খুঁজুন

১৫ বছরে তার বিরুদ্ধে মামলা নেই একটিও

বিএনপি করেও আ.লীগ আমলে হয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
বিএনপি করেও আ.লীগ আমলে হয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা

বিএনপি আমলে একাধিক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন টাঙ্গাইলের লুতফুর রহমান খান আজাদ। বর্তমানে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন।

কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো, বিগত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগের শাসনামলে যেখানে সারা দেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে লাখ লাখ মামলা হয়েছে, সেখানে লুৎফুর রহমান আজাদের বিরুদ্ধে একটি মামলাও হয়নি। এমনকি বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় গঠিত হয়। সে সময় মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ওই সময় তিনি নিজেকে কখনো মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবি করেননি। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে আঁতাত করে গত ২১ জুন, ২০২২ সালে তিনি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটপ্রাপ্ত হন। এ নিয়ে তার নির্বাচনি এলাকায় নানা ধরনের মুখরোচক আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে। আওয়ামী লীগ আমলে মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে লুৎফুর রহমান খান আজাদ বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার কোনো চেষ্টা করিনি। ভেবেছিলাম এমনিতেই তালিকায় আমার নাম থাকবে। কিন্তু তখন মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় আমার নাম ওঠেনি। পরবর্তীতে নানা চড়াই-উতরাই পার হয়ে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযোগ, লুৎফর রহমান আজাদ বিগত সময়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে নিজে মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট নিয়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপি করার অপরাধে অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার গেজট বাতিল করা হয়েছে। ঘাটাইল পৌরসভা বিএনপি সভাপতি আব্দুল বাসেত করিম একজন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র বিএনপির রাজনীতি করার কারণে তার মুক্তিযোদ্ধার ভাতা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সেখানে বিএনপির রাজনীতি করেও আওয়ামী লীগ আমলে লুৎফুর রহমান আজাদ কীভাবে মুক্তিযোদ্ধার সনদ নিয়েছেন। বিগত আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের শাসনামলে সারা দেশের নেতাকর্মীরা মামলার জালে বন্দি থাকলেও লুৎফুর রহমান আজাদের বিরুদ্ধে একটিও মামলা হয়নি। শুধু তা-ই নয়, লুতফুর রহমান আজাদ ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-৮ (ঘাটাইল) আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, মনোনয়ন পেয়েও নির্বাচনি আসনে যাননি তিনি। বরং তার চাচাত ভাই আতাউর রহমান খানকে মাঠ ছেড়ে দিয়ে ওয়াকওভার দিয়েছেন। আতাউর রহমান খান টাঙ্গাইলের চিহ্নিত সন্ত্রাসী আমানুর রহমান খান রানার বাবা। সম্পর্কে লুৎফুর রহমান খান আজাদ ও আতাউর রহমান খান চাচাতো ভাই। এ নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ । বিএনপি নেতাকর্মীদের মতে, বিএনপির রাজনীতি করেও লুৎফুর রহমান আজাদ আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নানা সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন।
ওয়ান-ইলেভেনের সময়ও লুৎফুর রহমান আজাদ বিএনপির সংস্কারপন্থি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১/১১ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিএনপির বহু নেতার নামে মামলা হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয়নি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওয়ান- ইলেভেনের কুশীলব মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ হওয়ায় ওই সময় তাকে মামলার ঝামেলায় পড়তে হয়নি। বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, বিগত ১৫ বছরে সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে কোথাও অংশগ্রহণ করেননি লুৎফুর রহমান খান আজাদ। রাজনীতিতে সব সময় তিনি সুবিধাবাদী জায়গায় অবস্থান করেছেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় সংস্কারপন্থি হিসেবে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন সুবিধা নিয়েছেন। আবার বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরেও তাদের সঙ্গে আঁতাত করে চলেছেন।
জানা গেছে, ২০১৩ সালে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি থেকে কয়েকজন নেতার পদ স্থগিত করায় ২০১৩ সালে লুৎফুর রহমান খান আজাদকে টাঙ্গাইলে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছিল। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে আবারও টাঙ্গাইলের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন লুৎফুর রহমান খান আজাদ। কিন্তু তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তার ডাকে খুব একটা সাড়া দিচ্ছেন না। বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে লুৎফুর রহমান আজাদ তার নির্বাচনি এলাকায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন। আন্দোলন- সংগ্রামে না থাকা ও বিপদে নেতাকর্মীদের পাশে না দাঁড়ানোয় তার কর্মকাণ্ড তৃণমূল নেতাকর্মীরা খুব একটা পছন্দ করছেন না।

‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’, আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামায়াত আমীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’, আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামায়াত আমীর

‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’- মন্তব্য করে গ্রেপ্তার বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে শফিকুর রহমান লেখেন, বিমানবন্দরে যাত্রী সাধারণের দুর্ভোগ-ভোগান্তি, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা, অনিয়ম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আখতারুজ্জামান আওয়াজ তুলেছেন। কার্যত তিনি ভুক্তভোগী যাত্রী সাধারণ, বিশেষ করে বিদেশফেরত প্রবাসীদের প্রতিবাদের কণ্ঠে পরিণত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, তার এই প্রতিবাদকে আমলে নিয়ে দুর্বলতাগুলো সংশোধন করার পরিবর্তে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এমনকি দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে জনসম্মুখে অপমানিত করার নানা হীন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘জনগণ অন্ধ নয়, সবই দেখছে।’ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আখতারুজ্জামান বীরত্বের প্রমাণ দিয়েছেন এবং ভুক্তভোগী মানুষের হৃদয়ের বীরে পরিণত হয়েছেন বলেও দাবি করেন জামায়াতের আমীর।

শেষে আখতারুজ্জামানের জন্য দোয়া করে শফিকুর রহমান লেখেন, ‘আল্লাহ তায়ালা তার সম্মান বৃদ্ধি করুন। আমীন।’

এর আগে গত ১ অক্টোবর বিমানবন্দরে অব্যবস্থাপনা, লাগেজ ট্রলির সংকট, লাগেজ পেতে বিলম্ব এবং জমজমের পানি না আসাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি হুমকি-ধামকির পর্যায়ে পৌঁছায়।

পরে বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হেনস্তার অভিযোগে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

পরদিন শনিবার প্রিজনভ্যানে করে তাকে ঢাকার সিএমএম আদালতে নেওয়ার সময় মাথায় নিরাপত্তা হেলমেট পরানো হয়। আদালতে নেওয়ার সময় হেলমেট পরার প্রতিবাদ করেন আখতারুজ্জামান। পরে তিনি হেলমেট খুলে ফেলে দেন।

প্রিজনভ্যান থেকে নামার সময় তিনি বলেন, ‘আমি হেলমেট পড়বো না। আমাকে অন্যায়ভাবে-অবৈধভাবে হেলমেট পরানো হচ্ছে। আমি আওয়ামী লীগ না। হালের হেলমেট এখন আওয়ামী লীগের ফ্যাশন হয়েছে। আমাকে হাতকড়া পরান।’ এরপর দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য তার হাতে হাতকড়া পরান।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পরই ইরানে মার্কিন সেনা!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ
মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পরই ইরানে মার্কিন সেনা!

ইরানের বিপক্ষে বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে নভেম্বর মাসে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে সেনা মোতায়েনের বিষয় বিবেচনা করছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। গালফ নিউজের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট মনে করেন ইরানে সেনা পাঠানোর ক্ষেত্রে তার ‘হারানোর কিছু নেই’। ট্রাম্পের একাধিক হুমকি ও সেনা মোতায়েন নিয়ে অবশ্য তেমন উদ্বিগ্ন নয় ইরান। দেশটির মেহের নিউজের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন হামলার কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

গত শুক্রবার রাতে এক জনসভায় ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধও করে দেয়, তবুও ইরানের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে লেগে যাবে কয়েক বছর। ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমরা আগামীকালই চলে আসতে পারি; কিন্তু তাদের যে ক্ষতি করেছি, তা পুষিয়ে উঠতে তাদের কয়েক বছর সময় লাগবে। কারণ, তারা কোনো সমঝোতায় আসতে চায়নি। তারা তাদের চাল চেলেছিল; তবে তারা অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছিল।’

এরই মধ্যে ইরানের কাছাকাছি মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্র তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টের নেতৃত্বে একটি স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন করছে বলে আলজাজিরাকে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ অষ্টম মাসে গড়িয়েছে এবং উভয় পক্ষ সংঘাতের তীব্রতা বাড়ানো কিংবা কূটনৈতিক আলোচনার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

ইরানে নতুন করে সেনা মোতায়েন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র এক মাস আগে পাঠানো হচ্ছে আরও হাজার হাজার সেনা। দেশটির আশপাশে নতুন করে প্রায় ১০ হাজার সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন। একজন মার্কিন কর্মকর্তা আলজাজিরাকে জানিয়েছেন, ‘ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট’ ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপটি গত রবিবার স্যান ডিয়েগো ঘাঁটি থেকে ওই অঞ্চলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। এর ঠিক এক দিন পর ‘মার্কিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট’ (এমইইউ), যেটিতে ২ হাজারের বেশি মেরিন সেনা রয়েছেন, সেটিও একই পথে যাত্রা করেছে। ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’- এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই স্ট্রাইক গ্রুপ ও নৌবাহিনীর মোতায়েন প্রক্রিয়ায় সব মিলিয়ে যুক্ত হতে পারে অতিরিক্ত ৯-১০ হাজার মার্কিন সেনা। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ ও অন্যান্য জাহাজে নিয়োজিত নাবিক ও মেরিন সেনাও।

জবাব দিতে প্রস্তুত ইরান
যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ‘ট্রিগারে আঙুল রেখে’ হামলার জবাব দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে তারা। মেহের নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র বা আঞ্চলিক হুমকি, আগ্রাসন কিংবা ভুল পদক্ষেপের মোকাবিলায় পুরোপুরি প্রস্তুত আইআরজিসি। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা এবং অবস্থান সম্পর্কে আইআরজিসির কাছে বিস্তারিত গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে এবং যেকোনো উসকানির জবাবে তারা “অত্যন্ত কঠোর, তাৎক্ষণিক, বেদনাদায়ক এবং ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ২’-এর চেয়েও অধিক প্রাণঘাতী” পাল্টা ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ২’ ছিল ২০২৪ সালের অক্টোবরে ইসরায়েলের ওপর ইরানের চালানো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। সে সময় তেহরান নিক্ষেপ করেছিল প্রায় ২০০টি ক্ষেপণাস্ত্র। আইআরজিসি স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, নতুন কোনো সংঘাতের ঘটনা ঘটলে তার জবাবে যে পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা ওই হামলার চেয়েও অনেক বড় ও অধিক প্রাণঘাতী হতে পারে।

সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াংসহ চার বারে অভিযান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫৬ অপরাহ্ণ
সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াংসহ চার বারে অভিযান

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের মালিকানাধীন ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডসহ রাজধানীর চারটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কয়েকটি সংস্থা।

শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে গুলশানের র-ক্যানভাস রেস্তোরাঁ, হাবিব হোটেল ইন্টারন্যাশনাল, মার্গারিটা লাউঞ্জ ও ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডে অভিযান শুরু হয়।

অভিযানের কারণ

শনিবার সন্ধ্যায় এনবিআরের বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনার কথা জানায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।

সিআইআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকার কিছু বার, রেস্তোরাঁ, ডিপ্লোম্যাটিক বন্ডেড ওয়্যারহাউজ ও ডিউটি ফ্রি শপে অবৈধ উৎস থেকে অ্যালকোহল বা অ্যালকোহলজাত পণ্য সংগ্রহ, শুল্ক-মূসক ও আয়কর ফাঁকি এবং অননুমোদিত গ্রাহকের কাছে এসব পণ্য সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ অনুসন্ধানে সিআইআইডি চারটি দল গঠন করে।

অভিযানে এসব দলের সঙ্গে এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল, মূসক নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এবং ঢাকা উত্তর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কর্মকর্তারা অংশ নিচ্ছেন।

এনবিআর সূত্রের দাবি, ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের মালিক শেখ নুরুল ইসলাম। তবে ফু-ওয়াং কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে শেখ নুর ইসলাম বা তাঁর পরিবারের কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই।

অভিযান শেষে প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য ও সার্বিক ফলাফল জানাতে শনিবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করবে এনবিআর। রাত সাড়ে ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিচতলায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার শুল্কমুক্ত মদ মজুদের অভিযোগে সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নুরুল ইসলামের চারটি গুদাম সিলগালা করা হয়।

‘কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়’, আখতারুজ্জামানের পক্ষে জামায়াত আমীর মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর পরই ইরানে মার্কিন সেনা! সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ফু-ওয়াংসহ চার বারে অভিযান একযোগে ১১ পুলিশ কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি 'কেউ আমাকে নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’ বলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতার মৃত্যু