খুঁজুন
শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ২১ ফাল্গুন, ১৪৩২

১৫ বছরে তার বিরুদ্ধে মামলা নেই একটিও

বিএনপি করেও আ.লীগ আমলে হয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
বিএনপি করেও আ.লীগ আমলে হয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা

বিএনপি আমলে একাধিক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন টাঙ্গাইলের লুতফুর রহমান খান আজাদ। বর্তমানে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন।

কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো, বিগত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগের শাসনামলে যেখানে সারা দেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে লাখ লাখ মামলা হয়েছে, সেখানে লুৎফুর রহমান আজাদের বিরুদ্ধে একটি মামলাও হয়নি। এমনকি বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় গঠিত হয়। সে সময় মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ওই সময় তিনি নিজেকে কখনো মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবি করেননি। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে আঁতাত করে গত ২১ জুন, ২০২২ সালে তিনি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটপ্রাপ্ত হন। এ নিয়ে তার নির্বাচনি এলাকায় নানা ধরনের মুখরোচক আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে। আওয়ামী লীগ আমলে মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে লুৎফুর রহমান খান আজাদ বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার কোনো চেষ্টা করিনি। ভেবেছিলাম এমনিতেই তালিকায় আমার নাম থাকবে। কিন্তু তখন মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় আমার নাম ওঠেনি। পরবর্তীতে নানা চড়াই-উতরাই পার হয়ে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযোগ, লুৎফর রহমান আজাদ বিগত সময়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে নিজে মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট নিয়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপি করার অপরাধে অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার গেজট বাতিল করা হয়েছে। ঘাটাইল পৌরসভা বিএনপি সভাপতি আব্দুল বাসেত করিম একজন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র বিএনপির রাজনীতি করার কারণে তার মুক্তিযোদ্ধার ভাতা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সেখানে বিএনপির রাজনীতি করেও আওয়ামী লীগ আমলে লুৎফুর রহমান আজাদ কীভাবে মুক্তিযোদ্ধার সনদ নিয়েছেন। বিগত আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের শাসনামলে সারা দেশের নেতাকর্মীরা মামলার জালে বন্দি থাকলেও লুৎফুর রহমান আজাদের বিরুদ্ধে একটিও মামলা হয়নি। শুধু তা-ই নয়, লুতফুর রহমান আজাদ ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-৮ (ঘাটাইল) আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, মনোনয়ন পেয়েও নির্বাচনি আসনে যাননি তিনি। বরং তার চাচাত ভাই আতাউর রহমান খানকে মাঠ ছেড়ে দিয়ে ওয়াকওভার দিয়েছেন। আতাউর রহমান খান টাঙ্গাইলের চিহ্নিত সন্ত্রাসী আমানুর রহমান খান রানার বাবা। সম্পর্কে লুৎফুর রহমান খান আজাদ ও আতাউর রহমান খান চাচাতো ভাই। এ নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ । বিএনপি নেতাকর্মীদের মতে, বিএনপির রাজনীতি করেও লুৎফুর রহমান আজাদ আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নানা সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন।
ওয়ান-ইলেভেনের সময়ও লুৎফুর রহমান আজাদ বিএনপির সংস্কারপন্থি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১/১১ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিএনপির বহু নেতার নামে মামলা হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয়নি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওয়ান- ইলেভেনের কুশীলব মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ হওয়ায় ওই সময় তাকে মামলার ঝামেলায় পড়তে হয়নি। বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, বিগত ১৫ বছরে সরকারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে কোথাও অংশগ্রহণ করেননি লুৎফুর রহমান খান আজাদ। রাজনীতিতে সব সময় তিনি সুবিধাবাদী জায়গায় অবস্থান করেছেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় সংস্কারপন্থি হিসেবে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন সুবিধা নিয়েছেন। আবার বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরেও তাদের সঙ্গে আঁতাত করে চলেছেন।
জানা গেছে, ২০১৩ সালে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি থেকে কয়েকজন নেতার পদ স্থগিত করায় ২০১৩ সালে লুৎফুর রহমান খান আজাদকে টাঙ্গাইলে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছিল। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে আবারও টাঙ্গাইলের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন লুৎফুর রহমান খান আজাদ। কিন্তু তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তার ডাকে খুব একটা সাড়া দিচ্ছেন না। বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে লুৎফুর রহমান আজাদ তার নির্বাচনি এলাকায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন। আন্দোলন- সংগ্রামে না থাকা ও বিপদে নেতাকর্মীদের পাশে না দাঁড়ানোয় তার কর্মকাণ্ড তৃণমূল নেতাকর্মীরা খুব একটা পছন্দ করছেন না।

