খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

”স্বপ্নের শহর বরিশালের উন্নয়ন থমকে দাঁড়িয়েছে”

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৪:১১ অপরাহ্ণ
”স্বপ্নের শহর বরিশালের উন্নয়ন থমকে দাঁড়িয়েছে”

প্রাচ্যের ভেনিস বলা হয় বরিশালকে। অনেক ইতিহাস মন্ডিত ও শিল্প-সংস্কৃতি এবং বিপ্লবের জেলা বরিশাল। এই বরিশালে জন্মেছেন অনেক জ্ঞ্যানী ও গুণীজন, যারা দেশ তথা আন্তর্জাতিকভাবে কাজ করে গেছেন। গত কয়েক বছর যাবত সেই স্বপ্নের শহরের উন্নয়ন থমকে দাঁড়িয়েছে।

আবাসন শিল্প তথা স্থাপত্য শিল্প প্রায় বন্ধের পথে। যতটুকু চলছে তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।কারণ বিভিন্ন জেলা থেকে কাজের জন্য প্রচুর লোক বরিশাল আসছে। সেই তুলনায় নেই তাদের পর্যাপ্ত আবাসন।

শুধুমাত্র আবাসন নয়, রাস্তাঘাট,পানি নিষ্কাশন, পার্ক, মাঠ, হাট-বাজার সকল ক্ষেত্রের কাঠমোগত উন্নয়নে স্থবিরতা চলছে। স্থাপত্য শিল্পের সাথে ঝাড়ু থেকে শুরু করে লোহা, গুনা, টাইলস, রং, কাঠ, বাঁশ- কত ব্যবসা জড়িত। সেই সকল ব্যবসায়ও নেমেছে ধস। কত শ্রমিকের কাজ নেই, যা ছিল এই শহরের অর্থনৈতিক চাকা। বিশেষ করে আবাসন শিল্প ত্বরান্বিত করার জন্য বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের অনুমতি প্রয়োজন। এই অনুমতি পেতে কয়েক বছর আগেও প্রয়োজন ছিল মাত্র ৭ থেকে ১৫ দিন। যা পরবর্তীতে রূপ নেয় জটিলতায়। মাসের পর মাস চলে গেলেও পাচ্ছে না অনুমোদন।

বরিশালবাসীর জন্য বিভিন্ন সময় চাপানো হয় এক এক নিয়ম। সমস্ত বাংলাদেশের পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন বাদে অন্যান্য সকল সিটি কর্পোরেশন গুলোতে “ইমারত নির্মাণ বিধিমালা -১৯৯৬” এর আইন এ প্লানের অনুমোদন হয়। ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এ “ঢাকা ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-২০০৮” এর নিয়ম এখন পর্যন্ত চলমান।

কিন্তু কয়েক বছর আগে বরিশালের মানুষের উপরেও “ঢাকা ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ২০০৮” চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল। এর জন্য ভূমি ছাড়পত্র নেয়ার পদ্ধতিও চালু হয়েছিল। অনুমোদনের আগেই নিতে হত ভূমি ছাড়পত্র। সময় লাগিয়ে দিত ২-৩ মাস এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল অপরিণত কর্মকর্তাদের, যারা বৈষম্যযুক্ত ভাবে প্লান অনুমোদনের দায়িত্ব পালন করেছে। বরিশালবাসির সম্পূর্ণ প্লানের অনুমোদন পেতে সময় লেগে যেত ছয় মাস থেকে এক বছর।

২০২৩ সালে মেয়র পরিবর্তন হওয়ায় আবার ১৯৯৬ এর ইমারত নির্মাণ বিধিমালায় ফেরত গিয়েছে, কিন্তু ভূমি ছাড়পত্রের নিয়ম বাতিল করেনি। গত এক বছরে কয়েক হাজার প্ল্যান জমা পড়লেও ২০০টির বেশি অনুমোদন দেয়া হয়নি। একটি বিভাগীয় শহর / সিটি কর্পোরেশন এ এক বছরে ২০০ টি প্লান খুবই সামান্য।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশন প্রতিবছর হারাচ্ছে শত কোটি টাকা রাজস্ব।সেই রাজস্ব বরিশালের রাস্তাঘাট, বাজার উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারত। কারণ একটি প্ল্যানের অনুমোদনের সাথে জড়িত ট্যাক্স,পানির ট্যাক্স, হোল্ডিং ট্যাক্স আরো কিছু টেক্স।কোন এক অজানা কারণে সেই প্লানের অনুমোদনে বাড়িয়েছে জটিলতা, হয়রানির শিকার হচ্ছে বরিশালবাসি। অনুৎসাহিত হচ্ছে আবাসন শিল্প।

গত ৫ই আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জন্য সরকার পতনের পরে শোনা গিয়েছিল, যে প্ল্যানগুলো নিয়মের মধ্যে আছে তা খুব তাড়াতাড়ি ছেড়ে দেয়া হবে। যাতে নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু ৪৫ দিন অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পরেও প্লানের অনুমোদনের কোনো সুরাহা হয়নি। আসলে বরিশালের আবাসন শিল্পের ভবিষ্যৎ কোথায়? কিভাবে হবে বৈষম্য মুক্ত?

রাজারহাটে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে অনশন কর্মসূচি

মোঃ রেজাউল করিম, সিনিয়র রিপোর্টার:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
রাজারহাটে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে অনশন কর্মসূচি

রাজারহাটের ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খিতাম খা গ্রামে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে মানববন্ধনে অংশ নেন ভুক্তভোগী নারী সহ এলাকার প্রায় শতাধিক নারী পুরুষ। সোমবার (৮ জুন) বিকেল ৫ টার সময় এই মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, ২০১৭ সালের পাশ্ববর্তী রাজারহাট সদর ইউনিয়নের নাটুয়া মহল গ্রামের হায়দার আলীর মেয়ে সামিনার সাথে পারিবারিক ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের খিতাবখা গ্রামের সোলেমান মুন্সীর চতুর্থ পুত্র রফিকুল ইসলাম। বিয়ের পরে তাদের সংসারে রোমানা নামের এক কন্যা সন্তান জন্ম নেয়।

বিয়ের পর রফিকুল ইসলাম তার ভাবীর সাথে পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে স্ত্রী সামিনার সাথে দুরত্ব তৈরি করতে থাকেন।এরেই এক পর্যায়ে ২০১৯ সালে তাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়।সামিনার ডিভোর্সের পরে ঢাকায় গিয়ে একটি গার্মেন্টসে অপারেটর হিসাবে তিন বছর চাকুরী করেন।

এদিকে সামিনার সাবেক স্বামী রফিকুল ইসলাম বিদেশে (মরিচাস) গমন করেন।সামিনার সাবেক স্বামী রফিকুল ইসলাম পুনরায় সামিনার সাথে বিদেশ থেকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন।তাদের একমাত্র কন্যা সন্তানের কথা চিন্তা করে পুনরায় স্বামী স্ত্রী রুপে ঘর সংসার করার প্রলোভন দেখান।সামিনা অবুঝ কন্যা সন্তানের কথা চিন্তা করে তার সাবেক স্বামীর কথায় রাজি হন।এরপরে রফিকুল ইসলাম সামিনা কে তার গ্রামের বাড়িতে আসতে বলেন।সামিনা ঢাকায় চাকুরী ছেড়ে রফিকুল ইসলামের গ্রামের বাসায় অবস্থান করতে থাকেন।

কয়েকমাস পেরিয়ে গেলে রফিকুল ইসলাম তার বসতবাড়ি পাকা করনের প্রস্তাব সামিনা কে দেন এবং সামিনাকে তার চাকুরীরত অবস্থায় সঞ্চয় করা প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকা বাড়ির কাজের জন্য খরচ করতে বলেন।সাদাসিধে সামিনা তার স্বামীর কথায় রাজি হয়ে নিজ উদ্যোগে তার সঞ্চিত টাকা খরচ করে রফিকুল ইসলামের নিজ বাড়িতে টিনশেডের ঘর ভেঙ্গে ইটের দালাল নির্মাণ করেন।এই দালান নির্মাণের সামিনার সমস্ত জমাকৃত অর্থ খরচ করার পাশাপাশি বাড়ি নির্মাণের রাজমিস্ত্রীদের রান্না বান্না করেও খাওয়ান।

বাড়ির কাজ শেষ হবার পরে সামিনা তার বাবার বাসা নাটিয়া মহলে ঘুরতে যান।সেখান থেকে ঘুরে এসে দেখেন তার নিজ হাতে গড়া বাড়িতে রফিকুল ইসলাম বিদেশ থেকে তার ভাইকে নির্দেশ দিয়ে তালাবন্ধ করে রেখেছেন।
এই ঘটনায় জানাজানি হলে এলাকার সাধারণ নারীপুরুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

