধরিয়ে দেওয়ার তথ্য দিয়ে নিজেই করতেন চাঁদাবাজি
ধর্মের নামে কেউ যেন বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে না পারে: রাষ্ট্রপতি
ধর্ম আলাদা হতে পারে, রাষ্ট্র সবার: প্রধানমন্ত্রী

আরও পড়ুন
অবশেষে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নিলো ইসি
বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবিষ্যৎ কোনো নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং পুরনো ও অব্যবহৃত ইভিএমগুলো নিষ্কাশন বা ধ্বংস করার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করছে।
জুলাই ২০২৫ সালে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় যে, ভবিষ্যতে দেশের কোনো নির্বাচনে আর ইভিএম ব্যবহার করা হবে না। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসেও ইসি পুনরায় নিশ্চিত করেছে যে আগামী কোনো নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে না।
প্রায় ৩৮ হাজার ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে কেনা দেড় লাখ ইভিএম এখন কমিশনের জন্য একটি বড় বোঝা ও গুদামে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া ও অকেজো হয়ে পড়ায় এসব মেশিন পুড়িয়ে ফেলা বা পরিবেশসম্মত উপায়ে ধ্বংস করার চিন্তাভাবনা ও প্রস্তাব এসেছে। তবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর তদন্ত এবং অডিট আপত্তির কারণে চাইলেও তাৎক্ষণিকভাবে ইভিএমগুলো ধ্বংস করতে আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতায় পড়েছে ইসি।
টিআইবি জানিয়েছে, ইভিএমগুলোতে সার্কিট বোর্ড, মাইক্রোকন্ট্রোলার ও প্লাস্টিক রয়েছে; তাই যথাযথ পরিবেশগত নিয়ম না মেনে এগুলো খোলা স্থানে বা অনিয়ন্ত্রিতভাবে পোড়ালে পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