ড্রাইভারের সঙ্গে পরকীয়া: মুখ খুললেন ডলি সায়ন্তনী

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
ড্রাইভারের সঙ্গে পরকীয়া: মুখ খুললেন ডলি সায়ন্তনী

একসময়ের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি ডলি সায়ন্তনী ও রবি চৌধুরী। বিচ্ছেদের পর দীর্ঘদিন তারা এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। তবে রবির এক বক্তব্যে আবারও আলোচনায় এসেছে এই জুটির সম্পর্ক।

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে সাবেক স্ত্রী ডলি সায়ন্তনীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তোলেন রবি চৌধুরী।

তিনি দাবি করেন, বিপ্লব নামের এক ড্রাইভারের সঙ্গে ডলির সম্পর্ক ছিল। তার মতে, এই ঘটনাই তাদের সংসার ভাঙার অন্যতম কারণ।

এদিকে রবি চৌধুরীর এমন অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন ডলি সায়ন্তনী।

ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি তাদের পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এসব তথ্য ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক।’

ডলি সায়ন্তনী বলেন, ‘ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি নিয়ে বিতর্কে যেতে চাই না। সম্মান ও আইনের প্রতি আস্থা রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।’

ব্যক্তিগত বিষয়কে অযথা আলোচনার বিষয় না বানানোরও অনুরোধ জানান তিনি।

একই সঙ্গে বলেন, ‘আমাদের নীরবতাকে দুর্বলতা ভাবার কোনো সুযোগ নেই। আমরা আমাদের মতো আছি, বাকিটা সময়ের হাতে।’

ডিভোর্স প্রসঙ্গে ডলি সায়ন্তনী স্পষ্ট করে বলেন, ‘ডিভোর্স আমি দিয়েছিলাম। কেন দিয়েছিলাম সেটি এই মুহূর্তে আর বলতে চাই না। ডিভোর্স দেওয়ার পর সেই সময়েই প্রকাশ্যে প্রেস কনফারেন্সে বিস্তারিত বলে দিয়েছিলাম।

অতএব এতবছর পর এসব নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক বিভ্রান্তি তৈরির কোনো সুযোগ নেই।’

এদিকে ওই পডকাস্টে রবি চৌধুরী দাবি করেন, ডলির ফোনে একটি নম্বর ‘দুলাভাই’ নামে সেভ করা ছিল।

বিষয়টি নিয়ে তার মনে সন্দেহ তৈরি হয়। পরে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, ওই ব্যক্তির আসল নাম বিপ্লব। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় গাড়ি চালান। ডলি ও রবি কোরিয়া সফরে গেলে এই বিপ্লবই তাদের গাড়ি চালাতেন।

রবি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি ডলির পরিবারের সঙ্গেও কথা বলেন। ডলির বড় ভাই সংগীতশিল্পী বাদশা বুলবুল-এর সঙ্গে নম্বরটি যাচাই করেন। তখন জানা যায়, ওই নামে তাদের পরিবারের কোনো দুলাভাই নেই। এরপর নিজের সন্দেহ নিশ্চিত হয়ে ডলিকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান রবি চৌধুরী।

সচিবালয়ে নিজের কক্ষের বিদ্যুৎ ব্যবহার কমালেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৬:৪৭ অপরাহ্ণ
সচিবালয়ে নিজের কক্ষের বিদ্যুৎ ব্যবহার কমালেন প্রধানমন্ত্রী

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সচিবালয়ে নিজের কক্ষের অর্ধেক লাইট ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে সকল মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে এসে এই উদ্যোগ নেন।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকাল ৯টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে আসেন। তিনি অফিসে এসে নিজ কক্ষের ৫০ শতাংশ লাইটের সুইচ অফ করে দেন এবং এসির বিদ্যুৎ প্রবাহ ২৫ দশমিক ১ মাত্রায় নিয়ে আসেন। এই মাত্রা নিলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। সেইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে মন্ত্রিসভায় বৈঠকে প্রবেশ করেই কক্ষের অর্ধেক লাইট বন্ধ করে দিতে এবং এসির মাত্রা কমিয়ে দিতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই ব্যক্তিক্রমী উদ্যোগের পরে তার দপ্তরের সব কক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে অর্ধেক লাইট বন্ধ এবং এসির মাত্রা কমানো হয়।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ের সকল মন্ত্রণালয়, সারাদেশে সরকারি অফিস-আদালত, বেসরকারি ভবন, শপিংমল, বিপণিবিতানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। লাইট কম ব্যবহার করে দিনের বেলা অফিস বা বাড়ি-ঘরের পর্দার জানালার সরিয়ে সূর্যের আলো ব্যবহারের জন্য সবাইকে প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন।

