খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮ বৈশাখ, ১৪৩৩

‘পাহারা দিয়ে উৎসব আনন্দময় হয় না’

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:৩৮ অপরাহ্ণ
‘পাহারা দিয়ে উৎসব আনন্দময় হয় না’

Oplus_131072

মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মিজ্ ফরিদা আখতার বলেছেন,পাহারা দিয়ে উৎসব উদযাপন আনন্দময় হয় না। পুলিশ দিয়ে, আনসার দিয়ে আমরা পূজাটাকে আনন্দময় করবো- এটা হয় না। এটা আসলেই একটা আনন্দের, হিন্দু-মুসলিম সবাই মিলে আমরা আনন্দ করবো।

সেজন্য সামাজিক একটা পরিবেশ তৈরি করতে হবে- যেন সবাই আনন্দটা করতে পারি। এখানে রাজনৈতিক দলের যাঁরা রয়েছেন, তারাও যেন সহযোগিতা করি। তাহলে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে পুজার আনন্দটা উপভোগ করতে পারবো।

আজ সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে পূজা উদযাপন পরিষদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বে যাঁরা আছেন, তাদেরকে অনুরোধ করবো পূজা চলাকালে বিদ্যুৎ বিভ্রাট যেন না হয়। যদি কোনো কারণে সমস্যা হয়-তাহলে বিকল্প ব্যবস্থা রাখতে হবে। এ সময় তিনি জামাতের নামাজের সময় মাইক বন্ধ রাখার অনুরোধ করেন।

উপদেষ্টা মিজ ফরিদা আখতার বলেন, বাংলাদেশ একটা সম্প্রীতির দেশ। আমিও মনে করি দেশে সংখ্যালঘু বা সংখ্যা গড়িষ্ঠ বলে কিছু নেই। সবাই আমরা একটা পরিবার। আশাকরি আমরা ভালো একটা পুজা উৎযাপন করতে পারবো।

স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, চট্টগ্রামে আমার বাড়ি হলেও অনেকে বলেন- টাঙ্গাইল আমার বাপের
বাড়ি। ১৯৮৭ সাল থেকে আমি টাঙ্গাইলে কাজ করার সুবাদে এটা হয়েছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী না থাকলে বাংলাদেশ হতো কি-না সন্দেহ আছে। তিনি বিশ্বের দরবারে টাঙ্গাইলকে পরিচিত করেছেন। মওলানা ভাসানীর জীবনী সকল পাঠ্যপুস্তকে থাকা দরকার- এজন্য যদি আমাকে মানববন্ধন কর্মসূচিতে দাঁড়াতে হয়, দাঁড়াবো।

উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারত আমাদের পাশে থাকার কারণে নাম ধরতে হয়। বাংলাদেশ হল ইলিশ মাছের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। আমাদের কোস্টগার্ড নৌবাহিনী খুব সর্তক অবস্থানে রয়েছে। এবার তারা আরও সর্তক অবস্থানে রয়েছে। ইলিশ মাছ চোরাচালানও হয়। স্থলপথেও কিন্তু ইলিশ মাছ চোরাচালান হয়। সবক্ষেত্রেই বিজিবিসহ সবাই সর্তক অবস্থানে রয়েছে।

জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সানতু, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শিহাব রায়হান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এএম জহিরুল হায়াত, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কুমার গুন ঝন্টু, টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কালীমন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক জীবন কৃষ্ণ চৌধুরী, সদর উপজেলা পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি চিত্তরঞ্জন সরকার, সাধারণ সম্পাদক দীলিপ কুমার দাস, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।

ওই মতবিনিময় সভায় জেলা ও ১২টি উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি-সাধারণ
সম্পাদক, হিন্দু ধর্মীয় বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে তিনি জেলার দেলদুয়ার উপজেলার বিষ্ণুপুরে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উবীনীগ কার্যালয়ে যান। পরে একই উপজেলার পাথরাইলে স্থানীয় পূজা উদযাপন পরিষদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

চট্টগ্রাম সিটি কলেজে গ্রাফিতি আঁকা নিয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ১০

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম সিটি কলেজে গ্রাফিতি আঁকা নিয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ১০

‘ছাত্র রাজনীতি’র জায়গায় ‘গুপ্ত রাজনীতি’ লেখাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১০জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

এ ঘটনার পর ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলমান স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষ ও স্নাতকোত্তরের পরীক্ষাগুলো যথারীতি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় কলেজ ক্যাম্পাসে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। দুপুর ১২টার দিকে উভয়পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে পাল্টাপাল্টি স্লোগান দেয়। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘণ্টাব্যাপী ধরে উত্তেজনা চলার পর অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কলেজের একটি ভবনের দেওয়ালে জুলাই-আগস্ট আন্দোলন ঘিরে আঁকা একটি গ্রাফিতির নিচে ‘ছাত্র রাজনীতি ও ছাত্রলীগমুক্ত ক্যাম্পাস’ লেখা ছিল। পরে কলেজ শাখা ছাত্রদলের এক নেতা সেটিতে ‘ছাত্র’ শব্দ মুছে ‘গুপ্ত’ শব্দ লিখে দেন। ফলে লেখাটি হয়ে যায় ‘গুপ্ত রাজনীতি ও ছাত্রলীগমুক্ত ক্যাম্পাস’।

সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দুই সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এর জেরেই সংঘর্ষের সূত্রপাত।