সামিনা রফিকুল ইসলাম তার বাড়িতে উঠতে না দিয়ে যে অন্যায় করেছেন তার প্রতিবাদে রফিকুল ইসলামের উঠানে এলাকার প্রায় শতাধিক নারীপুরুষ মানববন্ধন করে সামিনা কে স্ত্রী রূপে গ্রহণ করতে রফিকুল ইসলামের প্রতি আহবান জানান।

উক্ত মানববন্ধনে স্থানীয় নারী রোকাইয়া বেগম,আব্দুল লতিফ,নাসির শেখ,আতিয়ার রহমান সহ বেশ কয়েকজন বক্তব্য দেন।মানববন্ধনে বক্তারা সামিনার সাথে এধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান। সেই সাথে একমাত্র কন্যা সন্তান সহ সামিনাকে স্ত্রী রুপে গ্রহণ করার দাবী জানান।

ভুক্তভোগী সামিনা সাংবাদিক কে জানান,আমি ডিভোর্সের পরে আমার একমাত্র কন্যা সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ঢাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি করি।
তিন বছর চাকুরী করে প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকা জমা করি।আমার সাবেক স্বামী রফিকুল ইসলামের প্রলোভনে সব টাকা দিয়ে তার বাড়ি নির্মাণ করি,এই আশায় আমার একমাত্র কন্যা সন্তান নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকবো বলে।

কিন্তু লোভী রফিকুল ইসলাম বার বার আমার সাথে প্রতারণা করলো।আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে এর উপযুক্ত বিচার চাই।

১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এখন পর্যন্ত ১৪০টি দেশে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার সুবিধার্থে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজের এক লাখ ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড (আইভি স্যালাইন) হস্তান্তর উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ১৪০টি দেশে আমাদের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। এতে আমরা গর্বিত। এখন দেশে টিকা তৈরি করতে পারলে সেটার পরিসর আরও বাড়বে। ওষুধ শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করতে আমরাও সহযোগিতা করে যাব।

তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে আমরা নির্দেশনা পেয়েছি, আমাদের শাখাগুলো বাড়াতে হবে। আমাদের অনেকগুলো জানালা খুলতে হবে। নাহলে একটি মন্ত্রণালয় ভালোভাবে চলতে পারে না।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, সামনে ডেঙ্গু মৌসুম আসছে, সে বিষয়ে আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছি। পরিকল্পনা, চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করছি। পাশাপাশি যারা আক্রান্ত হবেন, তারা যাতে যথাযথ চিকিৎসা পান, সেই ব্যবস্থা করছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত তিন মাসে স্বাস্থ্যখাতে কৌশলগত বড় পরিবর্তন এসেছে। আমরা সবাই দেশের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে পারছি।

উলিপুরে দলিল লেখকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মোঃ রেজাউল হক, কুড়িগ্রামঃ
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
উলিপুরে দলিল লেখকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোমবার (৮ জুন) ২০২৬ ইং সকাল ১১টায় উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দিনব্যাপী দলিল লেখকগণের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, শুদ্ধাচার চর্চা, সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করণ বিষয়ক এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কুড়িগ্রামের উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের আয়োজনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রুহুল কুদ্দুস জেলা রেজিস্টার কুড়িগ্রাম। প্রশিক্ষণ সমন্বয়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ অহেদুল ইসলাম উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রার (অঃদাঃ) কুড়িগ্রাম।

এসময় উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মোঃ আব্দুল মালেক খাঁ সেক্রেটারি বাবলু পাঠান সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাফিজুর রহমান সহ শতাধিক সনদপ্রাপ্ত দলিল লেখক ও উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত সকল কর্মকর্তা,কর্মচারীগণ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন উলিপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহকারী সাজ্জাদুর রহমান প্রমুখ।

রাজারহাটে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবীতে অনশন কর্মসূচি ১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী উলিপুরে দলিল লেখকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ট্রাম্পের অবরোধ উপেক্ষা করে ইরানে পালটা হামলা চালাল ইসরাইল ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ১১ জেলায় ঝড়বৃষ্টির আভাস