ভোট কারচুপির রাজস্বাক্ষী: রিজওয়ানা হাসান, খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ ও বিচার দাবি জামায়াতের

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
ভোট কারচুপির রাজস্বাক্ষী: রিজওয়ানা হাসান, খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ ও বিচার দাবি জামায়াতের

বিগত নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা কারচুপির বিষয়ে সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসানকে ‘রাজসাক্ষী’ উল্লেখ করে তাকে ও বর্তমান সরকারের মন্ত্রী খলিলুর রহমানকে দ্রুত জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির অভিযোগ, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে থেকে তারা সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করেছেন এবং নির্দিষ্ট দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে সমসাময়িক বিষয়ে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন জামায়াতের নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।

নির্বাচনী কারচুপি প্রসঙ্গে ড. তাহের বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’য়ের বিষয়ে আমরা নানা অভিযোগ ইতিমধ্যেই তুলে ধরেছি। কিছু আসনের বিষয়ে আদালতেও যাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে গতকালকে আমরা একটা রাজসাক্ষী পেয়েছি, যিনি সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান। সরকারের কাছে দাবি থাকবে, রিজওয়ানা হাসানকে দ্রুত জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনতে হবে।’

সাবেক উপদেষ্টা ও বর্তমান মন্ত্রী খলিলুর রহমানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘খলিলুর রহমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে থেকে বিএনপির পারপাস সার্ভ করেছেন। যে কারণে তিনি পুরস্কৃত হয়ে বর্তমান বিএনপি সরকারের মন্ত্রী হয়েছেন। ওনারা অন্তর্বর্তী সরকারে থেকে সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করেছেন। খলিলুর রহমানকেও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনতে হবে।’

আদালতে গণভোট নিয়ে হওয়া রিট প্রসঙ্গে জামায়াতের এই নেতা অভিযোগ করেন, সরকারের ইঙ্গিতেই এই রিট হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আদালতকে আমরা স্বাধীন দেখতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তা হয়নি। আমরা এ বিষয়টি আদালত, আদালতের বাইরে ও সংসদে সমানভাবে মোকাবেলা করবো।’ এ সময় তিনি ১২ মার্চ সংসদ বসার দিন থেকেই ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবি জানান।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ড. তাহের বলেন, ‘ভেবেছিলাম নির্বাচনের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে। কিন্তু নির্বাচনের এতোদিন পরও বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুর, হামলা, ধর্ষণ ও খুনের মতো ঘটনা ঘটছে।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিজস্ব লোক বসিয়ে আগের সরকারের মতো ‘দলীয়করণ’ করছে।

বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, বিরোধী দলকে ডেপুটি স্পিকার দিতে চাওয়ার বিষয়ে লিখিত প্রস্তাবনা দেওয়া জরুরি। তাহলে আমাদের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে।

ব্রিফিংয়ে ডা. তাহের জানান, মার্কিন পররাষ্ট্র সহকারীর সঙ্গে বাংলাদেশে-মার্কিন ইনভেস্টমেন্ট, ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে কথা হয়েছে। বাংলাদেশ নিজেদের স্বার্থ বজায় রেখে সবার সুসম্পর্ক রাখতে চায় এটা আমরা জানিয়েছি। চলমান যুদ্ধের বিষয়ে আমরা বলেছি আমরা যুদ্ধের বিরোধী। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে আমাদের কিছু পর্যবেক্ষণ আছে, তবে এটাকে এখনি আমরা বিরোধীতা করছি না।

ড্রাইভারের সঙ্গে পরকীয়া: মুখ খুললেন ডলি সায়ন্তনী সচিবালয়ে নিজের কক্ষের বিদ্যুৎ ব্যবহার কমালেন প্রধানমন্ত্রী ভোট কারচুপির রাজস্বাক্ষী: রিজওয়ানা হাসান, খলিলুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ ও বিচার দাবি জামায়াতের আসিফের বিরুদ্ধে মাদক মামলা: হতে পারে ৫ বছরের সাজা হরমুজ প্রণালি বন্ধ হলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলারে উঠতে পারে