কলেজের একজন শিক্ষক বলেন, সংঘর্ষের কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ব্যাহত হলে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হতে পারতো। সে বিষয়টি বুঝিয়ে বলার পর শিক্ষার্থীরা সরে যান। এরপর দুপুর ১২টার পর থেকে কলেজের অভ্যন্তরীণ ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রাখা হয়।

কলেজের অধ্যক্ষ আবু সালেহ মোহাম্মদ নঈম উদ্দিন গণমাধ্যমে বলেন, দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। প্রথমে শিক্ষকরা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত।

জোট সঙ্গীদের প্রতি উদার জামায়াত

সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের ৮, এনসিপিসহ বাকিদের ৫

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের ৮, এনসিপিসহ বাকিদের ৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে। যেখানে জোট সঙ্গীদের প্রতি উদার মনোভাব দেখিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

সংসদে জামায়াতের যাচ্ছেন ৮জন নারী সদস্য, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে যাচ্ছেন ২জন। এছাড়া জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) একজন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের একজন এবং জুলাই শহীদ পরিবারের একজনকে নারী আসনের সংসদ সদস্য করা হচ্ছে এই জোট থেকে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৬৮টি আসনে জয়ী হয় ১১ দলীয় ঐক্য। সেই হিসেবে তারা ১৩টি নারী আসন পাচ্ছে। ৫০ নারী আসনের ৩৬টি বিএনপি পাচ্ছে। ক্ষমতাসীন দলটি আজ (২০ এপ্রিল) তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। এর পরপরই ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

জামায়াতের মহিলা বিভাগ সূত্র জানিয়েছে; সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য জোট থেকে যাদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে তারা হলেন- নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন নাহার মুন্নি, মাহফুজা সিদ্দিকা, নাজমুন নাহার নীলু, সাজেদা সামাদ, মারদিয়া মমতাজ, মাহমুদা আলম মিতু, মনিরা শারমিন, তাসমিয়া প্রধান, সামসুন নাহার, মাহবুবা হাকিম ও রোকেয়া বেগম।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির একজন নেতা ও কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের শীর্ষস্থানীয় একজন নেত্রী এই নামগুলো গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন। তারা জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে মনোনীত প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হবে।

জামায়াত থেকে যারা সংসদ সদস্য হচ্ছেন, তারা হলেন– কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সাবিকুন নাহার মুন্নি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও মহিলা বিভাগের সদস্য মারদিয়া মমতাজ, মহিলা বিভাগের সদস্য নাজমুন নাহার নীলু, সিলেটের নেত্রী মাহফুজা সিদ্দিকা, বগুড়ার নেত্রী ও সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদা সামাদ এবং খুলনা মহানগরীর সেক্রেটারি সামসুন নাহার।

এনসিপির দু’জন হলেন দলের নারী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’র আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ও সদস্য সচিব মাহমুদা আলম মিতু।

তাসমিয়া প্রধান জাগপার চেয়ারম্যান। তিনি দলটির প্রয়াত চেয়ারম্যান শফিউল আলম প্রধানের মেয়ে। মাহবুবা হাকিম বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নারী মজলিসের সদস্য। তিনি সম্পর্কে দলটির আমির মাওলানা মামুনুল হকের ভাগনি হন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। এছাড়া জুলাই শহীদ শিশু জাবির ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগমকে মনোনয়ন দিয়ে সংসদে নিচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্য।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ মে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন হবে।

নিয়ম অনুযায়ী নারী আসনে সরাসরি নির্বাচন হয় না। সংসদে দলগুলোর আসন সংখ্যার অনুপাতে নারী আসনগুলো বণ্টিত হয়। সংসদের নারী আসন ৫০টি। প্রতি ৬ জন সাধারণ সদস্যের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন হচ্ছে। সে অনুযায়ী, বিএনপি জোট ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্ররা মিলে ১টি সংরক্ষিত আসন পাবে।

নারী আসনে বিএনপি থেকে মনোনীত ৩৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
নারী আসনে বিএনপি থেকে মনোনীত ৩৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণা

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। বিএনপির প্রেস উইং সূত্রে এসব নাম জানা গেছে।

তালিকায় আছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক শিরীন সুলতানা, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক রাশেদা বেগম, সহপ্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক রেহেনা আক্তার, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক বিলকিস ইসলাম, বিএনপি সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে শাকিলা ফারজানা, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা নেওয়াজ হালিমা আরলী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য মাহমুদা হাবিবা, মায়ের ডাক-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম, সহস্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আক্তার, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌসী আহমেদ, প্রয়াত শফিউল বারীর স্ত্রী বীথিকা বিনতে হোসাইন, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানসুরা আক্তারসহ অনেকে।

১৭ এপ্রিল সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার শুরু করে বিএনপি। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেন দলটির মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা। মনোনয়ন পেতে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাত শতাধিক আবেদন জমা পড়ে।

আগামী ১২ মে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন হবে। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি। প্রতি ৬ জন সাধারণ সদস্যের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন হবে। সে অনুযায়ী, বিএনপি জোট ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্ররা মিলে ১টি সংরক্ষিত আসন পাবে।

চট্টগ্রাম সিটি কলেজে গ্রাফিতি আঁকা নিয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ১০ সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের ৮, এনসিপিসহ বাকিদের ৫ নারী আসনে বিএনপি থেকে মনোনীত ৩৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি করলে কেউ ২৪ ঘণ্টাও থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী এক মাসে দাম বাড়লো ২ বার, ১২ কেজি এলপিজি ১৯৪০ টাকা