খুঁজুন
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৮ মাঘ, ১৪৩২

একের পর এক অপরাধের জন্য কলকাতার টিভি সিরিয়ালকে দায়ী করলেন মমতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৪, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
একের পর এক অপরাধের জন্য কলকাতার টিভি সিরিয়ালকে দায়ী করলেন মমতা

পশ্চিমবঙ্গে একের পর এক ধর্ষণ ও হত্যা, প্রকাশ্যে গুলি চালানোসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক ঘটনার জন্য সিনেমা ও টিভি সিরিয়ালগুলোকে দায়ী করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয় ইউটিউব, ফেসবুকে প্রচারিত বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ ভিডিও এর জন্য দায়ী বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী।

রবিবার (৬ অক্টোবর) কলকাতা পুলিশের আবাসিক পূজার উদ্বোধন করেন মমতা। সেসময় তিনি বলেন, ইউটিউবের প্রভাব পড়ছে শিশুদের মধ্যে। সেখান থেকে খারাপগুলো শিখছে।

পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, টেলিভিশনে যত সিরিয়াল দেখবেন সেখানেও একাধিক অপরাধমূলক দৃশ্য দেখায়। যত সিনেমা রিলিজ হচ্ছে তাতেও ক্রাইম সিনে ভর্তি। আমি সিনেমাকে ছোট করছি না, বাংলা সিনেমা আরো বেশি করে বাড়ুক, এটা আমি চাই। কিন্তু টিভিতে সিরিয়ালগুলিতে ক্রাইমে ভর্তি থাকার কারণে আমিও দেখতে পারি না, টিভিটা বন্ধ করে দিই। এই ক্রাইম দেখে অনেকে সেই ক্রাইমগুলো অনুসরণ করে।

মমতার প্রশ্ন, কীসের জন্য এত ক্রাইম দেখানো হবে? সমাজকে কেন অবক্ষয়ের পথে নিয়ে যাচ্ছেন! তাদের কি দায়বদ্ধতা নেই? শুধু পুলিশকে গাল দিলেই হবে? আমাকে গাল দিলেই হবে? আপনাদের নিজেদের দায়বদ্ধতা কোথায়?

গত ৯ আগস্ট কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে শিক্ষানবিশ নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার করা হয়। এরপর গত ২ মাস ধরে একাধিক ঘটনা ঘটে চলেছে রাজ্যটিতে।

শুক্রবার (৪ অক্টোবর) রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জয়নগরের এক ৯ বছরের ছাত্রীর সঙ্গে ঠিক একই ধরনের জঘন্যতম ঘটনা ঘটে। ঠিক তার একদিন পর শনিবার(৫ অক্টোবর) পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুরে এক নারীকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। এরপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ধরে গণপিটুনি দেয় স্থানীয় উত্তেজিত মানুষ। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যু হয় অভিযুক্তের।

এইসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই মুখ্যমন্ত্রীর এদিনের এই মন্তব্য। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে দু-একটা ঘটনা কখনো ঘটে গেলে চিৎকার চেঁচামেচি, হাহাকার শুরু করে দিচ্ছে। মানুষের তা করা উচিত এবং তাদের সেই অধিকারও আছে। কিন্তু কেউ কি ইচ্ছা করে কখনো এসব ঘটায়?

এই সময় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ব্যবহারের বিষয় জনগণকে সতর্ক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি বারবার সবাইকে সতর্ক করছি। এখন এআই-এর যুগ। সেখানে আমার ছবি দেখবেন, আমার শরীর দেখবেন, আমার গলায় আমার বক্তব্য শুনবেন। কিন্তু ওটা ভুয়া, ওটা আসল নয়। এটাকেই বলে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স।

ভুয়া ভিডিও রুখে দেওয়ার জন্য রাজ্যের মানুষকে জোট বাধার আহ্বানও জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমার দৃঢ় বিশ্বাস আপনারা এই কাজটা রুখতে পারবেন। মমতার বার্তা ‘ক্রাইম ইজ ক্রাইম। অপরাধের মধ্যে কোনো ধর্ম নেই, বর্ণ নেই, জাতি নেই। যে অপরাধ করবে তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ’

যদিও মমতা এই বক্তব্য নিয়ে আরজিকর কাণ্ডে অভয়ার (ছদ্ম নাম) মা বলেছেন, কোনটা ঘটনা আর কোনটা দুর্ঘটনা তা রাজ্যবাসী বুঝতে পারছেন। পুলিশ যদি তথ্য প্রমাণ নষ্ট না করত; মেনে নিতাম আমার মেয়ের সঙ্গে যা হয়েছে তা দুর্ঘটনা। আসলে রাজ্যটাকে এখন আর মুখ্যমন্ত্রী চালান না। পুলিশ দিয়ে চালানো হচ্ছে। তাই বাংলায় এত অপরাধ বেড়েছে।

দেশবাসীর উদ্দেশে তারেক রহমানের নির্বাচনী অডিও বার্তা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
দেশবাসীর উদ্দেশে তারেক রহমানের নির্বাচনী অডিও বার্তা

আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক অডিও বার্তার মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে ভোট ও সমর্থন প্রার্থনা করেছেন।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দেশের মানুষের মোবাইল ফোনে পাঠানো এ বিশেষ বার্তায় তিনি ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

বার্তার শুরুতেই জনাব তারেক রহমান দেশবাসীকে সালাম জানিয়ে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট, দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন। এরপর তিনি দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ব্যক্ত করেন।

ওই অডিও বার্তায় তারেক রহমান জনগণের প্রতি তার দীর্ঘদিনের দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করে বলেন, তিনি অতীতেও সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও ইনশাআল্লাহ তাদের সঙ্গে থাকবেন।

বার্তার শেষে তিনি বিএনপির স্লোগান তুলে ধরে বলেন, করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।

তারেক রহমানের অডিও বার্তাটি দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশেষ উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে সরাসরি জনগণের কাছে পৌঁছানোর এ উদ্যোগটি নির্বাচনী প্রচারণায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

ঢাকা-১৬ আসন: বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক এর সঙ্গে ইসি কর্মকর্তার গোপন বৈঠকের অভিযোগ

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ
ঢাকা-১৬ আসন: বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক এর সঙ্গে ইসি কর্মকর্তার গোপন বৈঠকের অভিযোগ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনের মালামাল বিভাজন, বিতরণ ও গ্রহণ কমিটির আহ্বায়ক মো. কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তিনি ওই আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমিনুল হকের বাসায় ‘গোপন বৈঠক’ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কর্নেল (অব.) মো. আব্দুল বাতেন।

‎বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ইসি সচিব আখতার আহমেদের কাছে তিনি লিখিত অভিযোগ করেন। ওই লিখিত পত্রে নির্বাচনী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ ও দ্রুত বদলির দাবি জানানো হয়েছে।

‎অভিযোগে বলা হয়েছে, জামায়াত প্রার্থী আব্দুল বাতেন তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) মো. কামরুল হাসান বর্তমানে ঢাকা-১৬ আসনের নির্বাচনী মালামাল ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়কের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি গতকাল (১০ ফেব্রুয়ারি) বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হকের বাসভবনে এক গোপন বৈঠকে মিলিত হন। প্রমাণের সপক্ষে অভিযোগপত্রের সাথে ছবি ও ভিডিও সংবলিত একটি পেনড্রাইভও যুক্ত করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, নির্বাচনের মতো স্পর্শকাতর সময়ে একজন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মকর্তার প্রার্থীর বাসায় গিয়ে বৈঠক করা দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রার্থীর সঙ্গে কর্মকর্তার এমন সখ্যতা থাকলে ওই আসনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয় বলে দাবি করেন কর্নেল আব্দুল বাতেন। নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে তাকে অবিলম্বে সরিয়ে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

‎উল্লেখ্য, ঢাকা-১৬ (পল্লবী-রূপনগর) আসনে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির আমিনুল হক এবং জামায়াতে ইসলামীর কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেনসহ অন্যান্য প্রার্থীরা।

নীলফামারীর এসপিকে ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

অনলাইন নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
নীলফামারীর এসপিকে ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের

সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিনকে হয়রানি ও নির্যাতনের প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার এসকে জাহিদুল ইসলামকে ফ্যাসিবাদের ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে তার প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে তিনি সাবেক ডিবি প্রধান মনিরুল ইসলামের সহযোগী ছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব অভিযোগ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার আমির বেলাল উদ্দিন ব্যবসায়ী কাজে নগদ টাকা নিয়ে বিমানযোগে তার এলাকায় যাচ্ছিলেন। কাস্টমসের অনাপত্তিতে তাকে টাকা বহনের ছাড়পত্র দেয় ঢাকা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

কিন্তু সৈয়দপুর বিমানবন্দরে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে হেনস্তা করা হয়েছে। এমনকি তাকে নির্যাতন করে নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার এস কে জাহিদুল ইসলাম। এই নির্যাতনে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

এতে আরও বলা হয়, মিডিয়া ফ্রেমিং করে এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হয়েছে। আমরা গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল ভূমিকার পাশাপাশি মিথ্যা প্রচারণা থেকে বিরত থাকার আহবান জানাচ্ছি। সেই সাথে নাটকের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার এসকে জাহিদুল ইসলাম ফ্যাসিবাদের দোসর উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, তিনি সাবেক ডিবি প্রধান ভারতে পলাতক মনিরুল ইসলামের অন্যতম সহযোগী ছিলেন। তিনি জঙ্গি নাটক সাজিয়ে বিভিন্ন অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক দ্রুত ব্যবস্থা ও দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।

দেশবাসীর উদ্দেশে তারেক রহমানের নির্বাচনী অডিও বার্তা ঢাকা-১৬ আসন: বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক এর সঙ্গে ইসি কর্মকর্তার গোপন বৈঠকের অভিযোগ নীলফামারীর এসপিকে ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাহারের দাবি জামায়াতের ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই: ইসি সচিব ঢাকার দূষণ রোধে ৪৫২৮ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের